নিউজ চট্টগ্রাম

নিউজ চট্টগ্রাম চট্টগ্রামের প্রতিমুহূর্তের খবর নিয়ে অনলাইন নিউজ পোর্টাল

হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানডেস্ক নিউজ, নিউজ চট্টগ্রাম।১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং,৭...
12/09/2026

হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান
ডেস্ক নিউজ, নিউজ চট্টগ্রাম।
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং,৭.৩৫ পিএম।

"দেশব্যাপী জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ২০২৬ বাস্তবায়ন উপলক্ষে ০৩ মাস ব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এমপি আজ ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
এর ধারাবাহিকতায় উপজেলা প্রশাসন, হাটহাজারী কর্তৃক বিস্তারিত কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠান হতে সকল স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, সরকারি অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপসনালয়গুলোতে নিজ নিজ উদ্যোগে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম গ্রহণের অনুরোধ করা হয়।
মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয় পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আওতায় উপজেলার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়। এই অভিযানে পর্যায়ক্রমে সকল জায়গায় সবাইকে সম্পৃক্ত হয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে এবং পরিচ্ছন্ন হাটহাজারী গড়ে তুলতে আহবান জানানো হয়।

ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৫০ হাজার ছাড়ালো, মৃত্যু ১৪৩!নিউজ চট্টগ্রাম ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৫ পিএম।দেশে ২৪ ঘণ্টার ব্য...
12/09/2026

ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৫০ হাজার ছাড়ালো, মৃত্যু ১৪৩!

নিউজ চট্টগ্রাম
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৫ পিএম।

দেশে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৬ জন। এ নিয়ে চলতি বছর ভর্তি হলেন মোট ৫০ হাজার ২৭৬ জন।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মারা যাওয়া দুজনই পুরুষ। তাদের মধ্যে একজন ছয় থেকে ১০ বছর বয়সী শিশু এবং অন্যজনের বয়স ৫৬ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে।

বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত একদিনে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ২৫১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৮ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১০৮ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন, খুলনা বিভাগে ১৯৯ জন, রংপুর বিভাগে ৪৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ৭৩ জন এবং বরিশাল বিভাগে ১৪৪ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে না পারলে....নিউজ চট্টগ্রাম ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০২ পিএম।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছ...
12/09/2026

৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে না পারলে....
নিউজ চট্টগ্রাম
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০২ পিএম।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে চলে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দীর্ঘ ১৫ বছরের টানা একচ্ছত্র ক্ষমতা ‘তাসের ঘরের’ মতো চুরমার হয়ে যায় সেদিন। এরপর থেকে ভারতেই আছেন তিনি। দুই বছর পর আগামী ডিসেম্বরে দেশের ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

তার দেশে ফেরা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ফের শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন। তিনি সত্যিই দেশে ফিরবেন কিনা- তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যেও। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ডিসেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনার ফেরা কিংবা না ফেরা- দুই পরিস্থিতিরই বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তার দেশে ফেরার বিষয়ে যেসব বক্তব্য সামনে আসছে, সেগুলো আসলেই দেশে ফেরার কোনো বাস্তব প্রস্তুতির ইঙ্গিত, নাকি দলীয় নেতাকর্মীদের চাঙা রাখা ও রাজনৈতিকভাবে চাপ তৈরির কৌশল-নানা মহলে সেই আলোচনাও ঘুরপাক খাচ্ছে। কারণ বর্তমান পরিস্থিতি ও বাস্তবতায় তার দেশে ফেরার পথ সহজ নয়, বরং কঠিন। ফিরতে চাইলে বহুমুখী ঝুঁকি নিয়েই তাকে ফিরতে হবে। আবার ঘোষণা দিয়ে দেশে না ফিরলে তার ওপর দলের নেতাকর্মীদের আস্থার সংকট তৈরি হবে। এতে করে মূলত তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের মৃত্যু হবে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা নিছক কোনো বক্তব্য নয়; এর পেছনে রয়েছে সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র। এর গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক তাৎপর্যও রয়েছে। একই সঙ্গে এই ঘোষণার মধ্যে বড় ধরনের রাজনৈতিক ঝুঁকিও রয়েছে বলে মনে করছেন তারা। তাদের মতে, সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো- ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনা শেষ পর্যন্ত দেশে ফিরতে না পারলে ১ জানুয়ারি থেকেই তার রাজনৈতিক নেতৃত্ব বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়তে পারে। দলের নেতৃত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি এরপর তিনি দেশে ফেরার বিষয়ে যে কোনো ঘোষণা দিলে সেটি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে আগের মতো বিশ্বাসযোগ্যতা নাও পেতে পারে।

