BATCH 2003 ABHS

  • Home
  • BATCH 2003 ABHS

BATCH 2003 ABHS Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from BATCH 2003 ABHS, Social service, .

ব্যাচ ২০০৩। আটি ভাওয়াল উচ্চ বিদ্যালয়।
15/07/2023

ব্যাচ ২০০৩। আটি ভাওয়াল উচ্চ বিদ্যালয়।

ব্যাচ ২০০৩।
15/02/2023

ব্যাচ ২০০৩।

আটি ভাওয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০৩ ব্যাচের কয়েকজনের ভেনিস ট্যুর।বন্ধুত্বের জয় হোক।
20/10/2022

আটি ভাওয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০৩ ব্যাচের কয়েকজনের ভেনিস ট্যুর।বন্ধুত্বের জয় হোক।

05/12/2021

IMPORTANT-
আজ কাল একটা বিষয় নিয়ে সবাই খুব চিন্তিত। সবাই চিন্তা করে তার সন্তানদের হয়তো সায়েন্স পড়ালেই বেস্ট হবে। ছেলে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হয়ে যাবে আর নয়তো কমার্স পড়ালেই ব্যাংকার বা চার্টার একাউন্টেন্ট। অনেকের তো ধারনা আর্টস পড়ে কি হবে??

বাবা মায়ের মনে একটা জিনিস নিয়েই চিন্তা হচ্ছে তা হল ছেলেকে কোন বিষয়ে ভর্তি করবেন। প্রথমেই বলে রাখি যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে গেলে তার পিছনে রয়েছে বিজ্ঞান সেটা বোঝা আগে প্রয়োজন কারণ সেটা না বুঝলে ছেলেমেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হবে। সকলেই পড়াশুনায় ভালো হবেন না এটাই স্বাভাবিক কিন্তু সঠিক সিদ্ধান্ত না নিতে পারার কারণেও অনেকের ভালো রেজাল্ট থাকা সত্বেও ওনারা সঠিক জায়গা করে নিতে পারেননা।

যে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য তার SWOT analysis প্রয়োজন। এটা খুবই সহজ একটা পদ্ধতি SWOT এর অর্থ হল S- Strength অর্থাৎ আপনার ছেলে কোন বিষয়ে শক্তিশালী, তার পড়াশুনো ছাড়া আর কি কি গুণ আছে। সেগুলোর ভবিষ্যৎ কি?

সকলকেই যে পুঁথিগত শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে এমনটাও নয় বরং অনেকেই আছেন যারা সঙ্গীত, ফাইন আর্টস বা এসব অন্য বিষয়ে বড় হয়েছেন। সেক্ষেত্রে ছেলের স্বপ্নটি না মেরে দিয়ে বরং তাকে নিজের পছন্দের বিষয়ে পড়তে দিলে তার উন্নতি সম্ভব।

অনেক বাবা মা চান তার ছেলে/ মেয়ে ডাক্তার হোক কিন্তু ছেলে/মেয়ে কি চাইছে সেটা গুরুত্ব দিতে চান না, যার ফলে ছেলের অবসাদগ্রস্থতা সৃষ্টি হয় এবং যা তার উন্নতির পথে অন্তরায় হয়ে ওঠে সেগুলোও গুরুত্ব সহকারে বুঝতে হবে বাবা মা কে। আবেগ রাখবেন না বরং বাস্তবতা দিয়ে বিচার করবেন।

তারপর আসে W- Weaknesses এক্ষেত্রে বোঝা প্রয়োজন যে আপনার ছেলে কোন বিষয়ে দুর্বল। সেটা জানা খুব জরুরী কারণ কোনো ছাত্র-ছাত্রী হয়তো অঙ্কে দুর্বল কিন্তু তাকে ভর্তি করা হল সায়েন্সে সেক্ষেত্রে তার উন্নতি কি সত্যি সম্ভব?

