01/09/2026
#আলাউদ্দীন_মোহাম্মাদ
#রাজনীতিক, অর্থনীতিবিদ, গবেষক ও নীতি-বিশ্লেষক
**আলাউদ্দীন মোহাম্মাদ (Alauddin Mohammad) ** বাংলাদেশের উদীয়মান নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকদের একজন। অর্থনীতি ও উন্নয়ন অধ্যয়ন, গবেষণা, নীতি-পর্যালোচনা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং কৌশলগত বিষয়ে দীর্ঘদিনের একাডেমিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের বিকাশ ঘটেছে। বর্তমানে তিনি **জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP)-এর যুগ্ম সদস্য সচিব**, দলের **Diaspora Cell-এর Lead** এবং **International Relations Cell-এর Co-Lead** হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি ঢাকাভিত্তিক নীতি ও কৌশলগত গবেষণা প্রতিষ্ঠান **Institute for Policy, Governance and Development (IPGAD)-এর Executive Director**
তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো—অর্থনীতি, উন্নয়ন, শাসনব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একাডেমিক অধ্যয়নকে তিনি রাজনৈতিক চিন্তা ও নীতি-আলোচনার সঙ্গে যুক্ত করেছেন। ফলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তর, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, বৈদেশিক নীতি, কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন, দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রশ্ন তাঁর রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
#শিক্ষা ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ
আলাউদ্দীন মোহাম্মাদের শিক্ষাজীবনের মূল ভিত্তি অর্থনীতি ও উন্নয়ন অধ্যয়ন। তিনি **ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে** উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত **South Asian University-এর Faculty of Economics**-এ Development Economics নিয়ে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়ন করেন। তাঁর একাডেমিক কাজের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি, উন্নয়ন, কাঠামোগত রূপান্তর এবং দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ককে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে।
South Asian University-তে অধ্যয়নকালে তিনি **Development Study Group (DSG)** প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের Faculty of Economics-এর শিক্ষার্থীদের মধ্যে অর্থনীতি ও উন্নয়নকেন্দ্রিক চিন্তাভাবনা এবং দক্ষিণ এশীয় উন্নয়ন-চিন্তাবিদদের মধ্যে নেটওয়ার্ক তৈরির লক্ষ্যে কাজ করত। DSG-এর নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, আলাউদ্দীন মোহাম্মাদ ছিলেন এর প্রতিষ্ঠাতা। ([Development Study Group])
তাঁর একাডেমিক যাত্রা পরবর্তীতে গবেষণার দিকে আরও বিস্তৃত হয়। তিনি **International Islamic University Malaysia (IIUM)**-এর Institute of Islamic Banking and Finance-এ PhD গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন/আছেন। তাঁর গবেষণা-প্রোফাইলে Financial Economics, Development Economics এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজের উপস্থিতি দেখা যায়।
#পেশাগত জীবন
রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার আগে আলাউদ্দীন মোহাম্মাদ শিক্ষকতা, গবেষণা ও নীতি-গবেষণার বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করেছেন।
তিনি **International University of Business Agriculture and Technology (IUBAT)**-এর Department of Economics-এ Lecturer হিসেবে শিক্ষকতা করেছেন। পরবর্তীতে **Uttara University**-তে Economics-এর Lecturer হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি **Center for Career Development (CCD)-এর Additional Director** হিসেবে কাজ করেছেন। তাঁর নিজস্ব পেশাগত প্রোফাইল অনুযায়ী, শিক্ষকতা ও প্রশাসনিক দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও কাজ করেছেন।
গবেষণা ও নীতি-পর্যালোচনার ক্ষেত্রে তাঁর অভিজ্ঞতার মধ্যে রয়েছে **Centre for Policy Dialogue (CPD)-এর Visiting Research Associate** হিসেবে কাজ করা। একই সঙ্গে তাঁর পেশাগত অভিজ্ঞতায় **International Food Policy Research Institute (IFPRI), United Nations ESCAP এবং Bangladesh Institute of Development Studies (BIDS)**-এর মতো প্রতিষ্ঠান ও গবেষণা উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার উল্লেখ পাওয়া যায়।
এই অভিজ্ঞতা তাঁর পেশাগত পরিচয়কে শুধু একজন অর্থনীতির শিক্ষক হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং তাঁকে ধীরে ধীরে একজন **policy researcher, development analyst এবং public-policy professional** হিসেবে গড়ে তুলেছে।
#গবেষণা ও প্রকাশনা
আলাউদ্দীন মোহাম্মাদের বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক তাঁর গবেষণা ও প্রকাশনা। তাঁর গবেষণার বিষয়বস্তুর মধ্যে উন্নয়ন অর্থনীতি, রাজনৈতিক অর্থনীতি, বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা, চীনের অর্থনৈতিক উত্থান, গ্রামীণ অর্থনীতি, governance এবং post-colonial state structure বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
