স্বাবলম্বী পরিবার গঠন

স্বাবলম্বী পরিবার গঠন "আমার আয়ের স্বচ্ছল-সুন্দর সংসার"
★স্বাবলম্বি পরিবার গঠন★

Note: নতুন বিশ্বের স্বপ্ন দেখি। সত্য সুন্দরের পথে চলি। নব সৃষ্টিতে উন্মাদিত।

19/06/2026

লতি চাষের আধ্যোপান্ত

24/02/2026

"আমার আয়ের সংসার" প্রকল্প স্বাবলম্বী পরিবার গঠনের একটি সহায়ক পরিকল্পনা। ক্ষুদ্র অর্থনৈতিক সহযোগিতার মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদে বৃহৎ অর্থনীতি গড়ে তুলার মহান লক্ষ্যে স্বাবলম্বী পরিবার গঠন করা।

"শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সম্পদ" এ সমৃদ্ধিতা অর্জন।

১ শতক জমিতে চাষ করুন সারাবছরের শাক-সবজি! এই মডেল চাষ করলে 👉 ৩-৪ জনের একটি পরিবারের জন্য সারা বছর আপনার পছন্দনীয় প্রায় সব...
24/08/2025

১ শতক জমিতে চাষ করুন সারাবছরের শাক-সবজি!

এই মডেল চাষ করলে 👉 ৩-৪ জনের একটি পরিবারের জন্য সারা বছর আপনার পছন্দনীয় প্রায় সব গুলো সবজি চাষ করতে পারবেন সম্পূর্ণ বিষমুক্ত ও নিরাপদভাবে 🌿

🥬 সারাবছরের সবজি গুলোকে দুই সিজনে ভাগ করা হয়েছে –
☘️ গ্রীষ্মকালীন
☘️ শীতকালীন

📐 জমির মডেল আকার ➝ ২৪ ফিট × ২৪ ফিট

🌱 বিন্যাস:
🌿 বেড হবে উত্তর-দক্ষিণ মুখি
🌿 বেডের মাঝখানে থাকবে ১০ ইঞ্চি চওড়া নালা
🌿 মোট থাকবে ৭ টি বেড
👉 মাঝের ৫ টা হবে সবজির বেড
👉 দুই মাথায় থাকবে মাচার বেড

📏 মাঝের ৫ বেড ➝ ১৬ ফিট লম্বা, ২ ফিট ৪ ইঞ্চি চওড়া
📏 দুই মাথার মাচা ➝ ২৪ ফিট লম্বা, ৩ ফিট চওড়া

---

🥒 গ্রীষ্মকালীন সবজি
🌿 পূর্ব দিকের মাচায় ➝ ঝিঙ্গা, কাকরোল, পটল, বরবটি
🌿 প্রথম বেড ➝ টমেটো + বেগুন
🌿 দ্বিতীয় বেড ➝ মিষ্টি আলু + কচু
🌿 তৃতীয় বেড ➝ কাঁচা মরিচ
🌿 চতুর্থ বেড ➝ ডাটা শাক + পাট শাক
🌿 পঞ্চম বেড ➝ ঢেঁড়স (ভেন্ডি)
🌿 পশ্চিম দিকের মাচায় ➝ মিষ্টি কুমড়ো + শসা
🌿 উত্তর ও দক্ষিণ মাথায় ➝ ৩+৩ = ৬ টি পেপে গাছ

---

🥦 শীতকালীন সবজি
🌿 পূর্ব দিকের মাচায় ➝ লাউ + খীরা
🌿 প্রথম বেড ➝ টমেটো + বেগুন
🌿 দ্বিতীয় বেড ➝ মূলা + গাজর
🌿 তৃতীয় বেড ➝ কাঁচা মরিচ
🌿 চতুর্থ বেড ➝ লাল শাক + পালং শাক
🌿 পঞ্চম বেড ➝ ফুলকপি + বাঁধাকপি
🌿 পশ্চিম দিকের মাচায় ➝ শিম + উস্তা করলা
🌿 পেপে গাছের গোড়ায় ➝ পুদিনা + ধনিয়া

---

🟢 অবশ্যই জমি চাষের সময় ভার্মি-কম্পোস্ট সার ব্যবহার করুন
🟢 জৈব বালাইনাশক ব্যবহার করুন
🔴 রাসায়নিক সার/কীটনাশক ব্যবহার না করাই উত্তম

