27/02/2017
✈HSC-পরীক্ষার্থীদের জন্য কিছু Exclusive xm টিপস
HSC -এর আর মাত্র ৩৪ দিন আছে বলা যায়। মাথার ওপর এখন অনেক বড় একটা চাপ। কিন্তু এই সময় টাকে মোটেও অবহেলা কর না , জাস্ট এই কয়টা মাসই নির্ধারণ করে দিবে তোমার জীবনের ভবিষ্যৎ।নিজের ভবিষ্যৎ নিজের হাতে গড়ে নাও, নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা কর। মাথাটা একটু হলেও ভারি লাগছে নিশ্চয়। তবে তোমাদের টেনশন কমাতে ব্যাক্তিগত কিছু সাজেশন দিতেই পারি। হয়তো তোমাদের কাজে লাগবে। তাই বিষয় ভিত্তিক ভাবে সাজিয়ে দিলাম।
#বাংলা ১ম : মূল বই পড়ার বিকল্প নাই। গদ্য পদ্য থেকে যেহেতু সমান উত্তর করতে হবে,তাই ২টাই অনেক গুরুত্বপূর্ণ। মূলভাব ভালো করে পড়,আর কবিতার কিছু প্যারার অন্তর্নিহিত ব্যাখ্যা বুঝে পড় এখন থেকেই। সাথে Test paper এর ১ম দিকের 'ক' ও 'খ' নামার এর সাজেশন দেখলে বই এর প্রায় পুরা গল্প বোঝা যায়।
এবার নাটক আর উপন্যাস ২টাই উত্তর করতে হবে ।তাই ২টাই পড়বা,তবে যেকোন ১টা খুব ভালো ভাবে বুঝে নিবা। ওখান থেকে বেশি প্রশ্ন কমন পেলে তোমারই লাভ। যেহেতু ৭টা প্রশ্নের উত্তর করবা,তাই উত্তর লেখার সময় মূল জিনিসগুলো ব্যাখ্যা করার অভ্যাস কর। অযথা টাইম নষ্ট কোরো না। কারন ১ম দিকে বেশি সময় নিলে পড়ে লেখার সময় পাওয়া যায় না। সময়ের সাথে মিল রেখে লিখবা।
#বাংলা ২য়ঃ কলেজ লাইফে খুব কম সময়ই বাংলা ২য় পড়ার সময় পাওয়া যায়, যারা বিশেষ করে সাইন্সের। তাই এখন থেকেই জোর দাও। গাইড থেকে সাজানো প্রশ্ন গুলো থেকে ব্যাকরণ পাঠটা প্রতিদিন অল্প করে পড়। চিঠি, মেইল, ভাষণ, রচনার নিয়ম গুলো ভালোভাবে আত্তস্ত কর। মুখস্তের দরকার নেই। বাংলা রচনা শেষে লেখাই উত্তম।
#ইংরেজি ১মঃ Text বইয়ের বিকল্প নেই। সবচেয়ে সমস্যা হয় নতুন নতুন word দেখে। তাই dictionary থেকে vocabulary বাড়াও। synonym, antonym এগুলো ভালো ভাবে দেখ। দেরী না করে Test paper কিনে solve করা শুরু কর। Rearrangement গুলো খুব ভালোভাবে দেখ। আর comprehension র ক্ষেত্রে সাজেশন ফলো না করে নিজেই সাজেশন বানাও। কারণ কমন পরে না খুব ১টা।
#ইংরেজি ২য়ঃ গ্রামার এর রুল শেখার আর প্রয়োজন নেই, যা শিখার আগেই শিখছ। তাই এখন Practice করতে থাক।একসময় অনেক ইজি হয়ে যায় এসব। আর ভয় পাবা না। written part এ যত পার লিখার চেষ্টা করবা,তবে অবশ্যই সঠিক sentence লিখবা।
#উচ্চতর গণিত ১ম+২য়ঃ এই সময়ে ক্যালকুলাস ও ইন্টিগ্রেশন নিয়ে অনেকেই অনেক ভয়ে থাকে। দরকার নেই এত ভয়ের। নরমাল ম্যাথগুলা করলেই হয়ে যায় আসলে। তবে ত্রিকোণমিতি, বৃত্ত,সরলরেখা অধ্যায়গুলো ভালো ভাবে কর। যেহেতু সৃজনশীল তাই প্রতিটা ম্যাথ তোমাকে করতে হবে। কারণ হাতে অনেক সময়। ইচ্ছা নাহলেও করতে হবে।পরীক্ষার হলে অনেকসময় মনে চলে আসে অবচেতনভাবে।
২য় পত্রে সবগুলো অধ্যায়ই গুরুত্বপূর্ণ। জটিল সংখ্যা,বহুপদি,কনিক,স্থিতি, গতি বিদ্যা তোমাকে করতে হবে ভালোভাবে। আর চিন্তার কিছু নাই
