জীবন বীমা কর্পোরেশন

জীবন বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান

প্রতিটি জেলের (মৎস্যজীবীর) বীমা করা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তাদের পেশা ঝুঁকিপূর্ণ। প্রধান কারণগুলো হলো—1. দুর্ঘটনার ঝুঁকি — ন...
05/08/2026

প্রতিটি জেলের (মৎস্যজীবীর) বীমা করা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তাদের পেশা ঝুঁকিপূর্ণ। প্রধান কারণগুলো হলো—

1. দুর্ঘটনার ঝুঁকি — নৌকাডুবি, ঝড়, বজ্রপাত বা নদী-সমুদ্রে দুর্ঘটনায় আহত বা মৃত্যুর ক্ষেত্রে বীমা আর্থিক সহায়তা দেয়।

2. পরিবারের আর্থিক সুরক্ষা — জেলে মারা গেলে বা স্থায়ীভাবে অক্ষম হলে তার পরিবার ক্ষতিপূরণ পায়।

3. চিকিৎসা ব্যয়ের সহায়তা — দুর্ঘটনায় চিকিৎসার খরচের একটি অংশ বীমা থেকে পাওয়া যেতে পারে (বীমার শর্ত অনুযায়ী)।

4. জীবিকা রক্ষা — নৌকা বা মাছ ধরার সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হলে অনেক বীমা পরিকল্পনায় ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা থাকে।

5. প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি মোকাবিলা — ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস বা প্রবল ঝড়ে ক্ষতির পর পুনরায় কাজ শুরু করতে সহায়তা করে।

6. মানসিক নিরাপত্তা — জেলে ও তার পরিবার ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা নিয়ে তুলনামূলকভাবে কম উদ্বিগ্ন থাকে।

সংক্ষেপে: জেলের পেশায় ঝুঁকি বেশি হওয়ায় বীমা তাদের জীবন, পরিবার ও জীবিকাকে আর্থিকভাবে সুরক্ষিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

জীবন বীমা কর্পোরেশন এ একটি বীমা পলিসি চালু করার জন্য আপনার এলাকার বীমা প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ করুন জীবন বীমা কর্পোরেশন

বিগত পাঁচ বছরের জীবন বীমা কর্পোরেশন এর ব্যাবসায়িক পারফরমেন্স।
02/08/2026

বিগত পাঁচ বছরের জীবন বীমা কর্পোরেশন এর ব্যাবসায়িক পারফরমেন্স।

১৯৭৩ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত দীর্ঘ ৫৩ বছর ধরে বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান জীবন বীমা কর্পোরেশন সুনামে...
01/08/2026

১৯৭৩ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত দীর্ঘ ৫৩ বছর ধরে বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান জীবন বীমা কর্পোরেশন সুনামের সঙ্গে জনগণকে নির্ভরযোগ্য জীবন বীমা সেবা প্রদান করে আসছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে কর্পোরেশন বৈধ ও প্রাপ্য বীমা দাবির অর্থ নিয়মিতভাবে পরিশোধ করে গ্রাহকদের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছে।

সুখে–দুঃখে আপনজন,
জীবন বীমা কর্পোরেশন।

বীমা পলিসি চালু করার পর সব ক্ষেত্রেই দাবি (Claim) সহজে পরিশোধ হয় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কিছু ভুল, অসতর্কতা বা নিয়ম না মা...
01/08/2026

বীমা পলিসি চালু করার পর সব ক্ষেত্রেই দাবি (Claim) সহজে পরিশোধ হয় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কিছু ভুল, অসতর্কতা বা নিয়ম না মানার কারণে বীমার টাকা পেতে দেরি হয়, অতিরিক্ত কাগজপত্র লাগে, এমনকি দাবি বাতিলও হতে পারে।

প্রধান কারণগুলো হলো—

1. নিয়মিত প্রিমিয়াম পরিশোধ না করা
নির্ধারিত সময়ে প্রিমিয়াম না দিলে পলিসি ল্যাপস (Lapse) হতে পারে। ল্যাপস অবস্থায় দাবি নিষ্পত্তিতে সমস্যা হতে পারে।

2. প্রস্তাবপত্রে ভুল বা মিথ্যা তথ্য দেওয়া
বয়স, পেশা, স্বাস্থ্য, আয় বা অন্য তথ্য গোপন করলে তদন্তের পর দাবি বাতিল হতে পারে।

