Bourhanul H Chowdhury

Bourhanul H Chowdhury Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bourhanul H Chowdhury, 207 Chosma Hill, East Nasirabad, Panchlaish., Chittagong.

16/08/2026

ন্যারেটিভ দিয়ে যদি দেশ চালানো যেতো, তাহলে তো হতোই। মানুষ ভাত খায়, ন্যারেটিভ খায় না।

16/08/2026

শ্রদ্ধা জানানো কি এখন অপরাধ?

চট্টগ্রামে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে একটি আলোচনা ও শোকসভায় জড়ো হওয়ার ঘটনায় ৫ নারীসহ ১৫ জনকে গ্রেপ্তারের খবর অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

একটি গণতান্ত্রিক সমাজে মতপ্রকাশ, শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হওয়া এবং একজন নিহত জাতীয় নেতার প্রতি শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ করা নাগরিকের মৌলিক স্বাধীনতার অংশ। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকতে পারে—সেটি একটি পৃথক আইনি ও রাজনৈতিক বিষয়। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যদের স্মরণ করা, তাঁদের জন্য দোয়া করা বা শোক প্রকাশ করাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাজনৈতিক অপরাধ হিসেবে দেখা উচিত নয়।

আজ বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কারণে যদি মানুষকে গ্রেপ্তার হতে হয়, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই—আমরা কি সত্যিই একটি গণতান্ত্রিক ও সহনশীল রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছি, নাকি ভিন্নমত ও ব্যক্তিগত অভিব্যক্তির জায়গা ক্রমেই সংকুচিত করছি?

সরকারের দায়িত্ব কোনো একটি ইতিহাস, মত বা আবেগ মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া নয়; আবার মানুষের স্মৃতি, বিশ্বাস ও শ্রদ্ধাবোধকে পুলিশি শক্তি দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করাও নয়।

অপরাধের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলে আইন অনুযায়ী বিচার হোক। কিন্তু শুধু শান্তিপূর্ণভাবে ১৫ আগস্টের শোক প্রকাশ বা বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য কাউকে অপরাধী বানানো গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

ক্ষমতা পরিবর্তন হয়, সরকার পরিবর্তন হয়—কিন্তু নাগরিকের মৌলিক অধিকার কোনো সরকারের দয়া বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ওপর নির্ভর করতে পারে না।

রাজনীতি নিষিদ্ধ করা যেতে পারে; মানুষের শ্রদ্ধা, স্মৃতি ও বিবেককে নিষিদ্ধ করা যায় না।

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা শুধু নিজের মতের মানুষের জন্য নয়—যার মত আপনি অপছন্দ করেন, তার স্বাধীনতা রক্ষা করাই গণতন্ত্রের প্রকৃত পরীক্ষা।

১ - শাহাদাত সাহেবকে ধন্যবাদ আমার আপলোড করা অফিস অর্ডারটা যে সত্য, তা স্বীকার করে নেয়ায়। সত্য না হলে তো আর সেটা বাতিলের জ...
15/08/2026

১ - শাহাদাত সাহেবকে ধন্যবাদ আমার আপলোড করা অফিস অর্ডারটা যে সত্য, তা স্বীকার করে নেয়ায়। সত্য না হলে তো আর সেটা বাতিলের জন্য তাড়াহুড়া করে ব্যাক-ডেট দিয়ে একটি জগাখিচুড়ি মার্কা ফেইক অফিস অর্ডার তৈরি করার প্রয়োজন পড়তো না, তাও গতকাল শুক্রবারে, যেদিন সিটি কর্পোরেশন অফিসই বন্ধ।

২ - আপনার অনুমতি ছাড়াই কি প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ঐ অফিস অর্ডারটি সার্কুলেট করেছিলো? তাহলে তো আপনার যোগ্যতা নিয়ে আপনি নিজেই প্রশ্ন তুলছেন। যার অধীনস্থ কর্মকর্তা নিজের ইচ্ছা মতো অফিস অর্ডার জারি করে দেয়, যাকে তাকে চাঁদাবাজির অনুমতি দিয়ে দেয়, তার তো মেয়রের চেয়ারে বসার কোনো যোগ্যতাই নাই। সিটি কর্পোরেশন আপনার হাতে নাই, বস। আল্লাহর ওয়াস্তে এই প্রতিষ্ঠান চলছে, আর চলছে আপনার দুর্নীতি।