🥗 বিষমুক্ত নিরাপদ শাক-সবজি খান, সুস্থ থাকুন 🌿

#সবজি #শীতকালীন #গ্রীষ্মকালীন #জৈবচাষ The natural beauty Md Biplob Hossain

পৃথিবীর অজানা ইসরায়েলের এক অদৃশ্য সুরক্ষা বলয় ধ্বংস করছে ইরানদুনিয়ায় কিছু কিছু জায়গা থাকে, যা মানচিত্রে ছোট, কিন্তু বিশ্...
27/06/2025

পৃথিবীর অজানা ইসরায়েলের এক অদৃশ্য সুরক্ষা বলয় ধ্বংস করছে ইরান

দুনিয়ায় কিছু কিছু জায়গা থাকে, যা মানচিত্রে ছোট, কিন্তু বিশ্বরাজনীতির ছায়াপথে বিশাল। সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরান সেদিন ইসরায়েলের ছোট্ট একটি শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে। নাম নেস জিওনা। যুক্তরাষ্ট্রের ইরানে হামলার কারণে বিষয়টি মিডিয়ায় ব্যাপক আকারে আসেনি। খবর কেবল-ইসরাইলের ‘একটি বৈজ্ঞানিক ভবন’ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
অথচ ল্যাবরেটরিটি ইসরায়েলের দম্ভের অন্যতম প্রতীক। দেশটি সৃষ্টির পর থেকে কোটি কোটি ডলার ইনভেস্ট করেছে এই ল্যাবরেটরিকে কেন্দ্র করে।
নেস জিওনার এই ল্যাবরেটরি স্বাভাবিক কোনো গবেষণাকেন্দ্র নয়, এটি একটি গোপন ল্যাব। যার নাম Israel Institute for Biological Research (IIBR)। বাইরে থেকে ইসরায়েলি নাগরিকদের কাছেও ভবনটি ছিল নিঃশব্দ, নিস্তরঙ্গ, আর ভিতরে? সেখানে বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে ভাইরাস দিয়ে যুদ্ধের ছক আঁকার প্রস্তুতি।
১৯৫২ সাল। দখলদার ইসরায়েল রাষ্ট্রটি মাত্র হাঁটতে শিখেছে। ভবিষ্যৎ পৃথিবী নিয়ন্ত্রণের অভিপ্রায়ে ঠিক তখনই গোপন সামরিক ইউনিট HEMED BEIT-এর ছায়া থেকে জন্ম নেয় এই প্রতিষ্ঠান- একটি জৈবিক নিরাপত্তা ঘাঁটি।
উদ্দেশ্য ছিল একটাই- ইসরায়েলকে এমন এক সুরক্ষা বলয় দেওয়া, যা শত্রুর চোখ এড়িয়ে তাদের শ্বাসরোধ করে দিতে পারে। Anthrax, Botulinum toxin, Ricin, VX nerve gas- এসব প্রাণঘাতী উপাদান নিয়ে গবেষণার অভিযোগ বহুবার উঠেছে। যদিও ইসরায়েল কখনো স্বীকার বা অস্বীকার করেনি। তবে ১৯৯২ সালের সেই El Al বিমানের রহস্যজনক ‘DMMP রাসায়নিক’ বহনের ঘটনা ব্যাপক প্রশ্নের মুখে পড়ে IIBR-এর গবেষণা। তবে বৈশ্বিক মিত্রদের কারণে সেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা একসময় থেমে যায়। বটুলিনাম টক্সিনসহ বিভিন্ন বিষয়ে ট্রায়ালের সংবাদও প্রকাশিত হয়েছিল গণমাধ্যমে। তবে এই প্রতিষ্ঠানটির বিষয়ে ইসরায়েলি সরকার এবং শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ব্যতীত বাকিরা তেমন কিছু জানেন না। বৈশ্বিক মিডিয়া কিংবা স্টেকদের এই গবেষণা কেন্দ্র সম্পর্কে তেমন কিছু জানতে দেওয়া হয় না।
গবেষণা কেন্দ্রটিতে প্রায় চারশ কর্মী কাজ করে, যাদের মধ্যে অর্ধেক PhD-ধারী বিজ্ঞানী এবং বাকিরা প্রযুক্তিবিদ। ১৯৯০-এর দশকে Scud missile strikes-এর হুমকির পর থেকে ইসরায়েলি সরকার গবেষণাকেন্দ্রটি আরও সুরক্ষাবলয়ে নিয়ে আসে। এর পিছনে ব্যয় করেন বিপুল পরিমাণ অর্থ। সামরিক গবেষণায় প্রায় অর্ধেকেরও বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয় এই প্রতিষ্ঠানকে।
এখানে তৈরি হয়েছে পোলিও ভ্যাকসিন, বিস্ফোরক শনাক্তকরণ কিট, এমনকি Sjögren’s সিনড্রোমের ওষুধও। করোনা মহামারির সময় তারা এক ধাক্কায় সামনে চলে আসে-“BriLife” নামের নিজস্ব ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করে। তারা আবিষ্কার করে মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি, যা ভাইরাসকে ল্যাবেই আটকে ফেলে।
কিন্তু এই গবেষণাগার ছিল ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় গোপন অস্ত্রভাণ্ডার। যে যুদ্ধ এখনো শুরু হয়নি, সেই আগামীর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল তারা- জৈব অস্ত্র, রাসায়নিক প্রতিরক্ষা, টার্গেটেড ভাইরাল স্ট্রাইক- সবকিছুই ছিল ভবিষ্যতের যুদ্ধের নীলনকশায়।
আর সেই স্থাপনাতেই সম্প্রতি আঘাত হেনেছে ইরানের একটি মিসাইল। বহু বছরের গোপন গবেষণা, কোটি কোটি ডলারের অবকাঠামো, আর শত শত বৈজ্ঞানিকের ক্লান্তিহীন পরিশ্রম- এক নিমিষে ধ্বংস হয়ে গেছে। এটা ছিল শুধু একটি ভবনের পতন নয়; এটা ইসরায়েলের এক অদৃশ্য সুরক্ষা বলয়ের ধ্বংস।
তথ্যসূত্র : এপি

