Reintegration of Returning Migrants - WEWB

Reintegration of Returning Migrants - WEWB Reintegration of Returning Migrants

Reintegration of Returning Migrants
Ensuring migrant workers' welfare through legal aid, financial support, reintegration assistance, scholarships, and insurance for a secure future.

প্রবাসী কল্যাণ সেন্টার, মানিকগঞ্জের  আয়োজনে আজ  ২৭ জুলাই  ২০২৬ তারিখে মানিকগঞ্জ  জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে “ওয়েজ আর্ন...
27/07/2026

প্রবাসী কল্যাণ সেন্টার, মানিকগঞ্জের আয়োজনে আজ ২৭ জুলাই ২০২৬ তারিখে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সেবাসমূহ এবং রেইজ প্রকল্পের চলমান কার্যক্রম” বিষয়ে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন জনাব ড. এ. টি. এম. মাহবুব-উল করিম স্যার, যুগ্মসচিব, পরিচালক (অর্থ ও বাজেট) এবং প্রকল্প পরিচালক, রেইজ প্রকল্প, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নাজমুন আরা সুলতানা , জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মানিকগঞ্জ।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাসুম, প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারের সহকারী পরিচালক(ভারপ্রাপ্ত )প্রদীপ কুমার সরকারসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিসহ প্রত্যাগত অভিবাসী, প্রবাসীদের পরিবারের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে প্রবাসীদের কল্যাণ, নিরাপদ অভিবাসন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

ছেঁড়া স্বপ্ন থেকে নতুন জীবনের পথে অভাবের সংসারে জন্ম। বাবা ছিলেন রিকশাচালক, মা অন্যের বাড়িতে কাজ করতেন। পাঁচ ভাই-বোনের প...
26/07/2026

ছেঁড়া স্বপ্ন থেকে নতুন জীবনের পথে

অভাবের সংসারে জন্ম। বাবা ছিলেন রিকশাচালক, মা অন্যের বাড়িতে কাজ করতেন। পাঁচ ভাই-বোনের পরিবারে তিন বেলা খাবার জোটানোই ছিল বড় সংগ্রাম। পরিবারের ভাগ্য বদলানোর স্বপ্নে ২০১৮ সালে সৌদি আরব পাড়ি জমান মুক্তা বেগম।

তাকে বলা হয়েছিল হাসপাতালে চাকরি হবে, মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা। কিন্তু সেখানে পৌঁছে দেখা গেল বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হলো, বাসাবাড়ির কাজে বাধ্য করা হলো, অমানবিক পরিশ্রম, পর্যাপ্ত খাবার ও বিশ্রামের অভাব—সব মিলিয়ে এক ভয়াবহ সময় পার করেন তিনি। অসুস্থ হয়ে পড়লেও সাহায্য পাননি। অবশেষে হটলাইনে যোগাযোগ ও স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সালে দেশে ফিরে আসেন।

দেশে ফিরে শারীরিক, মানসিক ও অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি সামাজিক কটূক্তিও সহ্য করতে হয়েছে তাকে। একসময় জীবনের প্রতি আগ্রহই হারিয়ে ফেলেছিলেন।

ঠিক সেই সময় প্রকল্পের স্বেচ্ছাসেবকের মাধ্যমে তিনি প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারের (EWC) সঙ্গে যুক্ত হন। সেখানে নিবন্ধন, কাউন্সেলিং, রেফারেল সেবা এবং ১৩,৫০০ টাকা পুনর্বাসন প্রণোদনা পান। এই কাউন্সেলিং তার জীবনে নতুন আশা ফিরিয়ে আনে।

পরে বয়রা টেকনিক্যাল স্কুল থেকে মোবাইল ফোন মেরামত এবং বিসিক থেকে উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। প্রণোদনার অর্থ কাজে লাগিয়ে বর্তমানে তিনি একটি মোবাইল ফোন মেরামত ও মুদি দোকান পরিচালনা করছেন। নিজের পরিশ্রমে সংসারের দায়িত্ব পালন করছেন এবং স্থানীয় গ্রীণল্যান্ড আবাসন এলাকায় একজন আত্মবিশ্বাসী নারী উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। তার দোকানে নারী ক্রেতার সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য।

