Ex-Forces Association

Website

Ex-Forces Association Welfare for Ex Forces (Army, Navy, Airforce, Police, BGB, Ansar)

গতকাল আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে Deprived Officers  ইন্টারভিউ সেশনে অংশ নিয়েছি। শুরুতেই ইন্টারভিউ বোর্ডের সম্মানিত স...
11/10/2026

গতকাল আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে Deprived Officers ইন্টারভিউ সেশনে অংশ নিয়েছি। শুরুতেই ইন্টারভিউ বোর্ডের সম্মানিত সকল সদস্যকে ধন্যবাদ জানাই। আমার প্রতি অতীতে যে অন্যায় হয়েছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সেটি স্বীকার করেছেন। বিশেষ করে বোর্ডের সম্মানিত সভাপতি দুঃখ প্রকাশ করায় সেনাবাহিনীর প্রতি আমার শ্রদ্ধা আরও বেড়েছে।

আমার প্রত্যাশা, পরবর্তী সময়ে যাঁরা এই ইন্টারভিউ সেশনে অংশ নেবেন, তাঁদের প্রতিও একই সম্মান, সহমর্মিতা ও ন্যায্য আচরণ করা হবে। এতে এই শ্রদ্ধা ও আস্থার জায়গাটি অক্ষুণ্ণ থাকবে।

দীর্ঘদিন ধরে আমার প্রতি অবিচারের কারণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি যে অভিমান ও কষ্ট জমে ছিল, গতকালের এই স্বীকৃতি সেই কষ্ট দূর করেছে। আমার চাওয়া কোনো পদ, সুবিধা কিংবা পুনর্বহাল নয়। আমি শুধু চেয়েছিলাম, আমার পরিবার ও বন্ধুবান্ধব এবং সমাজ জানুক—আমার প্রতি যা ঘটেছিল, তা ন্যায়বিচার ছিল না। জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতিটুকু আমি পেয়েছি। এখন পুনর্বহালের সুযোগ এলেও আমি আর সেনাবাহিনীতে ফিরে যেতে চাই না।

বোর্ডের সামনে স্পষ্টভাবে বলেছি—যাঁরা অন্যায় করেন, তাঁদের সম্মান ও নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা থাকে (এয়ারপোর্টে মুখে মাস্ক পরিয়ে হুইল চেয়ারে বসিয়ে প্লেনে উঠিয়ে দেয় এই দেশেরই একটি গোয়েন্দা সংস্থা ) অথচ অন্যায়ের শিকার সেনাসদস্যটি সমাজে হেয় প্রতিপন্ন হয় পরিবারে নানা বঞ্চনার শিকার হন--এই পরিস্থিতির অবসান হওয়া জরুরি।

বোর্ডের সকল সদস্যদের একটি ম্যাসেজই দিয়ে এসেছি "আজ আমি ভুক্তভোগী; আগামী দিনে আপনার ভাই কিংবা সন্তান যেন একই অভিজ্ঞতার শিকার না হন সেই প্রত্যাশা থেকেই ব্রিটিশ আমলের সেনা আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধিবিধানের প্রয়োজনীয় সংস্কারের প্রয়োজন । বোর্ড আমার বক্তব্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। আমি আশা করি, এই কথাগুলো একদিন বাস্তব পরিবর্তনের পথ তৈরি করবে।

লিখনি- ইন্টারভিউ অভিজ্ঞতা থেকে : লেফটেন্যান্ট সাইফুল্লাহ খান সাইফ (অব:) , প্রেসিডেন্ট ,এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন।

অস্ট্রেলিয়ার পার্থে বাংলাদেশ সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান অস্ট্রেলিয়ার সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কয়েল ...
07/10/2026

অস্ট্রেলিয়ার পার্থে বাংলাদেশ সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান অস্ট্রেলিয়ার সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কয়েল এবং ইউএসএআরপিএসি-র ডেপুটি কমান্ডিং জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল জোয়েল বি ভাওয়েলের সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র—এই তিন দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও আন্তঃসম্পর্ক জোরদারের নানা বিষয় স্থান পায়।

