ReadVerse

ReadVerse From pages to your soul.

সমাজের স্রোত যেদিকে, সেদিকে তরী ভাসানোর নাম বীরত্ব নয়। স্রোতের বিপরীত দিকটাই বীরপুরুষরা বেছে নেয় যুগে যুগে। স্রোতের সঙ...
23/07/2026

সমাজের স্রোত যেদিকে, সেদিকে তরী ভাসানোর নাম বীরত্ব নয়। স্রোতের বিপরীত দিকটাই বীরপুরুষরা বেছে নেয় যুগে যুগে। স্রোতের সঙ্গে তাল মিলালে হয়তো ভালো সাজা যাবে। কিন্তু ‘ইউনিক’ হওয়া যাবে না। ইউনিক তো সে-ই, যে তুমুল বাধার মুখেও নিজের আদর্শের ওপর অটল থাকে। স্রোতের সঙ্গে লড়াই করতে করতে এর গতিপথটাকেই যে পাল্টে দিতে পারে, সে-ই তো আসল বীর। নবী কারিম ﷺ শুরু থেকেই তেমন ছিলেন।

যারা ছাড় দেওয়ার মানসিকতা রাখে, তাদের দ্বারা কখনোই এই দীন প্রতিষ্ঠিত হবে না।দীন ইসলাম একটি পরিপূর্ণ প্যাকেজ। ঈমান কবুল কর...
16/07/2026

যারা ছাড় দেওয়ার মানসিকতা রাখে, তাদের দ্বারা কখনোই এই দীন প্রতিষ্ঠিত হবে না।

দীন ইসলাম একটি পরিপূর্ণ প্যাকেজ। ঈমান কবুল করলে পুরো প্যাকেজটিই গ্রহণ করতে হবে। আমরা দীনের জন্য রাজপথে সংগ্রাম করব, আবার পশ্চিমা অ্যাম্বাসি থেকে ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার আশায় নিজেকে লিবারেল-সেক্যুলার হিসেবে পরিচয় দেব—এটা তো হতে পারে না। আমরা দীন নেব মুহাম্মাদ ﷺ–এর কাছ থেকে, আর দীন কায়েমের পদ্ধতি নেব আব্রাহাম লিংকনের তত্ত্ব থেকে—এ ধরনের ধোঁকাবাজি আল্লাহর সঙ্গে চলবে না। ধোঁকাবাজরা কখনো আল্লাহর সাহায্য পায় না। তারা বাস করে লাঞ্ছনার সাগরে।

﴿أَفَتُؤْمِنُونَ بِبَعْضِ الْكِتَابِ وَتَكْفُرُونَ بِبَعْضٍ ۚ فَمَا جَزَاءُ مَنْ يَفْعَلُ ذَٰلِكَ مِنْكُمْ إِلَّا خِزْيٌ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا ۖ وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ يُرَدُّونَ إِلَىٰ أَشَدِّ الْعَذَابِ ۗ وَمَا اللَّهُ بِغَافِلٍ عَمَّا تَعْمَلُونَ﴾

অর্থ: “তোমরা কি কিতাবের কিছু অংশে বিশ্বাস করো এবং কিছু অংশকে প্রত্যাখ্যান করো? অতএব, তোমাদের মধ্যে যারা এমনটি করে, পার্থিব জীবনে লাঞ্ছনা ও অবমাননা ছাড়া তাদের জন্য আর কী প্রতিদান হতে পারে? আর কিয়ামতের দিন তারা কঠিন শাস্তির দিকে প্রত্যাবর্তিত হবে। তোমরা যা কর, সে সম্পর্কে আল্লাহ মোটেই গাফিল নন।”

আমরা এই আয়াতের বাস্তবতা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। যারা পশ্চিমের সঙ্গে আপস করে দীনের কিছু অংশ ছেড়ে দিয়েছে, অপমান ও লাঞ্ছনা তাদের ওপর চেপে বসেছে। অর্ধশত বছরেও তারা এক ইঞ্চি জায়গায় আল্লাহর দীন কায়েম করতে পারেনি। উল্টো ‘ইসলামি খিলাফত’ শব্দটি বদলে সেখানে ‘কল্যাণরাষ্ট্র’ কিংবা ‘ইসলামি গণতন্ত্র’—এ ধরনের পরিভাষা আমদানি করেছে, যাতে পশ্চিমা অ্যাম্বাসিগুলোর সামান্য অনুগ্রহ পাওয়া যায়। কেন এই অধঃপতন?

