Kachua Post

Kachua Post Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Kachua Post, Social service, Chandpur.

30/09/2025

প্রিয় কচুয়াবাসী, প্রিয় পরিবারবর্গ

আজকের ঐতিহাসিক ফ্যামিলি কার্ড প্রোগ্রামে আপনাদের উপস্থিতি আমার জন্য এক অমূল্য শক্তি হয়ে উঠেছে। হাজার হাজার মা বোন একত্রিত হয়ে যে ভালোবাসা, সমর্থন এবং বিশ্বাস দেখিয়েছেন—তা শুধু আমার জন্য নয়, আমাদের সমগ্র আন্দোলনের জন্য এক অনন্য অনুপ্রেরণা।

আপনাদের চোখে আমি দেখেছি ভবিষ্যতের আশার আলো, আপনাদের কণ্ঠে শুনেছি পরিবর্তনের ডাক। আপনাদের এই অবদান ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে।

আল্লাহর কাছে দোয়া করি, আপনাদের পরিশ্রম, ত্যাগ আর বিশ্বাস যেন সঠিক পরিবর্তনের রূপ নেয়।

আপনাদের ভালোবাসাই আমার শক্তি—আপনাদের জন্যই আমি আছি, থাকব।

জয় হোক ধানের শীষের ✌️🇧🇩

— ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমান

স্বাবলম্বী নারী, সুখী পরিবার- সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।নারীর হাতে আশার আলো- জনাব তারেক রহমানের রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফার ২৪ তম দফা...
28/09/2025

স্বাবলম্বী নারী, সুখী পরিবার- সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

নারীর হাতে আশার আলো-

জনাব তারেক রহমানের রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফার ২৪ তম দফা অবলম্বনে, জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় তৈরি শর্টফিল্ম - “ফ্যামিলি কার্ড” এর শুভ উদ্বোধন।

আমাদের সমাজের নারীরা যখন সম্মানের সাথে এগিয়ে যাবেন, তখনই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

আসুন, ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমরা এই পরিবর্তনের যাত্রায় শামিল হই।

📍 স্থান: কচুয়া সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠ, চাঁদপুর
📅 তারিখ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার

এটাই হোক নতুন দৃষ্টান্ত, নতুন বাংলাদেশ গঠনের সূচনা।যেখানে মঞ্চের আলো জ্বলে কৃষকের পায়ে,যেখানে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি ...
24/04/2025

এটাই হোক নতুন দৃষ্টান্ত, নতুন বাংলাদেশ গঠনের সূচনা।
যেখানে মঞ্চের আলো জ্বলে কৃষকের পায়ে,
যেখানে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি ও উদ্বোধক—তাঁরাই,
যাঁরা মাটি আর ঘামের বিনিময়ে আমাদের অন্ন জোগান।

এবারের "কৃষি কথার" এই উদ্যোগ আমাদের শেখায়—
সম্মান কেবল পদ-পদবীতে নয়,
সম্মান আসলেই উৎপাদনে, শ্রমে,
আর সেই নিঃশব্দ সংগ্রামীদের হাতে—যাঁরা প্রকৃত নায়ক।

এই ব্যতিক্রমী আয়োজনে সভাপতিত্ব করছেন
জনগণের প্রিয়, কৃষকের আপনজন—ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমান।

একজন প্রকৃত নেতার কাজই এমন—
যিনি নিজেকে নয়, তুলে ধরেন জনগণকে,
যিনি বক্তৃতায় নয়, কাজে বিশ্বাসী।

এই ধরনের উদ্যোগই বদলে দেবে সমাজ,
এই উদ্যোগেই ফিরে আসবে দেশের প্রাণ—কৃষক, শ্রমিক ও দিনমজুরদের প্রকৃত মর্যাদা।

এই দেশ কৃষকের ঘামে ভেজা—কৃষকের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লড়াইটা তাই আমাদের সবার। তারেক রহমানের দূরদর্শী চিন্তা-ভাবনায় নির্মি...
23/04/2025

এই দেশ কৃষকের ঘামে ভেজা—কৃষকের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লড়াইটা তাই আমাদের সবার।
তারেক রহমানের দূরদর্শী চিন্তা-ভাবনায় নির্মিত এই ডকুমেন্টারি শুধুই একটি চিত্র নয়, এটি ভবিষ্যতের একটি রূপরেখা।
আগামী ২৪ এপ্রিল সাচার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সবাইকে নিয়ে গড়বো নতুন বাংলাদেশ—যেখানে কৃষক বাঁচবে, দেশ বাঁচবে।
চলো কচুয়া, চলো পরিবর্তনের পথে…..

https://www.dainikamadershomoy.com/details/01962eee1846
13/04/2025

https://www.dainikamadershomoy.com/details/01962eee1846

চাঁদপুরের কচুয়ায় তেতৈয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য খাতা-কলম, শিক্ষকদের জন্য ডায়েরি ও কলম বিত.....