বিশেষ করে পেশাগত সামরিক প্রশিক্ষণ, তথ্য বিনিময় এবং সামরিক সক্ষমতা অর্জনের কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা ও মানবিক সাহায্য প্রদান সংক্রান্ত কার্যক্রমে নিজেদের সক্ষমতা কীভাবে আরও বৃদ্ধি করা যায়, সে বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের জন্য এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের সামরিক যোগাযোগ অত্যন্ত কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে। যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে যৌথ প্রশিক্ষণ ও পেশাগত সহযোগিতার এই সুযোগ সেনাবাহিনীর আন্তর্জাতিক সামরিক যোগাযোগ ও পেশাগত মানকে আরও বিস্তৃত করবে। সর্বোপরি, এই সফর ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনাগুলো বাংলাদেশের চলমান বহুমুখী প্রতিরক্ষা কূটনীতির একটি সফল দৃষ্টান্ত।

🇧🇩 দেশরক্ষায় নতুন অধ্যায়—শৃঙ্খলিত ও দেশপ্রেমিক যুবশক্তির বাংলাদেশস্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা কেবল সশস্ত্র বাহিনীর দায়ি...
04/10/2026

🇧🇩 দেশরক্ষায় নতুন অধ্যায়—শৃঙ্খলিত ও দেশপ্রেমিক যুবশক্তির বাংলাদেশ

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা কেবল সশস্ত্র বাহিনীর দায়িত্বের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়—একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শক্তি তার সচেতন, প্রশিক্ষিত, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দেশপ্রেমিক জনগণ। সেই দর্শনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা প্রস্তুতিতে যুক্ত হলো এক নতুন অধ্যায়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের নেতৃত্বে শুরু হয়েছে “Youth Force Development and National Security Capability Enhancement Pilot Project”। আজ সাভারের BNCC Training Academy-তে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এই পাইলট প্রকল্পের প্রথম ধাপ উদ্বোধন করেন; একই সঙ্গে ঢাকা (সাভার), টাঙ্গাইল, সিলেট, চট্টগ্রাম, বরিশাল, বগুড়া, গাজীপুর, পটুয়াখালী ও রাজশাহী—এই ৯ জেলায় কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এই উদ্যোগের তাৎপর্য শুধু প্রশিক্ষণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর লক্ষ্য এমন একটি যুবসমাজ গড়ে তোলা, যারা শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ, আত্মবিশ্বাস, বাস্তবমুখী দক্ষতা ও দেশপ্রেমে আরও সমৃদ্ধ হবে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পের আওতায় BNCC ও আনসার-ভিডিপির সদস্যরা সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ এবং আনসার-ভিডিপি ও স্কাউট সদস্যরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তত্ত্বাবধানে সপ্তাহব্যাপী সিভিল ডিফেন্স প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন।

এর মধ্য দিয়ে আমরা এমন এক ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতে পারি, যেখানে দেশের তরুণরা মাদক, অপরাধ ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে থেকে শৃঙ্খলিত, কর্মমুখী ও দায়িত্বশীল জীবনধারায় উদ্বুদ্ধ হবে; দুর্যোগ, সংকট ও জাতীয় প্রয়োজনে রাষ্ট্র ও জনগণের পাশে দাঁড়ানোর সক্ষমতা অর্জন করবে। এটি শুধু সামরিক দক্ষতা অর্জনের বিষয় নয়—এটি চরিত্র গঠন, নেতৃত্ব সৃষ্টি, আত্মনির্ভরতা এবং জাতীয় দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার একটি পথচলা।

এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও নাগরিক প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির ধারণা বিশ্বেও অপরিচিত নয়। উদাহরণ হিসেবে, সিঙ্গাপুরে National Service-এর অংশ হিসেবে Basic Military Training তরুণদের সামরিক দক্ষতার পাশাপাশি শৃঙ্খলাবদ্ধ সাংগঠনিক জীবনের সঙ্গে পরিচিত করে এবং resilience ও defence commitment গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশের মডেলটি অবশ্য নিজস্ব প্রয়োজন, প্রতিষ্ঠান ও বাস্তবতার ভিত্তিতে গড়ে উঠছে।