: প্রোগ্রামিং নিয়ে সবাই অনেক চিন্তায় থাকে।আমিও ছিলাম এই সময়ে।কিন্তু চিন্তা না করে বেসিক কয়েকটা কোডিং দেখ,ছক গুলা দেখ ভালো করে।লজিক ভালো থাকলে এমনিই পারবা। ফরহাদ মঞ্জুর স্যারের বইয়ের প্রবলেমগুলা দেখো। HTML অনেক সহজ। ভুলও কম যায়। তাই ভালো করে পড়। লজিক গেটের ব্যাপারগুলো দেখে নিও।
যারা ৫ম অধ্যায় বাদ দিয়েছ তারা ১ম অধ্যায় ভালভাবে পড় ( যেমন : বিশ্বগ্রাম কি এর সুবিধা ও অসুবিধা গুলো লিখ, ভার্চুয়াল রিয়ালিটি , ★বায়ো মেট্রিক্স, ক্রায়োসাজারি,
বায়োইনফরমেট্রিক্স ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, ন্যানোটেকনোলজি , ফ্লাইট সিমুলেশন , স্মার্ট হোম এর সংক্ষিপ্ত বর্ননা)
★ সমাজ জীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রভাব
সম্পর্কে আলোচনা কর
#পদার্থ ১ম ও ২য়ঃ ১ম পার্টটা অনেক সহজ লাগতে পারে অনেকের কাছে।বেশিরভাগই 9 10 র থিওরি বলে।ভেক্টর ভালো ভাবে করবা।কারণ এইটা সব অধ্যায়েই গুরুত্বপূর্ণ। বইয়ের থিওরি প্রুফটা চোখ বুলায় যাবা।অনেক সময় আসে। ১বার যেকোন অধ্যায় পড়ে তপন+রমা বিজয়+প্রামানিক স্যারের বইয়ের ম্যাথগুলা করে রাখবা।
২য় পত্রে বিদ্যুৎ, আলো,চুম্বক সবই গুরুত্ববহ।থিওরি কম কিন্তু প্রবলেম সলভিং বেশি। আপেক্ষিকতা নিয়ে মাথা ব্যাথা করার প্রয়োজন নেই। নরমাল অংকই আসে সব কিছু থেকে।
আর TestPaper র প্রশ্ন গুলোর গ,ঘ বেশি করে দেখবা।কারণ এর উপর দক্ষতা আসলে ভয়ের আর কারণ থাকবে না।
#রসায়ন ১ম ও ২য়ঃ ১ম পত্রে ৪ অধ্যায়ের অংক,২ ৩ র থিওরি পড়বা ভালো করে। আর ১ ও ৫ থেকে গত ২বছর অনেক প্রশ্ন এসেছে তাই বাদ দিও না। ★১ও ৫ অধ্যায় ভর্তি পরীক্ষার জন্য অনেক অনেক অনেক গুরুত্তপুর্ন★
২য় পত্রে অংকই বেশি। তাই সময় নিয়ে অংকগুলো কর। আগেই জৈব যৌগ নিয়ে বলি। অনেকেই এই অধ্যায় বাদ দিয়ে পড়তে চাই।কিন্তু admission বা পরীক্ষায় এই অধ্যায় অনেক অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বাদ না দিয়ে পড়া শুরু কর। নামকরণ খুব একটা প্রয়োজন হয় না। এলকোহল থেকে সব কিছু কিভাবে প্রস্তুত হয়,Amine, এস্টার, নাইট্রো গ্লিসারিন, পলিমার, এসব অনেক কাজে লাগে। ।১বার করলেই হয়।
#জীববিজ্ঞান ১ম ও ২য়ঃ
জীববিজ্ঞান ১ম পত্র important chapter: CQ ( ১, ২, ৪, ৫, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২)
জীববিজ্ঞান ২য় পত্র important chapter : CQ(২, ৪, ৬, ৮, ১১, ১২) MCQ ( )
মুখস্তের চেয়ে তোমাকে মিলায় মিলায় বুঝে পড়তে হবে। কারণ এত মুখস্থ সম্ভব হয় না অনেক সময়। তাই মজা নিয়ে পড়বা। রেগুলার পড়বা। যে অধ্যায় সারাজীবন বিরক্ত লাগত,সেটাই সময় নিয়ে পড়বা। আমার এমন অনেক হয়েছে পড়ার সময়। সাথে Test paper এর MCQ অবশ্যই পড়বা কারন Biology CQ ques গুলাই MCQ based
★এখন প্রশ্ন হচ্ছে বাকি দিনগুলোতে তুমি প্রতি দিন কত ঘন্টা করে পড়বে ??