3. মনোনীত ব্যক্তি (Nominee) না দেওয়া বা হালনাগাদ না করা
নমিনি না থাকলে বা ভুল থাকলে দাবির অর্থ পেতে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

4. প্রিমিয়ামের রসিদ সংরক্ষণ না করা
প্রয়োজনে প্রিমিয়াম পরিশোধের প্রমাণ দেখাতে সমস্যা হতে পারে।

5. পলিসির শর্তাবলি না জানা
কোন ক্ষেত্রে দাবি দেওয়া যাবে এবং কোন ক্ষেত্রে যাবে না—এগুলো না জানলে ভুল ধারণা তৈরি হয়।

6. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সময়মতো জমা না দেওয়া
মৃত্যু সনদ, চিকিৎসা নথি, জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক তথ্য ইত্যাদি অসম্পূর্ণ হলে দাবি বিলম্বিত হয়।

7. দাবি করতে দেরি করা
নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে দাবি করলে অতিরিক্ত তদন্ত বা জটিলতা হতে পারে।

8. ঠিকানা, মোবাইল নম্বর বা ব্যাংক হিসাব পরিবর্তনের তথ্য না জানানো
এতে কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগে সমস্যা হয়।

9. প্রতারণার চেষ্টা বা জাল কাগজপত্র ব্যবহার
জাল নথি বা মিথ্যা তথ্য প্রমাণিত হলে দাবি বাতিল হতে পারে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

10. বীমা কোম্পানির অনুমোদিত নিয়ম অনুসরণ না করা
যেমন, নির্ধারিত ফরম ব্যবহার না করা বা নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করা।

11. পলিসির মূল কপি হারিয়ে ফেলা
মূল পলিসি না থাকলে আগে ডুপ্লিকেট সংগ্রহ করতে হতে পারে, এতে সময় লাগে।

12. বীমা এজেন্টের কথার উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করা
শুধুমাত্র মৌখিক আশ্বাসের বদলে পলিসির লিখিত শর্ত নিজে পড়ে বুঝে নেওয়া উচিত।

কী করলে ঝামেলা এড়ানো যায়?

সময়মতো নিয়মিত প্রিমিয়াম পরিশোধ করুন।

প্রতিবার অফিসিয়াল রসিদ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করুন।

পলিসির শর্তাবলি ভালোভাবে পড়ে বুঝুন।

নমিনি সঠিকভাবে উল্লেখ করুন এবং প্রয়োজনে হালনাগাদ করুন।

সব তথ্য সঠিক ও সত্য দিন।

প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিরাপদে সংরক্ষণ করুন।

দাবি করার প্রয়োজন হলে যত দ্রুত সম্ভব কোম্পানিকে অবহিত করুন।

সম্ভব হলে সরাসরি বীমা অফিস বা অনুমোদিত ডিজিটাল মাধ্যমে লেনদেন করুন।

এসব নিয়ম মেনে চললে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বীমার দাবি নিষ্পত্তি দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত হয়।

বীমা পলিসি চালু করার পর বীমাগ্রহীতার কর্তব্য১. বীমা পলিসি চালু হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে নিয়মিত প্রিমিয়াম পরিশোধ করুন।...
01/08/2026

বীমা পলিসি চালু করার পর বীমাগ্রহীতার কর্তব্য

১. বীমা পলিসি চালু হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে নিয়মিত প্রিমিয়াম পরিশোধ করুন।

২. প্রতিবার প্রিমিয়াম পরিশোধের পর অবশ্যই অফিসিয়াল রসিদ (রিসিভ) সংগ্রহ করুন।

৩. সম্ভব হলে সরাসরি বীমা অফিসে গিয়ে প্রিমিয়াম জমা দিন। প্রয়োজনে অনুমোদিত মোবাইল ব্যাংকিং বা অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে ঘরে বসেই প্রিমিয়াম পরিশোধ করতে পারেন।

৪. যদি বীমা প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রিমিয়াম জমা দেন, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব তার কাছ থেকে রাজস্ব স্ট্যাম্পযুক্ত (Revenue Stamp) অফিসিয়াল রসিদ সংগ্রহ করুন।