আজকের এই পাইলট প্রকল্প তাই একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির চেয়েও বড় একটি সম্ভাবনার সূচনা—দেশের প্রতিরক্ষা ও জাতীয় প্রস্তুতির সঙ্গে সংগঠিত যুবশক্তিকে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করার সম্ভাবনা।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের এই উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা যদি পর্যায়ক্রমে আরও বিস্তৃত হয়, তবে বাংলাদেশের যুবসমাজের মধ্যে দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, দক্ষতা ও জাতীয় দায়িত্ববোধের নতুন জাগরণ সৃষ্টিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

দেশ রক্ষার শক্তি শুধু অস্ত্রে নয়—
দেশ রক্ষার শক্তি ঐক্যে, শৃঙ্খলায়, দক্ষতায় এবং দেশপ্রেমে।
প্রশিক্ষিত যুবশক্তিই হতে পারে আগামীর নিরাপদ, সক্ষম ও আত্মপ্রত্যয়ী বাংলাদেশের অন্যতম ভিত্তি। 🇧🇩

শ্রদ্ধাঞ্জলি: শহিদ হাবিলদার মো: আব্দুল বারী, বীর প্রতীক-এর ৩৭তম শাহাদাত বার্ষিকীঢাকা, ৩ অক্টোবর ২০২৬ (শনিবার): শহিদ হাবি...
03/10/2026

শ্রদ্ধাঞ্জলি: শহিদ হাবিলদার মো: আব্দুল বারী, বীর প্রতীক-এর ৩৭তম শাহাদাত বার্ষিকী

ঢাকা, ৩ অক্টোবর ২০২৬ (শনিবার): শহিদ হাবিলদার মো: আব্দুল বারী, বীর প্রতীক, পার্বত্য চট্টগ্রামে ২ ইস্ট বেঙ্গল (জুনিয়র টাইগার্স) এর সাথে ১৯৮৯ সালে তৎকালীন মানিকছড়ি জোনে কর্মরত ছিলেন। ৩ অক্টোবর ১৯৮৯ তারিখে লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার লামাছড়ি এলাকায় সশস্ত্র শান্তিবাহিনী সদস্যদের উপর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহ মো: সুলতান উদ্দিন ইকবাল এর নেতৃত্বে একটি দু:সাহসিক অ্যামবুশ পরিচালনা করা হয়। হাবিলদার বারী অপারেশন দলের একটি উপদলে স্কাউট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। শান্তিবাহিনীর সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল অ্যামবুশ এলাকায় উপস্থিত হলে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে গুলিবর্ষণ শুরু করে। প্রতিউত্তরে সেনাবাহিনীর টহল দল পাল্টা গুলি বর্ষন করে। গুলিবর্ষণ এর মাঝে সন্ত্রাসী দলের এক সদস্য দৌড়ে পালাবার চেষ্টা করলে তৎক্ষণাৎ হাবিলদার বারী তাকে ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। আহত অবস্থায়ও হাবিলদার বারী পলায়নের চেষ্টারত সন্ত্রাসী দলের সদস্যকে গুলি করে ধরাশায়ী করেন।

অপারেশন শেষে তাকে উদ্ধার করে জরুরী ভিত্তিতে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে প্রেরণকালে তিনি উপস্থিত ক্যাপ্টেন মোজাম্মেলকে বলেন "স্যার, কি হবে আর কষ্ট করে, আপনি আমাকে কষ্ট করে নিয়ে যাবেন, শেষ পর্যন্ত কোন ফল হবে না। আমার পরিবার এবং ছেলে, মেয়েকে আপনাদের হাতে সঁপে গেলাম। ওদেরকে দেখবেন, স্যার"। এরপরই তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। অভিযানের প্রথম থেকে তাঁর শেষ নিশ্বাস ত্যাগ পর্যন্ত তিনি কর্তব্যপরায়নতার যে স্বাক্ষর রেখেছেন তা পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানিক ইতিহাসে গর্বের সাথে স্মরণীয়।

হাবিলদার বারী, তাঁর অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক 'বীর প্রতীক' খেতাবে ভূষিত হন।

জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।Source দ...
02/10/2026

জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
Source দৈনিক কালবেলা.