মুক্তা বেগম বলেন—
“আমার বেঁচে থাকার ইচ্ছাই ছিল না। প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারের কাউন্সেলিং ও সহযোগিতা আমাকে নতুন করে বাঁচতে শিখিয়েছে। আমার মতো কেউ যেন মিথ্যা আশ্বাসে বিদেশ গিয়ে বিপদে না পড়ে—এ বিষয়ে সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে।”

একজন প্রত্যাগত অভিবাসীর জীবনে সঠিক সময়ে দেওয়া সহায়তা কীভাবে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে—মুক্তা বেগম তারই একটি অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ।

#প্রবাসীকল্যাণসেন্টার #প্রত্যাগতঅভিবাসী #পুনর্বাসন #নারীউদ্যোক্তা #ক্যাশইনসেনটিভ #দক্ষতাউন্নয়ন #নতুনজীবনেরশুরু

25/07/2026
বিদেশে ভালো ভবিষ্যতের স্বপ্নে দেশ ছেড়েছিলেন সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মাহবুবুর রহমান। ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা খরচ করে...
23/07/2026

বিদেশে ভালো ভবিষ্যতের স্বপ্নে দেশ ছেড়েছিলেন সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মাহবুবুর রহমান। ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা খরচ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে গেলেও কাজ পাননি। পরে দালালের প্রলোভনে লিবিয়া হয়ে ইতালি যাওয়ার পথে কোস্ট গার্ডের হাতে আটক হন। এরপর শুরু হয় ২২ দিনের অমানবিক নির্যাতন, অপহরণ এবং ১২ লাখ টাকার মুক্তিপণের ভয়াবহ অধ্যায়।

বাংলাদেশ দূতাবাস ও আইওএম-এর সহায়তায় দেশে ফিরে এলেও জীবন তখন অনিশ্চয়তায় ঘেরা। কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি।

প্রবাসী কল্যাণ সেন্টার ও RAISE প্রকল্পের সহযোগিতায় উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ, টিটিসিতে ৬ মাসের মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ এবং বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের পর বিশ্বম্ভরপুরে নিজের মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান প্রতিষ্ঠা করেন। প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারের ১৩,৫০০ টাকার প্রণোদনা ও আত্মীয়-স্বজনের সহায়তায় শুরু হয় তার নতুন পথচলা।

আজ তিনি নিজের পরিশ্রমে প্রতিদিন ৪০০–৫০০ টাকা আয় করছেন। ছোট্ট একটি দোকানই হয়ে উঠেছে তার আত্মসম্মান, আত্মনির্ভরতা এবং নতুন জীবনের প্রতীক।

মাহবুবুর রহমানের ভাষায়—

“যত কষ্টই হোক, আমি এখন সুখে আছি। দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্তটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সঠিক সিদ্ধান্ত।”

এই গল্পটি শুধু একজন মানুষের নয়, বরং সাহস, ঘুরে দাঁড়ানো এবং নতুন করে বাঁচার অনুপ্রেরণার গল্প।

#প্রবাসী_কল্যাণ_সেন্টার #বিদেশফেরত_কর্মী #পুনর্বাসন #নতুন_জীবন #মোবাইল_সার্ভিসিং #উদ্যোক্তা #সফলতার_গল্প

বিদেশের স্বপ্ন ভেঙে, নতুন স্বপ্নের পথে  আব্দুল হাইবিদেশে গিয়ে পরিবারকে সুখে রাখার স্বপ্ন ছিল খুলনার ফুলতলা উপজেলার দামোদ...
21/07/2026

বিদেশের স্বপ্ন ভেঙে, নতুন স্বপ্নের পথে আব্দুল হাই

বিদেশে গিয়ে পরিবারকে সুখে রাখার স্বপ্ন ছিল খুলনার ফুলতলা উপজেলার দামোদর গ্রামের মোঃ আব্দুল হাইয়ের। একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে স্বল্প বেতনের চাকরি করে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হিসেবে সংসার চালানো ছিল অত্যন্ত কঠিন। তাই ভালো আয়ের আশায় তিনি ৭ লাখ টাকা খরচ করে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান।