সেই ক্ষেত্রে কি করা উচিত সেটা অবশ্যই বলছি কিন্তু বাস্তবতা গুলো শুধু বোঝানোর চেষ্টা করছি। প্রতিবেশি কি করলো সেটিও দেখতে যাবেন না নিজেদের মতো করে সিদ্ধান্ত নিন। শিক্ষকদের পরামর্শ করুন ছেলের সাথে কথা বলুন বোঝার চেষ্টা করুন তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি।

এবার আসে O- Opportunity এক্ষেত্রে বোঝা দরকার, যে বিষয়ে ছেলে বা মেয়েকে ভর্তি করছেন তার মধ্যে ভবিষ্যতে কি কি সুযোগ আছে।

প্রথমেই বলে রাখা প্রয়োজন শুধুমাত্র সরকারি চাকরি নয়, বেসরকারি সরকারি চাকরির ক্ষেত্র গুলিও বোঝা প্রয়োজন। যেহেতু দিন দিন প্রতিযোগিতা বাড়ছে তাই সমস্ত ক্ষেত্রের জন্যই খোলা মানসিকতা থাকার প্রয়োজন। এমনকি ব্যবসা করার মতো কঠিন বিষয়গুলোও বিবেচনায় আনা জরুরী যেটা খুব কম বাবা-মা করেন।

এবার T- Threat অর্থাৎ আপনার ছেলে যে বিষয়টি নিয়ে পড়ছে তা পড়লে আপনার ছেলের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা।

অনেকেরই মনে হতে পারে এত জটিল সব ভাবনা কেন?

কিন্তু বাস্তবতা ধরলে এভাবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

কাজেই তোমার যে সাবজেক্ট ভালো লাগে, তুমি সেই বিষয় নিয়ে পড়ো। তোমার যদি খেলতে ভালো লাগে, খেলোয়াড় হওয়ার চেষ্টা করো। যদি সাহিত্য ভালো লাগে, তুমি লেখক হওয়ার কথা ভাবতে পারো। তোমার যদি বিজ্ঞান ভালো লাগে, তুমি অবশ্যই বিজ্ঞান নিয়ে পড়বে। তোমার যদি বিজ্ঞানও ভালো না লাগে, কবিতা পড়তে ভালো না লাগে, তুমি কমার্স নিয়ে পড়তে পারো।

এখন কথা হলো, যা-ই পড়ো না কেন, মন দিয়ে পড়তে হবে। ‘ও খুব ভালো সাবজেক্ট নিয়ে পড়ছে, আমারটা তো ভালো সাবজেক্ট পেলই না’-এর চেয়ে বড় ভুল কথা আর নেই। সব বিষয়ই ভালো, যদি তোমার সেটা ভালো লাগে, আর তুমি সেটা মন দিয়ে পড়ো।

সায়েন্স মানেই সেরা স্টুডেন্ট সেরা সাব্জেক্ট সেরা রেজাল্ট হবে ডাক্টার ইঞ্জিনিয়ার আর বিজ্ঞানী হয়ে যাবে বা কমার্স পড়লেই সে খুব বড় ইন্টারপ্রেনিয়র বা বিজনেস আইকন বা ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানিগুলোর সিইও বা ব্যাংকের এমডি হয়ে যাবে তা কিন্তু না।

আবার আর্টস পিছনের সারির ছেলেমেয়েরা পড়ে এই চিন্তা-ভাবনা এখন কিন্তু আর নেই। আর আর্টস পড়লেই যে শুধু শিক্ষকতার বা অধ্যাপনার কাজই করতে হবে তার কোনও মানে নেই।

ইতিহাসের মতো বিষয় রয়েছে, যা পড়ার পর আরকিওলজি বা প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে পড়া যায়, আরকিওলজিকাল সারভে অফ ইন্ডিয়ায় কাজ করা যায়। এছাড়া ভূগোল বা অর্থনীতির মতো বিষয় নিয়েও তো অনেক কাজ করা যায়।

ভূগোলে স্নাতক হতে চাইলে এখন অনেক কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি ও গণিত প্রয়োজন হয়। তাই উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ভূগোলের সঙ্গে এই দুটো বিষয় সঙ্গে রাখা খুবই জরুরি।

ভূগোল নিয়ে স্নাতক হওয়ার পরেই তুমি কার্টোগ্রাফার হিসেবে কাজ শুরু করতে পার যার জন্য স্নাতকোত্তর কোর্স করার দরকার হয় না। কার্টোগ্রাফার হলেন তারাই যারা মানচিত্র তৈরির কাজে যুক্ত থাকেন।
এছাড়া স্নাতকোত্তর ডিগ্রির পর জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম বা জি. আই.এস অফিসার পদের জন্য আবেদন করা যায়।