তাছাড়া সরকার যেখানে তাকে আইনের মুখোমুখি করতে দেশে ফিরিয়ে আনতে অনড় অবস্থানে রয়েছে, সেখানে তিনি অন্য কোনো অজুহাত হাজির করতে পারবেন না। তাছাড়া তিনিও তো বিচারের মুখোমুখি হতে চান বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

এদিকে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার মতো বাস্তব পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। ইতোমধ্যে একটি মামলায় তার মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে। একই সঙ্গে তার দল আওয়ামী লীগের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ রয়েছে। ফলে বর্তমান বাস্তবতায় তিনি দেশে ফিরলে তাকে এসব চ্যালেঞ্জ ফেস করতে হবে।

চট্টগ্রামসহ ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেতঅনলাইন ডেস্কনিউজ চট্টগ্রাম ১৭ জুলাই, ২০২৬ | ৩:০২ পিএম।উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও ...
17/07/2026

চট্টগ্রামসহ ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
অনলাইন ডেস্ক
নিউজ চট্টগ্রাম
১৭ জুলাই, ২০২৬ | ৩:০২ পিএম।

উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

একই সঙ্গে, দেশের চার সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদফতর।

উপকূলের আকাশ ঘন মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে। নদ-নদীর পানির উচ্চতা কিছুটা বেড়েছে। বাতাসের চাপ অনেকটা বেড়েছে। অনেকটা উত্তাল রয়েছে বঙ্গোপসাগর। তীরে আছড়ে পড়ছে ছোট বড় ঢেউ।

চট্রগ্রাম আবহাওয়া অফিস জানাই, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকা দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। তাই চট্রগ্রাম, কক্সবাজার,পটুয়াখালীর পায়রা ও মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকতে দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

সকল মাছধরা ট্রলারসমূহকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

পরিচয় মুছেও শেষ রক্ষা হয়নি, যেভাবে ধরা খেলেন রাষ্ট্রপতি জিয়ার খুনি মোজাফফর!নিউজ চট্টগ্রাম১৭ জুলাই ২০২৬, ০২:৪০ পিএম।দীর্...
17/07/2026

পরিচয় মুছেও শেষ রক্ষা হয়নি, যেভাবে ধরা খেলেন রাষ্ট্রপতি জিয়ার খুনি মোজাফফর!
নিউজ চট্টগ্রাম
১৭ জুলাই ২০২৬, ০২:৪০ পিএম।

দীর্ঘ ৪৫ বছর নিজের পরিচয় গোপন রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মেজর (অব.) মো. মোজাফফর হোসেন। তবে শেষ মুহূর্তে নিজের পরিচয় জানাতে গিয়ে করা একটি ভুলই তার ছদ্মবেশের অবসান ঘটায়। সেই সূত্র ধরে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএসে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।

মোজাফফর হোসেন তার আসল পরিচয় পুরোপুরি মুছে ফেলেছিলেন। তিনি সম্পূর্ণ নতুন একটি ছদ্মনাম ধারণ করেন এবং নিজের চেহারা ও বেশভূষায় পরিবর্তন আনেন। দীর্ঘ ৪৫ বছরে তার পারিবারিক যোগাযোগ এবং পুরোনো চেনা পরিমণ্ডলের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছিলেন, যাতে কোনোভাবেই কল ট্র্যাকিং বা নজরদারির মাধ্যমে তার সন্ধান না মেলে। জীবনের শেষভাগে এসে তিনি অত্যন্ত গোপনে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। বসবাস শুরু করেন রাজধানীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও অভিজাত এলাকাগুলোর একটি বনানী ডিওএইচএসে।

একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা হিসাবে ডিওএইচএস এলাকাটি তার চেনা পরিবেশ হলেও, সেখানে তিনি নিজেকে একজন সাধারণ, বয়োবৃদ্ধ এবং রাজনীতিবিমুখ নাগরিক হিসাবে পরিচিত করে তুলেছিলেন। আশপাশের মানুষ বা প্রতিবেশীরা কেউই কল্পনাও করতে পারেনি যে, তাদের পাশে বসবাসকারী এই বৃদ্ধই আসলে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম চাঞ্চল্যকর রাষ্ট্রপতি হত্যাকাণ্ডে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত প্রধান ঘাতক।

