Anamul Shah

Anamul Shah Entrepreneur ✅

03/08/2026

500 টাকায় ভোট বেচা জাতির এক মাসেই বিদ্যুৎ বিল হাজার টাকা বেশি দেবার যে ব্যাপারটা 😆😆

02/08/2026

সরকারের বদনাম করার জন্য এক দল উঠে পড়ে লেগেছে!! বলছে বিদ্যুৎ বিল নাকি সবার দ্বিগুণ আসছে!! এটা একটা ডাহা মিথ্যা কথা!!
আমার আসছে 5 গুন!! 🙂

স্ক্রুর মাথায় রেঞ্চ চেপে ধরে যত জোরেই ঘোরান, স্ক্রু নড়বে না। ঘামবেন, হাঁপাবেন, শেষে বলবেন — "আমার কপালটাই খারাপ।"কপাল ...
24/07/2026

স্ক্রুর মাথায় রেঞ্চ চেপে ধরে যত জোরেই ঘোরান, স্ক্রু নড়বে না। ঘামবেন, হাঁপাবেন, শেষে বলবেন — "আমার কপালটাই খারাপ।"
কপাল না ভাই। যন্ত্রটা ভুল।
আমরা অনেকেই এই কাজটাই করছি। বছরের পর বছর।

মন খারাপ হলে কী করি?

ফোনটা হাতে নিই। স্ক্রল করি। এক ঘণ্টা, দুই ঘণ্টা। তারপর হেডফোন লাগিয়ে সবচেয়ে বিষণ্ণ গানটা লুপে চালাই। যে গান আমার কষ্টটা "বুঝতে পারে", সেটা বারবার শুনি। কষ্ট কমে না — কষ্টটাকে আরাম লাগতে শুরু করে।

ভেতরটা খালি খালি লাগে?

একটার পর একটা সিরিজ শেষ করি। রাত তিনটায় "আর একটা এপিসোড"। অ্যানিমের চরিত্রগুলোর সাথে এমন সম্পর্ক হয়ে যায়, যা আশপাশের মানুষের সাথে হয় না। সিজন শেষ হলে অদ্ভুত একটা শূন্যতা — তারপর নতুন সিরিজ খুঁজি।

আর যখন একদম দমবন্ধ লাগে?

কেউ ছাদে গিয়ে সিগারেট ধরায়। কেউ আরও একটু দূরে চলে যায়। সেই কয়েক মিনিটের ধোঁয়াটাকে মনে হয় মুক্তি।
কিন্তু ধোঁয়া মিলিয়ে যাওয়ার পর? বুকটা আগের চেয়েও ভারী লাগে।

চেষ্টার তো কমতি নেই। তাহলে ফল কেন নেই?

কারণ যে জিনিসটা আপনি খুঁজছেন — শান্তি — ওটা ওই জায়গাগুলোয় নেই। কখনো ছিলও না। ওগুলো ব্যথা কমায় না, ব্যথাটা শুধু কিছুক্ষণের জন্য চাপা দেয়।
ব্যথানাশক ওষুধের মতো — ক্ষতটা সারায় না, শুধু অনুভব করতে দেয় না। আর ওষুধের ডোজ বাড়াতেই থাকতে হয়।

আল্লাহ বলেছেন — অন্তর প্রশান্ত হয় কেবল তাঁর স্মরণে।
(সূরা রা'দ, ১৩:২৮)

এটা নিছক উপদেশ না ভাই। এটা ম্যানুয়াল।
যিনি যন্ত্রটা বানিয়েছেন, তিনিই তো জানেন কোনটা দিয়ে খুললে খুলবে। আমরা সারাজীবন রেঞ্চ দিয়ে স্ক্রু ঘোরানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি, আর ভাবছি সমস্যাটা স্ক্রুতে।

আজ রাতে একটু অন্য যন্ত্রটা ধরে দেখুন।

গানটা বন্ধ করে দুই রাকাত পড়ুন। পাঁচ মিনিট কুরআন খুলুন — অর্থসহ (Random page pick করুন)। ইউটিউবে বাসিরা মিডিয়ার "জীবন-মৃত্যু" সিরিজ দেখুন।
কিংবা শুধু চুপ করে বসে বলুন, "ইয়া আল্লাহ, আমি ক্লান্ত। তুমি একটু শান্তি দাও।"

কিছুই হারাবেন না। শুধু পাঁচটা মিনিট।

আর দেখবেন — যে জিনিসটা বছরখানেক ধরে নড়াতে পারছিলেন না, এক টানেই খুলে গেছে।

আল্লাহ আমাদের ক্লান্ত অন্তরগুলোতে প্রশান্তি দিন।

ক্রিপ্টোকারেন্সি: বিনিয়োগ নাকি প্রতারণা? -আল্লামা তাকী উসমানী দা.বা.আজকাল সোশ্যাল মিডিয়া ওপেন করলেই প্রতি দুই দিন পর প...
12/07/2026

ক্রিপ্টোকারেন্সি: বিনিয়োগ নাকি প্রতারণা?
-আল্লামা তাকী উসমানী দা.বা.

