Chief Metropolitan Magistrate Court, Chattogram

Chief Metropolitan Magistrate Court, Chattogram চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, চট্টগ্রাম

১৯৭৯ সালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত যাত্রা শুরু করে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ১৬ টি থানা চীফ মেট্রোপলিটন আদালত, চট্টগ্রামের আওতাধীন। একজন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, একজন অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও ৬ জন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গঠিত। প্রতিষ্ঠাকালীন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন জনাব জালাল আহমেদ। বর্তমানে জনাব কাজী মিজানুর রহমান চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট পদে কর্মরত আছেন।

এক বা একাধিক দাগের আংশিক ভূমি ব্যক্তি মালিকানাধীন এবং আংশিক ভূমি খাস বা সরকারি স্বার্থসংশ্লিষ্ট হলে ভূমির সীমানা নির্ধার...
29/09/2026

এক বা একাধিক দাগের আংশিক ভূমি ব্যক্তি মালিকানাধীন এবং আংশিক ভূমি খাস বা সরকারি স্বার্থসংশ্লিষ্ট হলে ভূমির সীমানা নির্ধারণপূর্বক ব্যক্তি মালিকানাধীন ভূমির নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর আদায় সংক্রান্ত পরিপত্র।

27/09/2026

মাননীয় বিচারপতি মো. রেজাউল হক মহোদয়ের একগুচ্ছ পরামর্শ আইনজীবীদের প্রতি

18th BJS Examination, 2025- Final Result
23/09/2026

18th BJS Examination, 2025- Final Result

বাস ও মিনিবাস ভাড়া বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন
23/09/2026

বাস ও মিনিবাস ভাড়া বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন

চট্টগ্রামের প্রথম আদালত ভবন—‘দারুল আদালত’চট্টগ্রাম শহরের ইতিহাসের পাতায় লুকিয়ে থাকা এক বিস্ময়কর স্থাপনা—‘পর্তুগিজ ভবন’, ...
22/09/2026

চট্টগ্রামের প্রথম আদালত ভবন—‘দারুল আদালত’

চট্টগ্রাম শহরের ইতিহাসের পাতায় লুকিয়ে থাকা এক বিস্ময়কর স্থাপনা—‘পর্তুগিজ ভবন’, যা প্রচলিত মতে চট্টগ্রামের প্রথম আদালত ভবন হিসেবে পরিচিত এবং ‘দারুল আদালত’ নামে অভিহিত করা হতো।

ভবনটির বয়স প্রায় ৪০০ বছর। আনুমানিক ১৬৬৬ সালে চট্টগ্রামে পর্তুগিজ উপনিবেশের সময় এটি নির্মিত হয়েছিল বলে একটি মত প্রচলিত রয়েছে। আবার অনেকের মতে, ১৭৬১ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলে ভবনটি নির্মিত হয়। অর্থাৎ, এর প্রকৃত নির্মাণকাল নিয়ে আজও রয়েছে ঐতিহাসিক মতভেদ।

🔸 সুড়ঙ্গের গল্পও কম রহস্যময় নয়!

জনশ্রুতি আছে, ভবনটির নিচ দিয়ে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত একটি সুড়ঙ্গপথ ছিল। সেই পথ দিয়ে পর্তুগিজরা লুণ্ঠিত মালামাল ভবনটিতে নিয়ে আসত বলে প্রচলিত আছে। পরবর্তীতে পর্তুগিজরা চট্টগ্রাম ত্যাগের সময় সুড়ঙ্গটি সীলগালা করে দেয়—এমন কথাও শোনা যায়। বর্তমানে সেই সুড়ঙ্গের কোনো অস্তিত্ব নেই।

📜 ইতিহাসের নানা অধ্যায়ে ভবনটি

ঊনবিংশ শতাব্দীতে ভবনটি চট্টগ্রাম মাদ্রাসার কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। ১৮৭৯ সালে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে ভবনসহ পুরো পাহাড়টি ৩০ হাজার টাকায় কিনে নেয়।

পরবর্তীতে ১৯২৭ সালে মহসিন কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলে ভবনটি কিছু সময়ের জন্য ছাত্রাবাস হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।

মুক্তিযুদ্ধের সময়, ১৯৭১ সালে, ভবনটি যুদ্ধকালীন আটক ও নির্যাতন কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছিল বলে উল্লেখ পাওয়া যায়।

🏰 কেন ‘পর্তুগিজ ভবন’?

