29/08/2026
হ্যাঁ, মোবাইল ফোন দিয়ে অনলাইনে দলিল খোঁজার পদ্ধতি
১০০ বছর আগের দলিল খুঁজে বের করা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। বাংলাদেশে এমন পুরোনো দলিল খুঁজতে মূলত পুরোনো রেজিস্ট্রি রেকর্ড, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সূচিবহি এবং জমির ধারাবাহিক মালিকানা অনুসরণ করতে হয়।
১০০ বছর আগের দলিল খুঁজে বের করার পদ্ধতি
১. প্রথমে জমির বর্তমান তথ্য সংগ্রহ করুন
মৌজা
দাগ নম্বর
খতিয়ান নম্বর
জমির পরিমাণ
বর্তমান মালিকের নাম
পূর্বের মালিকের নাম
দলিলের আনুমানিক সাল
২. বর্তমান দলিল থেকে পেছনের মালিকের তথ্য বের করুন
বর্তমান দলিলে সাধারণত পূর্ববর্তী দলিলের নম্বর, তারিখ, বিক্রেতার নাম বা মালিকানার সূত্র উল্লেখ থাকে। সেখান থেকেই এক ধাপ করে পিছনে যেতে হবে।
৩. সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে খোঁজ নিন
জমিটি যে এলাকায় অবস্থিত, সেই এলাকার সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে পুরোনো দলিলের রেজিস্টার/সূচিবহিতে অনুসন্ধান করতে হয়। ১০০ বছর আগের রেকর্ড হলে বর্তমান অনলাইন ব্যবস্থায় নাও পাওয়া যেতে পারে।
৪. সূচিবহি দিয়ে অনুসন্ধান করুন
দলিলের নম্বর জানা না থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে—
বিক্রেতার নাম
ক্রেতার নাম
আনুমানিক সাল
মৌজা
দলিলের ধরন
ইত্যাদি তথ্য ধরে পুরোনো রেকর্ডের সন্ধান করা যায়।
৫. দলিলের নকল/সার্টিফাইড কপি চাইতে হবে
রেকর্ড পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট অফিসে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করে দলিলের সার্টিফাইড কপি (নকল) সংগ্রহ করা যায়।
৬. রেকর্ড পুরোনো হলে জেলা রেকর্ড রুমেও খোঁজ নিন
খুব পুরোনো নথি সব সময় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সহজে হাতের কাছে নাও থাকতে পারে। সংরক্ষণ ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট রেকর্ড রুম/পুরোনো সরকারি রেকর্ড সংরক্ষণাগারে অনুসন্ধানের প্রয়োজন হতে পারে।
৭. খতিয়ানের ইতিহাস মিলিয়ে দেখুন
১০০ বছর আগের দলিল খোঁজার ক্ষেত্রে শুধু দলিল নয়, জমির CS/পুরোনো খতিয়ান থেকে মালিকের নাম ও দাগের ধারাবাহিকতাও অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
৮. দাগ পরিবর্তন হয়েছে কি না দেখুন
পুরোনো দাগ নম্বর বর্তমানে পরিবর্তিত হয়ে থাকতে পারে। তাই পুরোনো দাগ → CS/SA/RS/BS দাগের সম্পর্ক বের করতে পুরোনো ও নতুন নকশা এবং খতিয়ান মিলিয়ে দেখতে হবে।
সবচেয়ে কার্যকর কৌশল🔰🔰
বর্তমান দলিল → আগের দলিল → তার আগের দলিল → পুরোনো খতিয়ান → আরও পুরোনো মালিকানা সূত্র
এভাবে ধাপে ধাপে পিছনে গেলে ৫০, ৭০ এমনকি ১০০ বছরের পুরোনো দলিলের সন্ধান পাওয়ার সম্ভাবনা