যাওয়ার আগে তাকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল মাসে ৫০–৬০ হাজার টাকা বেতন, থাকা-খাওয়া সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। কিন্তু বাস্তবতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেখানে একটি দোকানে বিক্রয়কর্মী হিসেবে প্রতিদিন ১২–১৫ ঘণ্টা কাজ করেও তিনি মাসে মাত্র ২০ হাজার টাকা পেতেন, তাও নিয়মিত নয়। একই কক্ষে কাজ, রান্না, খাওয়া, গোসল ও বিশ্রাম—সবকিছু করতে হতো। নিরাপত্তাহীনতা, অনিশ্চয়তা এবং প্রতারণার মধ্যে দুই বছর কাটানোর পর দেশে ফিরে আসার কঠিন সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

২০২২ সালের ৮ জুন দেশে ফিরে নতুন করে শুরু হয় সংগ্রাম। বিদেশ যাওয়ার জন্য নেওয়া ঋণ পরিশোধ, পরিবারের দায়িত্ব এবং জীবিকা—সবকিছুই যেন একসাথে এসে দাঁড়ায় তার সামনে।

ঠিক সেই সময় তিনি খুলনা প্রবাসী কল্যাণ সেন্টার সম্পর্কে জানতে পারেন এবং সেখানে নিবন্ধন করেন। সেন্টারের মাধ্যমে তিনি ডাটাবেজ নিবন্ধন, কাউন্সেলিং, প্রয়োজনীয় রেফারেল সেবা এবং রেইজ প্রকল্পের আওতায় ১৩,৫০০ টাকার ক্যাশ ইনসেন্টিভ গ্রহণ করেন।

প্রাপ্ত পরামর্শ, নিজের সঞ্চয়, প্রকল্পের ইনসেন্টিভ এবং কিছু ঋণের সমন্বয়ে তিনি একটি সাইকেল মেরামত ও যন্ত্রাংশ বিক্রয়ের দোকান প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজের ব্যবসা পরিচালনা করছেন এবং ভবিষ্যতে একটি বড় সাইকেল শোরুম গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছেন। ব্যবসা আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তিনি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ঋণের জন্য আবেদন করেছেন এবং উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ গ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

আজ মোঃ আব্দুল হাই বিশ্বাস করেন—সঠিক দিকনির্দেশনা, সাহস এবং সরকারি সহায়তা পেলে প্রত্যাগত অভিবাসীরাও আবার নতুন করে নিজেদের জীবন গড়ে তুলতে পারেন।

তার ভাষায়—

"প্রত্যাগত অভিবাসী কর্মীদের কল্যাণে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড যে ধরনের কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এই কার্যক্রম যেন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকে। প্রত্যাগত অভিবাসীদের পুনঃএকত্রীকরণে এমন উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।"

বিদেশের তিক্ত অভিজ্ঞতাকে পেছনে ফেলে আজ তিনি একজন উদ্যমী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। তার এই পথচলা প্রমাণ করে—সুযোগ ও সঠিক সহায়তা পেলে প্রত্যাবর্তনই হতে পারে নতুন সাফল্যের শুরু।

#প্রবাসীকল্যাণসেন্টার #বিদেশফেরতকর্মী #পুনঃএকত্রীকরণ #উদ্যোক্তা #স্বাবলম্বিতা #ওয়েজআর্নার্সকল্যাণবোর্ড #নতুনজীবনেরশুরু #বাংলাদেশ

ফরিদপুর সদর উপজেলার অম্বিকাপুর ইউনিয়নের মধ্য ভাসানচর গ্রামের মোঃ তুহিন মৃধা ছোটবেলা থেকেই দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বড় ...
20/07/2026

ফরিদপুর সদর উপজেলার অম্বিকাপুর ইউনিয়নের মধ্য ভাসানচর গ্রামের মোঃ তুহিন মৃধা ছোটবেলা থেকেই দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বড় হয়েছেন। আর্থিক সংকটের কারণে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে না পারলেও থেমে থাকেননি। গ্রামের এক অভিজ্ঞ ব্যক্তির কাছ থেকে স্যানিটারি ও ইলেকট্রিক কাজ শিখে নিজের দক্ষতাকেই জীবনের মূল শক্তিতে পরিণত করেন।