৫. বীমা দলিল (Policy Bond) এবং প্রিমিয়াম পরিশোধের সব রসিদ যত্নসহকারে সংরক্ষণ করুন।

৬. অন্তত বছরে একবার বীমা অফিসে গিয়ে আপনার পলিসির বর্তমান অবস্থা, প্রিমিয়াম পরিশোধ এবং অন্যান্য তথ্য যাচাই করুন।

মনে রাখবেন: আপনার সচেতনতা ও নিয়মিত প্রিমিয়াম পরিশোধই আপনার বীমা পলিসিকে সচল রাখবে এবং ভবিষ্যতে দাবি (Claim) নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে জটিলতা এড়াতে সহায়তা করবে।

পেনশন স্কিমের দাবির অর্থ হবে আয়করমুক্ত।জীবন বীমা করপোরেশন (জেবিসি) মানুষের জীবনের সঙ্গে জড়িত একটি প্রতিষ্ঠান। এটি প্রান্...
31/07/2026

পেনশন স্কিমের দাবির অর্থ হবে আয়করমুক্ত।

জীবন বীমা করপোরেশন (জেবিসি) মানুষের জীবনের সঙ্গে জড়িত একটি প্রতিষ্ঠান। এটি প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের সুবিধা দিতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে। বিশেষ করে নতুন স্কিম চালুর মাধ্যমে গ্রাহককে আকর্ষণ করতে সব চেষ্ট অব্যাহত রেখেছে। গ্রাহককে উত্তম সেবার মাধ্যমে নিশ্চিত পলিসির অর্থ পরিশোধ করতে বদ্ধপরিকর।আর জীবন বিমার পেনশন স্কিমের পুরো অর্থ কর আওতামুক্ত। এতে গ্রাহক পুরো অর্থ ভোগ করতে পারেন। নতুন স্কিম দেশের প্রান্তিক মানুসহ সব গ্রাহককে স্বস্তি দেবে।



রবিবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর মতিঝিলে জীবন বিমা করপোরেশনের প্রধান কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘গ্রাহক সেবা পক্ষ’ উপলক্ষে জীবন বীমা পেনশন স্কিমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জীবন বীমা করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরচিালক (এমডি) মো. মুহিবুজ্জামান।তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে জীবন বীমা করপোরেশন গ্রাহককে আন্তরিক সেবা দিয়ে যাচ্ছে। সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে করপোরেশনটি। সেবা প্রসারের লক্ষ্যে একের পর এক গ্রাহক বান্ধব স্কিম চালু রাখা হয়েছে। সেই লক্ষ্যে নতুন আঙ্গিকে বাড়তি সুবিধা নিয়ে গ্রাহকের সামনে ফের হাজির হয়েছে জীবন বীমা করপোরেশন।তারই ধারাবাহিকতায় (রবিবার) নতুন পেনশন স্কিম উদ্বোধন করা হয়।’



তিনি আরো বলেন, ‘দেশে ৩৫টি জীবন বীমা কম্পানি ব্যবসা পরিচালনা করছে। তার মধ্যে ৪-৫টির অবস্থা ভালো। আবার দু-একটি বিদেশি কম্পানি ধনি শ্রেণির মধ্যে কাজ করে। কিন্তু জীবন বীমা করপোরেশনের মূল লক্ষ্য দেশে শহর-গ্রাম সবখানে প্রান্তিকসহ শ্রেণির গ্রাহকের কল্যাণে কাজ করা।প্রতিষ্ঠানটি বিমার পলিসি যথাযথভাবে গ্রাহক ও তাদের বৈধ্য নমিনির কাছে হস্তান্তর করে। মুনাফার বাড়তি টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দেয়। সুতরাং জীবন বীমা দেশের জন্য কাজ করে, মুনাফা অর্জন মূল লক্ষ্য নয়।’