এতদিন পর কীভাবে ধরা পড়ল ইতিহাসের এই খলনায়ক— জানতে চাইলে অভিযানে থাকা ডিবির একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ এড়াতে অপরাধীরা কত ধরনের কৌশল অবলম্বন করতে পারে, তার অন্যতম উদাহরণ এই মোজাফফর। নিজের অবয়ব, চালচলন, এমনকি পেশা ও বাসস্থান পরিবর্তন করে সে দীর্ঘদিন একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিচয়ে ছদ্মবেশে অবস্থান করছিল। এ কারণে পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনীর কাছে তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট ক্লু ছিল না। তবে অপরাধ যতই নিখুঁত হোক না কেন, অপরাধীর কোনো না কোনো চিহ্ন বা সূত্র থেকেই যায়। এটাই নির্মম নিয়তি। আর সেই সূত্র ধরেই এত বছর পর তাকে ডিবি গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।

গ্রেফতারের সূত্র জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলেন, ডিবির বিশ্বস্ত টিম জানতে পারে, গোয়েন্দা কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে তার মেয়ের কর্মস্থলের সূত্র ধরে অনুসন্ধান শুরু করেন। জানা যায়, তার মেয়ে একটি বেসরকারি টেলিকম প্রতিষ্ঠানে (এয়ারটেল) চাকরি করেন। কয়েক মাস ধরে মেয়ের কর্মস্থল এবং গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে গোয়েন্দারা একটি সম্ভাব্য বাড়ির ঠিকানা চিহ্নিত করেন। বাড়িটি চিহ্নিত করার পর ডিবি কর্মকর্তারা বেশ কিছুদিন ধরে দূর থেকে লক্ষ্য রাখেন এবং ছদ্মবেশে সার্বিক পরিবেশ ও মোজাফফরের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করেন। গোয়েন্দাদের কাছে মোজাফফরের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের একটি ক্লু আগে থেকেই নথিবদ্ধ ছিল। তার নাকের ঠিক নিচে একটি আঁচিল বা তিল সদৃশ কালো দাগ রয়েছে। চেহারা পরিবর্তন করলেও এই জন্ম চিহ্নটি পরিবর্তনের সুযোগ তার ছিল না। অভিযানে যাওয়ার আগে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা এই চিহ্নটিকে তাদের প্রধান শনাক্তকরণ সূত্র হিসাবে নির্ধারণ করেন।

বুধবার গভীর রাতে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। করা হয় অভিযানের চূড়ান্ত পরিকল্পনা। গোয়েন্দা দল ছদ্মবেশে বাসার দরজায় কড়া নাড়ে। ভেতর থেকে দরজা খোলার পর অত্যন্ত নাটকীয় ও সুকৌশলে এগোয় পুরো প্রক্রিয়া। দরজা খেলার পর গোয়েন্দারা সরাসরি কোনো অভিযান বা গ্রেফতারবিষয়ক কোনো ভয়ভীতি না দেখিয়ে অতিথির মতো স্বাভাবিক আচরণ করেন। মেয়ের নাম ধরে জানতে চান অমুক (তার মেয়ে, যিনি এয়ারটেলে কাজ করেন) বাসায় আছেন কিনা। এ সময় গোয়েন্দা কর্মকর্তারা নিজেদের ‘এয়ারটেল অফিস’ থেকে আসা কর্মী হিসাবে পরিচয় দেন।

তবে এত রাতে অফিসের লোক বাসায় আসায় স্বাভাবিকভাবেই ঘরের ভেতর থেকে কৌতূহল ও কিছুটা সন্দেহ তৈরি হয়। এজন্য বাসার ভেতর থেকে একজন বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তি দরজা খুলে এগিয়ে এসে জানতে চান, ‘এত রাতে অফিসের কাজ কেন? আমাকে বলুন কী বিষয়। গোয়েন্দারা তখন কৌশলগতভাবে বয়োজ্যেষ্ঠ লোকটির চেহারা পর্যবেক্ষণ করেন। বাড়ির অল্প আলোতেও কর্মকর্তাদের চোখ এড়ায়নি তার নাকের নিচে থাকা সেই পরিচিত তিল বা আঁচিলটি। এ সময় কর্মকর্তারা বলেন, ‘মুরব্বি, আমরা তো আপনাকে চিনি না, আপনি কে? আমরা যার সঙ্গে দেখা করতে এসেছি, তার সঙ্গে দেখা করতে দিন।’ সরল বিশ্বাসে এবং কিছুটা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সেই ব্যক্তি উত্তর দেন ‘আমি মোজাফফর। মেয়ের বাবা’।