উন্নত জীবনের আশায় ২০২৩ সালে ঋণ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত (দুবাই) যান। কিন্তু ভাগ্য সহায় হয়নি। মাত্র দুই মাস কাজ করার পর কোম্পানির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ পাঁচ মাস বেকার থাকার পর কোনো উপায় না দেখে দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হন। দেশে ফেরার কিছুদিন পর তার ভিসাও বাতিল হয়ে যায়। মাথার ওপর ঋণের বোঝা, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ আর পরিবারের দায়িত্ব—সব মিলিয়ে তিনি গভীর হতাশায় ডুবে যান।

ঠিক সেই সময় এক বন্ধুর মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন RAISE প্রকল্পের কথা। আশার আলো খুঁজে তিনি ফরিদপুর প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারে আসেন। সেখানে নিবন্ধন, ওরিয়েন্টেশন ও কাউন্সেলিং সেবা গ্রহণের পাশাপাশি নিজের দক্ষতা আরও বাড়াতে টিটিসিতে স্যানিটারি কাজের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন।

পরবর্তীতে ১৩,৫০০ টাকা নগদ প্রণোদনা পেয়ে প্রয়োজনীয় স্যানিটারি যন্ত্রপাতি ক্রয় করেন। এরপর নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে স্যানিটারি কাজ শুরু করেন। বর্তমানে তিনি প্রতি মাসে প্রায় ৩০,০০০ টাকা আয় করছেন এবং সম্মানের সঙ্গে পরিবারের দায়িত্ব পালন করছেন।

তুহিন মৃধা বলেন,

“দুবাই থেকে ফিরে আমি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিলাম। কীভাবে আবার শুরু করব বুঝতে পারছিলাম না। RAISE প্রকল্প আমাকে শুধু আর্থিক সহায়তাই দেয়নি, নতুন করে বাঁচার সাহসও দিয়েছে। আজ আমি নিজের দক্ষতার মাধ্যমে পরিবারের দায়িত্ব পালন করতে পারছি। এই নতুন জীবনের জন্য আমি RAISE প্রকল্পের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।”

তুহিন মৃধার এই অনুপ্রেরণামূলক যাত্রা আমাদের শেখায়—দক্ষতা, অধ্যবসায় এবং সঠিক সময়ে পাওয়া সহায়তা একজন মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে।

#বিদেশফেরতকর্মী #প্রবাসীকল্যাণসেন্টার #ওয়েজআর্নার্সকল্যাণবোর্ড #রিইন্টিগ্রেশন #সফলতারগল্প #দক্ষতাইশক্তি #নতুনজীবনেরশুরু #উদ্যোক্তা

18/07/2026

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় সহোদর দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের পাশে প্রবাসী কল্যাণ সেন্টার, লক্ষ্মীপুর

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা জনাব আব্দুল মালেকের দুই ছেলে গত ১৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় একই সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে প্রবাসী কল্যাণ সেন্টার, লক্ষ্মীপুরের সহকারী পরিচালক নিহতদের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম শুরু করেন এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের বিধি অনুযায়ী পরিবারকে প্রাপ্য আর্থিক সহায়তা প্রদানে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

প্রবাসী কল্যাণ সেন্টার, লক্ষ্মীপুর প্রবাসী কর্মী ও তাঁদের পরিবারের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় সেবা ও সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখবে। #প্রবাসীদের_পাশে_আমরা #আন্তর্জাতিক_শ্রমিক_দিবস #প্রবাসী_কর্মী #প্রতিবন্ধী_ভাতা #প্রবাসীকল্যাণ

স্বপ্নভঙ্গ থেকে স্বাবলম্বিতার পথে আব্দুর রহিমকুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার বাসিন্দা আব্দুর রহিম পরিবারের আর্থিক স্বচ্...
16/07/2026

স্বপ্নভঙ্গ থেকে স্বাবলম্বিতার পথে আব্দুর রহিম

কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার বাসিন্দা আব্দুর রহিম পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতার আশায় ২০০১ সালে লেবাননে পাড়ি জমান। সেখানে একটি কারখানায় পুতুল তৈরির কাজ করে দীর্ঘদিন পরিবারের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেন।

কিন্তু ২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া কোভিড-১৯ মহামারী তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। কর্মসংস্থান হারিয়ে একই বছরের ডিসেম্বর মাসে দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হন। বিদেশ যাওয়ার জন্য নেওয়া ঋণ, সংসারের দায়িত্ব এবং তিন সন্তানসহ পরিবারের ব্যয়—সব মিলিয়ে তিনি কঠিন সংকটে পড়েন। জীবিকা নির্বাহের জন্য শুরু করেন দিনমজুরের কাজ, কিন্তু তাতেও পরিবারের চাহিদা পূরণ হচ্ছিল না।