“আল্লাহর দীন কেবল সেসব লোকের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব, যারা সব দিক থেকে এ দীনকে মানতে প্রস্তুত।”

দীনকে কাটছাঁট করলে লাঞ্ছনা ছাড়া আর কিছুই কপালে জুটবে না। এই উম্মাহর সমাধান একমাত্র পূর্ণাঙ্গ দীনের মধ্যেই নিহিত। দীন নেই, তো ইজ্জত নেই। দীন নেই, তো কাঙ্ক্ষিত সাফল্যও নেই।

আমাদের নেতা উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেছেন:

“একসময় আমরা অসহায়, তুচ্ছ ও লাঞ্ছিত ছিলাম। তারপর আল্লাহ আমাদের ইসলাম দ্বারা সম্মানিত করেছেন। এরপর যদি আমরা আল্লাহর দেওয়া পথ ব্যতীত অন্য কোনো পথে ইজ্জত ও সম্মান তালাশ করি, তবে আল্লাহ তাআলা পুনরায় আমাদের লাঞ্ছিত করে ছাড়বেন।”(আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৭/১১৪–১১৫)

সমাজ নিয়ে আমাদের কোনো ভাবনাই নেই। সুযোগ থাকতেও অধিকার-বঞ্চিত মানুষদের নিয়ে কাজ করতে চাই না। আশপাশের ছিন্নমূল, অসহায় ও মজ...
13/07/2026

সমাজ নিয়ে আমাদের কোনো ভাবনাই নেই। সুযোগ থাকতেও অধিকার-বঞ্চিত মানুষদের নিয়ে কাজ করতে চাই না। আশপাশের ছিন্নমূল, অসহায় ও মজলুম মানুষের জন্য কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করি না।

অথচ...

খ্রিষ্টান মিশনারি আর এনজিও'রা ঠিকই এই শূন্যতাকে কাজে লাগাচ্ছে। গ্রামে, পাহাড়ে, সমতলে—সবখানেই তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানোর নামে লুটে নিচ্ছে ঈমান। জনহিতকর কাজের আড়ালে অসংখ্য মানুষকে মুরতাদ বানানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আর আমরা?

শুধু চেয়ে চেয়ে দেখছি।

অথচ এই সুযোগটা আমাদেরই লুফে নেওয়ার কথা ছিল। গরিব, অসহায় ও মজলুম মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথা ছিল। স্কুল, কলেজ, মক্তব ও মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করে সুবিধাবঞ্চিতদের বুনিয়াদি শিক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। বেকারদের সাবলম্বী করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা ছিল। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনার কথা ছিল। ইসলামের কল্যাণমুখী বিধানগুলো তাদের সামনে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার দায়িত্বও ছিল আমাদেরই।

আফসোস!