এছাড়া আবহাওয়া দফতরেও কিন্তু কাজের সুযোগ রয়েছে। অর্থনীতির ক্ষেত্রেও একই কথা। অর্থনীতি নিয়ে পড়ে শুধু যে পড়াতেই হবে তার কোনও মানে নেই।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে শুরু করে বড় বড় সরকারী ও বেসরকারী ব্যাঙ্কে উচ্চপদে কিন্তু অর্থনীতি পড়া মানুষের কদর বেশি। আর্টসে থেকে অনেকে কিন্তু আইন নিয়েও পড়াশোনা করে। আর আইন নিয়ে পড়ে শুধু যে ওকালতিই করতে হবে তার মানে নেই। বড় ‘ল’ ফার্মে যোগ দিয়ে কাজ শিখে বড় বড় কোম্পানির আইনগত দিকগুলোর দেখভাল করা যায়। আর এতে টাকাও অনেক বেশি উপার্জন করা যায়।

এছাড়া ব্যাংক বিসিএস এর এখন অনেক প্রশ্ন আর্টস কেন্দ্রিক। বিসিএস এর প্রিলিতে সুশাসন পৌরনীতি রাস্ট্র বিজ্ঞান ভুগোল মনসস্তত্ত্ব ইংরেজি লিটারেচার বাংলা লিটেরেচার নৈতিকতা ও মূল্যবোধ আই মিন প্রায় ১০০ আউট অফ ২০০ ই আর্টস এর। মজার ব্যাপার কমার্স এর কিচ্ছু নাই। আর সায়েন্স এর ম্যাথ আর বিজ্ঞান। বাংলা আর ইংরেজি গ্রামার তো সবার জন্য সেম ই। আমি মনে করি এখানে আর্টস ফ্যাকাল্টি এগিয়ে থাকে যসি সে ম্যাথ আর ইংরেজীতে ভালো হয় এবং বিজ্ঞান ও সাম্প্রতিক বিশ্বের ব্যাপারে ও আইসিটির ব্যাপারে ভালো দখল থাকে।

আর এই সাব্জেক্ট কেন্দ্রিক বিভাজন টার জন্য দায়ী তিনটা জিনিস
১. স্কুল শিক্ষকদের বিভাজন সৃষ্টি যে ভালো স্টুডেন্ট হলেই তাকে সায়েন্স ই নিতে হবে ম্যাথ ভালো হলেই তাকে সায়েন্স নিতে হবে আর্টস নেয় খারাপ স্টুডেন্টরা এই থিউরি মাথা থেকে বের করতে হবে।

২. স্টুডেন্ট ও তাদের গার্ডিয়ান দের। কারন তারা দুইজনই চায় পড়াশউনা করে ডাক্তার আর ইঞ্জিনিয়ার ই হবে আর কোন পেশা দুনিয়াতে নাই তাই এটাই হতে হবে। যা টাকা খরচ হবার হোক। তাও এটাই করবে। তারা বুঝে সায়েন্স পড়াইলেই বাচ্চা ব্রিলিয়ান্ট আর পোলাপান ও মনে করে সায়েন্স পড়লে ভালো স্টুডেন্ট এর একটা ভাব নেয়া যায়। এটাও একটা মেন্টালিটির প্রব্লেম।

৩. আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় ক্যারিয়ার প্ল্যানিং নিয়া কোন কারিকুলাম ই নাই। প্রতিটা ক্লাসে এব্যাপারর বই থাকা দরকার ক্লাস নেয়া দরকার। সবাইকে জানানো দরকার কোন লেভেল এ কি ধরনের পড়াশুনা দরকার। এবং নিয়মিত ক্যারিয়ার কাউন্সিলিং আর গ্রুমিং আর টাচে থাকতে হবে ক্যারিয়ার ওরিয়েন্টেড দের সাথে। (যদিও ক্যারিয়ারই সব কথা নয়, শিক্ষা গ্রহনই মুখ্য)