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে মাইকিংয়ের মাধ্যমে তিনি RAISE প্রকল্পের সেবা ও প্রণোদনার বিষয়ে জানতে পারেন। এরপর কুমিল্লা প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারে এসে নিবন্ধন করেন এবং কাউন্সেলিং সেবা গ্রহণ করেন। নিজের আগ্রহ অনুযায়ী তিনি মৎস্য চাষের প্রশিক্ষণের জন্য উপজেলা মৎস্য অফিসে রেফার হন।

নিবন্ধনের পর তিনি ১৩,৫০০ টাকা নগদ প্রণোদনা লাভ করেন। সেই অর্থের ৬,০০০ টাকা দিয়ে একটি পুরাতন ভ্যান কিনে বাকি টাকা দিয়ে কাঁচামাল ক্রয় করেন। এরপর ভ্যানে করে বিভিন্ন এলাকায় সবজি ও কাঁচামাল বিক্রি শুরু করেন।

বর্তমানে কুমিল্লার গোল মার্কেট ও হাউজিং এস্টেট এলাকায় ভ্যানে করে সবজি বিক্রি করে তিনি নিয়মিত আয় করছেন। এই আয়েই এখন পরিবারের ভরণপোষণ চলছে এবং তিনি নতুন স্বপ্ন নিয়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছেন।

আব্দুর রহিম বলেন,
“আলহামদুলিল্লাহ! এখন ভ্যানে করে কাঁচামাল ও সবজি বিক্রি করে যে আয় করছি, তা দিয়ে মোটামুটি ভালোভাবেই পরিবার চালাতে পারছি। RAISE প্রকল্প আমাকে নতুন করে দাঁড়ানোর সুযোগ দিয়েছে। এজন্য আমি তাদের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।”

আব্দুর রহিমের গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সঠিক সময়ে সঠিক সহায়তা, দক্ষতা ও অদম্য ইচ্ছাশক্তি একজন মানুষকে আবারও স্বাবলম্বী করে তুলতে পারে।

#বিদেশফেরতকর্মী #প্রবাসীকল্যাণসেন্টার #ওয়েজআর্নার্সকল্যাণবোর্ড #রিইন্টিগ্রেশন #সফলতারগল্প #উদ্যোক্তা #নতুনজীবনেরশুরু

সংগ্রাম থেকে স্বাবলম্বিতার পথে মোহাম্মদ ইসমাইলকক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের মোহাম্মদ ইসমাইল দারিদ্র্...
15/07/2026

সংগ্রাম থেকে স্বাবলম্বিতার পথে মোহাম্মদ ইসমাইল

কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের মোহাম্মদ ইসমাইল দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করেই বড় হয়েছেন। পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে হকারি ব্যবসা করলেও ছয় সদস্যের সংসারের ব্যয় নির্বাহ ছিল অত্যন্ত কঠিন। উন্নত জীবনের আশায় ২০১৫ সালে বৈধভাবে সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং রাজমিস্ত্রির কাজ করে পরিবার ও ঋণের দায়িত্ব সামলাতে থাকেন।

কিন্তু ২০১৮ সালের শেষ দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে দেশে ফিরতে বাধ্য হন। চিকিৎসার ব্যয় ও সংসারের খরচ মেটাতে তিনি চরম আর্থিক সংকটে পড়েন। আবার বিদেশে যাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও অর্থের অভাবে তা সম্ভব হয়নি।

ঠিক সেই সময় তিনি জানতে পারেন কক্সবাজার প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারের RAISE প্রকল্প সম্পর্কে। সেখানে নিবন্ধন, কাউন্সেলিং ও ব্যবসা বিষয়ক প্রশিক্ষণ গ্রহণের পাশাপাশি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে ঋণ সুবিধা পান। পরে ১৩,৫০০ টাকা নগদ প্রণোদনা এবং ঋণের সহায়তায় একটি চায়ের দোকান চালু করেন।

বর্তমানে তার দোকান থেকে প্রতি মাসে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা আয় হচ্ছে, যা দিয়ে তিনি পরিবারের ব্যয় নির্বাহের পাশাপাশি ঋণও পরিশোধ করছেন।

