ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগ

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগ

ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগ দেশের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগ

28/08/2026

❤️ আপনার প্রিয় নেতার নামটি একবার মেনশন করে যান।
যে নেতার আদর্শ, নেতৃত্ব ও ভালোবাসা আপনাকে অনুপ্রাণিত করে—
কমেন্টে মেনশন করে জানিয়ে দিন, আপনার প্রিয় নেতা কে? ❤️✊

এক সোহেলকে গ্রেফতার করে কি ভেবেছিস, সব কণ্ঠ থামিয়ে দিবি?দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহেল রানাকে দ্ব...
27/08/2026

এক সোহেলকে গ্রেফতার করে কি ভেবেছিস, সব কণ্ঠ থামিয়ে দিবি?

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহেল রানাকে দ্বিতীয়বারের মতো গ্রেফতার করা হয়েছে। এভাবে বারবার গ্রেফতার, হয়রানি আর দমন-পীড়ন চালিয়ে কি মানুষের কণ্ঠরোধ করা সম্ভব?

মনে রাখিস—একজন সোহেলকে গ্রেফতার করা মানে একটি নামকে আটকে রাখা, কোনো আদর্শ বা মানুষের কণ্ঠকে নয়। এক সোহেল কারাগারে থাকলে, ন্যায়বিচারের দাবিতে হাজারো কণ্ঠ কথা বলবে।

জুলুম-নির্যাতন দিয়ে ইতিহাসে কেউ চিরদিন টিকে থাকতে পারেনি। ক্ষমতা, ভয় আর দমন-পীড়নের দিনও একসময় শেষ হয়। অন্ধকার যত গভীরই হোক, অন্ধকার কেটে আলো আসবেই।

পুলিশের প্রতি স্পষ্ট আহ্বান—আইনকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবেন না। আইন সবার জন্য সমান হোক, বিচার হোক নিরপেক্ষভাবে। কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়—এটাই আমাদের দাবি।

আজ সোহেল, কাল অন্য কেউ—এভাবে যদি অন্যায় চলতেই থাকে, মানুষ নিশ্চয়ই প্রশ্ন তুলবে। তবে সেই প্রতিবাদ হবে শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও আইনের পথেই।

মনে রাখবেন—ভয় দেখিয়ে মানুষকে চুপ করানো যায়, কিন্তু ন্যায়ের দাবি মুছে ফেলা যায় না।

সোহেলের মুক্তি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

একজন বড় ভাই হাজার নেতার চেয়ে উত্তম 🔥
25/08/2026

একজন বড় ভাই হাজার নেতার চেয়ে উত্তম 🔥

আমাদের ভাই, ভৈরব পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কাউন্সিলর আল-আমিন সৈকতকে উপর্যুপরি কুপিয়ে গুরুতরভাবে আহত করা হয়। ঢাকায় নে...
24/08/2026

আমাদের ভাই, ভৈরব পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কাউন্সিলর আল-আমিন সৈকতকে উপর্যুপরি কুপিয়ে গুরুতরভাবে আহত করা হয়। ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

আজ কারও মাথাব্যথা নেই, কারও আসমান কাপে না, কারও প্রতিবাদও দেখা যায় না। কিন্তু মনে রাখবেন, একদিন এই বাংলার মাটিতে এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন তোমাদেরও হতে হবে, ইনশাআল্লাহ।

জীবনের সব বাধা মানুষকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য আসে না। কিছু বাধা আসে মানুষকে আরও শক্ত করে তুলতে,একটু থামিয়ে নিজের ভেতরের শ...
24/08/2026

জীবনের সব বাধা মানুষকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য আসে না। কিছু বাধা আসে মানুষকে আরও শক্ত করে তুলতে,একটু থামিয়ে নিজের ভেতরের শক্তিটাকে চিনতে শেখাতে,তারপর আরও দৃঢ়ভাবে সামনে এগিয়ে দিতে।