এই বিশাল গ্যাপ আমরা পূরণ করতে পারিনি। বরং সেই জায়গাটা ছেড়ে দিয়েছি খ্রিষ্টান মিশনারি ও এনজিওদের হাতে। আজ দেশের আনাচে-কানাচে তাদেরই প্রভাব চোখে পড়ে।

এমনকি দেশের শিক্ষা কারিকুলামও এনজিওদের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী তৈরি হচ্ছে। যৌনশিক্ষার নামে ট্রান্সজেন্ডার-মুখী ও নির্লজ্জ একটি প্রজন্ম তৈরির অভিযোগও রয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের আড়ালে ইসলামি মূল্যবোধকে উপেক্ষা করে পশ্চিমা সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়ারও অভিযোগ করা হয়। স্বাস্থ্যসেবার আড়ালে সমকামী নেটওয়ার্ক বিস্তারের অভিযোগও শোনা যায়। আর চট্টগ্রামকে স্বাধীন করে আলাদা খ্রিস্টান রাষ্ট্র বানানোর পরিকল্পনার কথাও বিভিন্ন মহলে আলোচিত হয়।

তাদের মতাদর্শ প্রচারের জন্য তারা যতটা তৎপর—
আমরা কি তার ধারেকাছেও আছি?
আমরা কি সত্যিই নববী আদর্শ অনুসরণ করছি?

নবিজির বয়স তখন আট। দাদা আবদুল মুত্তালিব চলে গেলেন পরপারে। তখন তাঁর ঠাঁই হলো চাচা আবু তালিবের ঘরে। সেখানেই শৈশব ও কৈশোর প...
13/07/2026

নবিজির বয়স তখন আট। দাদা আবদুল মুত্তালিব চলে গেলেন পরপারে। তখন তাঁর ঠাঁই হলো চাচা আবু তালিবের ঘরে। সেখানেই শৈশব ও কৈশোর পাড়ি দিলেন মহানবি।

প্রচণ্ড টানাপোড়েন ছিল চাচার সংসারে। তাই সহযোগিতার লক্ষ্যে ছাগল চরাতেন বিশ্বনবি। অল্প কিছু পয়সার বিনিময়ে অন্যের বকরি দেখাশোনা করতেন। শুধু তিনিই নন, তাঁর মতো প্রত্যেক নবিই ছাগল চরিয়েছেন। মেহনত করে নিজ হাতে উপার্জন করেছেন।

মানবজাতির পিতা আদম (আ.) ছিলেন একজন কৃষক। তিনি জমিতে ফসল ফলাতেন। দাউদ (আ.) নিজ হাতে উপার্জন করে খেতেন। ইদরীস (আ.) ছিলেন প্রথম ব্যক্তি, যিনি সেলাইযুক্ত পোশাক তৈরি করেন। নূহ (আ.) নিজ কওমের ছাগল চরাতেন। তিনি কাঠমিস্ত্রীও ছিলেন। মহাপ্লাবনের আগে নিজ হাতে কাঠের নৌকা তৈরি করেন। মুসা (আ.) প্রায় দশ বছর শুআইব (আ.)-এর ঘরে মজদুরি করেন। এরপর তাঁর কন্যাকে ছাগল চরানোর বিনিময়ে বিয়ে করেন।

আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় মানুষেরা নিজ হাতে উপার্জন করে খেতেন। কৃষি, সেলাই, মিস্ত্রীর কাজ থেকে শুরু করে মজদুরি পর্যন্ত তাঁরা করেছেন। এতে কোনো রূপ অসম্মান বোধ করেননি। কেননা, হালাল পেশায় লজ্জার কিছু নেই।

অথচ আমাদের যুবকরা চাকরি না পেলে হতাশ হয়ে যায়। বসের গোলামি করতে না পারলে নিজের জীবনকে ব্যর্থ মনে করে। চুলে পাক ধরে যায়, জুতার তলা ক্ষয় হয়ে যায়, যৌবন পেরিয়ে যায়—তবুও তারা চাকরি ছাড়া ভিন্ন কিছু চোখে দেখে না।

ওদেরই-বা দোষ দিই কিসে! মেয়ের বাবারাও তো কম যান না। তারা তো ইস্তিখারা করলে চাকরিজীবী ছাড়া কোনো পাত্রই খুঁজে পান না। যদি বলা হয়—ছেলে মজদুরি করে; তবে কতজন অভিভাবক মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজি হবেন? অথচ নবি মুসা (আ.) এই মজদুরির শর্তেই আরেক নবির মেয়েকে বিয়ে করেছিলেন।

চাকরির ভাইভার পেছনে যৌবনকে কয়লা করছে লাখো যুবক। গোপন গুনাহ আসন গেড়ে বসছে তাদের মন-মস্তিষ্কে। কত যুবক যে বিয়ে করতে না পেরে হারামপন্থায় নিজের চাহিদা মেটাচ্ছে, সে খবর কে রাখে!

