মতলবের রাজনীতি-Politics of Matlab

মতলবের রাজনীতি-Politics of Matlab স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতির স্বপথ হোক এখন থেকেই।

"আমি মরে গেলেও আমার লাশটা যেন নড়াইল না যায়!"ক্যাপ্টেন মাশরাফিকে আমি আজও ভালোবাসি! ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে যুক্ত ...
13/05/2026

"আমি মরে গেলেও আমার লাশটা যেন নড়াইল না যায়!"

ক্যাপ্টেন মাশরাফিকে আমি আজও ভালোবাসি!

ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে তিনি ২ বার এমপি হয়েছেন। যার জন্য মাশরাফি ঘৃণিত, কিন্তু মাশরাফি এমপি হয়ে রাজনীতি করে কারোর উপরে জুলুম করেছে, দুর্নীতি করেছে, এমনটা আমি শুনি নাই।

৫ই আগস্টের পরে মাশরাফি দেশে থাকলেও তাকে ইউনুস সরকার বা বর্তমান বিএনপির সরকার ডিস্টার্ব করেছে, এমন কোনো তথ্য নাই।

অপরাধ করলে শাস্তি দিন, কিন্তু মাশরাফি যদি সুনির্দিষ্ট কোনো অপরাধ না করে থাকে, তাহলে আমি মাশরাফির জন্য একটি ভয় মুক্ত বাংলাদেশ দেখতে চাই! copy

প্রজন্ম থেকে প্রজন্মেবাংলার অস্তিত্ব —২১শে ফেব্রুয়ারি
20/02/2026

প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে
বাংলার অস্তিত্ব —
২১শে ফেব্রুয়ারি

wion টিভিতে বিএনপির সদ্য নির্বাচিত এমপি গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের একটি সাক্ষাতকার দেখলাম। বেশ ভালো লাগলো। ভারতীয় সাংবাদিক বার...
20/02/2026

wion টিভিতে বিএনপির সদ্য নির্বাচিত এমপি গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের একটি সাক্ষাতকার দেখলাম। বেশ ভালো লাগলো। ভারতীয় সাংবাদিক বারবার বাবু গয়েশ্বরকে বিব্রত করার চেষ্টা করেছিল। তারা তাকে পরিচিত করাচ্ছিল, স্বাধীনতার পর ঢাকার কোনো আসন থেকে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত একজন হিন্দু সংসদ সদস্য হিসেবে।

বাবু গয়েশ্বর সেই চেষ্টায় পানি ঢেলে দিলেন। তিনি বললেন, আমি লমেকার, আইন প্রণেতা। হিন্দু আইন প্রণেতা নই। আমি সংসদে যাবো। সবার জন্য কাজ করবো। মুসলিম হিন্দু সবার জন্যই।

তাকে প্রশ্ন করা হলো, হিন্দু নির্যাতন নিয়ে। তিনি অস্বীকার করলেন। বললেন, বাংলাদেশে হিন্দুরা ভালো আছে। আপনারা বিশেষ করে ভারতীয় সাংবাদিকেরা এই বিষয়টি নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করেন। অথচ বাংলাদেশে অন্য অনেক সমস্যা থাকলেও সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে কোনো ইস্যু বা সংকট অতীতেও ছিল না, এখনো নেই।

ভারতীয় সাংবাদিক তাকে প্রশ্ন করলেন, আপনি কবে ভারত সফরে আসবেন? তিনি উত্তরে বললেন, আমার সেভাবে ভারত যাওয়া হয়নি। এখনো প্রয়োজন দেখি না। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে যাবো, নইলে যাবো না। এখনই এ বিষয়ে বলতে পারছি না।”

অনেকদিন ধরে হিন্দু কোনো রাজনীতিবীদের পক্ষ থেকে ভারতীয় অপপ্রচারের ব্যাপারে বলিষ্ঠ বক্তব্য শুনতে চেয়েছিলাম। ফাইনালী তা পেলাম। বাবু গয়েশ্বরকে ধন্যবাদ। আমরা বা মুসলিম রাজনীতিবীদেরা তো সবসময়ই বলেন। কিন্তু একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী হয়েও ভারতের নেতিবাচক প্রচারনার বিরুদ্ধে এভাবে শক্ত অবস্থান নেয়ার জন্য তিনি ধন্যবাদ পেতেই পারেন।

- আলী আহমাদ মাবরুর

এটা স্কেন করলেই দেখতে পাবেন বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার!!
06/02/2026

এটা স্কেন করলেই দেখতে পাবেন বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার!!