থেমে যাওয়া মানেই শেষ হয়ে যাওয়া নয়।জীবন কখনো কখনো ইচ্ছে করেই থেমে যায়—আবার নতুন করে শুরু করার জন্য,নিজেকে গুছিয়ে নেওয়ার জন্য,নতুন পথ খুঁজে নেওয়ার জন্য।

আজ যে সময়টা অসহ্য মনে হচ্ছে,যে কষ্টগুলো বুকের ভেতর ভার হয়ে আছে মনে রাখবেন,এই সময়টাও চিরস্থায়ী নয়।
একদিন এই কঠিন দিনগুলোই অতীত হবে,আর আজকের অশ্রুগুলোই হয়তো আগামী দিনের সবচেয়ে শক্ত গল্প হয়ে দাঁড়াবে।

তাই ভেঙে পড়বেন না।একটু থামুন,নিজেকে সময় দিন তারপর আবার শুরু করুন।
কারণ রাত যত দীর্ঘই হোক,ভোর আসবেই।ইনশাআল্লাহ

আমি জীবনের সকল কিছুই সহজ ভাবে মেনে নেই।কারন মেনে নিতে পারলেই জীবন সহজ-

কিছু মানুষকে সময় পেরিয়ে গেলেও ভোলা যায় না— Sraboni Akther  আপু তেমনই একজন। ❤️জীবনের সুসময়ে পাশে থাকার মানুষ অনেক পাওয়া য...
23/08/2026

কিছু মানুষকে সময় পেরিয়ে গেলেও ভোলা যায় না— Sraboni Akther আপু তেমনই একজন। ❤️

জীবনের সুসময়ে পাশে থাকার মানুষ অনেক পাওয়া যায়, কিন্তু দুঃসময়ে নিঃস্বার্থভাবে পাশে দাঁড়ানো মানুষ সত্যিই খুব কম। মেহেদি ভাই যখন জুলাইয়ের কঠিন সময়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হয়ে হাসপাতালের বেডে শুয়ে ছিলেন, তখন শ্রাবণী আক্তার আপু নিজে এসে ভাইয়াকে দেখে গিয়েছেন। শুধু দেখেই যাননি, সঙ্গে করে খাবারও নিয়ে এসেছেন।

আমাকে বারবার ফোন করে আপু বলেছিলেন—
“আমার ভাই মেহেদি কী খাবে, কী খাবে না, আমাকে বলবে। তোমরা আমার ভাইকে দেখে রেখো। আর তোমরা কী খাবে, সেটাও আমাকে বলবে।”

আপনার সেই কথাগুলো সেদিন সত্যিই মন ছুঁয়ে গিয়েছিল। মনে হয়েছিল, বিপদের সময়ে আমরা একা নই—আমাদের আপনজন আছেন, আমাদের খোঁজ নেওয়ার মতো মানুষ আছেন। ❤️

সুসময়ে অনেকেই পাশে থাকে, কিন্তু দুঃসময়ে যারা পাশে দাঁড়ায়, তাদের ভালোবাসা কখনো ভোলার নয়। শ্রাবণী আক্তার আপু, আপনার সেই আদর, যত্ন, মমতা ও ভালোবাসায় আমি ব্যক্তিগতভাবে ভীষণভাবে মুগ্ধ ও কৃতজ্ঞ।

আপু, আপনার ভাই মেহেদির জন্য দোয়া করবেন, আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আমরাও অন্তরের অন্তস্তল থেকে আপনার জন্য দোয়া করি—আপনি যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন। 🤲❤️

দুঃসময়ে পাওয়া মানুষের ভালোবাসা কখনো ঋণ হয়ে থাকে না, বরং সারাজীবনের জন্য হৃদয়ে জায়গা করে নেয়। আপনাকে ভুলে যাওয়ার মতো মানুষ আপনি নন, আপু।

আবার দেখা হবে ইনশাআল্লাহ।
এই অন্ধকার কেটে যাবে, সুদিন আবার ফিরবে—ইনশাআল্লাহ। ❤️‍🩹

23/08/2026

ডিসেম্বর যতোই কাছায়ে আসতেছে, ইনবক্সে মেসেজ ততোই বেড়ে চলছে।
এর রহস্য কি?