৩ - যদি প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আপনার অনুমতি ছাড়াই এ কাজ করে থাকে, তাহলে আপনি তাকে এই সাত মাসে সাসপেন্ড করলেন না কেন? কেন তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করলেন না? কেন তাকে শো-কজ করলেন না? যদি আসলেই আপনার অগোচরে এই কাজ করে থাকে, তাহলে এসব তো ২২ জানুয়ারিতেই আপনার করার কথা।

৪ - প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা যদি নিজে নিজেই কাউকে রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব দিয়ে থাকে, তাহলে সেটা তিনি নিজের আত্মীয়-স্বজন বা কাছের মানুষকে দেয়ার কথা। তিনি সেই দায়িত্ব কেন আপনারই অনুসারী বিএনপির কর্মীদের দেবে? তাহলে তো প্রশ্ন ওঠেই, তিনি নিজে থেকে সেই দায়িত্ব দিয়েছেন কি না। নাকি আপনিই এখন তাকে বলির পাঁঠা বানাচ্ছেন?

৫ - রাজস্ব আদায়ের জন্য সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব টিম আছে, মেজিস্ট্রেট আছে। সেখানে এরকম একটা সেনসিটিভ ও জরুরি কাজ কেন বিএনপির কর্মীদের দেয়া হয়েছিলো? কোন আইনে তাদেরকে এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে? যদি একদিনের জন্যও এরকম কাউকে রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব দেয়া হয়, তা অবৈধ এবং এর জন্য আপনাকেই শাস্তির মুখে পড়তে হবে। কারণ, এটা পুরোটাই চসিকের নিজস্ব সিটি কর্পোরেশন আইন, ২০০৯-এর স্পষ্ট লঙ্ঘন।

৬ - আপনার ভাষ্যমতে, দশ দিন পর নতুন অফিস অর্ডার জারি করে খাস কালেকশনের অনুমতি বাতিল করা হয়েছে। এই দশ দিনের হিসাব কই? ১২ জানুয়ারি থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত কত টাকা আদায় হয়েছে? কতগুলো রসিদ ইস্যু হয়েছে? যাদের থেকে টাকা তোলা হয়েছে তাদের ট্রেড লাইসেন্স আছে? কোন হিসাব খাতে টাকা জমা হয়েছে? কোন তারিখে কর্পোরেশনের ব্যাংক হিসাবে টাকা জমা হয়েছে? চালান নম্বর কত? এই দশ দিনের পূর্ণাঙ্গ হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করুন।

আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, এক দিনের খাস কালেকশনের টাকাও সিটি কর্পোরেশনে জমা দেয়া হয়নি।

৭ - যদি খাস কালেকশনের অনুমতি বাতিল হয়েই থাকে, তাহলে আপনার কর্মীরা এখনো কিভাবে টাকা উঠিয়ে যাচ্ছে? সেটা কি তাহলে? সিটি কর্পোরেশনের ভেতরকার খবর তো বলছে, অনুমতি এখনো বহাল আছে। অবশ্য, ফেসবুকে ছড়ানো ফেইক ডকুমেন্ট দিয়ে তো এমনিতেও অনুমতি বাতিল হয় না। এই অনিয়ম ও দুর্নীতির জবাব দিতে হবে আপনাকে।

৮ - নতুন আপলোড করা আপনার অফিস অর্ডারটি যে ফেইক, সেটা তো এর চেহারা দেখলেই বুঝা যায়। প্রথম অফিস অর্ডারটির সাথে দৃশ্যগতভাবে দ্বিতীয় অর্ডারটির কি কোনো মিল আছে? কি কি অমিল আছে তা আমি বিষদে উল্লেখ করছি -

* প্রথম অফিস অর্ডারে ‘বিষয়’ ও ‘সূত্র’ উল্লেখ করা হয়েছে, যা অরিজিনাল অফিস অর্ডারের ফর্ম্যাট। কিন্তু দ্বিতীয়টিতে এসব কিছুই নাই। তাছাড়া, প্রথম অর্ডারে স্মারক নম্বরের সাথে দ্বিতীয়টায় রেফারেন্স হিসেবে দেয়া আগের স্মারক নম্বরের হাইফেন, ডট - এসব মিলে না কেন?