নির্বাচনের আছে আর মাত্র ৯ দিন এই ৯ দিন আগে RAB এর নাম পরিবর্তন করা এবং পোশাক পরিবর্তন করা একটা ধান্ধাবাজি ছাড়া আমি আর কি...
03/02/2026

নির্বাচনের আছে আর মাত্র ৯ দিন এই ৯ দিন আগে RAB এর নাম পরিবর্তন করা এবং পোশাক পরিবর্তন করা একটা ধান্ধাবাজি ছাড়া আমি আর কিছু হিসেবে দেখতেছি না।

নতুন করে লোগো করা , পোশাক ডিজাইন , পোশাকের কালার , কাগজপত্র সহ সকল কিছুরপরিবর্তন করতে শত কোটি টাকা ওয়েস্ট করার জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এইসব টাকা উড়ে আসে না এইসব টাকা আপনার আমার কষ্টের অর্জিত টাকা যা আমরা সরকারকে VAT/TAX হিসেবে দিয়ে থাকি।

বাহিনীর মূল সমস্যা গুলোতে হাত না দিয়ে পোশাক পরিবর্তন , নাম পরিবর্তন এর যে খেলায় ইন্টারিম নেমেছে এইসব লজ্জাজনক।

একজন সচেতন নাগরিক হিসাবে এই অপব্যয় ও টাকার এহেন অপচয় মেনে নেওয়া যায় না।

গত ১/২ মাসে তড়িঘড়ি করে অনেক গুলো কাজ করা হয়েছে যেইগুলার থেকে কমিশন খাওয়া ও নানারকম সুযোগ সুবিধা পাওয়ার ধান্ধায় এমন সিদ্ধান্ত গুলো নেওয়া হয়েছে।

এইভাবে জনগণের টাকার অপচয়ের হিসাব অবশ্যই পরকালে দিতে হবে ইনশাআল্লাহ।

এইখানে দেশে প্রতিটি নাগরিকের হক রয়েছে মূল সমস্যা সমাধান না করে অযথা রাজস্ব ব্যায় রাষ্ট্রের ক্ষতি ছাড়া কিছু নয়।

-আব্দুল্লাহ আল জাবের।

03/02/2026

ধানের শীষের গল্প!!

অথচ এইটা সম্পূর্ণ ফেক। শুধু ফেক না, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রপাগান্ডা ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই ডিজাইন করে, প্রিন্ট করে, এরপর কলম দিয়ে স্...
28/01/2026

অথচ এইটা সম্পূর্ণ ফেক। শুধু ফেক না, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রপাগান্ডা ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই ডিজাইন করে, প্রিন্ট করে, এরপর কলম দিয়ে স্বাক্ষর করে বানানো হইছে।

জামাতের কর্মীদের বিরুদ্ধে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি নম্বর এবং মোবাইল নম্বর (যেটাকে কয়েক জায়গায় বিকাশ নম্বর বলা হয়েছে) সংগ্রহ করার যে একাধিক অভিযোগ এসেছে, সেটাকেই ধামাচাপা দেওয়ার জন্যই এই পাল্টা ফেক বিকাশে টাকা দেওয়ার ছবি বানিয়ে "দায় চাপিয়ে দেওয়া" হইছে।

আর এইটা গণহারে প্রচার করেছে জামাতপন্থী প্রায় প্রতিটা ফেসবুক অ্যাক্টিভিস্ট। আমার এক পোস্টে অন্তত ৫০টা কমেন্ট আসছে এই ছবির। এরপর আমি নিজেও শেয়ার দিছি।

এই হচ্ছে অবস্থা।

আই গেস নির্বাচনের আগ পর্যন্ত যেকোনো পক্ষের যেকোনো "নিউজ" শেয়ার দেওয়া থেকে বিরত থাকাই সেফ অপশন।

বিস্তারিত কমেন্টে...

এটা কিন্তু জনসভা নয়!জনসভা কিন্তু আজকে দিনের বেলা হবে!এই যে হাজার হাজার জনতার উচ্ছাস এটা নেতা যে বাসে আসছেন, সেটার চারপা...
24/01/2026

এটা কিন্তু জনসভা নয়!
জনসভা কিন্তু আজকে দিনের বেলা হবে!