জানানো হয়, জেবিসি পেনশন বিমার আওতায় পলিসি গ্রাহক আজীবন পেনশন সুবিধা পাবেন। নমিনিকেও পেনশনের আওতায় রাখার সুযোগ রয়েছে। মেয়াদপূর্তিতে এককালীন অথবা মাসিকভিত্তিতে পেনশন সুবিধা গ্রহণ করা যাবে। প্রিমিয়ামের অর্থ আয়কর রেয়াত থাকবে। আর ২০ থেকে ৬০ বছর বয়সী মানুষ এই বিমার সুবিধা পাবেন। অনুষ্ঠানে গ্রাহক এস কে মো. হাসান এবং শায়লা শারমিনের প্রিমিয়ামের মেয়াদ পূর্তির চেক হস্তান্তর করা হয়।অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদার, জীবন বিমা করপোরেশনের প্রধান কার্যালয় জেনারেল ম্যানেজার (টেকনিকেল এ্যাফেয়ার্স ডিভিশন) আবু মোহাম্মদ মাঈনুদ্দিন ও প্রধান কার্যালয়ের গোষ্ঠী বীমা ডিভিশনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার শেখ খায়েরুজজামান প্রমুখ।

আপনি জীবন বীমা কর্পোরেশন এ কেন বীমা করবেন?১.বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান।২.জীবন বীমা কর্পোরেশন ১৯৭৩ সা...
29/07/2026

আপনি জীবন বীমা কর্পোরেশন এ কেন বীমা করবেন?
১.বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান।
২.জীবন বীমা কর্পোরেশন ১৯৭৩ সালে থেকে সেবা প্রদান করে আসছে।
৩. প্রতি বছর এর বিমা দাবি প্রতি বছর পুরন করে আসছে।
৪. বাংলাদেশের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এর মাধ্যমে ঘড়ে বসে পলিসির প্রিমিয়াম জমা দিতে পারবেন।
৫. এছাড়া দেশে মোট ৮ টি রিজিওনাল, ১২ টি কর্পোরেট, ৮১ টি সেলস এবং ৪৪৪ টি শাখা অফিস সেবা প্রদান করে আসছে।
৬. সম্পুর্ন অনলাইন হবার জন্য আপনি আপনার পলিসি ঘড়ে বসে মনিটর করতে পারেন।

শিশু নিরাপত্তা বীমা (লাভসহ) প্ল্যান-০৯ এই বীমা পরিকল্পনা যুগ্মভাবে প্রিমিয়ামদাতা ও শিশুর জীবনের উপর দেয়া হয়। সাধারণতঃ শি...
28/07/2026

শিশু নিরাপত্তা বীমা (লাভসহ) প্ল্যান-০৯



এই বীমা পরিকল্পনা যুগ্মভাবে প্রিমিয়ামদাতা ও শিশুর জীবনের উপর দেয়া হয়। সাধারণতঃ শিশুর পিতা এই পরিকল্পনা প্রিমিয়ামদাতা বলে বিবেচিত হন। যদি পিতা জীবিত না থাকেন অথবা বীমা গ্রহণের অযোগ্য বলে বিবেচিত হন তাহলে শিশুর মাতা পরিকল্পনায় প্রিমিয়ামদাতা হতে পারেন। শিশুর মাতাকে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই শিক্ষিতা (মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষা পাশ) হতে হবে এবং যে কোন বৃত্তি থেকে তাহার নিজস্ব রোজগার থাকতে হবে। মাতা-পিতা ভিনড়ব অন্য কেহ এই পরিকল্পনায় প্রিমিয়াম দাতা হতে পারেন না। এই পরিকল্পনার অধীনে শিশুর মেয়াদ-পূর্তিকালীন বয়স ১৮ হতে ২৫ বছরের মধ্যে হতে হবে। এই বীমা সর্বনিমড়ব ৬ মাস বয়স্ক শিশুর জন্য নেয়া যেতে পারে এবঙ ৮ থেকে ২৪ বছর মেয়াদের হতে পারে। কোন ক্রমেই এই পরিকল্পনায় বীমার অংক ৬,০০০.০০ টাকার কম হবে না। ডাক্তারী পরীক্ষাবিহীন কোন প্রস্তাব-পত্র বিবেচনা করা যাবে না। 37c01b0b4d967293cb81eb65138c2e31ডাক্তারী পরীক্ষায় শিশু ও প্রিমিয়ামদাতা উভয়েই উনড়বতমান জীবন হিসেবে প্রতীয়মান হলে প্রস্তাবপত্র গৃহীত হবে। এই পরিকল্পনার অধীনে শিশুর জন্য বহুমুখী নিরাপত্তা প্রদান করা হয়। যদি মেয়াদ-পূর্তির পূর্বে প্রিমিয়ামদাতার মৃত্যু হয় তাহলে মৃত্যুর দিন থেকে মেয়দা-পূর্তি পর্যন্ত দেয় প্রিমিয়াম মওকুফ হয়ে যায় এবং শিশুকে নিমেড়বাক্ত সুবিধাসমূহ দেয়া হয় ঃ-