* প্রথমটায় যাদেরকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিলো, তাদেরকে অনুলিপি দেয়া হয়েছে। যারা যারা এসব অর্ডারে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, তাদেরকে অনুলিপি দেয়াটাই নিয়ম। কিন্তু দ্বিতীয়টায় কোনো অনুলিপি দেয়া হয়নি কেন?

* প্রথমটায় প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তার সাক্ষরের নিচে তার নাম আছে, পদবির পাশে তার পদমর্যাাদা (উপসচিব) দেয়া আছে, দ্বিতীয়টিতে নেই কেন? তাড়াহুড়ায় ভুলে গিয়েছেন মনে হয়!

* স্মারক নম্বরের সাথে মিলিয়ে আপনি রেজিস্টার কপিটাও একটু জনসমক্ষে দেখান। যদি ব্যাক ডেইটে এই জিনিস বানানো না হয়, তাহলে রেজিস্টারে কোনো ঘষামাজা বা কাটাকুটি থাকবে না। আপনি যদি সৎ হয়ে থাকেন, দেখান।

* সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী, আগের কোনো আদেশ ভুলবশত বা বেআইনিভাবে জারি হলে নতুন আদেশে বাতিল করার সময় লিখতে হয় - "কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে" অথবা "অনিবার্য কারণবশত/প্রশাসনিক ভুলের কারণে আগের আদেশ বাতিল করা হলো"। কিন্তু দ্বিতীয় আদেশে সরাসরি বলা হয়েছে "ইহা কর্পোরেশনের স্বার্থে জারি করা হলো"। একটি বেআইনি আদেশ জারি করার পর তা বাতিলের সময় "কর্পোরেশনের স্বার্থে" বলে দিলেই সেটা অফিস অর্ডার হয়ে যায় না।

বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সকল শহীদদের...
14/08/2026

বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সকল শহীদদের।

এবার ফুটপাত থেকে চাঁদা তোলার জন্য নিজের অনুসারীদের লিখিত অনুমতি দিয়েছে ডাকাত শাহাদাত। উনি একদিকে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযানের...
13/08/2026

এবার ফুটপাত থেকে চাঁদা তোলার জন্য নিজের অনুসারীদের লিখিত অনুমতি দিয়েছে ডাকাত শাহাদাত।

উনি একদিকে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযানের সিনেমা বানিয়ে ফেসবুকে দেয়, আরেকদিকে সেই ফুটপাতে নিজেই অবৈধ দোকান বসিয়ে, সেখান থেকে রাজস্ব আদায়ের নামে চাঁদা তোলার জন্য অফিস অর্ডার দেয়।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে রাজস্ব আদায়ের নামে এমন চাঁদাবাজি অনুমোদনের অফিস অর্ডার আমার হাতে এসেছে। অর্ডারের কপি কমেন্টে দেয়া হয়েছে। পড়ে দেখতে পারেন চাইলে।

সেখানে দেখবেন, শাহাদাতের অনুসারী বিএনপি নেতা শফিকুল আলম স্বপন, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম সুমন, মো. নজরুল ইসলাম, কামরুল হাসান আকাশ ও মো. শাহীনকে এই চাঁদাবাজির অনুমতি দেয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক চসিক কর্মকর্তা জানান, খাস আদায়ের নামে এই চাঁদাবাজির টাকার ভাগ নেন চসিকের দুই এক্সইএন ফখরুল ও রুপক। তারা চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রদলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

প্রথম কথা হচ্ছে, ফুটপাতে দোকান বসানো অবৈধ, সেখান থেকে রাজস্ব আদায় করাই যাবে না। তাহলে রাজস্ব আদায়ের নামে যা তোলা হচ্ছে তা তো মূলত চাঁদা।

তার চেয়েও বড় ব্যাপার হলো, জানুয়ারিতে খাস আদায়ের অনুমােদন দেওয়ার প্রায় সাত মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত এক টাকাও রাজস্ব জমা পড়েনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে।

