27/08/2026
একবার আমি, তানপুরা আর সভাপতি ৩১১ নম্বর হলে মিড দিচ্ছিলাম। হঠাৎ দেখি সভাপতি হাত পা চুলকাচ্ছে। তারপর আস্তে আস্তে ঘাড় আর মাথাও চুলকাতে শুরু করলো। কিছুক্ষণ পর সে ডেস্ক থেকে পড়ে গেলো। আমি গিয়ে দেখি মুখ দিয়ে ফ্যানা বের হচ্ছে। স্যার ভয় পেয়ে বললেন, কি হইসে ওর!?
আমি কইলাম, স্যার মনেহয় হেরোইন সেবন করে ছেলেটা। গ্যারা উঠসে। নেশা না পায়া অজ্ঞান হয়া গেসে।
স্যার জিজ্ঞেস করলেন, ও কি তোমার ফ্রেন্ড?
আমি কইলাম, না স্যার। আজকে জীবনে প্রথম দেখলাম।
আমি আর তানপুরা ওকে ধরাধরি করে মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে গেলাম। তারপর সেখানে বই খুলে উত্তরগুলো মুখস্ত করে নিলাম তিনজনে। কিছু ম্যাথও ছিলো পরিক্ষায়। সেগুলো এক সিনিয়র ভাই সলভ করে দিলো। পরে মুখস্ত উত্তর আর নকল সমেত আবার হলে ফেরত গেলাম। স্যারকে বললাম, স্যার ছেলেটা তিনদিন ধরে খায় নাই। ডক্টর বললো স্টমাক পুরা খালি ছিলো বলে অজ্ঞান হয়ে গেসিলো।
- বল কি!? খায়নাই কেন?
- স্যার শুনলাম ও ঢাকায় নতুন আসছে। কিছুদিন আগে ও ছিনতাই এর শিকার হয়। মেস ভাড়া দিতে না পারায় ওকে বের করে দেয়া হয়েছিলো। গত তিনদিন ও রাস্তায় ছিলো।
ঘটনা শুনে স্যার খুবই কষ্ট পেলেন। বললেন, এক্সাম শেষে দেখা করতে। খাতা জমা দিয়ে তার অফিসে যাওয়ার পর তিনি আমাদের তিনজনকেই কোর্স থেকে বের করে দিয়ে বললেন, শাউয়ার নাতিরা মগা পাইসস আমারে? আমি ঘাস খাই? তোরা কি করসস আমি বুঝিনাই মনে করসস?