বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি,মহেশখালী শাখা।

  • Home
  • Bangladesh
  • Cox's Bazar
  • বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি,মহেশখালী শাখা।

বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি,মহেশখালী শাখা। social teachers welfare

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে ‘ভুয়া’ জমিদাতা সদস্য মনোনয়নের অভিযোগে পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলা নির্বাহী কর...
17/08/2026

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে ‘ভুয়া’ জমিদাতা সদস্য মনোনয়নের অভিযোগে পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীসহ ছয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গতকাল রবিবার (১৬ আগস্ট) দুমকী সহকারী সিভিল জজ আদালতে এ মামলা করেন সৈয়দ লিয়াকত হোসেনসহ চার অভিযোগকারী।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ‎৩৫ নং জলিশা বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী আবদুর রহমান ওরফে লাল মিয়া ১৯৩৫ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করলেও স্কুলের নামে তিনি কোনো জমি দলিলবদ্ধ করে যাননি। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে ভূমি সংকট নিরসনে তাঁর মেয়ের ঘরের নাতি সৈয়দ লিয়াকত হোসেন লিকু মিরা ও অন্যরা তাদের উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত ৭ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে বিদ্যালয়কে দান করেন। অন্যদিকে, দাতা মনোনীত ব্যক্তি মো. আশিফুর রহমান প্রতিষ্ঠাতার প্রপৌত্র হলেও তিনি তার পরিবারের কেউ কখনো জমি দান করেননি বলে বাদীপক্ষের দাবি।

‎প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রকৃত জমিদাতা বা তার উত্তরাধিকারীদের মধ্য থেকে একজনকে দাতা সদস্য করা যাবে। বাদীপক্ষের অভিযোগ, ২১ জুলাই সৈয়দ লিয়াকত হোসেনকে মনোনয়নের সর্বসম্মতি থাকলেও সেই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে আশিফুর রহমানকে অবৈধ ভাবে দাতা সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

‎বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসা. মিনারা বেগম জানান, উভয় পক্ষকে ডেকে সবার স্বাক্ষর নিয়েই রেজুলেশন করেই আশিফুর রহমানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। পরে আপত্তি উঠলে তিনি ইউএনওকে বিষয়টি জানান। ইউএনও উভয় পক্ষকে ডেকে শুনানির কথা বললেও পরে আর কাউকে ডাকেননি।

‎তিনি আরও জানান, আমার এ বিদ্যালয়ে মোট ৩৩ শতক জমি রয়েছে। এর মধ্যে ৭ শতক জমি লিকু মিরাসহ আরও ৩ জনে দান করেছেন। বাকি ২৬ শতক জমি প্রতিষ্ঠাতার হলেও তা দান নয়। বিদ্যালয়টি পূর্ব থেকেই সেটি ব্যবহার করে আসছে।

‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, যেহেতু বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে, তাই আদালত যেভাবে নির্দেশনা দেবে আমরা সেভাবেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব।

‎উল্লেখ্য, মামলায় স্কুলটির প্রধান শিক্ষক, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, ইউএনও, আশিফুর রহমান, রাজা আবদুস সালাম ও রাজা শহিদুল হককে বিবাদী করা হয়েছে।

অনেকেই মনে করেন, নির্দিষ্ট একটি বয়সের পর নতুন কিছু শেখার সময় ফুরিয়ে যায়। অবসরের পর জীবনের গতি কমে আসে, নতুন স্বপ্ন দেখার...
16/08/2026

অনেকেই মনে করেন, নির্দিষ্ট একটি বয়সের পর নতুন কিছু শেখার সময় ফুরিয়ে যায়। অবসরের পর জীবনের গতি কমে আসে, নতুন স্বপ্ন দেখার প্রয়োজনও যেন থাকে না। কিন্তু সেই প্রচলিত ধারণাকেই ভেঙে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসক ম্যানফ্রেড স্টেইনার। ৮৯ বছর বয়সে তিনি কোয়ান্টাম ফিজিক্সে পিএইচডি সম্পন্ন করে দেখিয়েছেন, শেখার জন্য বয়স নয়, সবচেয়ে বড় বিষয় হলো অদম্য ইচ্ছাশক্তি।

মাসিক সমন্বয় সভা ও ১০ম গ্রেড প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে :----প্রধান অতিথি : জনাব এনামুল হাসান,  উপজেলা ...
10/08/2026

মাসিক সমন্বয় সভা ও ১০ম গ্রেড প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে :----
প্রধান অতিথি : জনাব এনামুল হাসান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নাইক্ষ্যংছড়ি, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।
বিশেষ অতিথি : জনাব নুরুল আজিম, ইনস্ট্রাক্টর, না-ছড়ি
সভাপতিত্ব করেন : জনাব রূপময় চাকমা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত), নাইক্ষ্যংছড়ি, বা-বান।
আয়োজনে: উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, নাইক্ষ্যংছড়ি, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।
তারিখ : ১০/০৮/২০২৬ খ্রি.