পুনশ্চঃ
ডেভিড শ্যাংকস নামের একজন লেখক একটা বই লিখেছেন, দ্য জিনিয়াস ইন অল অফ আস। তিনি গবেষণা করে দেখিয়েছেন, আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই জিনিয়াস বসত করে। আমাদের জিন আমাদেরকে শেক্সপিয়ার কিংবা আইনস্টাইন কিংবা মেসি সাকিব বানাতে পারে। কিন্তু সবাই তো আর সাকিব শেক্সপিয়ার বা আইনস্টাইন হয় না। যখন কেউ কোনো একটা বিষয়ে খুব গভীরভাবে সাধনা করে, সেই বিষয়টাকে ভালোবাসে, তখন তার ভেতরের জিন জেগে ওঠে। আর যে চেষ্টা করে না, তার ভেতরের জিন আর কোনো কাজেই লাগে না।

তাই চেস্টা, ইচ্ছা আর প্রতিজ্ঞা পারবে অসম্ভবকে সম্ভব করতে।

Copy from Maruf rajon bhai

02/11/2021
16/08/2021
16/06/2021

বাচ্চাকাচ্চা পালা কোনো সহজ ব্যাপার না। পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজগুলার একটা হইলো বাচ্চা পালা। হয়তো সবচেয়ে কঠিন কাজই এইটা।
একটা বাচ্চা পেটে আসা থেকে শুরু করে, দশ মাস পেটে রাখা, নিজের স্বাস্থ্য ঝুঁকি, ফিগার চেইঞ্জ হয়ে যাওয়া,এরপর বাচ্চা জন্ম দেওয়ার প্রসেসটা, তারপর সেই কথা না বলতে পারা, কিছু না বুঝতে পারা সন্তানকে প্রতিদিন দেখাশোনা করে,নিজের বুকের দুধ খাওয়ানো, হাঁটা, দৌঁড়ানো, কথা শিখানো,হাজার হাজার টাকা খরচ করে বড় করাটা সবকিছু একটা ভয়ংকর চ্যালেঞ্জ৷ প্রতিটা মুহুর্তে নতুন নতুন একটা করে চ্যালেঞ্জ।

যেই চ্যালেঞ্জটা আপনি নিজ ইচ্ছায় নিছেন। যেই চ্যালেঞ্জটা নেওয়া না নেওয়ার অপশন আপনার আছে। একটা শিশু পেটে আসলে সেই মুহুর্ত থেকে তাকে বড় করা পর্যন্ত কী করতে হয় এটা ক্লাস টু এর বাচ্চাও জানে। আপনি সব জেনে বুঝে এই সিদ্ধান্ত, চ্যালেঞ্জ নিসেন।
এই চ্যালেঞ্জ নেওয়ার পেছনে আপনার সন্তানের একফোঁটা কোনো ইনফ্লুয়েন্স ছিলোনা। এক ফোঁটাও না। কিন্তু এই সন্তান একটু বুঝতে শিখতে না শিখতে আপনি তার উপরে তার অনিচ্ছায় হাজারটা চ্যালেঞ্জের বোঝা বসায়ে দিচ্ছেন। কেনো? সে তো চায়নাই।

একটা মানুষকে নিজ ইচ্ছায় পৃথিবীতে এনে তার উপরে বোঝা চাপায়ে দেওয়ার মানে কী?

বাচ্চা নেওয়ার ডিসিশন আপনারা কেনো নেন? কখন নেন?

১. বিয়ে হয়ে গেসে। বাচ্চা নিই।
> না। বিয়ে হইলেই বাচ্চা নিতে হয়না। এরেঞ্জ ম্যারেজ,লাভ ম্যারেজ যাই হোক একটা মানুষের সাথে একসাথে থাকার ব্যাপারটা অন্যরকম। যতই ১০ বছরের প্রেম হোক না কেনো, একসাথে যখন আপনারা থাকবেন যখন আপনাদের বাসা,বাথরুম, বিছানা শেয়ারড হবে, তখনের ব্যাপারটা অন্যরকম। মানুষটা যখন আপনার খেলা; সিরিয়াল দেখার সময় সিরিয়াল/খেলাও দেখতে চাইবে,যখন বাথরুমে ১০ মিনিট বেশি লাগাবে,ব্রাশ যে তাকে রাখার কথা সেখানে না রেখে অন্য তাকে রাখবে, আপনার সামনে খাইতে খাইতে পাদ দিবে তখন ব্যাপারটা অন্যরকম। আপনাদের দুইজনের দুইজনকে আরো কাছে থেকে জানা, বুঝার ব্যাপারটা তখন চলছে। আপনারা আগে নিজেদের সম্পর্কে জানুন।