তাঁর উল্লেখযোগ্য গবেষণার মধ্যে রয়েছে **“Financialization of Global Economy & Overaccumulation of Chinese Economy”**, যেখানে বৈশ্বিক অর্থনীতির financialization, productive capital accumulation, outsourcing এবং চীনা অর্থনীতির overaccumulation নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
আরেকটি উল্লেখযোগ্য কাজ **“Possibility of Global Development: The Chinese Case in the Light of Unequal Interdependence Theory”**, যেখানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় চীনের অবস্থান এবং unequal interdependence-এর ধারণা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের governance ও রাষ্ট্রীয় কাঠামো নিয়েও তিনি গবেষণা করেছেন। **“Good Governance and Colonial Entanglement in Bangladesh”** শীর্ষক গবেষণায় বাংলাদেশের governance crisis-কে post-colonial perspective থেকে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
তাঁর গবেষণার আরেকটি ক্ষেত্র বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি। **“The Rise of Rural Non-Farm Economy in Bangladesh: A Distinct Socio-Economic Transformation”** এবং **“Rural Nonfarm Sector in Bangladesh: A Case Study from Comilla District”** তাঁর এ ক্ষেত্রের উল্লেখযোগ্য কাজ। পরেরটি তাঁর Development Economics-এ MA dissertation হিসেবে সম্পন্ন হয়।
তাঁর প্রকাশনা তালিকায় **“Economic Liberalization and Governance”**-এর মতো কাজও রয়েছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশের মুদ্রানীতি ও অর্থনীতি নিয়ে তাঁর লেখালেখির মধ্যে **“Is Appreciation of Taka Good for Bangladesh Economy?”** উল্লেখযোগ্য, যেখানে বিনিময় হার, রপ্তানি, আমদানি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাঁর লেখার বিষয় আরও বিস্তৃত হয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি, ভূরাজনীতি, দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক কৌশলগত পরিবর্তনের দিকে গেছে। **The Daily Star**-এ তাঁর একাধিক opinion article প্রকাশিত হয়েছে; সেখানে তাঁকে NCP-এর Joint Member Secretary এবং IPGAD-এর Executive Director হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে।
-এর Executive Director
আলাউদ্দীন মোহাম্মাদের বর্তমান বুদ্ধিবৃত্তিক ও নীতি-ভিত্তিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম প্রধান প্ল্যাটফর্ম হলো **Institute for Policy, Governance and Development (IPGAD)**।
তিনি প্রতিষ্ঠানটির **Executive Director** হিসেবে foreign policy, governance, national security, strategic affairs এবং development policy-কে কেন্দ্র করে policy dialogue ও intellectual engagement পরিচালনা করছেন।
IPGAD-এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও কৌশলগত অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের আলোচনা, roundtable এবং policy dialogue-এ যুক্ত হয়েছেন। তাঁর এই ভূমিকা একাডেমিক গবেষণা ও সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করেছে।
#রাজনীতিতে প্রবেশ
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক কাঠামোয় যে পরিবর্তনের সূচনা করে, আলাউদ্দীন মোহাম্মাদের রাজনৈতিক সক্রিয়তাও সেই পরিবর্তনপর্বে নতুন মাত্রা লাভ করে।
নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক নেতৃত্বের উত্থানের ধারায় তিনি **জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP)**-এর সঙ্গে যুক্ত হন। দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে তিনি **Joint Member Secretary** হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন। ২০২৫ সালের মে মাসে NCP-এর রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও তাঁকে Joint Member Secretary হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সংস্কার, নির্বাচনব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা, জবাবদিহি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
#আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও পররাষ্ট্রনীতি
NCP-তে আলাউদ্দীন মোহাম্মাদের সবচেয়ে দৃশ্যমান দায়িত্বের একটি হলো **International Relations**
বর্তমানে তিনি দলের International Relations Cell-এর Co-Lead হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই দায়িত্বে তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি, আঞ্চলিক সম্পর্ক, বৈশ্বিক শক্তির সঙ্গে যোগাযোগ এবং আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে দলীয় অবস্থান তৈরির কাজে যুক্ত।
তাঁর প্রকাশিত লেখালেখিতেও বাংলাদেশের জন্য একটি অধিক **strategic, pragmatic এবং interest-based foreign policy**-এর প্রয়োজনীয়তা উঠে এসেছে।
তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিকে কোনো একক শক্তির সঙ্গে স্থায়ী alignment-এর পরিবর্তে জাতীয় স্বার্থ, কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন এবং বহুমাত্রিক কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তিতে পরিচালনার পক্ষে মত দিয়েছেন।