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি নিতে অনিচ্ছুকদের এক উপজেলার লম্বা তালিকা। কেন সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শ...
10/08/2026

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি নিতে অনিচ্ছুকদের এক উপজেলার লম্বা তালিকা।
কেন সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি চায় না?আসুন সমস্যাগুলো খুঁজে দেখি।
১) বেতন বৃদ্ধি পায় না।অথচ মানসিক চাপ বৃদ্ধি পায়।
২)একজন প্রধান শিক্ষক এত পেরেশানির মধ্যে থাকে যে,তার পারিবারিক কাজ করার কোন মানসিক শক্তি থাকে না।
৩) দশম গ্রেড ও দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা কাগজে, আজও বাস্তবায়ন হয়নি।
৪) প্রধান শিক্ষকের বদলি বন্ধ। তার সব কাজ দ্বিতীয় শ্রেণির দোহাই দিয়ে দূরুহ ও কঠিন করা হয়েছে।
মূলত পদটি একটি হয়রানিমূলক পদ। তাই তারা পদোন্নতি চায় না।

08/08/2026

পরীক্ষার ফি প্রসঙ্গে
*********************
অভিভাবক ও কর্তৃপক্ষ বাস্তব অবস্থা অনুধাবন করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রান্তিক মূল্যায়নসমূহের পরীক্ষার ফি নেয়ার পক্ষে কিন্তু কিছু সুশীল সমাজের কারণে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হচ্ছেনা। বিগত বছরে প্রধান শিক্ষকগণ বেতনের টাকা খরচ করে পরীক্ষার খরচ চালিয়েছেন। এই অর্থ বছরেও পরীক্ষা শুরু হচ্ছে এ মাসের মাঝামাঝি । অথচ পরীক্ষার ফি নেয়ার ব্যাপারে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেই, প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দেরও খবর নেই। বিষয়টি কি প্রধান শিক্ষকদেরই একক দায়? প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ জানতে চায়।

যে সুশীলগণ পরীক্ষার ফি নেয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে স্থগিত করে দিয়েছেন, তারা এখন প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন এবং সেটা দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা শুরুর আগেই। এটাই প্রত্যাশা করে ভুক্তভোগী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ। পরীক্ষা শুরুর আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। আমরা বিশ্বাস করি,আপনাদের প্রচেষ্টায় এবার বেতনের টাকা খরচ করে পরীক্ষার ব্যয়ভার বহন করতে হবেনা।
আমাদের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি পরীক্ষা ফি সংক্রান্ত বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য।

অভিনন্দন, অনুশ্রী রায়।আদিনাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী।
06/08/2026

অভিনন্দন,
অনুশ্রী রায়।
আদিনাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী।

04/08/2026

সব চক্রান্ত প্রধান শিক্ষককে ফাসানো হয়েছে। তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

04/08/2026

প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই সেট লোক দরকার।একভাগে থাকবেন শিক্ষক যাদের কাজ হবে শুধুই পাঠদান। অন্যভাগে থাকবেন সহযোগী লোক যাদের কাজ হবে উপবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা,মিড ডে মিল ব্যবস্থাপনা,অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আনয়নের জন্য অভিভাবক সাথে যোগাযোগ স্থাপন,বিভিন্ন কমিটির সভা আহ্বান, শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার জন্য স্থানীয় লোকদের সাথে সম্পর্কের উন্নয়নসহ যাবতীয় শিক্ষা সহযোগী কার্যক্রম পরিচালনা করা।কারণ দুই নৌকায় পা রেখে ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন এবং কষ্টকর।

"প্রধানমন্ত্রী গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা "নীতিমালা।
31/07/2026

"প্রধানমন্ত্রী গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা "নীতিমালা।

31/07/2026

প্রমোশন নিয়ে দুশ্চিন্তা!