২. স্বামী অফিসে, বাসায় একা ভালো লাগেনা। একটা বাচ্চা নিই।
> আপনার ভালো লাগেনা ঠিক করার জন্য টিভি, কম্পিউটার, মোবাইলে হাজার হাজার কন্টেন্ট পাওয়া যায়। সেগুলা দেখুন। বই পড়ুন,গাছ লাগান, ছবি আঁকেন, আকাশ দেখেন,গল্প করেন প্রতিবেশীর সাথে। দয়া করে ভালো লাগানোর জন্য, একাকীত্ব কাটানোর জন্য বাচ্চা নিবেন না। বা কুকুর, বিড়াল পালা শুরু করবেন না। ওরা আপনার এন্টারটেইনমেন্টের বস্তু না।

৩. স্বামীর সাথে বনিবনা হচ্ছেনা। একটা বাচ্চা নিলে ব্যাপারটা ঠিক হয়ে যাবে।
> না। ব্যাপারটা ঠিক হয়ে যায়না তখন। তখন আপনার স্বামী একটা অন্য লেভেলের রেসপন্সিবিলিটিতে আঁটকে যায়। সন্তান খুশির খবর, কিন্তু সন্তান বড় করাটা সহজ না। তাই অলরেডি আপনার সাথে কম বনিবনার মানুষটাকে আপনি আরো ফ্রাস্ট্রেশনে ফালায়ে দিচ্ছেন। তার ফ্রাস্ট্রেশন নিজের মধ্যে ঢুকাচ্ছেন৷ নিজেদের ঝগড়া দেখিয়ে দেখিয়ে বাচ্চাকেও ফ্রাস্ট্রেশনে ফালায়ে দিচ্ছেন।

৪. পরিবার থেকে চাপ দিচ্ছে।
> এই চাপ আপনি সামলানোর জন্য কেপ্যাবল না হলে বাচ্চা নেওয়ার দরকার নাই। যে বাচ্চাটা আপনি নিজেই চাপে পরে নিতে চাচ্ছেন সেই বাচ্চাকে আপনি কী পরিমাণ চাপে রাখবেন এবং আপনার জীবনে কত চাপ সহ্য করসেন সেই লেকচার দিবেন সেইটা বুঝাই যাচ্ছে৷

৫. ভবিষ্যতে সন্তান দেখবে আমাকে।
> সন্তানকে ব্যাংক মনে করলে একটু সমস্যা। আপনার সন্তান ভবিষ্যতে আপনাকে তখনই দেখে রাখবে,ভালোবাসবে যখন সে একটা সুন্দর পরিবেশে , সঠিক শিক্ষা পেয়ে বড় হবে৷ যখন আপনার প্রতি সম্মান তার মন থেকে আসবে, জোর করে না৷ সন্তানকে পড়াশোনা করানোর জন্য মেরে পিটায়ে শুধু রাতের বেলা প্লেটে ইলিশের মাথা দিলেই হয়না। আর তাছাড়া সন্তান মরেও যাইতে পারে,সরি ট্যু সে।

৬. আমার বাবু অনেক ভালো লাগেএএএএ। রাস্তায় বাবু দেখলেই চুমু খাই।
> শাড়ি /পাঞ্জাবি অনেক ভালো লাগলে শাড়ি/পাঞ্জাবি কিনবেন৷ বাবু ভালো লাগলেই বাবু নিতে হয়না। এত এক্সাইটেড হয়ে আনন্দ করার উদ্দেশ্যে বাবু নিলে কাজ করতে যেয়ে পাগল হয়ে যাবেন৷ তখন আর বাবু ভালো লাগবেনা। সব জেনে বুঝে প্রস্তুত হয়ে বাবু নিবেন। এবং রাস্তাঘাটে অবশ্যই হুট করে গিয়ে কোনো বাবুকে জড়িয়ে ধরা,কোলে নেওয়া, চুমু খাওয়ার মত অদ্ভুত এবং ফালতু কাজ করবেন না। বাচ্চার এবং বাচ্চার গার্ডিয়ানের সাথে কথা বলে এপ্রোচ করবেন।