"থোরিয়াম"- ভবিষ্যতের জ্বালানিথোরিয়াম একটি শক্তিশালী ও নিরাপদ পারমাণবিক জ্বালানি, যা ভবিষ্যতের শক্তির বড় সমাধান হতে পার...
23/05/2025

"থোরিয়াম"- ভবিষ্যতের জ্বালানি

থোরিয়াম একটি শক্তিশালী ও নিরাপদ পারমাণবিক জ্বালানি, যা ভবিষ্যতের শক্তির বড় সমাধান হতে পারে। মাত্র একটি গলফ বলের আকারের থোরিয়ামের টুকরো একজন মানুষের সারাজীবনের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। এটি প্রচলিত ইউরেনিয়ামের তুলনায় ৩-৪ গুণ বেশি পাওয়া যায় এবং অনেক বেশি কার্যকরও।

থোরিয়াম থেকে উৎপন্ন তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ইউরেনিয়ামের তুলনায় অনেক কম এবং এটি দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশের জন্য কম ক্ষতিকর। আরও ভালো দিক হলো, থোরিয়াম ব্যবহার করে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা যায় না, তাই এটি নিরাপত্তার দিক থেকেও সুবিধাজনক।

বিশ্বব্যাপী গবেষকরা থোরিয়াম-ভিত্তিক রিঅ্যাক্টর নিয়ে কাজ করছেন, যা প্রচলিত চুল্লির তুলনায় আরও সাশ্রয়ী, নিরাপদ এবং টেকসই। উন্নত প্রযুক্তি ও সঠিক পরিকল্পনা থাকলে থোরিয়াম হতে পারে পৃথিবীর ভবিষ্যৎ শক্তির মূল উৎস।

এই জ্বালানির মাধ্যমে আমরা পেতে পারি কম খরচে, দীর্ঘস্থায়ী ও পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ , যা আমাদের জীবনকে আরও সহজ ও সবুজ করে তুলবে।

তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার মেধাবী শিক্ষার্থী সাদ আল আমিন। ছোটবেলা থেকেই তিনি পড়াশোনায় মেধাবী ও পরিশ্রমী। জীবনের না...
10/05/2025

তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার মেধাবী শিক্ষার্থী সাদ আল আমিন। ছোটবেলা থেকেই তিনি পড়াশোনায় মেধাবী ও পরিশ্রমী। জীবনের নানা ধাপে পেয়েছেন সাফল্য। ২০২৩ সালে তা’মীরুল মিল্লাত থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে আলিম পাস করেছেন। এবার তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার জন্য পেয়েছেন শিক্ষাবৃত্তি (স্কলারশিপ)।