মোজাফফরের মুখ থেকে একথা শোনার পর আর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করেনি ডিবির চৌকশ দল। পলকের মধ্যে পকেট থেকে বের হয়ে আসে হ্যান্ডকাফ। অতঃপর মোজাফফরের দুই হাত বন্দি হয়ে যায় ডিবির শিকলে। চোখের পলকে দীর্ঘদিনের ছদ্মবেশী ও সুচতুর পলাতক আসামির হাতজোড়া অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে আইনের খাঁচায়। এরপর হতভম্ব চাহনি আর অপ্রস্তুত আত্মসমর্পণ বুঝিয়ে দেয়, ডিবির এই নিখুঁত অপারেশন কতটা নিঁখুত ও পরিপক্ব ছিল।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মেজর (অব.) মো. মোজাফফর হোসেন ১৯৮১ সালের ৩১ মে সংঘটিত সামরিক অভ্যুত্থানের অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী। তিনি ছিলেন কিলিং স্কোয়াডের সক্রিয় সদস্য।

প্রসঙ্গত, ১৯৮১ সালের ৩০ মে গভীর রাতে একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে হামলা চালিয়ে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের সামরিক তদন্তের পর দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় যে ১৩ জন সেনা কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়েছিল, মোজাফফর হোসেন ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম। ঘটনার পর থেকেই তিনি দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে ফেরারি ছিলেন।
মামলার নথি, তদন্তের বিবরণী থেকে জানা যায়, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সেই কালরাতে মেজর মোজাফফরের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত ভয়ংকর। আক্রমণের সময় সার্কিট হাউজে হানা দিয়ে মেজর মোজাফফর ও ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন সরাসরি রাষ্ট্রপতির কক্ষের দিকে অগ্রসর হন। মোজাফফরই প্রথম ব্যক্তি ছিলেন যিনি সশরীরে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে কক্ষের বাইরে এনে শনাক্ত করেন। শুধু শনাক্ত করাই নয়, ঠান্ডা মাথায় তিনি রাষ্ট্রপতিকে লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি চালান বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ রয়েছে। হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত করার পরপরই মোজাফফর চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ২৪ পদাতিক ডিভিশনের তৎকালীন জিওসি মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরকে ফোনে ইংরেজিতে নৃশংস বার্তাটি দেন, ‘দ্য প্রেসিডেন্ট হ্যাজ বিন কিল্ড’। ১৯৮১ সালের ৩১ মে যখন সরকারি বাহিনী পুনরায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়, তখন বিদ্রোহের মূল হোতা মেজর জেনারেল মঞ্জুরসহ অনেকেই গ্রেফতার হন এবং পরে মঞ্জুর নিহত হন। তবে মেজর মোজাফফর হোসেন এবং মেজর এসএম খালেদ কৌশলে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

গোয়েন্দা সূত্রে মোজাফফরের সাড়ে চার দশকের পলাতক জীবনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা গেছে। গ্রেফতার এড়াতে মোজাফফর দীর্ঘদিন পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে ছদ্মনামে আত্মগোপন করেছিলেন। নিজেকে আড়াল করতে তিনি নিজের আসল পরিচয় সম্পূর্ণ মুছে ফেলেন। বছরের পর বছর ধরে তিনি ভুয়া নাম, পরিচয় এবং জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে চলতেন। এতদিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ফাঁকি দিলেও শেষ রক্ষা হয়নি। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ বনানী ডিওএইচএস এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

ডিএমপি ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘তিনি একজন সাবেক সামরিক কর্মকর্তা এবং কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ছিলেন। তাই প্রয়োজনীয় আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে সেনাবাহিনীর নিজস্ব জুডিশিয়াল প্রসেস বা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

১৯৮১ সালের ৩১ মে যখন সামরিক অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয় এবং সেনাবাহিনীর তৎকালীন জিওসি মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুর নিহত হন, তখন মোজাফফর বুঝতে পারেন তার বাঁচার কোনো পথ নেই। তাই তিনি তার আরেক সহযোগী মেজর এসএম খালেদ সীমান্ত পাড়ি দিয়ে কৌশলে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে প্রবেশ করেন।

গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতে তিনি দীর্ঘ সময় কাটান। ১৯৯৭-১৯৯৮ সালের দিকে তিনি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে অবস্থান করেন এবং সেখান থেকেই পরবর্তী জীবনের ছক আঁকেন।