কচুয়ার শিক্ষা ও পরিবেশ উন্নয়নে ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমানের অনন্য উদ্যোগ অব্যাহত…চাঁদপুর-১ (কচুয়া): ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহম...
13/04/2025

কচুয়ার শিক্ষা ও পরিবেশ উন্নয়নে ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমানের অনন্য উদ্যোগ অব্যাহত…

চাঁদপুর-১ (কচুয়া):

ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমান আজ কচুয়ায় তেতৈয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য খাতা-কলম, শিক্ষকদের জন্য ডায়েরি ও কলম বিতরণ করেছেন। এছাড়া, উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচিও অব্যহত রেখেছেন।

তেতৈয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৫০শিক্ষার্থীর জন্য খাতা- কলম ও ১৮ জন শিক্ষকের জন্য নোটপ্যাড ও কলম উপহার হিসাবে বিতরণ করেন। এছড়া স্কুলে দুটি দৃষ্টিনন্দন বিদেশী ফুলগাছও (জাকারান্ডা) রোপণ করেন।

এই ব্যাপারে জানতে চাইলে ইঞ্জিনিয়ার হাবিব বলেন - “আমার নেতা জনাব তারেক রহমান বলেছেন- আপনারা জনগণের পাশে দাঁড়ান, জনগণের জন্য কাজ করুন; জনগণের মন জয় করুন। আমার নেতার আদেশ পালন করতে আমি স্কুলে স্কুলে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও বৃক্ষ রোপন কার্যক্রম হাতে নিয়ে আমার সামর্থ অনুযায়ী অব্যহত ভাবে করে যাচ্ছি। আজকের এই ছোট্র বন্ধুরাই আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক, সুতরাং তাদের শিক্ষার ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া আমাদের জরুরী প্রয়োজন। আমি কচুয়াবাসীর কাছে থেকে পাশে থেকে আজীবন কাজ করতে চাই ।”

তেতৈয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব রফিকুল ইসলাম বলেন- “আজকে দীর্ঘ বছরের শিক্ষকতায় কাউকে দেখলাম না এত সুন্দর শিক্ষা উপকরণ নিয়ে স্কুলে হাজির হয়েছে। উনি শিক্ষিত মানুষ; শিক্ষার প্রতি উৎকর্ষতা আমাদের মুগ্ধ করেছে।”

এ ধরনের কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে সহায়তা প্রদান এবং কচুয়ার প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমান তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কচুয়ার শিক্ষা ও পরিবেশ উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

এজন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন, যাতে কচুয়া আরও সমৃদ্ধ ও সবুজ হয়ে ওঠে।

ক্ষমতায় গেলে তরুণদের অগ্রাধিকারকর্মসংস্থানে বিএনপির টার্গেট ‘জেন-জি’👇আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে...
12/04/2025

ক্ষমতায় গেলে তরুণদের অগ্রাধিকার
কর্মসংস্থানে বিএনপির টার্গেট ‘জেন-জি’
👇

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে প্রথম ১৮ মাসে বিএনপি ১ কোটি কর্মসংস্থান বা চাকরির ব্যবস্থা করবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) আয়োজনে ‘বিনিয়োগ সম্মেলনে’ অংশ নিয়ে বিএনপি এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। এ বিষয়ে দলটি বলছে, কর্মসংস্থান নিয়ে তাদের বিশাল পরিকল্পনা আছে। এক্ষেত্রে টার্গেট তরুণ প্রজন্ম, অর্থাৎ জেন-জি। কর্মসংস্থানের জন্য দলটি অনেকগুলো খাত খুলে দেবে। এর মধ্যে আইটি, কৃষি ও তৈরি পোশাক খাতে বড় কর্মসংস্থানের আশা করছে। এছাড়া পর্যটন, প্রবাসীসহ দেশের বিভিন্ন খাতে এবং বিদেশেও অনেক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। আর কর্মসংস্থানের বিষয়টি নির্বাচনি ইশতেহারে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে বলেও জানিয়েছে দলটি।