জানা গেছে, ৩ কোটি টাকা সমমূল্যের শিক্ষাবৃত্তি (স্কলারশিপ) অর্জন করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা নক্স কলেজে (Knox College) উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়েছেন সাদ আল আমিন। সাদ অসাধারণ মেধা, কঠোর পরিশ্রম ও একাগ্রতার মাধ্যমে এই অনন্য অর্জন সম্ভব করেছেন বলে মনে করছেন তা’মীরুল মিল্লাতের শিক্ষকেরা। তার শিক্ষকেরা বলেন, নক্স কলেজের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ এবং বিপুল অঙ্কের স্কলারশিপ প্রাপ্তি নিঃসন্দেহে সাদ আল আমিনের জন্য একটি বড় অর্জন।

সাদের সাফল্যে তা'মীরুল মিল্লাত মাদ্রাসা পরিবারে বইছে আনন্দের জোয়ার। শিক্ষক, গভর্নিং বডির সদস্য ও সহপাঠীরা তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা বলেন, এ অর্জন শুধু ব্যক্তি সাদ আল আমিনের নয়, বরং তা গোটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং দেশের জন্য গর্বের বিষয়।

তা'মীরুল মিল্লাত মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাদ আল আমিন যেন ভবিষ্যতে আরও উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তুলে দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে পারেন, সেই আশাই তারা করছেন।

সাদ আলামিন বলেন, ‘আমার পাশে পরিবার, টিম আর শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসা সবসময় ছিল। তাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইচ্ছা আর চেষ্টা থাকলে স্বপ্ন সত্যি হবেই। যদি ঢাকার এক মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে হয়েও আমি আজ স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে পা রাখতে পারি, তবে আপনিও পারবেন—হোক সেটা বান্দরবানের পাহাড়ে থাকা কোনো কুঁড়েঘর থেকে কিংবা হাজার বৈষম্যের শিকার হওয়া মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে।’

খ্রিস্টপূর্ব ৫২২ সাল; পারস্যের সিংহাসনে বসেন একজন দূরদর্শী ও শক্তিশালী শাসক প্রথম দারিয়ুস, যিনি ইতিহাসে বেশি পরিচিত দার...
08/05/2025

খ্রিস্টপূর্ব ৫২২ সাল; পারস্যের সিংহাসনে বসেন একজন দূরদর্শী ও শক্তিশালী শাসক প্রথম দারিয়ুস, যিনি ইতিহাসে বেশি পরিচিত দারিয়ুস দ্য গ্রেট নামে। তার শাসনকালে পারস্য সাম্রাজ্য ছড়িয়ে পড়ে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে; পূর্বে ভারতের সিন্ধু উপত্যকা থেকে পশ্চিমে এজিয়ান সাগরের তীর পর্যন্ত। সেই সময়ের জন্য এটাই ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য। কিন্তু শুধু ভূখণ্ড দখলই নয়, দারিয়ুস তার প্রশাসনিক কৌশল দিয়ে সাম্রাজ্যকে গড়েছিলেন ভেতর থেকে। তিনি গোটা সাম্রাজ্যকে ভাগ করেন 'সাত্রাপি' নামে প্রদেশে, যার প্রত্যেকটিতে একজন ‘সাত্রাপ’ বা গভর্নর থাকত। তারা সরাসরি সম্রাটকে জবাবদিহি করত। এভাবেই জন্ম নেয় এক কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থার শক্ত ভিত।

দারিয়ুসের হাত ধরেই আসে একই মুদ্রাব্যবস্থার প্রচলন, কর সংগ্রহে স্বচ্ছতা, এবং এক বিস্তৃত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। তার তৈরি রয়্যাল রোড তখনকার সময়ের বাণিজ্য ও বার্তা চালাচালের মেরুদণ্ডে পরিণত হয়। আর স্থাপত্য? দারিয়ুসের আরেক শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো পারসেপোলিস- এক রাজকীয় শহর, যেখানে আকেমেনিদ শিল্পের সৌন্দর্য আজও দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, তিনি ছিলেন এক সহিষ্ণু শাসক। ধর্ম কিংবা সংস্কৃতির প্রশ্নে তিনি অন্য জাতিকে তাদের মতো করে থাকতে দিতেন।

📍স্বাগতম ইয়ানজিন, চীন — পৃথিবীর সবচেয়ে সরু শহরে 🇨🇳🏞️দুই পাহাড়ি দেয়ালের মাঝখানে আঁটসাঁটভাবে অবস্থান করে এবং নানসি নদীর পা...
21/04/2025