আরো অনেক আজব আজব কারণ আছে যেগুলো সব আমার আসলে মনেও নেই। কিন্তু,প্লিজ, আপনি তখনই বাচ্চা নিন যখন আপনি,

১. মেন্টালি ক্যেপাবল।
> আপনি মেন্টালি অসুস্থ হলে একটা বাচ্চা সামলানোর জন্য যে ধৈর্য্য,পরিশ্রম দরকার সেটা আপনি করতে পারবেন না। ছোটবাচ্চা কিছু হলেই কাঁদবে, সারারাত কাঁদবে, সেই কান্না আপনার শুনতে হবে। সহ্য করে ওকে আদর করে থামাতে হবে।আপনার বাচ্চার কার্টুন, নতুন নতুন বন্ধুদের গল্প শোনার ইচ্ছা আপনার থাকতে হবে তখন৷ কে কী বলেছে সেসব শুনে বাচ্চাকে শান্ত করতে হবে আপনার প্রায় প্রায়।

২. শারীরিকভাবে সুস্থ।
> একটা বাচ্চা বড় করা প্রচন্ড পরিশ্রমের কাজ। সেই পরিশ্রম করার শক্তি আপনার থাকতে হবে। দিনশেষে ক্লান্ত হলেও বাচ্চার উপর বিরক্ত না হয়ে, দুধ গরম করতে হবে। কোলে করে দুলিয়ে দুলিয়ে ঘুম পাড়াতে হবে। হাগু পরিস্কার করে দিতে হবে। হঠাৎ মুখে কী দিয়ে চাবাচ্ছে দৌঁড় দিয়ে ওর কাছে গিয়ে সেটা চেক করতে হবে। এই কাজগুলোর জন্য যে সুস্থতা আপনার স্বাভাবিকভাবে দরকার, যে এনার্জিটা দরকার সেটা থাকতে হবে।

৩. ফাইন্যান্সিয়ালি স্টেবল।
> বাচ্চার জামাকাপড়,সেরেলাক, ডায়পার এবং অবশ্যই চিকিৎসার জন্য আপনার স্টেবল ইনকাম সোর্স থাকতে হবে। এখন যেকোনো চাকরি হঠাৎ চলে যেতে পারে অবশ্যই,সেক্ষেত্রে স্টেবল কথাটা খাটেনা। কিন্তু মেইক শিওর চাকরি চলে গেলেও আপনার বাচ্চার না খেয়ে, অসুস্থ হয়ে থাকতে যেনো না হয়। পৃথিবীতে অলরেডি অনেক শিশু না খেয়ে আছে,পারলে তাদের খাওয়ানোর ব্যবস্থাও করা উচিত।

২. ছেলে সন্তান,মেয়ে সন্তানের মধ্যে পার্থক্য করেন না।
> এই গুনটা না থাকলে বাচ্চা নিবেননা দয়া করে। আপনি যদি একজন সেক্সিস্ট হন, তাহলে সেই পরিবারে কন্যাসন্তান জন্ম নিলে কী হতে পারে আমি চিন্তাও করতে ভয় পাই।

৩. সন্তান আমার সাকসেসর বা কার্বন কপি বা আমার আলাদীনের চেরাগ না- এই ব্যাপারটা বুঝতে পারবেন এবং মেনে নিবেন।
> আমাদের সবারই জীবনে কোনো না কোনো রিগ্রেট থাকে। কিন্তু এই রিগ্রেটগুলা সন্তানকে দিয়ে পূরণ করানোর চেষ্টা করবেন না। তাদের নিজের লাইফ গোলস নিজের সেট করতে হবে এবং সে তা করবেও। আপনার ইচ্ছা তার উপর চাপিয়ে তার মনের মধ্যে "বাবা-মা বড় নাকি স্বপ্ন" টাইপের বাংলা সিনেমার কনফ্লিক্ট সৃষ্টি করবেন না। গাইড করা আর চাপিয়ে দেওয়া এক জিনিস না। পাশের বাসার ভাবী বা ভাইয়ের ছেলে মেয়েকে দেখে তখন আর এত আফসোস হবেনা।
এবং মনে রাখবেন, আপনার সন্তানের চিন্তা ভাবনা, পরিবেশ, বিশ্বাস আলাদা হতে পারে,হবেও। সেটা আপনার মেনে নিতে জানতে হবে।

