টিএসপি সার, সালফিউরিক এসিড, ফসফরিক এসিড এবং জিপসাম (উপজাত পণ্য) উৎপাদনকারী রাষ্ট্রায়াত্ত একমাত্র প্রতিষ্ঠান। উক্ত প্রতিষ্ঠান বিসিআইসি নিয়ন্ত্রনাধীন শিল্প মন্ত্রণালয় অধীন পরিচালিত। টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিসিআইসি নিয়ন্ত্রণাধীন টিএসপি সার উৎপাদনকারী একমাত্র রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠান। বিগত ষাটের দশকে তদানীন্তন ইপিআইডিসি দুটি ইউনিট (ইউনিট-১, ইউনিট-২) এর মাধ্যমে বার্ষিক ১,৫২,০০০
মে. টন টিএসপি সার উৎপাদনের লক্ষ্যে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কর্ণফুলী নদীর তীর ঘেষে আনুমানিক ৮৮.৪৪৫ একর ভূমির উপর বর্তমান টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ এর গোড়াপত্তন করে। নানা প্রতিকূলতা এড়িয়ে ইউনিট-১ (স্থাপন উৎপাদন ক্ষমতা বার্ষিক ৩২,০০০ মে. টন টিএসপি) ১৯৭৭ খ্রিষ্টাব্দে এবং ইউনিট-২ (স্থাপন উৎপাদন ক্ষমতা বার্ষিক ১,২০,০০০ মে. টন টিএসপি) ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে বাণিজ্যিক উৎপাদন-যাত্রা শুরু করে। টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ বিসিআইসি’র একটি সফল প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। কৃষকদেরকে ভর্তুকি মূল্যে টিএসপি সার দেয়া হয়। বর্তমানে এ কারখানার প্রধান উৎপাদিত পণ্য টিএসপি সার। জিপসাম কারখানার উৎপাদিত অন্য একটি পণ্য। সালফিউরিক এসিড ও ফসফরিক এসিড কারখানার উৎপাদিত মধ্যম পণ্য। কারখানায় উৎপাদিত পণ্যগুলো সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী, শ্রমিক ও দৈনিক ভিত্তিক শ্রমিকদের নিরলস আন্তরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী উৎপাদন হয়ে থাকে। এছাড়া, দেশের চাহিদার কথা বিবেচনা করে বার্ষিক ৩ লক্ষ মে. টন টিএসপি সার উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন একটি নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে তার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে বর্তমান অবদানের পাশাপাশি তখন আরোও বেশি ভূমিকা রাখবে টিএসপি সারকারখানা, যা জাতীয় অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি অর্জনের অগ্রযাত্রার অন্যতম সহায়ক হবে।