সব কিছু ঠিকঠাক চললে ২০২৬ সালেই প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি সম্পন্ন হবে হয়ত। ইতিমধ্যে সুযোগ থাকার পরেও যারা পদোন্নতি নেননি এবং নতুন সুযোগ যাদের তৈরি হচ্ছে কিন্তু নানা কারণে পদোন্নতি নেবেন কিনা ভাবছেন এই পোস্টটি তাদের জন্য।

প্রথমত, কয়েক মাস/ কয়েক বছর যাদের চাকরি আছে তাদের পদোন্নতিতে আর্থিক বেনিফিট হবে না বললেই চলে।
কারণ তাদের অনেকেই তিনটি টাইম স্কেল পেয়ে বর্তমানে ১০ম গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন।

দ্বিতীয়ত, আপনি কি আই সি টি কাজে মোটামুটি দক্ষ? যদি না হয়ে থাকেন তাহলে আপনার চোখের জল এবং নাকের জল মাঝেমাঝে এক হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে কেননা আপনার পদোন্নতি প্রাপ্ত বিদ্যালয়টিতে আপনাকে আই সিটি কাজে সাহায্য করার মত কেউ না থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয়।

তৃতীয়ত, প্রশাসনিক কাজে আপনার ন্যূনতম দক্ষতা আছে তো? যদি না থেকে থাকে তাহলেও আপনাকে পদোন্নতি নেওয়া বিষয়ে দুইবার ভাবতে হবে বৈকি!

চতুর্থত, আপনি কি অনেক সংগ্রাম করে অথবা ভাগ্যবান বা ভাগ্যবতী হিসেবে বর্তমান কর্মস্থলে আছেন? তাহলে অবশ্যই অবশ্যই আপনি একবার দুইবার নয় বহুবার ভেবে চিন্তে ফাইনাল ডিসিশন নেবেন কারণ আপনার কাঙ্খিত বিদ্যালয়ে পদোন্নতি পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে ( লটারী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি) এমনকি আপনার নিজস্ব বাইক না থাকলে যাতায়াতে ৩/৪ ঘন্টা লাগতে পারে এমন বিদ্যালয়েও হতে পারে।

পঞ্চমত, পদোন্নতির পরে বদলীর জন্য আপনাকে কমপক্ষে ২/৩ বছর অপেক্ষা করতে হবে এবং মোটামুটি কাঙ্খিত একটি বিদ্যালয়ে আসতেও আপনাকে যথেষ্ট বেগ পেতে হবে।

ষষ্ঠত, আপনি কি মহিলা শিক্ষক? আপনাকে কি সংসারের অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়? আপনি কি মাঝেমাঝে অসুস্থ থাকেন? তাহলে প্লিজ গভীর ভাবে ভাবুন!

সপ্তমত, প্রাথমিকে চাকরি করা বেশ কঠিন হয়ে গেছে তা নিশ্চয় কম বেশি সবাই বুঝতে পেরেছেন। স্কুলের ভালো মন্দ তার দায় বর্তায় প্রধান শিক্ষকের উপর। আপনার পদোন্নতি প্রাপ্ত বিদ্যালয়টি যদি অনুন্নত এলাকায় হয় তাহলে আপনি মানষিক রোগী হয়ে পড়বেন এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

অষ্টমত, ত্যাড়া অভিভাবক, ঘাড়ত্যাড়া সহকর্মী, রাজনৈতিক নেতা, কিশোর গ্যাং, হলুদ সাংবাদিক, দুষ্টু শিক্ষার্থী ম্যানেজ করার মানষিক প্রস্তুতি ও কমবেশি অভিজ্ঞতা আছে তো? আমি হলফ করে বলতে পারি উল্লেখিত সকল সমস্যায় আপনাকে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ফেস করতে হবে।

ভয় পাচ্ছেন? অনকেই বলবেন আমি ভয় দেখাচ্ছি। কিন্তু বিশ্বাস করেন এগুলোর সবগুলোই শিক্ষকগণের জীবন থেকে নেওয়া, আপনাদের অনেকের পারিবারিক জীবন বিষিয়ে উঠবে এমন সম্ভাবনা ঢের বেশি । তবে সব কিছু মানিয়ে নেওয়ার মত মানষিক শক্তি আপনার থেকে থাকে তাহলে "You are most welcome".
আর যদি আপনার কখনও মনে হয়, যেখানে আছেন বেশ ভালো আছেন আপনার আর্থিক/সামাজিকভাবে বেনিফিটেড হওয়ার তেমন কোন সম্ভাবনা নেই তাহলে প্লিজ আবেগের বশে কোনো চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন না। প্রতিটি বিষয় চুলচেরা বিশ্লষণ করবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।

Address

Moheshkhali Upazila Gate
Cox's Bazar
MOHESHKHALI

Telephone

+8801828419375

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি,মহেশখালী শাখা। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share