01/02/2026
দেশত্যাগ করা জামাত নেতাদের তালিকা
১. গোলাম আযম
১৯৭১: মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানে অবস্থান।
১৯৭২: বাংলাদেশ সরকার তার নাগরিকত্ব বাতিল করে।
১৫ আগস্ট ১৯৭৮: জিয়াউর রহমানের শাসনামলে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন।
১৯৯১: নাগরিকত্ব ফিরে পান, জামাতের রাজনীতি পুনরায় শুরু।
২০১৩: যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত (৯০ বছরের কারাদণ্ড)।
২৩ অক্টোবর ২০১৪: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু।
২. আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ
১৯৭১: পাকিস্তানে অবস্থান; আলবদর বাহিনীর নেতৃত্বে সক্রিয় ভূমিকা।
১৯৭২–১৯৭৮: পাকিস্তানে অবস্থান, পরে সৌদি আরব গমন।
প্রায় ১৯৮০: বাংলাদেশে ফিরে এসে জামাতের রাজনীতিতে সক্রিয়।
২২ নভেম্বর ২০১৫: যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত হয়ে ফাঁসি কার্যকর।
৩. মতিউর রহমান নিজামী
১৯৭১: আলবদর বাহিনীর প্রধান সংগঠক।
১৯৭২–১৯৭৭: পাকিস্তানে অবস্থান।
১৯৭৮: বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন।
১১ মে ২০১৬: যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত হয়ে ফাঁসি কার্যকর।
৪. মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী
১৯৭১–১৯৭৭: যুদ্ধ–পরবর্তী সময়ে সৌদি আরবে অবস্থান।
১৯৭৮–৭৯: বাংলাদেশে ফিরে এসে রাজনীতিতে যুক্ত হন।
৫. চৌধুরী মুঈনউদ্দিন
ডিসেম্বর ১৯৭১: বুদ্ধিজীবী হত্যার পরপরই দেশত্যাগ; পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাজ্যে গমন।
১৯৯৫ থেকে: যুক্তরাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাস, জামাতপন্থী আন্তর্জাতিক সংগঠনে যুক্ত।
২০১৩: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড; পলাতক।
বর্তমান: এখনো দেশে ফেরেননি।
৬. আশরাফুজ্জামান খান
১৯৭১: বুদ্ধিজীবী হত্যার অন্যতম অভিযুক্ত।
১৯৭২: যুক্তরাষ্ট্রে দেশত্যাগ।
২০১৩: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড।
বর্তমান: পলাতক অবস্থায় বিদেশে অবস্থান।
৭. ঘসিয়াতুল হক মজনু
১৯৭১: আলবদর বাহিনীর সঙ্গে সম্পৃক্ত।
১৯৭২–১৯৮০: পাকিস্তানে অবস্থান।
১৯৮০–এর পর: বাংলাদেশে ফিরে এসে জামাতের রাজনীতিতে যুক্ত।
৮. ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক
মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে সক্রিয় ছিলেন।
বিচার প্রক্রিয়া চলাকালেই দেশত্যাগ করেন এবং বিদেশে অবস্থান নেন।
এরা কেউ নাকি পালাননি—
কেউ “পাকিস্তানে ছিলেন”,
কেউ “সৌদিতে ইলম হাসিল করছিলেন”,
কেউ “যুক্তরাজ্যে মানবাধিকার চর্চা করছিলেন”!