৪. সন্তানকে মেন্টাল সাপোর্ট দিতে পারবেন।
> আপনার সন্তানের সবচেয়ে বড় মেন্টাল সাপোর্ট আপনি। বড় হতে হতে ব্যাপারটা পরিবর্তন হতে পারে,কিন্তু বেড়ে ওঠার বয়সটায় আপনিই ওকে সাপোর্ট দিবেন। সন্তান প্লেট ভাংলে,না পড়তে চাইলে, এটা সেটা খেয়ে ফেললে অনুগ্রহ করে তাকে মারবেন না। তাকে বুঝিয়ে বলবেন,ভুল ঠিক করতে সাহায্য করবেন। সন্তানের গায়ে হাত তোলা তো জঘন্য একটা স্টেপ!

৫. নিজে শিক্ষিত হবেন এবং সন্তানকে শিক্ষা দিবেন।
> সঠিক শিক্ষা মানেই অংক ইংলিশে ১০০/১০০ না। সঠিক শিক্ষা মানে ছেলে অংকে ৬০ পেয়ে ওর প্রিয় সাবজেক্টে ৯০ পেলে সেটায় খুশি হওয়া। এনকারেজ করা। সেটা নিয়ে নিজে আরো জানা। এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনি অংক পারেনা বলে ভালোমতো অংক করতে বলতে পারবেন না এমনটা বলছিনা। বলছি যেই মুহুর্তে ও ওর প্রিয় সাবজেক্টে ভালো করেছে সেই মুহুর্তে অংকের রেজাল্ট নিয়ে কথা বলে,বকাবকি করে ওর আনন্দ মাটি না করে দেওয়া। সঠিক শিক্ষা মানে ওকে নিজের কাজ নিজে করতে, বেসিক লাইফস্কিলস শিখানো। গল্প এবং হেলদি আলোচনার মাধ্যমে ভুল ঠিক শিখানো। এবং সন্তানের কাছ থেকেও যে আপনার অনেক কিছু শেখার আছে এই ব্যাপারটা উপলদ্ধি করতে পারবেন।

বাবা মা হওয়ার ফলে আপনাদের যে সুপিরিয়রিটি কমপ্লেক্সটা কাজ করে সেটা থেকে বের হয়ে আসুন প্লিজ। পৃথিবীর সব মানুষ ভুল করে। বাবা-মাও ভুলের উর্ধে না। কখনো ছিলোওনা৷ কোনোদিন হবেনা। নিজেকে এই মিথ্যা কথাটা জুসের মত গুলিয়ে খাওয়ানো বন্ধ করুন। অন্যদেরও বন্ধ করতে সাহায্য করুন। একজন বাবা মা হলেই সে সাধু এই চিন্তা থেকে বেড়িয়ে আসুন। এবং এই অপদার্থ, অসুন্দর বাবা-মাগুলার ভুল ওভারলুক না করে তাদের কল আউট করুন।
একজন সন্তান নেওয়ার আগে ছেলে, মেয়ে, ট্রান্স, প্রতিবন্ধী যেকোনো সন্তানকে ডিস্ক্রিমিনেট না করে নিজের বুকে আগলে নেওয়ার প্রিপারেশন নিন। এই পৃথিবীটা এমনিই অনেক দুঃখে ভরা। নিজের ঘরের সন্তানকে অন্তত দুঃখ দিয়েন না। এই দুঃখভরা পৃথিবীতে ওরা কেও শখ করে আসেনাই। আপনি নিয়ে আসছেন। ওদের কষ্টগুলো বুঝুন,ওদের কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। আপনার সন্তান আপনার সম্পদ না। সে আপনার অত্যন্ত কাছের একজন মানুষ। তাকে মানুষ হিসেবেই দেখুন। সংগৃহীত

ইতালিয়ান ইকোনমিক হিস্টরিয়ান চিপলা এই ম্যাট্রিক্সটি আনেন, একে বলে চিপোলা ম্যাট্রিক্স। তিনি দেখান (১৯৭৬) যে, স্টুপিড মানুষ...
16/03/2021

ইতালিয়ান ইকোনমিক হিস্টরিয়ান চিপলা এই ম্যাট্রিক্সটি আনেন, একে বলে চিপোলা ম্যাট্রিক্স।

