04/08/2026
আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চীফ হুইপ
ঢাকা, ০৪ আগস্ট ২০২৬:
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ মোঃ নূরুল ইসলাম বলেছেন, সংবিধান সংশোধন কোনো স্বল্পমেয়াদি উদ্দেশ্যে নয়; বরং আগামী প্রজন্মের স্বার্থ ও দেশের ভবিষ্যৎ প্রয়োজন বিবেচনায় রেখেই করা হবে। তিনি বলেন, “সংবিধান সংশোধন আমরা এক বছর বা দুই বছরের জন্য নয়, আগামী প্রজন্মের জন্য করব, যাতে জনগণ এর সুফল পায়। সে জন্য সময়ের আকাঙ্ক্ষা, সময়ের পরিবর্তন এবং জনগণের চাহিদার ভিত্তিতে আমরা সংবিধান সংশোধন করব।”
আজ (মঙ্গলবার) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকে ব্রিফিংকালে চীফ হুইপ এসব কথা বলেন।
চীফ হুইপ বলেন, সংবিধান একটি চলমান ও সময়োপযোগী দলিল। তাই সময়ের পরিবর্তন, জনগণের প্রত্যাশা এবং রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনতে হবে। তিনি এ প্রক্রিয়ায় সকল রাজনৈতিক দল, বিশেষজ্ঞ, অংশীজন ও জনগণের গঠনমূলক অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি জানান, বর্তমান সংসদের বিশেষ করে বিরোধী দলের অধিকাংশ সদস্য প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে সংবিধান সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁদের গভীরভাবে অনুধাবন করে কার্যকর অবদান রাখতে কিছুটা সময় প্রয়োজন হতে পারে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের দরজা খোলা আছে। তারা যখনই আসবেন, তখনই আমরা তাদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করব।”
আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, “সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে বহুবার সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। আমেরিকাতেও সফলভাবে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। কাজেই সংবিধান সংশোধন করা ছাড়া আমাদের বিকল্প নেই।”
চীফ হুইপ বলেন, সংবিধানের প্রতিটি সংশোধন ও সংস্কারের ক্ষেত্রে সরকার সব রাজনৈতিক দলের মতামতকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে। বিশেষ করে বিরোধী দলের মতামত গ্রহণে সরকার আন্তরিক থাকবে। তিনি বলেন, যখনই তাঁরা (বিরোধী দল) মতামত দেবেন, তখনই তাদের মতামত নিয়ে আমরা এই কাজটা করব।