এই যে হাজার হাজার জনতার উচ্ছাস এটা নেতা যে বাসে আসছেন, সেটার চারপাশে।

এই যে জনতার স্বতঃস্ফুর্ত অপেক্ষা, এক নজর দেখা, ক্যামেরার এক ক্লিকের সেলফিতে ছবি তোলার চেষ্টা এগুলো প্রমাণ করে গত ১৭ বছর ফিজিক্যালি চোখের আড়ালে থাকলেও জনতা ঠিকই উনাকে মনে রেখেছে।

জনতা ঠিকই উনাকে খালেদা জিয়ার পর দেশের আরেকজন কর্ণধার হিসেবে দেখতে চেয়েছে।

ইনশাআল্লাহ ১২ তারিখ সেটাই হবে।

তরুণ প্রজন্ম কি শিখছে এবং শিখতে পারে তারেক রহমানের নির্বাচনী ক্যাম্পেইন থেকে? একটু ভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে দেখি। গতকাল সিলে...
24/01/2026

তরুণ প্রজন্ম কি শিখছে এবং শিখতে পারে তারেক রহমানের নির্বাচনী ক্যাম্পেইন থেকে? একটু ভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে দেখি। গতকাল সিলেটের জনসভায় তারেক রহমানের বক্তব্যকে ছাপিয়ে যে বিষয়টি আমাকে অভিভূত করেছে তা হলো তাঁর অভূতপূর্ব কনফিডেন্স। রাজনীতিতে জড়িত এবং জড়িত নন যারা, তাদের জন্যও চমৎকার মোটিভেইশনের উপাদান রয়েছে এখানে।

মানুষের বিস্মিত হবার কারণ আছে বৈকি! বাংলাদেশে কোনো নেতা হঠাৎ করে নিজের আগের সংস্করণকে ছাপিয়ে সম্পূর্ণ নতুন, প্রাণবন্ত, এবং ঝলমলে রূপে হাজির হবেন, এমন দেখা যায়নি আগে। সিলেটের এই জনসভা সেই বিরল মুহূর্তগুলোর একটি। এখানে যে তারেক রহমানকে দেখা গেলো, এ প্রজন্ম এমন তারেককে দেখেনি আগে।

দীর্ঘদিন পর প্রথমবারের মতো যেন তিনি নিজের ছায়া থেকে বেরিয়ে এসে দর্শকের সামনে একজন শো-রানার হিসেবে দাঁড়ালেন। গতানুগতিক রাজনৈতিক বক্তৃতার ক্লান্তিকর গাম্ভীর্য ছুঁড়ে ফেলে তিনি দর্শকদের সঙ্গে সরাসরি কথোপকথন করলেন, মঞ্চে মানুষ তুললেন, ছোট ছোট মজার খোঁচা দিলেন, ছেলেমেয়েদের হাসালেন, আবার তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক বার্তাও গেঁথে দিলেন। অসাধারণ স্টেইজ ক্রাফট। মোমেন্টাম সৃষ্টি করলেন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তারেক রহমান অবশেষে নিজের সবচেয়ে বড় শত্রুকে জয় করেছেন, নিজেকেই। বছরের পর বছর তাকে দেখা গেছে নিষ্প্রভ, এনার্জি ছাড়া এক স্ক্রীন লিডার৷ একই সেট, একই টোন, একই ক্লান্ত মুখ, একই ম্রিয়মাণ দেহভঙ্গি। অনেকে সন্দেহ করেছেন তার দক্ষতা নিয়ে, এমনকি তার মানসিক দৃঢ়তা নিয়েও। এই আক্রমণগুলো শুধু প্রতিপক্ষের কাছ থেকেই আসেনি। দুঃখ ক্লান্ত, দেশে ফিরতে না পারা মানুষ হিসেবে সত্যিই তাকে দুর্বল দেখাতো।

সাধারণ মানুষ তাঁর মনোজগতে তুমুল ভাঙা গড়া বুঝতে চাইতো না। স্বৈরশাসকের নিষ্পেষণ যেন তাদেরকেও একরোখা করে দিয়েছিলো। স্বাভাবিক অবশ্যই। একজন মানুষের সামনে যদি তাঁর বৃদ্ধা মাকে জেলে টেনে নেওয়ার দৃশ্য গেঁথে থাকে, একমাত্র ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর চিত্র থাকে, হাজার হাজার নেতা কর্মীর লাশ থাকে, পঙ্গুত্ব থাকে, তাদের সংসার গড়তে না পারা থাকে, এবং লক্ষ লক্ষ জীবন নষ্ট হবার চিত্র থাকে, প্রতিদিন যদি পরিবারকে অপমান সহ্য করতে হয়, তাহলে সেটি যে কাউকেই ভেতর থেকে ভেঙে দিতে পারে। তারেক রহমানের নিস্প্রভ এবং দুঃখময় চেহারা দেখে আমার তেমনি মনে হতো।