ঢাকা-১২ আসন ছাত্রলীগ মানেই Sayed Mizanur Rahman —বিষয়টি শুধু এতটুকু দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগ...
22/08/2026

ঢাকা-১২ আসন ছাত্রলীগ মানেই Sayed Mizanur Rahman —বিষয়টি শুধু এতটুকু দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না।
ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় সৈয়দ মিজানুর রহমান এমন একজন নেতা, যার নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক ভূমিকা বহু নেতাকর্মীর রাজনৈতিক পথচলার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।

তাঁর নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর উত্তরের বিভিন্ন থানায় অসংখ্য নেতাকর্মী ছাত্ররাজনীতির হাতেখড়ি পেয়েছে। আমিও সেই পথচলার একজন প্রত্যক্ষ অংশীদার। তাই ছাত্ররাজনীতির ইতিহাস, মাঠের রাজনীতি এবং নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা সম্পর্কে না জেনে শুধু ফেসবুকের কয়েকটি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে পুরো বিষয়টিকে মূল্যায়ন করা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

আর আপনাদের বলতে চাই যারা দলের দু:সময়ে কাদা ছড়াছড়ি তে ব্যাস্ত, আপনাদের প্রতি ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়—শুধু একটি কথা বলবো, যে জায়গার দায়িত্ব ও ইতিহাস সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা নেই, সেখানে অযথা মাতব্বরি করার চেষ্টা না করাই ভালো।
রাজনীতি শুধু ফেসবুকের স্ট্যাটাসে হয় না—রাজনীতি বুঝতে হলে মাঠে থাকতে হয়, সময় দিতে হয় এবং ইতিহাসের ধারাবাহিকতা জানতে হয়।

Sayed Mizanur Rahman ভাই শুধু একজন ব্যক্তির নাম নন; ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যায়, একটি নেতৃত্বের প্রতীক এবং অসংখ্য নেতাকর্মীর রাজনৈতিক পথচলার অনুপ্রেরণার নাম।

তাই সমালোচনা করার আগে ইতিহাসটা জানো, আর বক্তব্য দেওয়ার আগে নিজের অবস্থানটা বোঝার চেষ্টা করো।

অবশেষে আপনাদের বলতে চাই, এখনো সময় আছে—ভুল পথ থেকে ফিরে আসেন, ভালো হয়ে যান।

সৈয়দ মিজানুর রহমান ভাই—শুধু একটি নাম নয়, দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় গড়ে ওঠা একটি পরিচয়। সময়ের নানা প্রতিকূলতা, অপপ্রচার ও কুৎ...
22/08/2026

সৈয়দ মিজানুর রহমান ভাই—শুধু একটি নাম নয়, দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় গড়ে ওঠা একটি পরিচয়। সময়ের নানা প্রতিকূলতা, অপপ্রচার ও কুৎসার মধ্যেও যিনি নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন তাঁর কর্ম, নেতৃত্ব ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার শক্তিতে।

একজন মানুষকে নিয়ে মিথ্যা বলা সহজ, কুৎসা ছড়ানোও সহজ। কিন্তু বছরের পর বছর মানুষের পাশে থেকে অর্জন করা আস্থা, ভালোবাসা ও সম্মান কয়েকটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কথায় কখনো মুছে ফেলা যায় না।

রাজনীতিতে মতের ভিন্নতা থাকবে, সমালোচনা থাকবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ব্যক্তিগত সম্মান নষ্ট করার উদ্দেশ্যে অসত্য প্রচারণা কোনো সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিচয় হতে পারে না।

কারও পরিচয় তার বিরুদ্ধে বলা কথায় নয়; পরিচয় তৈরি হয় তার কাজ, আচরণ, নেতৃত্ব ও মানুষের জন্য তার অবদানে।