মোহাম্মদ ইসমাইলের বিশ্বাস, ধৈর্য, সাহস এবং সঠিক দিকনির্দেশনা থাকলে যেকোনো প্রতিকূলতা জয় করা সম্ভব। তিনি বলেন, "প্রবাসী কল্যাণ সেন্টার আমাকে শুধু আর্থিক সহায়তাই দেয়নি, নতুন করে জীবন শুরু করার সাহসও দিয়েছে।"

তার এই অনুপ্রেরণামূলক যাত্রা প্রমাণ করে—সঠিক সহায়তা, দক্ষতা ও অদম্য ইচ্ছাশক্তি একজন মানুষকে নতুন জীবনের পথে এগিয়ে নিতে পারে।

#বিদেশফেরতকর্মী #প্রবাসীকল্যাণসেন্টার #ওয়েজআর্নার্সকল্যাণবোর্ড #রিইন্টিগ্রেশন #উদ্যোক্তা #সফলতারগল্প #নতুনজীবনেরশুরু

প্রতিবন্ধকতা জয় করে এগিয়ে যাওয়ার অদম্য স্পৃহাপরিবারের আর্থিক সংকট কাটিয়ে স্বপ্নের খোঁজে ২০১২ সালে ওমানে পাড়ি জমান কক্সবা...
14/07/2026

প্রতিবন্ধকতা জয় করে এগিয়ে যাওয়ার অদম্য স্পৃহা

পরিবারের আর্থিক সংকট কাটিয়ে স্বপ্নের খোঁজে ২০১২ সালে ওমানে পাড়ি জমান কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের মোঃ নুরুল আজিজ। রাজমিস্ত্রির কাজ করে পরিবারের স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনলেও, ২০২০ সালে করোনা মহামারীর কারণে চাকরি হারিয়ে দেশে ফিরতে বাধ্য হন।

দেশে ফিরে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হলেও তিনি হাল ছাড়েননি। দৈনিক মজুরির কাজ করে জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করলেও তা পরিবারের প্রয়োজন মেটানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। ঠিক সেই সময় তিনি জানতে পারেন কক্সবাজার প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারের "RAISE প্রকল্প" সম্পর্কে।

প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারে নিবন্ধন, ওরিয়েন্টেশন ও কাউন্সেলিংয়ে অংশ নেওয়ার পর উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এরপর ঋণ নিয়ে একটি মুদির দোকান শুরু করেন। পরবর্তীতে "১৩,৫০০ টাকা নগদ প্রণোদনা" পেয়ে সেই অর্থ ব্যবসা সম্প্রসারণে বিনিয়োগ করেন। ধীরে ধীরে ব্যবসার আয় বৃদ্ধি পায় এবং তিনি ঋণও পরিশোধ করতে সক্ষম হন।

আজ নুরুল আজিজের ব্যবসা সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বিশ্বাস করেন, জীবনে যত কঠিন সময়ই আসুক না কেন, পরিশ্রম, ধৈর্য এবং সঠিক দিকনির্দেশনা থাকলে আবারও ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব। জীবনের এই ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন "কক্সবাজার প্রবাসী কল্যাণ সেন্টার" এবং "RAISE প্রকল্পের" প্রতি।

"নুরুল আজিজের গল্প আমাদের শেখায়—
স্বপ্ন ভেঙে যেতে পারে, কিন্তু সাহস কখনো ভাঙা উচিত নয়। সঠিক সহায়তা, দক্ষতা ও অদম্য ইচ্ছাশক্তিই পারে একটি জীবনকে নতুন করে গড়ে তুলতে।

#বিদেশফেরতকর্মী #রিইন্টিগ্রেশন #বিনামূল্যেপ্রশিক্ষণ #নতুনজীবনেরশুরু #দক্ষতাইশক্তি #ওয়েজআর্নার্সকল্যাণবোর্ড #প্রবাসীকল্যাণসেন্টার #উদ্যোক্তা #সফলতারগল্প

Address

Probashi Kalyan Bhaban, 71-72 Eskaton Garden, Ramna
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Reintegration of Returning Migrants - WEWB posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Reintegration of Returning Migrants - WEWB:

Shortcuts

Share