পলাতক অবস্থায় তিনি কেবল ভারতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। ভারতের ভুয়া নাগরিকত্ব বা জাল নথির সাহায্যে তিনি পাসপোর্ট তৈরি করেছিলেন। এই ভুয়া আন্তর্জাতিক নথির ওপর ভর করে তিনি বিশ্বের একাধিক দেশ সফর করেছেন এবং বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। ফলে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা (ইন্টারপোল) বা বাংলাদেশের গোয়েন্দারা তার আসল নামে খোঁজ করেও দীর্ঘদিন কোনো হদিস পাননি।

ঝড়-বৃষ্টি নিয়ে ৪ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিসঅনলাইন ডেস্ক,নিউজ চট্টগ্রাম,১৩ জুলাই ২০২৬ ইং।মৌসুমি বায়ুর অক্ষের...
12/07/2026

ঝড়-বৃষ্টি নিয়ে ৪ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস

অনলাইন ডেস্ক,
নিউজ চট্টগ্রাম,১৩ জুলাই ২০২৬ ইং।

মৌসুমি বায়ুর অক্ষের প্রভাবে দেশের ওপর মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে তা মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করায় আগামী পাঁচ দিন দেশের সব বিভাগেই মাঝারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সোমবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী চার দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর বর্ধিতাংশের অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় বিরাজমান আছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। এই সময় সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এই সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বর্ধিত ৪ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময়ের পর দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

"সাঙ্গু, হালদা ও কর্ণফুলী নদীর পানি বিপদসীমার উপর, চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা"নিউজ চট্টগ্রাম,১৩জুলাই ২০২৬...
12/07/2026

"সাঙ্গু, হালদা ও কর্ণফুলী নদীর পানি বিপদসীমার উপর, চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা"
নিউজ চট্টগ্রাম,১৩জুলাই ২০২৬ ইং।

টানা বৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সাঙ্গু, হালদা ও কর্ণফুলী নদীর পানি বেড়ে এখন বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

এর মধ্যে সাঙ্গু নদীর বান্দরবান পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১০৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে এবং ও চট্টগ্রামের দোহাজারী পয়েন্টে ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে।

এছাড়া আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি এবং ফেনী জেলায় কর্ণফুলী, মুহুরী, ফেনী, সোনাগাজী এবং হালদা নদীর পানি কিছু কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

এর ফলে ওইসব নদীর দু'পাশের কিছু কিছু এলাকা প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন কর্মকর্তারা।

"হাটহাজারীর বিভিন্ন এলাকায় ও চবি ক্যাম্পাসে সাপের উপদ্রব"নিজস্ব সংবাদদাতা, নিউজ চট্টগ্রাম, ১৩ জুলাই ২০২৬ইং।কয়েকদিন ধরে ...
12/07/2026

"হাটহাজারীর বিভিন্ন এলাকায় ও চবি ক্যাম্পাসে সাপের উপদ্রব"
নিজস্ব সংবাদদাতা, নিউজ চট্টগ্রাম, ১৩ জুলাই ২০২৬ইং।

কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পাহাড়, ড্রেন ও ঘন ঝোপঝাড় থেকে সাপ বের হয়ে বিভিন্ন আবাসিক হল, একাডেমিক ভবন এবং সড়কসংলগ্ন এলাকায় চলে আসছে।এতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্কের পাশাপাশি স্বাভাবিক জীবন যাপন ব্যাহত হচ্ছে।
গত কয়েকদিনে সাপের কামড়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন দুই জন ছাত্র।

এছাড়া হাটহাজারীর বিভিন্ন এলাকা থেকে সাপের কামড়ে হাটহাজারী উপজেলা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন আঠারো জন রোগী।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের ও এলাকার জনসাধারণকে সাবধানে চলাচলের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

মিরসরাইয়ে ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগপ্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ১২: ২৫পিএমচট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে একমাত্র ছেলের ব...
16/05/2026

মিরসরাইয়ে ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ১২: ২৫পিএম

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে একমাত্র ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের পূর্ব অলিনগর বিশ্ব টিলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম আবু আহমদ (৬৫)। তিনি একই এলাকার মৃত নুর ইসলামের ছেলে।