যে বুকে দেশের পতাকা, সে বুকে ভয় নয়—থাকে দায়িত্ব ও সাহস।🇧🇩
02/10/2026

যে বুকে দেশের পতাকা, সে বুকে ভয় নয়—থাকে দায়িত্ব ও সাহস।🇧🇩

01/10/2026

বিষয়: আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারী জামায়াত নেতাকে বিমানবন্দর থেকে আজীবনের জন্য 'অবাঞ্ছিত' ঘোষণার দাবি।

​গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরে আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করেছি যে, ঢাকা বিমানবন্দর এলাকায় এক জামায়াত নেতা বিমানবন্দরের একজন সৎ ও দায়িত্বশীল পরিচালককে 'ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার' মতো চরম ঔদ্ধত্যপূর্ণ, উগ্র ও মারমুখী হুমকি প্রদান করেছেন। অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জাতীয় সংগঠন 'এক্স ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন' এই ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।
​আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হলো একটি স্বাধীন দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা এবং বিশ্বমঞ্চে দেশের ভাবমূর্তির প্রধান প্রতীক। বিদেশি নাগরিক, পর্যটক ও আন্তর্জাতিক অতিথিরা এই বিমানবন্দর থেকেই দেশের প্রথম ধারণা লাভ করেন। অথচ একজন রাজনৈতিক নেতার এমন সন্ত্রাসীসুলভ আচরণ ও হুমকি কেবল অভ্যন্তরীণ প্রশাসনকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছে না, বরং তা বিশ্ব দরবারে আমাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সম্মান ও মর্যাদাকে ধূলিস্যাত করে দিচ্ছে। দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সরকারি চত্বরে এ ধরনের গুন্ডামি আন্তর্জাতিক মানের একটি সেবা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করছে।
​একজন দায়িত্বশীল নাগরিক বা রাজনৈতিক নেতার কাজ কখনোই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ভেঙে দেওয়া হতে পারে না। এই ধরনের উগ্রপন্থী আচরণ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।
​এমতাবস্থায়, এক্স ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে আমরা দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে দাবি জানাচ্ছি:
১. বিমানবন্দরসহ সকল সংবেদনশীল জাতীয় প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও পেশিশক্তির ব্যবহার চিরতরে বন্ধ করতে হবে।
২. আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দেশের ভাবমূর্তি ও সম্মানহানি করার অপরাধে উক্ত জামায়াত নেতাকে বিমানবন্দর এলাকা থেকে আজীবন 'অবাঞ্ছিত' (Persona non grata) ঘোষণা করতে হবে।
৩. এই ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের জন্য তাকে আইনের আওতায় এনে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
​দেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষা এবং সুশাসন বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে— এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

01/10/2026

🇧🇩 প্রযুক্তির শক্তি, দেশের নিরাপত্তায় নতুন অধ্যায়।

বাংলাদেশের মাটিতে ড্রোন প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার ও দেশীয় সক্ষমতার বিকাশ আমাদের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করে তুলছে। 🚁🇧🇩

প্রযুক্তিতে আত্মনির্ভরতা | নিরাপত্তায় সক্ষমতা | দেশ সবার আগে

🇧🇩 মানবতার সেবায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী — মানুষের পাশে, দেশের পাশে।কাপ্তাইয়ে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে আয়োজিত মেডিকেল ক্যাম্পে বি...
01/10/2026

🇧🇩 মানবতার সেবায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী — মানুষের পাশে, দেশের পাশে।

কাপ্তাইয়ে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে আয়োজিত মেডিকেল ক্যাম্পে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়েছে পাহাড়ি-বাঙালি জনগোষ্ঠীর মাঝে। 🩺💊

এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ মানুষের আস্থা ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।
সেবাই শক্তি, মানবতাই আমাদের অঙ্গীকার। 🤝🇧🇩

#মানবতার_সেবা

29/09/2026

আইন-শৃঙ্খলা কি সত্যিই মাত্র ১ মাসের মধ্যে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব? চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে জনগণের ক্ষোভ কাকে বলে। চাঁ/দা/বা/জি বন্ধে দলীয়ভাবে আইনের সঠিক প্রয়োগ কতটা জরুরি?

Address

Mohakhali
Dhaka
1215

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ex-Forces Association posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category