02/09/2026
গতকাল তারেক রহমানকে লেখা ডোনাল্ড ট্রাম্পের চিঠিটা দেখেছেন তো?
হোয়াইট হাউজের ভবিষ্যৎ অধিপতি সরাসরি লিখে পাঠালেন: নিকট ভবিষ্যতে আপনার (তারেক রহমান) সঙ্গে মিটিং করার জন্য অপেক্ষা করছি।
ওয়েট, এটা কোনো রুটিন লেটার না ব্রাদার! ইট’স আ পিওর জিওপলিটিক্যাল পাওয়ার মুভ!
ক্রনোলজিটা একটু মাথায় ঢুকান:
আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান নিউইয়র্কের মাটিতে পা রাখলেন।
ঠিক তার ২৪ ঘণ্টার মাথায় ট্রাম্পের সিলমোহর মারা অফিশিয়াল চিঠি সোজা ঢাকার টেবিলে ল্যান্ড করলো!
অধিবেশন শুরু হওয়ার পুরো এক সপ্তাহ আগেই খলিলুর রহমান কেন নিউইয়র্কে? কারণ অধিবেশন শুরু হলে তো উনি পুরা দুনিয়া শাসন করবেন- জাতিসংঘ অধিবেশনের ‘প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে গ্যালারিতে বসে নয়, প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসে হাতুড়ি পেটাতে হবে! তার আগেই দুনিয়ার মোড়লদের সাথে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাইড-মিটিংয়ের মেগা ডিলগুলো ফাইনাল করা শেষ!
দিস ইজ কল্ড ‘নেক্সট লেভেল ডিপ্লোমেসি’!
মনে আছে নির্বাচনের আগের সেই ঐতিহাসিক ডায়ালগ?
ড. খলিলুর রহমান প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিলেন- প্রধানমন্ত্রী, এই অল্প সময়ে আপনি আমাকে আক্ষরিক অর্থেই একটা ‘ইম্পসিবল মিশন’-এ পাঠাচ্ছেন! তারেক রহমান একগাল হেসে এক লাইনে জবাব দিয়েছিলেন- আপনি পারবেন, ইনশাআল্লাহ!
ব্যস! মিশন ইম্পসিবল এখন ‘মিশন সাকসেসফুল’!
টানা ৪০ বছর পর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সভাপতির আসনে বসতে যাচ্ছে! আর সেই চেয়ারে বসছেন আমাদের রানিং পররাষ্ট্রমন্ত্রী! যিনি জাতিসংঘে ডিবেট কন্ট্রোল করবেন, পরাশক্তিদের সমঝোতা সমন্বয় করবেন- এক কথায়, এবার বিশ্বমঞ্চের ড্রাইভিং সিটে বাংলাদেশ!
যাঁরা বলতেন এদের দিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনীতি হবে না- ভাই, বার্নলের স্টক কেমন আছে আপনাদের? মাত্র ৬ মাসের মাথায় পররাষ্ট্রনীতিতে যে ঐতিহাসিক ইউ-টার্ন আর ম্যাসিভ গেম চেঞ্জ ড. খলিলুর রহমান এনে দিলেন- এটা শুধু ক্যাবিনেটের টপ পারফর্মেন্স না, এটা বাংলাদেশের কূটনীতির ডিকশনারি নতুন করে লেখার মতো ইভেন্ট!
হেটার্সরা এখন প্রেস কনফারেন্সের মাইক্রোফোন খুঁজবে আর আমরা দেখছি নিউ বাংলাদেশ মেকিং হিস্ট্রি অন দ্য গ্লোবাল স্টেজ!
সবুর করেন, ট্রাম্প-তারেক রহমান সাইড মিটিংয়ের পর্দা যখন আনুষ্ঠানিকভাবে উঠবে, ভূরাজনীতির বাতাস কোনদিকে ঘুরে- খালি চোখ খোলা রেখে তামাশা দেখেন!
Copyright by- Ibrahim khaled