ঘটনার সময় স্বামী আবু আহমদকে বাঁচাতে গিয়ে স্ত্রী জরিনা বেগমও আহত হয়েছেন। তাঁর একটি হাতের হাড় ভেঙে গেছে বলে জানিয়েছে পরিবার। ঘটনার পর রাতেই স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় অভিযুক্ত ছেলে ইব্রাহিম মিলনকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্বজনদের ভাষ্যমতে, আবু আহমদ পেশায় কৃষক ছিলেন। বার্ধক্য ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিলেন। তাঁর একমাত্র ছেলে ইব্রাহিম মিলন স্থানীয়ভাবে বাঁশ-কাঠ বিক্রি ও বিভিন্ন কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তবে তিনি মাদকাসক্তির কারণে বেপরোয়া জীবন যাপন করতেন। এ নিয়ে প্রায়ই বাবা-ছেলের মধ্যে ঝগড়া লেগে থাকত।

স্বজনেরা জানান, এক সপ্তাহ ধরে ইব্রাহিম মিলন স্ত্রী ও শাশুড়িকে নিয়ে আলাদা থাকার চেষ্টা করছিলেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি মা–বাবার সঙ্গে বিরোধে জড়ান। এর জেরে শুক্রবার রাতে বাড়ির পাশের একটি দোকান থেকে ফেরার পথে আবু আহমদের ওপর লাঠি নিয়ে হামলা করেন তিনি। চিৎকার শুনে স্ত্রী জরিনা বেগম এগিয়ে এলে তাঁকেও মারধর করা হয়। লাঠির আঘাত ও লাথিতে ঘটনাস্থলেই আবু আহমদের মৃত্যু হয়।

নিহত ব্যক্তির ছোট ভাই শাহ আলম বলেন, তাঁর ভাই সহজ-সরল মানুষ। ছেলের মাদকাসক্তি ও আচরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বিগ্ন ছিলেন। এর আগেও কয়েকবার ছেলের হাতে মারধরের শিকার হয়েছিলেন আবু আহমদ।

এ ঘটনায় জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল হালিম বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেছে। অভিযুক্ত ছেলে ইব্রাহিম মিলনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জেনেছি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

"রাউজানে সৌদিয়া বাস ও সিএনজি ট্যাক্সির মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত"নিউজ ডেস্ক, নিউজ চট্টগ্রাম।১২ এপ্রিল, ২০২৬ | ১১:৫৯ পিএ...
12/04/2026

"রাউজানে সৌদিয়া বাস ও সিএনজি ট্যাক্সির মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত"
নিউজ ডেস্ক, নিউজ চট্টগ্রাম।
১২ এপ্রিল, ২০২৬ | ১১:৫৯ পিএম

চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের রাউজানে সৌদিয়া বাস ও সিএনজি অটোট্যাক্সির মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক ঘটনাস্থলেই নিহত ও দুই যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। রবিবার (১২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সড়কের রাউজান উরকিরচর মাইজ্জামিয়ার ঘাটা নামের মাঝামাঝি স্থানে এই দুঘটনা ঘটে। নিহত সিএনজি চালকের নাম নজরুল ইসলাম (৪৫)।

তিনি রাউজান পশ্চিম গুজরা ইউপির নতুন রঘুনন্দন চৌধুরী হাট এলাকার নুর বক্স দারোগার বাড়ি মৃত ফয়েজ আহমদের ছেলে।

প্রত্যক্ষদশী মো. রাশেদুল আলম ও প্রতিবেশী এবং সহকর্মী চালক মো. বাহাদুর, দিদারুল আলমসহ অনেকে বলেন, ‘রাত প্রায় সাড়ে ১০টার দিকে নজরুল নজুমিয়া হাট ফিলিং স্টেশন থেকে গ্যাস নিয়ে কয়েকজন যাত্রীসহ রাউজান নোয়াপাড়া পথেরহাটের দিকে আসছিলেন। এ সময় তিনি রাউজান উরকিরচর মাইজ্জামিয়ার ঘাটা নামের মাঝামাঝি স্থানে পৌঁছলে কাপ্তাইয়ের দিক থেকে আসা দূরপাল্লার সৌদিয়া বাসটির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন সিএনজি চালক নজরুল ইসলাম। গুরুতর আহত হন সিএনজির অপর দুই যাত্রী।

তাদেরকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে ভতি করেন। রাতে এ রিপোর্ট লেখা পযন্ত ঘটনাস্থলে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সড়কে গাড়ি চলাচলে সামান্য বিঘ্ন ঘটে ৷ পুলিশ লাশ উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন ৷ বাসের চালক পলাত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে বাসটিতে পরে উত্তেজিত জনতা আগুন জ্বালিয়ে দেয়। রাউজান থানার
ওসি সাজেদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন৷

Address

Hathazari Bus Stand, Hathazari
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নিউজ চট্টগ্রাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share