ভবনটির স্থাপত্যশৈলী মুঘল, ব্রিটিশ কিংবা আধুনিক কোনো প্রচলিত স্থাপত্যরীতির সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। এর স্থাপত্য বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে অনেকেই এটিকে পর্তুগিজদের নির্মিত স্থাপনা হিসেবে চিহ্নিত করেন। প্রচলিত বর্ণনা অনুযায়ী, এটি ছিল পর্তুগিজদের একটি প্রশাসনিক দুর্গ এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

⚖️ ‘দারুল আদালত’—চট্টগ্রামের বিচার ইতিহাসের এক স্মারক

একসময় এই ভবনেই চট্টগ্রামের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো বলে এটি ‘দারুল আদালত’ নামে পরিচিতি লাভ করে। ‘দারুল আদালত’ অর্থ—বিচারালয় ভবন।

আজ ভবনটি শুধু একটি পুরোনো স্থাপনা নয়; এটি চট্টগ্রামের বিচারব্যবস্থা, ঔপনিবেশিক ইতিহাস, শিক্ষা এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এক গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নিদর্শন।

⚠️ ২০০২ সালে কলেজ কর্তৃপক্ষ ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে এবং একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে ভবনটিতে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ কর্তৃপক্ষের সংরক্ষিত প্রবেশাধিকার রয়েছে।

📍 লোকেশন: সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ

অধ্যাদেশ নং ৩৭, ২০২৬।--পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬
21/09/2026

অধ্যাদেশ নং ৩৭, ২০২৬।--পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬

21/09/2026
GPF এর মুনাফা হার
21/09/2026

GPF এর মুনাফা হার

চট্টগ্রাম মহানগর ম্যাজিস্ট্রেসির বিভিন্ন আদালতে দায়েরকৃত মামলা ও দাখিলকৃত দরখাস্তে সংশ্লিষ্ট আদালতের সঠিক নাম ব্যবহার প্...
21/09/2026

চট্টগ্রাম মহানগর ম্যাজিস্ট্রেসির বিভিন্ন আদালতে দায়েরকৃত মামলা ও দাখিলকৃত দরখাস্তে সংশ্লিষ্ট আদালতের সঠিক নাম ব্যবহার প্রসঙ্গে

★চট্টগ্রামে সামারি ট্রায়ালে ১৯ খাদ্য প্রতিষ্ঠানকে ৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা★★১ প্রতিষ্ঠানের মালিকের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষ...
21/09/2026

★চট্টগ্রামে সামারি ট্রায়ালে ১৯ খাদ্য প্রতিষ্ঠানকে ৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা★

★১ প্রতিষ্ঠানের মালিকের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের এবং একজন আসামি গ্রেফতার ★
------------------------- ------------------------
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখ রোজ শনিবার

জনাব মোহাম্মদ মোস্তফা, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট, বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত, চট্টগ্রাম মহানগর, চট্টগ্রাম মহোদয়ের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম মহানগরের ১৯ টি খাদ্য প্রতিষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

০১. প্রতিষ্ঠানের নামঃ হাইওয়ে সুইটস এণ্ড বেকারি , লালখান , চট্টগ্রাম

পূর্বতন পরিবেশের দৃশ্যমান উন্নতি ঘটলেও কিছু অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হয়েছে;

অসঙ্গতিসমূহঃ
মানহীন ঘি ব্যবহারপূর্বক মিষ্টি প্রস্তুত, মান নিয়ন্ত্রণ ব্যতিত টোস্ট বিস্কুট বিক্রয়, স্যাঁতসেঁতে ফ্লোর, ছানা প্রক্রিয়াকরণের পাত্র অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন, কিছু অংশে তেলাপোকার বিচরণ

আইনানুগ ব্যবস্থাঃ নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর ২৬ ধারানুযায়ী তিন (৩,০০০০০/-) লক্ষ টাকা জরিমানা।