সৈয়দ মিজানুর রহমান ভাইকে যারা কাছ থেকে দেখেছেন, তাঁর দীর্ঘ পথচলা যারা প্রত্যক্ষ করেছেন—তাঁদের কাছে সত্যটা কোনো অপপ্রচারের ওপর নির্ভরশীল নয়।

সময় সবকিছু মনে রাখে।
মিথ্যার শব্দ একদিন থেমে যায়, কিন্তু মানুষের জন্য করা ভালো কাজের প্রতিধ্বনি থেকে যায় দীর্ঘদিন।

তাই আসুন, ব্যক্তিকে আক্রমণ নয়—কর্মের মূল্যায়ন করি।
কুৎসা নয়—যুক্তির রাজনীতি করি।
অপপ্রচার নয়—সত্য ও ন্যায়ের পাশে দাঁড়াই।

কারণ শেষ পর্যন্ত মানুষ কথা মনে রাখে না, মানুষের কর্মই মনে রাখে।

সৈয়দ মিজানুর রহমান ভাই—একটি নাম, একটি আস্থা, একটি ভালোবাসার জায়গা। তাঁকে নিয়ে লিখতে গেলে বারবার মনে হয়, তাঁর নেতৃত্ব, কর...
22/08/2026

সৈয়দ মিজানুর রহমান ভাই—একটি নাম, একটি আস্থা, একটি ভালোবাসার জায়গা। তাঁকে নিয়ে লিখতে গেলে বারবার মনে হয়, তাঁর নেতৃত্ব, কর্মীবান্ধবতা ও পরোপকারিতার বিশালতাকে কয়েকটি শব্দে প্রকাশ করার সামর্থ্য আমার সত্যিই সীমিত।

তিনি শুধু একজন নেতা নন; তিনি এমন একজন মানুষ, যাঁর কাছে কর্মীরা পেয়েছেন আপনজনের মতো স্নেহ, ভালোবাসা ও সাহস। নেতৃত্বের আসনে থাকা যেমন তাঁর পরিচয়, তেমনি নেতৃত্বের দায়িত্ব শেষ হওয়ার পরও কর্মীদের পাশে থাকা তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয়।

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী সাংগঠনিক ইউনিট হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা অনেকের কাছেই স্মরণীয়। তাঁর নেতৃত্বে অসংখ্য তরুণ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, নেতৃত্ব শিখেছে এবং কঠিন সময়ে পাশে থাকার মানসিকতা অর্জন করেছে।

সবচেয়ে বড় বিষয়—সময় বদলেছে, পরিস্থিতি বদলেছে, কিন্তু কর্মীদের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ বদলায়নি। বিপদে পড়া কর্মীর খোঁজ নেওয়া, সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া এবং নিজের মানুষদের পাশে দাঁড়ানো—এসব গুণই তাঁকে কর্মীদের হৃদয়ে আলাদা জায়গা করে দিয়েছে।

একজন নেতার প্রকৃত জনপ্রিয়তা বোঝা যায় পদে থাকা অবস্থায় নয়, বরং পদ-পদবি না থাকার পরও কত মানুষ তাঁকে হৃদয়ে ধারণ করে—সেখানেই। সৈয়দ মিজানুর রহমান ভাই সেই জায়গায় নিজেকে বহু আগেই প্রমাণ করেছেন।

আমরা যারা তাঁর স্নেহ, ভালোবাসা ও নেতৃত্বের ছায়ায় বড় হয়েছি, তাঁকে নিয়ে গর্ব করি। তাঁর মতো একজন কর্মীবান্ধব ও মানবিক মানুষের কর্মী হতে পারা আমাদের জন্য সম্মানের।

ভাই, আপনার প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা সবসময় থাকবে।
আপনার নেতৃত্ব আমাদের অনুপ্রেরণা, আপনার মানবিকতা আমাদের শিক্ষা। ❤️

— একজন গর্বিত কর্মী

Address

Tejgaon
Dhaka
1208

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share