>আমি বলবো এই প্রশ্নের exact কোন উত্তর নেই । তবে আমার কথা হল তুমি ঠিক ততক্ষণ পর্যন্ত পড়াশুনা করবে যতক্ষণ পর্যন্ত তুমি নিজের কাছে সন্তুষ্ট হতে পারো । যদি মনে হয় তোমার এই পরিমাণ পড়াশুনায় তুমি হ্যাপি না , তবে পড়াশুনার পরিমাণটা বাড়িয়ে দাও
Exam শুরুর আগে অবশ্যই ৩ বার #আয়াতুল_কুরসি পড়বে👍👍👍 তাহলে আল্লাহ তার পরীক্ষা সহজ করে দিবে।।।
১. প্রশ্ন পাওয়ার ধান্দায় থাইকো না, পাইলেও অইটার ভরসায় থেক না, বাশ কিন্তু একবার পিছনে অথবা সমনে দিয়া, ভিতরে একবার ঢুইক্কা গেলেরে বের করা অনেক জ্বালা । ......................................
২.পরিক্ষায় দেখাদেখি করলে কোন গুনাহ নাই এবং বউ বাচ্চা কুৎসিত হবে নাকি সেটা পরীক্ষায় দেখা দেখির উপর না। Unity is strength.
প্রথম প্রথম কোন দেখাদেখি নাই। নিজে যা পারো লিখে ফেলো। কিছুক্ষন পর পরীক্ষকরা এটা সেটা নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে যায়। শুরু করে দাও কাম লী। তবে একটা জিনিষ। আমরা শিক্ষকদের যতটা বোকা ভাবি,তারা ততটা বোকা না। তারা সব দেখে। কে ঘাড় ঘুরাও না ঘুরাও,কিছুই তাদের চোখ এড়ায়না।
তারা শুধু দেখে যে তুমি তাদের সম্মান দিয়ে দেখাদেখি করছো,নাকি গুন্ডার মত 'আই ডোন্ট কেয়ার' মুডে দেখাদেখি করছো। ইউ হেব টু শো ছাম রেছপেক্ট মাদাপাকা। টিচারের চোখে চোখ পরলেই দেখাদেখি বন্ধ করে সুবোধ বালক হয়ে যাবা। okkey....................................
৩.নিজে উত্তর না পারলে, দেখা দেখি করতে না পারলে বলদের মতন সাদা খাতা জমা না দিয়ে গরুর রচনা হলেও খাতায় কালি মাইখা আসবা। ................................
৪. প্রভুর কাছে যা ডিমান্ড আছে করে ফেল।
৫.লিখবার সময় কিছু ভুলে গেলে 'রাব্বি যিদনি ইলমা' বলবা। মনে পড়ে যাবে।....................................
৬.মেইক ফ্রেন্ডস। পাশের সিটের গুলারে বাপের সম্মান দাও (আব্বা না ডাকলেও চলবে)। পটাইতে শিখো ভ্রাতা,কাজে লাগবে।সবগুলা পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর কে চিনে কারে? পাসায় লাত্থি মাইরা ড্রেইনে ফালায়া দিও,নইলে খুন কইরা ফেলাও, কোন সমস্যা নাই। তবে তার আগ পর্যন্ত...বাপের সম্মান....................................
৭.সুন্দরী মেয়ে অথবা হেন্ডসাম পোলা দের দিকে তাকানো বন্ধ করো। এইটা বিয়া করার মন্ডব না,জান বাচানোর ময়দান। আগে বাঁচো। গেবনে বাস স্টপের বাসের মতন বহুত সুন্দর পোলা,সুন্দরী মাইয়া আসবে যাবে। ....................................