(ক) প্রতি হাজার বীমার জন্য বার্ষিক ১০০ টাকা হারে মৃত্যুকাল হতে শুরু করে মেয়াদ-পূর্তি পর্যন্ত অথবা মেয়াদ-পূর্তির পূর্বে শিশুর মৃত্যু হলে শিশুর মৃত্যুর দিন পর্যন্ত দেয়া হয়।

(খ) মেয়াদ অন্তে অর্পিত বোনাসসহ বীমার ম্পূর্ণ টাকা প্রাদন করা হয়। এই সুবিধাগুলি বীমাকাল পর্যন্ত এবং পরবর্তী সময়ের জন্যও শিশুর নিরাপত্তা ব্যবস্থা করে দেয়। যদি প্রিমিয়ামদাতা ও শিশু দুজনেই বীমার মেয়াদ-পূর্তি পর্যন্ত বেঁচে থাকেন, তাহলে মেয়াদ অন্তে অর্পিত বোনাসসহ বীমাকৃত অর্থ প্রদান করা হয়। যদি মেয়াদ-পূর্তির পূর্বে শিশুর মৃত্যু হয় হাহলে নিমেড়ব বর্ণিত তালিকা অনুসারে বীমার টাকা প্রিমিয়ামদাতাকে দেয়া হয়।

সরকারি জীবন বীমা কর্পোরেশনের (CLAIM) চেক হস্তান্তর  টাকা- ৪৭,৬০,৭৫০.০০(সাতচল্লিশ লক্ষ ষাট হাজার সাতশ প‌ঞ্চাশ)১৯/০৭/২০২৬ ...
26/07/2026

সরকারি জীবন বীমা কর্পোরেশনের (CLAIM) চেক হস্তান্তর টাকা- ৪৭,৬০,৭৫০.০০(সাতচল্লিশ লক্ষ ষাট হাজার সাতশ প‌ঞ্চাশ)
১৯/০৭/২০২৬ ইং তারিখে জীবন বীমা কর্পোরেশন, কর্পোরেট সেবা দপ্তর কুষ্টিয়া অফিস হতে সম্মানিত বীমা গ্রাহক জনাব হাজী মো: নুর ইসলাম কে মেয়াদোত্তর বীমা দাবি বাবদ ৪৭,৬০,৭৫০.০০(সাতচল্লিশ লক্ষ ষাট হাজার সাতশ প‌ঞ্চাশ) টাকার চেক হস্তান্তর করেন ম্যানেজার ইনচার্জ কাজী মোঃ: তফিকুল ইসলাম। এসময় ডেপুটি ম্যানেজার এস. এম. আতিকুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন

সরকারি জীবন বীমা কর্পোরেশন সর্বদা তার সম্মানিত গ্রাহকদের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন হিসেবে দ্রুত, স্বচ্ছ ও নির্ভুলভাবে দাবি (Claim) নিষ্পত্তিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

সরকারি জীবন বীমা কর্পোরেশন শুধু একটি বীমা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি আপনার ও আপনার পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তার বিশ্বস্ত সঙ্গী।

আজই জীবন বীমার সুরক্ষার ছায়ায় আসুন।
আপনার ও আপনার পরিবারের সুন্দর ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে জীবন বীমা কর্পোরেশনের বিভিন্ন বীমা পলিসি পরিকল্পনা সম্পর্কে জানুন, গ্রহণ করুন, নিজ এবং পরিবারকে সুরক্ষিত রাখুন।

জীবন বীমা কর্পোরেশন
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ-
অর্থ মন্ত্রণালয়।

সরকারি জীবন বীমা কর্পোরেশনের (CLAIM) চেক হস্তান্তর টাকা- ৪৭,৬০,৭৫০.০০(সাতচল্লিশ লক্ষ ষাট হাজার সাতশ প‌ঞ্চাশ)

14/01/2026

Address

Barguna
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জীবন বীমা কর্পোরেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to জীবন বীমা কর্পোরেশন:

Shortcuts

Share