কিন্তু আজকের তারেক সম্পূর্ণ অন্যরকম এক মানুষ। তাঁর কনফিডেন্স লেভেল এখন তুঙ্গে। এবং এটি তিনি ফিরিয়ে আনতে পেরেছেন, নিজেকে জয় করেছেন, এজন্য তাঁর অবশ্যই সাধুবাদ পাওনা। তরুণ প্রজন্মের আছে শিখবার বহু কিছু। কেননা, তরুণদের একটি অংশ তাকে রাজনৈতিক রিয়েলিটি শো এর ব্যাকড্রপ হিসেবে দেখে হতাশ হতেন, জড় অবসন্ন, বিচ্ছিন্ন এবং আর সম্ভব নয়, এমন হিসেবে। অথচ আজ দেখা গেলো, জীবনে কখনো এমন সময় আসে যখন মনে হয় এই বুঝি শেষ। কিন্তু আসোলে শেষ নয়। আবার ঘুরে দাঁড়ানো যায় এবং সম্ভব।

তারেক রহমান শুধু বক্তৃতাই করছিলেন না, তিনি যেন একটি লাইভ ম্যাগাজিন শো হোস্ট করেছেন গতকাল। মঞ্চে তার চঞ্চল চলাফেরা, হাত নাড়াবার ভঙ্গিমা, চোখের আত্মবিশ্বাস, সবকিছু ছিলো তীক্ষ্ণ, নিয়ন্ত্রিত, এবং অপ্রত্যাশিতভাবে প্রাণবন্ত। ক্রাউডের চোখে তাকিয়ে কথা বলছিলেন, মজা করছিলেন, মঞ্চে মানুষ তুলেছেন, তাদের সাথে সরাসরি ইন্টার‌্যাকশন করছিলেন।

এমনকি রসিকতার মাধ্যমে দলীয় ইনসাইড জোক 'গুপ্ত' শব্দটিকে নিজের চোখের এবং বলবার ভঙ্গি দিয়ে হিউমারের মাধ্যমে হালকা এক অস্ত্রে পরিনত করলেন। একপ্রকার সেম্যান্টিক কাউন্টার এটাক দিয়ে শব্দটির স্টিংকে নিস্ক্রিয় করা। এবং এভাবেই তাঁর বক্তব্যের স্পেইসটি তিনি নিজের মতো কোরিওগ্রাফ করেছেন পুরোটা সময় ধরে।

কেন তারেক রহমানের কনফিডেন্স আজ এত তুঙ্গে? এর কারণ প্রথমত, লেজিটিমেসি। মানুষের ভালোবাসা, আকাঙ্খা, সুশীল সমাজ সহ আপামর জনসাধারণের প্রশংসা, দলের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা, ভরসা, এবং প্রতিটি মাঠে লাখো মানুষের উপস্থিতি। এই জিনিসগুলো যেকোনো নেতার আত্মবিশ্বাসকে ব্রেক-থ্রু দেয়। মনে সদিচ্ছা থাকলে সেই নেতা উজ্জল থেকে উজ্জলতর হতে পারেন।

দ্বিতীয়ত, ন্যারেটিভ-কন্ট্রোল। তিনি জানেন, তরুণেরা তার কাছ থেকে শক্তি খুঁজছে। পুরনো কাঠামোর ঠাণ্ডা বক্তৃতা নয়, নতুন ধরনের নেতৃত্ব খুঁজছে। যেখানে হিউমার, আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা, এবং মানুষ হিসেবে সাধারণ যে স্বাভাবিকতা, সব থাকবে একসাথে। এমন নেতা খুঁজছে তরুণরা। একজন লিডার, ফিগার প্রয়োজন ছিলো তাদের। এজন্যই তারেক রহমান আজ এক ক্রেইজের নাম।

ভোটের মাঠে তাঁর প্রতিপক্ষ দলের ন্যারেটিভটিও তিনি দখল করলেন। জামাতের যে ধর্মীয় আবেগ বাণিজ্য "জামাতে ভোট দিলে সরাসরি জান্নাত", এই বিষয়টিকে শিরকের সাথে তুলনা করে মোরাল অথরিটি প্রতিষ্ঠা করলেন। কারো পক্ষে আর জামাত ইসলামের দল তাই ভোট দিলে বেহেশত এই ন্যারেটিভ চালানোই কঠিন হয়ে যায় যখন জাতীয়তাবাদী দলের প্রধান নেতা সেটিকে শিরকসুলভ আখ্যান হিসেবে চিহ্নিত করেন। এটা রাজনৈতিক নয়, মৌলিক ধর্মীয় যুক্তি। চমৎকার।

