07/06/2026
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইডিপি) এর আওতাভুক্ত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সার্পোট স্কিম (EESS) এর আওতায় দেশব্যাপী উপজেলা ও থানা পর্যায়ে আগামী ১২ জুন ২০২৬ খ্রি. তারিখে, জেলা পর্যায়ে আগামী ১৪ জুন ২০২৬ খ্রি. তারিখে এবং জাতীয় পর্যায়ে ২৮ জুন ২০২৬ খ্রি. তারিখে “Start-up, Science Project and Innovation Idea Showcasing Program” আয়োজন করা হবে। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে সারাদেশে “সুশিক্ষায় মেধাবী শিক্ষক পুরস্কার” এবং “উদ্ভাবনী মেধাবী শিক্ষার্থী পুরস্কার” প্রদান করা হবে।
এই পুরস্কারসমূহ প্রদানের মাধ্যমে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার যেমন- ‘লার্নিং উইদ হ্যাপিনেস (আনন্দময় শিক্ষা)’, ‘ক্রীড়া ও দেশীয় সংস্কৃতি শিক্ষা অন্তর্ভুক্তি’,‘সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের পথ উন্মুক্ত করা’, ‘সৃজনশীলতা ও বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা সৃষ্টিতে গুরুত্বারোপ’ এবং ‘সুশিক্ষায় মেধাবী শিক্ষক’ প্রভৃতি বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।
ক. “সু-শিক্ষায় মেধাবী শিক্ষক পুরস্কার” এর ফলে শিক্ষকরা নিম্নলিখিতভাবে উপকৃত হবেন-
আধুনিক শিক্ষণ পদ্ধতির চর্চা: শিক্ষার্থীদের মেন্টরিং করতে গিয়ে শিক্ষকেরাও প্রজেক্ট-ভিত্তিক আধুনিক শিক্ষণ পদ্ধতির (Project-based learning) সাথে যুক্ত হবেন।
কাজের স্বীকৃতি ও অনুপ্রেরণা: "সু-শিক্ষায় মেধাবী শিক্ষক পুরস্কার" এবং আর্থিক সম্মাননা শিক্ষকদের সৃজনশীল উপায়ে পাঠদানে এবং নতুন উদ্ভাবনে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করবে।
পেশাদারিত্বের উন্নয়ন: উপজেলা থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের মেলা ও শোকেজিংয়ে অংশ নেওয়ার ফলে শিক্ষকদের পেশাগত নেটওয়ার্কিং এবং অভিজ্ঞতা বাড়বে।
সর্বোপরি এটি বর্তমান সরকারের শিক্ষায় নির্বাচনী অঙ্গীকার “সুশিক্ষায় মেধাবী শিক্ষক” অনুষঙ্গ বাস্তবায়নের সহায়ক।
খ. “উদ্ভাবনী মেধাবী শিক্ষার্থী পুরস্কার” এর ফলে শিক্ষার্থীরা নিম্নলিখিতভাবে উপকৃত হবেন-
সৃজনশীল ও বিশ্লেষণধর্মী চিন্তার বিকাশ: চিরাচরিত মুখস্থবিদ্যার বৃত্ত থেকে বের হয়ে শিক্ষার্থীরা বাস্তবমুখী সমস্যা সমাধান (Problem Solving) এবং নতুন আইডিয়া নিয়ে কাজ করার সুযোগ পাবে।
ভবিষ্যৎ উদ্যোক্তা (Entrepreneur) সৃষ্টি: ‘Startup’ এবং ‘Innovation’ ধারণার সাথে স্কুল-কলেজ পর্যায় থেকেই পরিচিত হওয়ার ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা গড়ে উঠবে। যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ বিনির্মানের প্লানের অংশ।
ব্যক্তিগত দক্ষতার (Personal Skills) উন্নয়ন: প্রজেক্ট প্রেজেন্টেশন এবং শোকেজিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ দক্ষতা (Communication Skills), দলগতভাবে কাজ করার মানসিকতা (Teamwork) এবং আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার: ডিজিটাল ডিভাইস বা প্রযুক্তিকে শুধু বিনোদনের মাধ্যম না বানিয়ে, সেগুলোকে উৎপাদনশীল ও সৃজনশীল কাজে লাগানোর অভ্যাস তৈরি হবে।
সর্বোপরি এ কার্যক্রম সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার যেমন- ‘লার্নিং উইদ হ্যাপিনেস (আনন্দময় শিক্ষা)’, ‘ক্রীড়া ও দেশীয় সংস্কৃতি শিক্ষা অন্তর্ভুক্তি’, ‘সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের পথ উন্মুক্ত করা’ এবং ‘সৃজনশীলতা ও বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা সৃষ্টিতে গুরুত্বারোপ’ প্রভৃতি বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।