এই বছরের ১২ জানুয়ারি চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম সরওয়ার কামাল স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, টেকনিক্যাল মোড় থেকে টিটিসি মোড় পর্যন্ত উভয় পাশের ফুটপাত, আগা মোড় থেকে ম্যাপ সু ফ্যাক্টরি পর্যন্ত উভয় পাশের ফুটপাত, টেক্সটাইল চসিক মার্কেটের পশ্চিম পাশের শেষ প্রান্ত থেকে বাংলা বাজার পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশের ফুটপাত এবং বাংলা বাজার থেকে শেরশাহ রোডের পশ্চিমাংশে বিএসআরএম সংলগ্ন ফুটপাত পর্যন্ত ভাসমান দোকান থেকে খাস আদায়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ফুটপাতে চাঁদার বিনিময়ে দোকান বসানোর কোনো অধিকার শাহাদাতের নাই। এই লোক টাকা খাওয়ার আর কোনো সেক্টর বাকি রাখে নাই! দুই দিন পর দেখা যাবে নাগরিকের ঘরের টয়লেট থেকেও উনি টাকা তোলা শুরু করেছে। এই লোকের হাতে চট্টগ্রামবাসী নিরাপদ না।

১/১১-এর সময়কাল ২০০৭ সাল। আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে ২০০৯ সালে। যদি ‘আয়নাঘর’ আওয়ামী লীগের তৈরি হয়ে থাকে, তাহলে ২০০৭ সালে ত...
08/08/2026

১/১১-এর সময়কাল ২০০৭ সাল। আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে ২০০৯ সালে। যদি ‘আয়নাঘর’ আওয়ামী লীগের তৈরি হয়ে থাকে, তাহলে ২০০৭ সালে তারেক রহমান তাতে কিভাবে আটক হয়?

কারণ ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার। ২০০৭ সালে ১/১১-এর পরের ফখরুদ্দিন সরকারের সময় যে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের আটক করা হয়, সেটি কোনো শূন্যতা থেকে হঠাৎ তৈরি হয়নি। এই কাঠামো তার আগে থেকেই বিদ্যমান ছিল।

অর্থাৎ, আয়নাঘর যদি আসলেই থেকে থাকে, তবে তার স্রষ্টা বিএনপিই। আর যদি বিএনপি এর স্রষ্টা না হয়, তাহলে আয়নাঘর বলতে কিছুই নাই। অথবা, আয়নাঘর আসলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটা সেল, যেটা তারাই পরিচালনা করে, যার সাথে সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতাই নাই।

07/08/2026

যতোই শেখ হাসিনাকে দেশ থেকে বের করে দাও
মানুষের হৃদয় থেকে কিভাবে বের করবে?

#হাসিনার_প্রত্যাবর্তন #শেখ_হাসিনা #বাংলাদেশ_রাজনীতি #বঙ্গবন্ধু

আজ আবারও আমার প্রয়াত পিতা, জননেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর পারিবারিক বাসভবনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। আমাদের বাড়ি লক্ষ্য করে ...
06/08/2026

আজ আবারও আমার প্রয়াত পিতা, জননেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর পারিবারিক বাসভবনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। আমাদের বাড়ি লক্ষ্য করে একটি পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছে।

এটি শুধু একটি বাড়ির ওপর হামলা নয়, এটি একটি পরিবারের নিরাপত্তার ওপর আঘাত, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর আঘাত এবং আইনের শাসনের প্রতি চরম অবজ্ঞা।

আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, ভয় দেখিয়ে, সন্ত্রাস সৃষ্টি করে কিংবা হামলা চালিয়ে আমাদের ন্যায়ের পথ থেকে সরানো যাবে না। সহিংসতা কখনোই রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ভাষা হতে পারে না।

আমি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জোরালো আহ্বান জানাই, এই ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করুন এবং আইনের আওতায় আনুন। অপরাধী যে-ই হোক, তার রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবের ঊর্ধ্বে আইনের বিচার হতে হবে।

সত্যকে ভয় দেখিয়ে থামানো যায় না। ন্যায়বিচারের সংগ্রাম চলবেই।

সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, আইনের শাসনের পক্ষে।

Address

207 Chosma Hill, East Nasirabad, Panchlaish.
Chittagong
4209

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bourhanul H Chowdhury posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share