বাংলাদেশের তরুণ শ্রোতাদের কাছে এর প্রভাব গভীর। কারণ, আমরা মুসলমান। তরুণরাও ইসলামের প্রতি আগ্রহী, ধর্ম নিয়ে আবেগী স্বাভাবিকভাবেই। কিন্তু একইসঙ্গে তরুণরা প্রশ্ন করতে জানে, জানে যুক্তিও। সুতরাং তাদের প্রতি তারেকের আহবান যে প্রশ্ন করুন, যুক্তি দিয়ে ভাবুন এবং এরপর বিচার করুন। দ্যাটস ইট।

তারেক রহমানের এই কনফিডেন্স তরুণদের যেমন নিজ ব্যক্তিগত জীবনে হতাশার মুহুর্তে নিজেকে ধরে রেখে সময়ের অপেক্ষা করতে শেখাতে পারে, তেমন শেখাতে পারে নেতৃত্ব-নীতি, লিডারশিপ নীতি। পরিস্থিতি আপনাকে দুর্বল করতে পারে, কিন্তু সঠিক সময় আপনাকে পুনর্জন্ম দেয়। পরিবেশ বদলালে শক্তি ফিরতে সময় লাগে, কিন্তু ফিরে আসা সম্ভব। তারেক রহমানের এই জার্নি মনে করিয়ে দেয়, মানুষ কখনো পুরোপুরি শেষ হয়ে যায় না।

নিজের নির্যাতিত হবার দুঃখ, দেশে মাটি স্পর্শ না করবার যন্ত্রণা, মায়ের দুঃখ, নেতা কর্মীদের দুঃখ কষ্ট ভরা জীবন, দেশের দূরত্ব, দীর্ঘ বিচ্ছিন্নতা, সবকিছুই এক সময় তাকে নিজের ভেতর বন্দী রেখেছিলো। চিড় ধরিয়ে দিচ্ছিলো তাঁর মানবিক আত্মবিশ্বাসের দেয়ালে। কিন্তু যখন পরিবেশ বদলেছে, সম্মান, মানুষের উপস্থিতি, দলের আস্থা, তখন আত্মবিশ্বাসও ফিরে এসেছে। তিনি তাঁর সত্যিকার প্রাণবন্ততা এবং নেতৃত্বকে প্রকাশ করতে পারছেন।

লিডারশিপ নীতিতে আপনার স্টাইলও প্রয়োজনীয়। তারেক রহমানের আজকের পারফরম্যান্স ছিলো ক্রাফটেড ক্যারিশমা। হিউমার, চোখের ভঙ্গিমা, শ্রোতার সাথে ডিরেক্ট ইন্টারঅ্যাকশন। এগুলো সব মিলিয়ে একটি আধুনিক পোলিটিক্যাল পারফরম্যান্স। যা আমরা পৃথিবীর অন্যান্য দেশে দেখতে পাই। মাইকের সামনে রোবটিক বয়ান বক্তব্য নয়। প্রাণোচ্ছল, ফুল অফ লাইফ। রাজনীতিতে শুধু নীতি নয়, এনার্জিও একটি সিগনাল দেয়। আর সেই সিগনালেই নতুন প্রজন্মের আস্থা তৈরি হয়।

আরেকটি হলো, নিজের ন্যারেটিভের নিয়ন্ত্রণ নিতে শেখা। নইলে অন্যেরা তা লিখে দেবে নিজের মত করে। এবং মানুষ তা'ই বিশ্বাস করতে শুরু করবে। বছরের পর বছর তারেক রহমানকে নিয়ে প্রতিপক্ষ লিখেছে একতরফা গল্প। দুর্বল, অদূরদর্শী, ভঙ্গুর, নিষ্ক্রিয়। কিন্তু আজকের তারেক ঐ গল্প ভেঙে নিজের গল্প নিজে লিখছেন। ন্যারেটিভ ইজ পাওয়ার। ওউন ইট অর বি ওউন্ড বাই ইট।