তিনি দেখান (১৯৭৬) যে, স্টুপিড মানুষেরা হচ্ছে দুনিয়ার জন্য সবচাইতে ক্ষতিকর। বাম দিকের কোনায় দেখেন।

বুদ্ধিমান লোক - তার নিজের লাভ করে + অন্যের লাভ করে

খারাপ লোক বা ডাকাত ধরা যাক - নিজের লাভ করে কিন্তু অন্যের ক্ষতি করে

দূর্বল বা হেল্পলেস মানুষ - নিজের ক্ষতি করে কিন্তু অন্যের লাভ হয় এতে

আর স্টুপিডেরা - নিজের ক্ষতি করে, অন্যেরও ক্ষতি করে

তিনি স্টুপিডিটির পাঁচ মৌলিক সূত্র দেন।

১। চারপাশে স্টুপিড মানুষের সংখ্যাকে মানুষ সবসময় ও অবশ্যম্ভাবী ভাবে আন্ডার এস্টিমেট করে। অর্থাৎ মনে করে তারা কম আছে, কিন্তু প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি।

২। কোন মানুষের পেশা, শিক্ষা দীক্ষা বা চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও তার স্টুপিড হবার সম্ভাবনা স্বাধীন। অর্থাৎ, সে কি করে, বা কেমন এটা দ্বারা স্টুপিড হবার সম্ভাবনা প্রভাবিত নয়। (এই কারণে আমরা যেকোন পেশা ও শিক্ষার স্টুপিড লোক দেখোতে পারি।)

৩। একজন স্টুপিড অন্য কোন ব্যক্তি বা গ্রুপের ক্ষতি করে নিজের কোন লাভ না করে, ইভেন নিজের লস করে।

৪। যারা স্টুপিড না তারা সব সময় স্টুপিডদের ধ্বংসাত্মক ক্ষমতাকে আন্ডার এস্টিমেট করে। যারা স্টুপিড না তারা ভুলে যায় যে, যেকোন সময়ে যেকোন জায়গায় ও যেকোন পরিস্থিতিতে কোন স্টুপিডের সাথে ইন্টারেকশন বা সামাজিকতা কস্টলি মিস্টেক বা ক্ষতিকর ভুল ডেকে আনে।

৫। স্টুপিড মানুষেরা মানুষের মধ্যে সবচাইতে বিপদজনক।

এই পাঁচ সূত্র আমি মনে রাখার চেষ্টা করি। স্টুপিডের বাংলায় মূর্খ লেখি, কিন্তু এই জায়গায় স্টুপিডই লেখলাম যাতে কেউ অশিক্ষিত অর্থে মূর্খ না বুঝেন। মূর্খ বলতে স্টুপিডই বুঝাই।

-Muradul Islam

20/02/2021

ভাষা আমার বাংলা তাই
বাংলায় কথা কই,
বাংলা আমার স্বদেশভূমি
বাংলায় বেঁচে রই।

বাংলা আমার চোখের জ্যোতি
বাংলা আমার আপন,
বাংলা আমার মুখের বুলি
বাংলা বুকের কাঁপন।

ভাষার মাসের একুশ তারিখ
স্মৃতির ফেব্রুয়ারি,
একুশ আমার প্রাণের দোসর
ভুলতে কি আর পারি?

একুশ আমার মায়ের ভাষায়
কথা বলার সুর,
একুশ আমার মাকে ডাকার
ডাক যে সুমধুর!

বাংলা মায়ের সুর যে আমার
সঞ্জীবনী সুর,
বাংলা আমার, আমি বাংলার
নই তো বহুদূর।

একুশ সে তো রফিক,
শফিক, সালাম, বরকত,
একুশ সে তো রক্তস্রোতে
রঙিন রাজপথ।

একুশ হলো বায়ান্নের
ভাষা আন্দোলন,
একুশ হলো বোনের সাথে
মধুর আলাপন।

একুশ আমার
অ আ ক খ ঙ বাঙময়,
একুশ আমার
দৃপ্ত সুখে বাংলার কথা কয়।

জগৎ সেরা ভাষা আমার
বাংলা মধুর ভাষা,
প্রাণের প্রিয় বাংলা আমার
প্রাণের ভালোবাসা।
কার্টেসি: শামীমা ফেরদৌসী বুবলী

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BATCH 2003 ABHS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your organization to be the top-listed Government Service?

Share