০২. প্রতিষ্ঠানের নামঃ জসিম মশলা মিল, চাক্তাই, খাতুনগঞ্জ, চট্টগ্রাম

অসঙ্গতিসমূহঃ
কাঠের গুড়ো মিশ্রণপূর্বক মশলা প্রস্তুত , মশলা প্রস্তুতে অননুমোদিত রংয়ের ব্যবহার, নোংরা, পচা মরিচ ব্যবহারপূর্বক মশলা প্রস্তুত, সরকারি কাজে সহযোগিতা না করা

আইনানুগ ব্যবস্থাঃ সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের এবং একজন আসামি গ্রেফতার।

বালি আর্কেট, চকবাজার , চট্টগ্রামের ফুড কোর্টের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হওয়ায় হোটেল-রেস্তোরাঁ আইন, ২০১৪ এর ১৯ ধারানুযায়ী আরোপিত দন্ডের তথ্যাদিঃ

০৩. প্রতিষ্ঠানের নামঃ KFC

অসঙ্গতিসমূহঃ
পচা আলু, পচা মজেস ব্যবহারপূর্বক খাদ্য প্রস্তুত

দন্ডঃ পঞ্চাশ হাজার টাকা (৫০,০০০/-)

০৪. প্রতিষ্ঠানের নামঃ ফুচকা খাদক

অসঙ্গতিসমূহঃ
পচা আলু, পচা আম ব্যবহারপূর্বক খাদ্য প্রস্তুত

দন্ডঃ ত্রিশ হাজার টাকা (৩০,০০০/-)

০৫. প্রতিষ্ঠানের নামঃ স্ট্রিট ইটস

অসঙ্গতিসমূহঃ
পুড়া তেল, খবরের কাগজে খাবার পরিবেশন, খামিতে ময়লা, রান্না ও কাঁচা খাবার একত্রে ফ্রিজে সংরক্ষণ

দন্ডঃ ত্রিশ হাজার টাকা (৩০,০০০/-)

০৬. প্রতিষ্ঠানের নামঃ গ্রীল মাস্টার এণ্ড পাপাচিনো

অসঙ্গতিসমূহঃ
পচা গাজর, মেয়াদহীন চাইনিজ সবজি, অস্বাস্থ্যকর প্লাস্টিকের বক্সে গরম খাবার সংরক্ষণ , পচা পেয়াজ , নিন্মমানের সস ব্যবহার , খোলা অবস্থায় মাশরুম ও ব্ল্যাক অলিভ সংরক্ষণ

দন্ডঃ পঞ্চাশ হাজার টাকা (৫০,০০০/-)

০৭. প্রতিষ্ঠানের নামঃ লাজজাত
অসঙ্গতিসমূহঃ
মেয়াদহীন মুরগি সংরক্ষণ, মেয়াদহীন ব্রেডক্রাম্প সংরক্ষণ, অননুমোদিত রং মিশ্রিত মরিচ, কাঁচা মাংসের সাথে ফ্রিজারে আইস তৈরি , নিন্মমানের সসের ব্যবহার, নষ্ট বাদাম

দন্ডঃ পঞ্চাশ হাজার টাকা (৫০,০০০/-)

০৮. প্রতিষ্ঠানের নামঃ দিল্লি দরবার এণ্ড সালাদ লাভার্স

অসঙ্গতিসমূহঃ
ময়লা পাত্রে রান্না, কাঁচা ও রান্না করা মাংস একত্রে সংরক্ষণ , খোলা অবস্থায় রান্না করা খাবার সংরক্ষণ , অননুমোদিত রং মিশ্রিত মরিচ, বিষ্ঠাসহ ডিম সংরক্ষণ , পচা আলু সিদ্ধ , মেয়াদহীন ফল ,দই, আম ফ্রিজে সংরক্ষণ , অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ

দন্ডঃ এক লক্ষ টাকা (১,০০,০০০/-)

০৯. প্রতিষ্ঠানের নামঃ চিলিস
অসঙ্গতিসমূহঃ
কাঁচা ও রান্না করা খাবার একত্রে ফ্রিজে সংরক্ষণ , চুলা চুইয়ে ময়লা খাবারে পড়া, রক্তমাখা অপরিষ্কার - অপরিচ্ছন্ন মুরগি ফ্রিজে সংরক্ষণ , অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ

দন্ডঃ ত্রিশ হাজার টাকা (৩০,০০০/-)

