14/04/2026
অনেকেই মনে করেন ছেঁড়া/ফাটা নোট ব্যাংকে নিয়ে গেলেই তা চেঞ্জ করে দিবে কিন্তু এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুস্পষ্ট গাইডলাইন রয়েছে।
ছেঁড়া/ফাটা নোট বিনিময়: বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা সংক্ষেপে -
দেশের সাধারণ মানুষকে আর্থিক ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ছেঁড়া বা ক্ষতিগ্রস্ত নোট বিনিময়ের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কিছু নির্দিষ্ট নীতিমালা নির্ধারণ করেছে। নিচে সহজভাবে মূল বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো 👇
দাবিযোগ্য নোট (Claimable Note)' অর্থ নিম্নরূপ বৈশিষ্ট্য সম্বলিত নোট-
(১) নোটের উপস্থিত অংশের পরিমাণ ৯০% বা তার কম;
(২) স্যাতসেঁতে নোট (Damp Notc);
(৩) অধিক জরাজীর্ণ নোট (নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্ অস্পষ্ট হলে);
(8) তেল/রংকালি/মরিচা ইত্যাদি দ্বারা বিকৃত যা আসল নোট শনাক্তকরণে বিঘ্ন ঘটায়;
(৫) দুই এর অধিক খণ্ডে খণ্ডিত নোট; এবং
(৬) বিকৃত নোট (Altered Note) |
(ড) ‘পোড়া নোট (Charred Note)' অর্থ আগুনে
➤দাবি নিষ্পত্তির সময়:
☞ ইস্যু অফিস কতৃক সীলযুক্ত হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে দাবির আবেদন করতে হবে।
☞ দাবির আবেদন গ্রহণের ৮ সপ্তাহের মধ্যে দাবিটি নিষ্পত্তি করতে হবে।
🔹 নোটের মূল্য অনুযায়ী পরিশোধ
💰 ৫০%–৭৫% অংশ থাকলে → আংশিক মূল্য (সাধারণত ৫০%) প্রদান
💰 ৭৫% বা তার বেশি থেকে ৯০% পর্যন্ত থাকলে → মূল্য (৭৫%) প্রদান
💰 উপস্থাপিত নোটের ৯০% এর অধিক অংশ বিদ্যমান থাকলে নোটের মূল্যমানের শতভাগ মূল্য (Value) পরিশোধ করা হবে
👉 একক নোটের ৫১% বিদ্যমান না থাকলে উক্ত নোটের দাবি প্রত্যাখ্যান করা হবে।
....( নিচের ছবিগুলোতে আরও বিস্তারিত রয়েছে )