এই পুরো ঘটনায় তরুণদের জন্য সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, আত্মবিশ্বাস শুধু ব্যক্তিগত বিষয়ই নয়। এটি একটি বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্ত্র। নেতার কণ্ঠে যদি দৃঢ়তা থাকে, বডি ল্যাঙ্গুয়েযে যদি এনার্জি থাকে, বক্তব্যে যদি ফ্লুইডিটি থাকে, তাহলে মানুষ নিজ থেকেই বিগত দিনে তাকে নিয়ে তৈরী করা অতীত চিত্র ভেঙে দেয়। আগের দুর্বলতা ভুলে যায়, ভুলে যায় তার আগের ব্যর্থতা যদি কিছু থেকে থাকে। পরের কাজ হলো, এই গ্রহনযোগ্যতাকে ধরে রাখা।

সুতরাং প্রিয় তরুণ প্রজন্ম, আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। আপনাকে কেউ বিশ্বাস না করলেও নিজের সম্ভাবনার প্রতি আস্থা রাখুন। সেখানে বিনিয়োগ করুন সব কিছুতে প্রতিক্রিয়া না দেখিয়েও। সুযোগ এলে সেটিকে স্টেইজে পরিণত করুন। পরিবেশ বদলায়। সময় বদলায়৷ আল্লাহ ধৈর্য্যশীলদের সাথে থাকেন। এবং সেটি বদলালে নিজের নতুন ভার্সন নিয়ে হাজির হতে অবশ্যই ভয় পাবেন না।

এবং সবচেয়ে বড় যেটি, সেটি হলো আত্মবিশ্বাস, কনফিডেন্স। এই কনফিডেন্স যদি অথেনটিক হয় তবে সেটি ১৫ মিনিটেই পুরো প্রজন্মকে জাগিয়ে তুলতে পারে। আর আপনি নিজেও, নিজের ব্যক্তিগত জীবনে এর প্রয়োগ ঘটাতে পারেন। সাফল্যের জন্য দোয়া।

24/01/2026

শুনেছিলাম, এনসিপির নাহিদ ইসলাম-কে প্রধানমন্ত্রী করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জামাতের জোটে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো।

এখন দেখছি নাহিদের হাতে শফিকুর রহমান পাল্লা কলি তুলে দিচ্ছে, সার্জিসের হাতে শাপলা কলি তুলে দিচ্ছে শফিকুর রহমান।

সাধারণত জোটের প্রধান নেতা (জোট জিতলে যিনি প্রধানমন্ত্রী হন) জোট সংগীদের প্রতীক তুলে দিয়ে পরিচয় করিয়ে দেন। এবং দলীয় প্রধান সে অনুষ্ঠানে উপস্থিতও থাকেন। নাহিদকে সার্জিসের অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি।

শেখ হাসিনার হাতে কোন দিন হাসানুল ইনুকে প্রতীক তুলে দিতে দেখেছেন? কিংবা খালেদা জিয়ার হাতে নিজামী?

এখন তো দেখা যাচ্ছে, নাহিদের প্রধানমন্ত্রী হবার চান্সই শুধু নাই তা না, তার দলের আসল প্রধান হয়ে গেছে শফিকুর রহমান। নাহিদ শুধু ডামি।

যে শাপলা কলি প্রতীকের জন্য এনসিপি এতো নাটক করলো, ৩০ সেকেণ্ডে শফিক সাব সেই প্রতীককে বিকৃত করে পাল্লা কলি বানায় ফেলসে। (লল)!!!

নাহিদ শুধু তার প্রধানমন্ত্রীত্বের আশাই জলাঞ্জলি দেয় নাই, তার দলীয় প্রধানের যেই এককত্ব সেইটাও জলাঞ্জলি দিয়েছে। এখন শুধু দলটাকে বিলুপ্ত করা বাকি আছে!

অবশ্য প্রধানমন্ত্রী হবার আশা শফিকুর রহমানেরও নাই, যেহেতু জামাত জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না।

নাহিদ হয়ত ভেবেছে, আমি যদি জামাতের কর্মী, ভোট আর টাকা পয়সা ব্যবহার করে আরামসে এমপিটা হতে পারি খারাপ কী! (যদিও আমার ধারনা নাহিদ তার আসনেও জিতবে না, এমপিও হবে না)।

নাহিদ হয়ত আরও ভেবেছে, "যেহেতু প্রধানমন্ত্রী হবার আশা দুইজনের একজনেরও নাই - তাহলে মুরুব্বিই আগে যাক।"

Address

Matlab Bazar
Chandpur
3640

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মতলবের রাজনীতি-Politics of Matlab posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share