এই পরিকল্পনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিএনপির একজন নেতা জানান, ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের সময়ে বড় বড় মেগা প্রজেক্টের নাম দিয়ে যে প্রবৃদ্ধি দেখিয়েছিল, সেই প্রবৃদ্ধি ছিল জবলেস গ্রোথ অর্থাৎ কর্মসংস্থানবিহীন একটি প্রবৃদ্ধি। সেটার সুফল দেশের জনগণ পাননি, কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হয়নি। কিন্তু বিএনপির মডেল হবে, প্রবৃদ্ধির সুফল জনগণকে পেতে হবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে হবে। এবং সেই ধরনের বিনিয়োগের জন্য অর্থনৈতিক মডেল তৈরি করবে বিএনপি। যেখানে জনগণের কাছে প্রবৃদ্ধির সুফল যাবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। যা বাংলাদেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে সম্ভব। সেই বিনিয়োগ হতে হবে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য দক্ষতা তৈরি ও দক্ষতা উন্নয়নের ব্যবস্থা। কর্মসংস্থানের যোগ্য জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে। সেটি সম্ভব। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।

জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, কর্মসংস্থান নিয়ে বিএনপির একটি বিশাল পরিকল্পনা আছে। আমাদের তরুণ প্রজন্মকে যদি আমরা কর্মক্ষম করতে না পারি, কর্মোপযোগী করতে না পারি তাহলে অর্থনৈতিক উন্নয়নও সম্ভব হবে না। আমাদের জেন-জি হলো বড় টার্গেট। তারা জনসংখ্যার একটি বড় অংশ, দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে। যা আত্মকর্মসংস্থান, সরকারি-বেসরকারি, বিদেশি কর্মসংস্থান সবকিছু মিলিয়ে। অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড় করাতে হলে এটি করতে হবে। এ নিয়ে বিএনপি ইতোমধ্যে কাজও করছে।

তিনি বলেন, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান যা আছে বিএনপির সময়েই। বিএনপি সরকারকে বলা হয়েছে ‘ইমার্জিং টাইগার’। তারপর সরকার পরিবর্তন হলে সব ধ্বংস করা হলো। পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আত্মকর্মসংস্থানসহ অনেক আইটি সেক্টরে তরুণ জেন-জির জন্য আমাদের একটা বড় কর্মসূচি আছে। এগুলো হচ্ছে-দক্ষতা উন্নয়ন। এর মাধ্যমে আমরা আইটি সেক্টরে একটা বিরাট কর্মসংস্থান আশা করছি। আর বিদেশে কর্মসংস্থানের একটা বিরাট সুযোগ আছে। দেশের মধ্যে আমরা বেসরকারি সেক্টরকে আরেকটু সমৃদ্ধ করতে চাচ্ছি। দেশীয়, বিদেশি উদ্যোক্তার মাধ্যমে আশা করছি, বড় বিনিয়োগ হবে। আসলে বিএনপির সময়-ই বেসরকারি সেক্টর বড় করেছি। বেসরকারি সেক্টর দিয়েই অর্থনীতি প্রবৃদ্ধি-এটা তো বিএনপিরই উদ্যোগ। পুরো অর্থনৈতিক কর্মসূচিই হচ্ছে বেসরকারি সেক্টর। সেখানে প্রচুর সম্ভাবনা আছে, যা কাজে লাগাতে পারি। তারপর অনেক পণ্য এবং সেবা আছে যেগুলো তদারকির আওতায় আনা হয়নি, স্থিতিশীল নয়; এগুলোকে স্থিতিশীল করলে আমাদের বড় ধরনের একটা কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা আছে। কৃষি খাতেও প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ আছে। বিদেশেও অনেক সুযোগ হবে। ভাষাগত দক্ষতা তৈরি করা গেলে বিশাল কর্মসংস্থানের সুযোগ আছে। সবকিছু মিলিয়ে অসম্ভব কিছু নয়। আমাদের কাজ হচ্ছে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা, চাকরি উপযোগী করা। বিএনপির পরিকল্পনায় সব প্যাকেজ আছে।

সংশ্লিষ্ট নেতারা জানান, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কর্মসংস্থানের জন্য অনেক সেক্টর খুলে দেবে। সেখানে বড় কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। গার্মেন্টসের মতো ওই সেক্টরগুলোও উঠে আসবে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন হলো সিঁড়ির মতো, ধাপ করে উঠবে-যাবে; আবার উঠবে-এ রকমের একটি অর্থনৈতিক কর্মসূচিতে তারা যাচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগের জন্য গুরুত্ব সহকারে কাজ করবে বিএনপি। জোনগুলোকে অ্যাকটিভেট করার যথেষ্ট সুযোগ আছে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, লাইসেন্সসংক্রান্ত জটিলতা, কারেন্সি নিয়ে জটিলতাসহ বিভিন্ন জায়গায় যে সমস্যা বা দুর্বলতাগুলো আছে, সেগুলো তারা মুক্ত করবে। এতে সেক্টরগুলো উন্মুক্ত হয়ে যাবে, ছেলেমেয়েরাও কর্মসংস্থানে বেশি করে সুযোগ পাবে।