📍স্বাগতম ইয়ানজিন, চীন — পৃথিবীর সবচেয়ে সরু শহরে 🇨🇳🏞️

দুই পাহাড়ি দেয়ালের মাঝখানে আঁটসাঁটভাবে অবস্থান করে এবং নানসি নদীর পাশ ঘেঁষে বিস্তৃত ইয়ানজিন শহরটি কোনো শহরের চেয়ে বরং একটি ফিতার মতো দেখতে। কিছু জায়গায় এর প্রস্থ মাত্র ৩০ মিটার — তবুও এটি উপত্যকার মধ্যে সেলাই করা সুতোর মতো দীর্ঘ।

🏘️ এখানে ঘরবাড়ি একের পর এক স্তরে গাঁথা, রাস্তাগুলো এক লেনের, আর জায়গা? সেটি এক বিলাসিতা। কিন্তু এখানকার মানুষরা দারুণভাবে মানিয়ে নিয়েছে — উল্লম্বভাবে বাসস্থান তৈরি করে, ঝুলন্ত পথ তৈরি করে এবং অত্যন্ত সুচিন্তিত নগর পরিকল্পনার মাধ্যমে সীমিত জায়গাকে চূড়ান্তভাবে কাজে লাগিয়ে।

📸 ওপর থেকে তাকালে ইয়ানজিনকে অবাস্তব মনে হয় — যেন কোনো পোস্টকার্ডের মাঝে গাঁথা একটি শহর। এটি এখন হয়ে উঠেছে কৌতুহলী পর্যটক ও আলোকচিত্রপ্রেমীদের জন্য এক লুকানো রত্ন, যারা নিয়ম ভেঙে নতুন কিছু দেখতে চায়।

একটি সত্যিকারের অনুপ্রেরণা: পূর্ণ জীবন গড়ার জন্য বিশাল জায়গার প্রয়োজন হয় না। 🌍❤️

ইদ্দত পালনের বৈজ্ঞানিক রহস্য!একজন ইহুদি ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ (যিনি একজন ধর্মীয় পণ্ডিতও ছিলেন) খোলাখুলি বলেছিলেন যে, পৃথিবীতে ...
10/04/2025

ইদ্দত পালনের বৈজ্ঞানিক রহস্য!

একজন ইহুদি ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ (যিনি একজন ধর্মীয় পণ্ডিতও ছিলেন) খোলাখুলি বলেছিলেন যে, পৃথিবীতে মুসলিম নারীর চেয়ে পবিত্র ও বিশুদ্ধ নারী অন্য কোন ধর্মে নেই।
পুরো ঘটনাটি ঘটেছিল যখন আলবার্ট আইনস্টাইন ইনস্টিটিউটের (Albert Einstein Institution) সাথে যুক্ত একজন ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ, ইহুদি পেশাদার রবার্ট, তার ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন। যার একমাত্র কারণ ছিল, কুরআনে উল্লেখিত তালাক প্রাপ্ত নারীর ইদ্দতের আদেশ সম্পর্কিত আয়াত এবং ইদ্দতের জন্য তিন মাসের সীমা নির্ধারণের পেছনের রহস্য ও হিকমত সম্পর্কে অবগতি।

আল্লাহ তায়ালা কোনো তালাক প্রাপ্ত নারীকে দ্বিতীয় বিয়ের পূর্বে তিন মাসের একটি গ্যাপ রাখতে বলেছেন। তিনি পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেন,
وَٱلْمُطَلَّقَٰتُ يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ ثَلَٰثَةَ قُرُوٓءٍۚ
অর্থাৎ 'তালাকপ্রাপ্তা নারীরা তিন মাসিক পর্যন্ত অপেক্ষা করবে' (সূরা আল-বাকারাহ ২২৮:২)
এই আয়াতটি একটি আধুনিক জ্ঞান ডিএনএ এর উদ্ভাবনের রাস্তা সুগম করেছে এবং দেখা গেছে যে একজন পুরুষের বীর্যে থাকা প্রোটিন অন্য পুরুষের থেকে ৬২% পৃথক ও ভিন্ন থাকে।
আর একজন নারীর শরীর একটি কম্পিউটারের মত। যখন একজন পুরুষ তার সাথে ইন্টারকোর্স করে তখন সেই নারীর শরীর সব ব্যাকটেরিয়াকে শোষণ করে এবং তার শরীরে তা ধারণ করে।
অতএব, বিবাহ বিচ্ছেদের পরপরই, যদি একজন মহিলা অন্য পুরুষকে বিয়ে করেন বা একই সাথে বেশ কয়েকজনের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে, তাহলে তার শরীরে বিভিন্ন ধরণের ডিএনএ জমা হয় যা বিপজ্জনক ভাইরাসের রূপ নেয় এবং মারাত্মক রোগ সৃষ্টির কারণ হয়।

বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখে যে, প্রথম মাসিক আসার পর একজন মহিলার শরীর থেকে ৩২% থেকে ৩৫% পর্যন্ত প্রোটিন শেষ হয়ে যায়, এবং দ্বিতীয় মাসিক আসার পর তার শরীর থেকে ৬৭ থেকে ৭২% ডিএনএ ধ্বংস হয়ে যায়। এবং তৃতীয় মাসিকের পর ৯৯.৯% পর্যন্ত প্রোটিন নির্মূল হয়ে যায়। এরপর জরায়ু আগের ডিএনএ থেকে সম্পন্নরূপে পরিষ্কার হয়ে যায় এবং কোন প্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই নতুন ডিএনএ গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত থাকে।
একজন গণিকা অনেক মানুষের সাথে সঙ্গম করে, যার ফলে বিভিন্ন পুরুষের ব্যাকটেরিয়া তার জরায়ুতে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন ধরণের ডিএনএ তার মধ্যে জমা হয় এবং সে মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে।

বিধবা মহিলার ক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান হলো, তার ইদ্দত তালাকপ্রাপ্ত মহিলার চেয়ে বেশি অর্থাৎ ৪ মাস ১০ দিন।
এর কারণ হলো দুঃখ ও দুশ্চিন্তার কারণে তার শরীর থেকে প্রাক্তন ডিএনএ দ্রুত শেষ হয় না, এটি শেষ হতে আগের চেয়ে বেশি সময় লাগে, আর এ জন্য মহিলাদের ইদ্দত চার মাস দশ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন,
وَٱلَّذِينَ يُتَوَفَّوْنَ مِنكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَٰجًا يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًاۖ
অর্থাৎ 'তোমাদের মধ্য হতে যারা স্ত্রীদেরকে রেখে মারা যাবে সে অবস্থায় স্ত্রীরা নিজেদেরকে চার মাস দশ দিন বিরত রাখবে।' (আল-বাকারাহ, ২৩৪)

এই সত্যের মুখোমুখি হয়ে, একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ভিন্ন স্থানে গবেষণা পরিচালনা করেন।
এক. আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মুসলমানরা যে মহল্লায় থাকেন, সেই সব নারীর ভ্রূণের মধ্যে মাত্র একজন স্বামীর ডিএনএ পাওয়া গেছে।
দুই. অন্য মহল্লা যেখানে আসল আমেরিকান মহিলারা থাকেন, তাদের ভ্রূণের মধ্যে একাধিক অর্থাৎ দুই বা তিন জনের বেশি পুরুষের ডিএনএ পাওয়া গেছে।
অতঃপর যখন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার তার নিজ স্ত্রীর ভ্রূণ পরীক্ষা করলেন, তখন তিনি একটি মর্মান্তিক সত্য দেখতে পান যে, তার স্ত্রীর মধ্যে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন ডিএনএ আছে। যার অর্থ হলো তার স্ত্রী তার সাথে প্রতারণা করছিল এবং তার তিন সন্তানের মধ্যে কেবল মাত্র একজন ছিল তার নিজ সন্তান, বাকিরা ছিল অন্য পুরুষ থেকে।

ডাক্তার তখন নিশ্চিত হন যে ইসলামই একমাত্র ধর্ম যা নারীদের নিরাপত্তা এবং সমাজের সম্প্রীতির নিশ্চয়তা দেয়। এবং এই বিষয়েও নিশ্চিত হন যে, একমাত্র মুসলিম নারীরাই পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন, বিশুদ্ধ ও সতী।
والله ورسوله اعلم عزوجل وصل الله عليه وسلم
ইসলামে একজন মহিলার জন্য এক‌ই সময়ে একাধিক বিয়ে বা একাধিক স্বামী রাখার অনুমতি দেয়া হয়নি কেন!
অবশেষে বিজ্ঞানও আল কুরআনের বিধানের নির্ভুল ব্যাখ্যা করতে সক্ষম হলো: -------------------------------------------------

©️©️©️

Address

বৃহত্তর ১নং ওয়ার্ড(কুতুবদিয়াপাড়া-সমিতিপাড়া-নাজিরারটেক)
Cox's Bazar
COX’SBAZAR

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when স্বাবলম্বী পরিবার গঠন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category