৮.টেনশন কইরা কোন লাভ নাই।সো টেনশন করোনা',এই কথাটা আমি জীবনেও কাউকে বলবোনা। কোন বাপের বেটার সাধ্য নাই যে টেনশন দূর কর্তে পারবে। পরীক্ষার সময় টেনশন হবেই। ....................................
৯.পরিক্ষা যেমনই হোক,বাসায় এসে বলবা 'ভালো হয়েছে ' । কারন ভুলেও যদি বলে ফেলো যে ভালো হয়নাই,ফ্যামিলি থেকে তোমাকে যে পরিমানে প্রেশার দেওয়া হবে,তুমি মুইত্তা দিবা। আমাদের অভিভাবক গুলা মানুষ হইলোনা। ....................................
১০.জ্বর টর বাধিওনা। এই এক মাস দুধ ডিম কলা ইত্যাদি খাও।পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর তুমি মইরা গেলেও সমস্যা নাই।
আন্টি তোমাকে পরীক্ষার আগে ডিম খেয়ে যেতে বাধা দিতে পারে। ইটস বুলশিট। আমি নিজে ডিম খেয়ে অনেক পরীক্ষা দিয়েছি। A+ পেয়েছি সবগুলায়। কাজেই ডিম খেতে কেউ করিস নে ভয়,আড়ালে তার A+ হাসে ................................
১১. পরীক্ষা দিয়া আইসা উত্তর মিলানো নিয়া বেশীক্ষন তাং ফাং না কইরা ঘুম দিবা, কারন খাতায় যেটা আইক্ষা আইস অইটাই পাইবা তাং ফাং করলে খাতায় লেখা সুদ্ধ হইবো না।....................................
১২) আগেই রাতে ফোন এ রোমান্স করা হারাম তাইলে পরীক্ষায় অইগুলাই মনে পড়ে। পড়ার সময় ফোন বন্ধ। জলদি ঘুমাইয়া যাবা নইলে পরীক্ষার হলে দন্ডের মাথা আই মিন মাথা ব্যাথা করবে। ...........................................
১৩) পরীক্ষার মাসে বউ মাইইয়া জামাই পোলা জামাই বিএফ জিফ এগুলা ভুইল্লা যাও নইলে ফেল করলে এগুলা কিছু পাবা না কিন্তু ভালো কইরা পাশ করলে তাদের বাপ মা তোমার হাতে পায়ে ধরবে তোমার লগে বিয়া দেওয়ার জন্য........................................
১৪) বাবা -মার অথবা আপন জনের দোয়া নিতে ভুইলো না, সন্তানের জন্যে বাবা-মার দোয়া আর বাবা-মার জন্যে সন্তানেয় দোয়া প্রভুর কাছে আগে কবুল হয়।.........................................
১৫)পরীক্ষার হলে যা যা নেওয়া লাগে, কলমের কালি আর সব কিছু ঠিক ঠাক আসে নাকি রাতেই গুছায়ে রাইখো নইলে সকালে তারা হুরায় কিছু না কিছু বাদ পরে যেতে পারে।
★আর এই সময়ে ঠান্ডা লাগিও না, বাইরের খাওয়া কম করবা। একটু অসুস্থতার জন্য অনেক কিছু এলোমেলো হয়ে যায়। ডেঙ্গুজ্বরের জন্য মশারী দিয়ে ঘুমাইও যারা হোস্টেলে থাকো। ★পরীক্ষার প্রায় ১০ দিন আগে থেকে ব্লেড/ছুরি ব্যাবহার বন্ধ করে দিবে কারন কাটা স্থানে কলমের চাপ লাগলে শুকাবে না।
আর hopeless হইও না। নিজের সাথে নিজে প্রতিযোগিতা করবা।অন্যের সাথে নয়। ঘুমাবা যথেষ্ট। পড়ার জন্য ঘুম বাদ দেয়ার কিছু নেই।
ভালো কাটুক সামনের দিন তোমাদের।👍👍👍
★★★এই টিপস গুলা ফলো করো। আর পরীক্ষার মাস খুব খাটো। এ+ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।★★
এর যারা আছো তারা পেজে লাইক দিয়ে রাখ।