সম্প্রতি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠক ইস্যুতে নেতারা আরও বলেন, তাদের (বিনিয়োগকারী) মধ্যে একটা শঙ্কা কাজ করে অন্তর্বর্তী সরকার চলে গেলে পরবর্তী সরকারের নীতিমালা কি হবে। বিএনপির নীতিমালা দেখার পরে বিনিয়োগকারীরা খুব খুশি। এসব নিয়ে বিএনপি অনেক আগে থেকে কাজ করছে। এটা তো শুধু বিনিয়োগ সম্মেলনের বিষয় নয়। এ নিয়ে আগে থেকেই বিএনপির নিজস্ব হোমওয়ার্ক রয়েছে। আর দলের একটা নিজস্ব অভিজ্ঞতাও আছে-বেসরকারি খাতে উন্নয়ন, ইপিজেড উন্নয়ন-এসব তো বিএনপির করা। বিদেশে চাকরি, গার্মেন্টস সেক্টর, ইপিজেড যত অর্থনৈতিক মেজর সিদ্ধান্ত সব বিএনপির সময় হয়েছে। যতগুলো অর্থনৈতিক সংস্কার হয়েছে বাজারভিত্তিক, এক্সচেঞ্জ থেকে শুরু করে সব ধরনের বিনিয়োগের সব তো বিএনপির সময় হয়েছে। এবার পরিবর্তিত বিশ্বের প্রেক্ষাপটে, তারপর ট্যারিফ নিয়ে যে অস্থিতিশীলতা হচ্ছে তা মাথায় রেখে আরও সহজীকরণ করতে হবে। এটা করতে হলে বিনিয়োগ ব্যতীত আর কোনো পথ নেই।

বিএনপির গবেষণা উইং বিএনআরসির সঙ্গে সম্পৃক্ত দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু যুগান্তরকে বলেন, অর্থনীতির উন্নতি তিন ভাবে হতে পারে। একটা হচ্ছে টাকা ছাপিয়ে দেশ চালানো। আবার একটা মডেল আছে ঋণ অথবা ঋণের টাকা ছাপিয়ে দেশ চালানো। তৃতীয়টা হচ্ছে বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে সামনের দিকে নিয়ে যাওয়া। বিনিয়োগের মাধ্যমেই যে অর্থনীতি এগিয়ে যাবে সেই অর্থনীতি টেকসই হয়। বিএনপি সব সময় তৃতীয় অপশন নিয়েছে। বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সেটা দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ। বিনিয়োগ বাড়ালে কর্মসংস্থান অনেক বৃদ্ধি পাবে। ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের সময়ে প্রচুর ঋণ করেছে, টাকা ছাপিয়েছে। অর্থনৈতিক উন্নতি করতে হলে দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। আমাদের মূল লক্ষ্য বিনিয়োগকারীদের যেন আকৃষ্ট করতে পারি, পরিবেশটা দিতে পারি। সারা বাংলাদেশে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে বিনিয়োগ করবে। সেটি হলে অনেক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। এটি কারখানা বলেন, আইটি সেক্টর বলেন বিভিন্ন সেক্টর। তাহলে বিভিন্ন জেনারেশন জেন-জি বলেন, জেন-এক্স বলেন প্রত্যেকটা সেক্টরে তাদের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি হবে।

তিনি বলেন, উৎপাদন সেক্টরে গার্মেন্টসের পাশাপাশি নতুন নতুন সেক্টরকে সংযুক্ত করা হবে। আইটি সেক্টরে আরও উন্নতি করা হবে। প্রতিটি সেক্টরে যখন উন্নতি হবে তখন কর্মসংস্থান বাড়বে। আমাদের বড় একটি জেনারেশনের বয়স ১৫ থেকে ২৯-এর মধ্যে। এদের সংখ্যা ২৮ শতাংশ। সব মিলিয়ে ৪ কোটি ৬০ লাখ। তাদের যদি আমাদের ধরতে হয়, তাহলে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। জেন-জিদের দক্ষতা যদি আহরণ করতে হয় তাহলে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। বিএনপি ইতোমধ্যে বলেছে বিনিয়োগবান্ধব পলিসি করবে। এবং দেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য যা যা করা দরকার, সেই পরিবেশ তৈরি করবে বিএনপি।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের ভেতর যাদের জন্ম, তাদের বলা হয়ে থাকে জেন-জি বা জেনারেশন জেড। বর্তমানে এই প্রজন্মের সদস্যদের বয়স ১৩ থেকে ২৮ বছর।

যুগান্তর/ এপ্রিল ১২, ২০২৫





12/04/2025

Address

Chandpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kachua Post posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category