09/06/2026
মানুষ চলে যায়, কিন্তু রেখে যায় তার ভালোবাসা আর দায়িত্বের সুরক্ষা! 🛡
বিপদ কখনো বলে-কয়ে আসে না, কিন্তু একজন দূরদর্শী মানুষ সবসময় তার পরিবারের ভবিষ্যতের কথা ভেবে রাখেন। তেমনি একজন দায়িত্বশীল মানুষ ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাটঘর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা লিটন চক্রবর্তী দাদা।
তিনি জীবন বীমা কর্পোরেশন থেকে একটি 'আজীবন পেনশন পলিসি' গ্রহণ করেছিলেন। মাত্র ১,৬০,০০০/- (এক লক্ষ ষাট হাজার) টাকা প্রিমিয়াম জমা দেওয়ার পর তিনি পরলোকগমন করেন। কিন্তু তার সেই সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের কারণে আজ তার শোকাতুর পরিবার বড় এক আর্থিক নিরাপত্তা খুঁজে পেয়েছে।
আজ ০৭/০৫/২০২৬ খ্রি. তারিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জনাব রঞ্জন চন্দ্র দে স্যারের হাত থেকে লিটন চক্রবর্তীর সহধর্মিণী কুহেলি চক্রবর্তী মরণোত্তর বীমা দাবির ৬,০৮,৯১০/- (ছয় লক্ষ আট হাজার নয়শত দশ) টাকার চেক গ্রহণ করেছেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন:
✨ জীবন বীমা কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে: ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (কুমিল্লা করপোরেট শাখা) জনাব মো. মিজানুর রহমান, ডি.এম ইনচার্জ জনাব মো. আবদুল আউয়াল এবং ডি.এম জনাব মো. আবদুল আহাদ ফয়সল সহ আরো অনেকে।
টাকা হয়তো প্রিয়জনের অভাব পূরণ করতে পারে না, কিন্তু প্রিয়জনের অনুপস্থিতিতে বেঁচে থাকার লড়াইটা অনেক সহজ করে দেয়। রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টিতে জীবন বীমা কর্পোরেশন এভাবেই সাধারণ মানুষের বিপদে আস্থার প্রতীক হয়ে পাশে থাকে।
আপনার এবং আপনার প্রিয়জনদের ভবিষ্যৎ কি নিরাপদ? আজই একটি সঠিক সিদ্ধান্ত নিন।