10/08/2026
প্রতিবাদ কোথায়, পরিবর্তন কোথায়?
তারেক রহমানের সরকার কি ১৭ বছরের ক্ষুধার্ত মানুষের অন্ন-পানির ব্যবস্থা করতে গিয়ে কোটি কোটি শিক্ষিত তরুণ বেকারের ভবিষ্যৎকে আরও অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে?
আমরা সেই পুরোনো বাংলাদেশ আর চাই না—যেখানে টাকা, মামা-খালার সুপারিশ আর রাজনৈতিক পরিচয় থাকলেই চাকরির দরজা খুলে যেত। আর যাদের সম্বল ছিল শুধু মেধা, পরিশ্রম ও যোগ্যতা, তারা বছরের পর বছর ফাইল হাতে নিয়ে পরীক্ষার হল থেকে পরীক্ষার হলে ঘুরে বেড়াতেন।
আজও এনটিআরসি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে কয়েক লাখ তরুণ-তরুণী বছরের পর বছর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাদের সময়, অর্থ, পরিশ্রম ও স্বপ্নের কী হবে? তারা যাবে কোথায়?
গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম মূল শিক্ষা ছিল—দুর্নীতি, বৈষম্য ও অস্বচ্ছ রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার পরিবর্তন।
তাহলে এত প্রাণের বিনিময়ে যদি আবারও সেই পুরোনো সিস্টেমের মধ্যেই আমাদের কর্মসংস্থানকে আটকে দেওয়া হয়, তাহলে পরিবর্তনটা কোথায়?
স্বচ্ছতা কোথায়?
সংস্কার কোথায়?
মেধার মূল্যায়ন কোথায়?
আমরা কারও বিশেষ সুবিধা চাই না।আমরা চাই না মামা-খালার সুপারিশে চাকরি।আমরা চাই না টাকার বিনিময়ে নিয়োগ।আমরা শুধু চাই—যোগ্যতার ভিত্তিতে স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক নিয়োগব্যবস্থা।
যে তরুণেরা বছরের পর বছর নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে, তাদের স্বপ্ন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ছিল সিস্টেম পরিবর্তনের—পুরোনো সিস্টেমকে নতুন মোড়কে ফিরিয়ে আনার নয়।
শিক্ষিত বেকারদের ন্যায্য দাবি মানতে হবে।
স্বচ্ছ নিয়োগব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।