এই চিন্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে তাঁর লেখায় ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে বিশ্লেষণ পাওয়া যায়।
diplomacy
NCP-এর **Diaspora Cell-এর Lead** হিসেবেও আলাউদ্দীন মোহাম্মাদ দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর এই দায়িত্ব বাংলাদেশের প্রবাসী জনগোষ্ঠীকে রাজনৈতিক ও নীতি-আলোচনার বৃহত্তর কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তৈরি করেছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স, আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, দক্ষতা ও জ্ঞান স্থানান্তর এবং বৈশ্বিক পরিসরে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি—এসব বিষয় তাঁর এই দায়িত্বের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
#রাজনৈতিক দর্শন
আলাউদ্দীন মোহাম্মাদের প্রকাশ্য লেখালেখি ও বক্তব্য থেকে তাঁর রাজনৈতিক চিন্তার কয়েকটি বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করা যায়।
প্রথমত, তিনি **state reform এবং institutional accountability**-কে গুরুত্ব দেন।
দ্বিতীয়ত, তাঁর অর্থনৈতিক চিন্তায় উৎপাদন, শিল্পায়ন, structural transformation এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ।
তৃতীয়ত, পররাষ্ট্রনীতিতে তিনি **strategic autonomy এবং national interest**-কে প্রাধান্য দেন।
চতুর্থত, তাঁর রাজনৈতিক চিন্তায় তরুণদের অংশগ্রহণ এবং নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা গুরুত্বপূর্ণ। NCP-এর মতো youth-led রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা এই দৃষ্টিভঙ্গিরই প্রতিফলন।
#সাম্প্রতিক বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মকাণ্ড
২০২৬ সালে তাঁর লেখালেখি বাংলাদেশের বৈশ্বিক অবস্থান ও পরিবর্তিত ভূরাজনীতির দিকে আরও বেশি কেন্দ্রীভূত হয়েছে।
**“How should we read Bangladesh’s UNGA presidency against global and domestic realities?”** শীর্ষক তাঁর সাম্প্রতিক লেখায় বাংলাদেশের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্বকে দেশের পরিবর্তনপরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতা ও বৈশ্বিক কূটনীতির প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
এর আগে **“What Bangladesh can learn from the Iran-Israel war”** শীর্ষক তাঁর লেখায় মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জন্য উদ্ভূত কৌশলগত ও পররাষ্ট্রনীতির শিক্ষা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
এই লেখাগুলো তাঁর চিন্তার বিবর্তনও নির্দেশ করে—প্রাথমিক পর্যায়ের Development Economics ও political economy থেকে তিনি ধীরে ধীরে **foreign policy, geopolitics এবং strategic affairs**-এর বৃহত্তর পরিসরে প্রবেশ করেছেন।
#মূল্যায়ন
আলাউদ্দীন মোহাম্মাদের পেশাগত ও রাজনৈতিক জীবনকে মোটামুটি তিনটি পর্যায়ে দেখা যায়—
**অর্থনীতি ও উন্নয়ন গবেষক → নীতি ও থিংক-ট্যাঙ্ক পেশাজীবী → রাজনৈতিক নেতা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক নীতি-চিন্তক।**
তাঁর ক্ষেত্রে এই তিনটি পরিচয় পরস্পর বিচ্ছিন্ন নয়। অর্থনীতির একাডেমিক প্রশিক্ষণ তাঁকে রাষ্ট্র ও অর্থনীতির কাঠামোগত সমস্যা বিশ্লেষণের ভিত্তি দিয়েছে; গবেষণা ও থিংক-ট্যাঙ্কের অভিজ্ঞতা তাঁকে policy-oriented চিন্তার সঙ্গে যুক্ত করেছে; আর NCP-এর রাজনৈতিক দায়িত্ব তাঁকে সেই চিন্তাকে সক্রিয় রাজনৈতিক discourse-এর অংশ করার সুযোগ দিয়েছে।
বিশেষত আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাঁর বর্তমান ভূমিকা বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক পরিসরে একটি **policy-driven foreign affairs leadership** গড়ে তোলার প্রচেষ্টার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
তাঁর রাজনৈতিক প্রোফাইলের কেন্দ্রীয় বৈশিষ্ট্য তাই শুধু দলীয় পদ নয়; বরং **অর্থনীতি, উন্নয়ন, governance, foreign policy এবং strategic affairs-এর সমন্বিত জ্ঞানকে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত করার প্রচেষ্টা।**
#সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
**নাম:** আলাউদ্দীন মোহাম্মাদ (Alauddin Mohammad)
**পেশাগত পরিচয়:** Politician, Economist, Researcher & Policy Professional
**রাজনৈতিক দল:** National Citizen Party (NCP)
**বর্তমান দায়িত্ব:** Joint Member Secretary; Diaspora Cell Lead; International Relations Cell Co-Lead
**নীতি-গবেষণা প্রতিষ্ঠান:** Institute for Policy, Governance and Development (IPGAD)
**পদ:** Executive Director
**শিক্ষাগত ক্ষেত্র:** Economics, Development Economics, FinTech
**গবেষণার ক্ষেত্র:** Development Economics, Political Economy, Governance, Global Economy, Foreign Policy & Strategic Affairs
**পূর্ববর্তী পেশাগত ক্ষেত্র:** University Teaching, Research, Development Policy & Think-Tank Work
**প্রধান প্রকাশনা:** Development Economics, Governance, Global Financial System, Chinese Economy, Rural Transformation এবং Foreign Policy বিষয়ক গবেষণা ও নিবন্ধ।