দুঃখজনক হলেও সত্যি, দেশে এখন উচ্চশিক্ষিত বেকারের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। কারণ, ছোটবেলা থেকেই তারা চাকরির স্বপ্ন নিয়ে বড় হয়েছে। ভিন্ন পেশায় গেলে নাকি তাদের প্রেস্টিজ কমে যায়। হায় রে বোকার দল! পরজীবীর মতো বাপের ঘাড়ে জেঁকে থাকার সময় তোমাদের প্রেস্টিজ কোথায় যায়?

যে পরিমাণ গ্র্যাজুয়েট দিন দিন তৈরি হচ্ছে, সে পরিমাণ চাকরি দেশে নেই। তাহলে এত গোঁয়ার্তুমি কিসের?

চাকরিতে কি খুব সুখ? হ্যাঁ, মাসশেষে গুনে গুনে স্যালারি পাওয়া যায়। কিন্তু এর পেছনে কী পরিমাণ মানসিক যন্ত্রণা সইতে হয়, তার হিসাব কে রাখে! পরিবারের দায়িত্ব পালনের ফুরসত মেলে না। সন্তান প্রসবের সময় স্ত্রীর পাশে থাকা যায় না। অনেকের তো মায়ের জানাজায় শরিক হওয়ার সুযোগও মেলে না...

তবুও চাই একটা চাকরি।

কর্পোরেট জব কি স্লেভারির একটা মডার্ন ভার্সন নয়? স্বাধীন প্রফেশন বেছে নিতে কেন আপনাদের এত অনীহা? আপনারা কি নবিদের চেয়েও সম্মানিত সাজতে চান?

08/07/2026

কোনো মানুষ আদর্শহীন অবস্থায় বাঁচতে পারে না।

31/05/2026

One little act of kindness has multiplied a hundredfold.

07/04/2026

সত্যের রূপ কখনো পোশাকের মতো বাহ্যিক হয় না। অনেক সময় মিথ্যার স্থান হয় রাজকীয় আসনে আর সত্য দাঁড়িয়ে থাকে ধুলিমলিন দরোজার পাশে। সুতরাং, চোখের মাপে নয়, হৃদয়ের দৃষ্টিতেই সব কিছুকে দেখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করো।

আরিফ আজাদ
আজি হতে হাজার বছর আগে।
পৃষ্ঠাঃ৯৭

31/03/2026

একজন লম্পট ব্যক্তি আরেক লম্পটকে মেয়ের পাত্র হিসেবে বাছাই করে না। একজন চোর বিশ্বাস করে না আরেক চোরকে। পরকীয়ায় আসক্ত যুবক কখনোই চায় না তার ঘরের বউ অন্য কারো সাথে পরকীয়া করুক। প্রত্যেকেই ভালো কিছুর তালাশ করে।

31/03/2026

ঘন মেঘ উজ্জ্বল সূর্যের আলোকেও আটকে দেয়। পানির সংস্পর্শে নিরেট লোহাতেও জং ধরে। ঠিক সময়ে পরগাছা ছেঁটে না ফেললে শ্যামলিমা বৃক্ষকেও গ্রাস করে। এ জগৎ বড়ো পঙ্কিলতায় পূর্ণ। থরে-বিথরে শয়তানি কলুষতায় ভরা।

প্রশংসিত- মুহাম্মদ সৈয়দুল হক।
পৃষ্ঠাঃ ১৯

Address

Kutubdia
Cox's Bazar
4720

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ReadVerse posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category