১০. প্রতিষ্ঠানের নামঃ এলিগ্যান্ট
অসঙ্গতিসমূহঃ
পচা গন্ধযুক্ত মাংস, পচা মাংস, পচা মাশরুম , পচা চাইনিজ সবজি ব্যবহারপূর্বক খাদ্য প্রস্তুত

দন্ডঃ পঞ্চাশ হাজার টাকা (৫০,০০০/-)

১১. প্রতিষ্ঠানের নামঃ দ্যা বোন চাইনা
অসঙ্গতিসমূহঃ
মেয়াদহীন রক্তমাখা মুরগির হাড়মাংস সংরক্ষণ

দন্ডঃ পঁচিশ হাজার টাকা (২৫,০০০/-)

১২. প্রতিষ্ঠানের নামঃ ওয়াফেল কিং
অসঙ্গতিসমূহঃ
মেয়াদহীন রক্তমাখা মুরগির হাড়মাংস সংরক্ষণ, পচা লেমন গ্রাস ফ্রিজে সংরক্ষণ

দন্ডঃ দশ হাজার টাকা (১০,০০০/-)

১৩. প্রতিষ্ঠানের নামঃ 9 candle 2.0
অসঙ্গতিসমূহঃ
মেয়াদহীন রক্তমাখা মুরগির হাড়মাংস সংরক্ষণ, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন

দন্ডঃ পঁচিশ হাজার টাকা (২৫,০০০/-)

১৪. প্রতিষ্ঠানের নামঃ হটডগ এণ্ড কোং
অসঙ্গতিসমূহঃ
পাংগাস মাছকে ডরি ফিশ বলে বিক্রয়, মেয়াদহীন রক্তমাখা মুরগির হাড়মাংস সংরক্ষণ , মেয়াদহীন খামি সংরক্ষণ

দন্ডঃ পঞ্চাশ হাজার টাকা (৫০,০০০/-)

১৫. প্রতিষ্ঠানের নামঃ দ্যা ওয়াফেল
অসঙ্গতিসমূহঃ
মেয়াদহীন ডুডু সংরক্ষণ, মাংসের সাথে আইস তৈরি , অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন

দন্ডঃ দশ হাজার টাকা (১০,০০০/-)

১৬. প্রতিষ্ঠানের নামঃ টমিয়াম
অসঙ্গতিসমূহঃ
রান্না করা অতিরিক্ত টক মিশ্রিত স্যূপ ফ্রিজে সংরক্ষণ

দন্ডঃ দশ হাজার টাকা (১০,০০০/-)

১৭. প্রতিষ্ঠানের নামঃ দ্যা চিকেন বক্স
অসঙ্গতিসমূহঃ
মেয়াদহীন নাজুসপাতি, মেয়াদহীন রক্তমাখা মুরগির হাড়মাংস ফ্রিজে সংরক্ষণ

দন্ডঃ পঁচিশ হাজার টাকা (২৫,০০০/-)

১৮. প্রতিষ্ঠানের নামঃ ফুচকাওয়ালা এণ্ড জুসবার

অসঙ্গতিসমূহঃ
পচা গাজর , মেয়াদহীন মিষ্টি ও টক দই সংরক্ষণ

দন্ডঃ পঞ্চাশ হাজার টাকা (৫০,০০০/-)

১৯. প্রতিষ্ঠানের নামঃ দ্যা মাঞ্চগাই
অসঙ্গতিসমূহঃ
পচা মাংস, কাঁচা ও রান্না করা খাবার একত্রে সংরক্ষণ

দণ্ডঃ ত্রিশ হাজার টাকা (৩০,০০০/-)

উক্ত কার্যক্রমে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ- Bangladesh Food Safety Authority, জেলা ও মেট্রোপলিটন কার্যালয়, চট্টগ্রামের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এবং র‍এসআরবি-৭; সিএমপি, চট্টগ্রাম; ব্যাটালিয়ন আনসার, চট্টগ্রাম এর একটি চৌকস টিম সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে সার্বিক সমন্বয় করেন।

★জনস্বার্থে এজাতীয় কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।★

Address

Court Hill, Kotowali
Chittagong
4000

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chief Metropolitan Magistrate Court, Chattogram posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category