আজকাল সোশ্যাল মিডিয়া ওপেন করলেই প্রতি দুই দিন পর পর কোনো না কোনো ক্রিপ্টোকারেন্সির সফলতার গল্প সামনে চলে আসে। কেউ বলে সে মাত্র কয়েক হাজার টাকা বিনিয়োগ করে লাখ লাখ টাকা আয় করেছে, আবার কেউ দাবি করে ক্রিপ্টোই হলো ভবিষ্যতের মুদ্রা। এই ধরনের কথাবার্তা শুনে অনেক মানুষই আসল সত্যটা না বুঝে এবং এই পথে কতটুকু ঝুঁকি লুকিয়ে আছে তা না জেনেই এই ময়দানে পা বাড়িয়ে দেয়।

​ক্রিপ্টোকারেন্সি মূলত একটি ডিজিটাল মুদ্রা। এর কোনো কাগজি নোট নেই, কোনো কয়েন বা জ্যামিতিক মুদ্রাও নেই; আর এর পেছনে কোনো রাষ্ট্র কিংবা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমর্থন বা গ্যারান্টি থাকে না। এর কেনাবেচা হয় ইন্টারনেটে এবং এর মূল্য কেবল বাজারের চাহিদা ও জোগানের (Demand and Supply) ওপর ভিত্তি করে ওঠানামা করে। আর এই কারণেই কখনো এক দিনেই এর দাম আকাশচুম্বী হয়ে যায়, আবার কখনো মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তা একেবারে মাটিতে আছড়ে পড়ে।

​আপাতদৃষ্টিতে এটি একটি আধুনিক প্রযুক্তি এবং ব্লকচেইনের মতো শক্তিশালী ব্যবস্থার ওপর প্রতিষ্ঠিত। তবে প্রশ্নটা শুধু প্রযুক্তির নয়, বরং এর ব্যবহার এবং এর সাথে জড়িত ঝুঁকিগুলোরও। বাস্তবতা হলো, আজ যারা ক্রিপ্টো কিনছে তাদের সিংহভাগই এটিকে কোনো প্রয়োজনের খাতিরে কিনছে না, বরং কেবল এই আশায় কিনছে যে—আগামীকাল এর দাম বাড়বে এবং তারা মোটা অঙ্কের মুনাফা লুটে নেবে। এই মানসিকতাই এটিকে একটি চরম ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে পরিণত করেছে।

​ইসলামী শরিয়াহ ব্যবসাকে সর্বদা উৎসাহিত করেছে, তবে একই সাথে এমন সমস্ত লেনদেন ও কারবার নিষিদ্ধ করেছে যাতে ধোঁকা, অনিশ্চয়তা, ফাটকাবাজি (জুয়াড়ি মানসিকতা) কিংবা মানুষের সম্পদ বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। এই কারণেই পাকিস্তানের একাধিক শীর্ষস্থানীয় ও বিজ্ঞ উলামায়ে কেরাম এবং মুফতিয়ানে কেরাম ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যাপারে তাঁদের সংশয় ও আপত্তি প্রকাশ করেছেন; এমনকি কেউ কেউ বর্তমান পরিস্থিতিতে এটিকে না-জায়েজ বা হারাম বলেও ফতোয়া দিয়েছেন। তাঁদের মতে, এতে 'গোরর' অর্থাৎ অহেতুক অনিশ্চয়তা, মূল্যের তীব্র ওঠানামা এবং ফাটকাবাজির (Speculation) চিত্রটি স্পষ্ট।

​অবশ্য এটিও সত্য যে, এই বিষয়ে বিশ্বজুড়ে সমস্ত উলামায়ে কেরামের রায় বা মতামত এক নয়। কোনো কোনো ইসলামী অর্থায়ন বিশেষজ্ঞ নির্দিষ্ট কিছু ক্যাটাগরির ক্রিপ্টো অ্যাসেট বা নির্দিষ্ট কিছু শর্ত সাপেক্ষে ভিন্ন মতও পোষণ করেন। তা সত্ত্বেও, বর্তমান বাস্তব পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকার নির্দেশনাটিই সবচেয়ে জোরালোভাবে প্রকাশ পায়; বিশেষ করে সেইসব মানুষের জন্য, যাদের এই সেক্টর সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান ও বোঝাপড়া নেই।

​ক্রিপ্টোর দুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি ও লোকসানের শিকার হয় সাধারণ মানুষ। তারা অন্যদের সফলতার গল্প দেখে, রাতারাতি বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন বুনে এবং এই আশায় তাদের সারাজীবনের জমানো পুঁজি ঢেলে দেয় যে—হয়তো ভাগ্য তাদের ওপরও সহায় হবে। কিন্তু বাজার যখন ধসে পড়ে, তখন অধিকাংশ মানুষই তাদের রক্ত জল করা উপার্জনের পুরোটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায়।

​আরেকটি দুঃখজনক সত্য হলো, যারা এই লোকসানের শিকার হয়, তাদের বেশিরভাগই নিজেদের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে না। তারা মুখে কুলুপ এঁটে থাকে; কারণ তাদের ভয় হয় যে মানুষ তাদের নিয়ে হাসাহাসি করবে, বোকা বলবে কিংবা তাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। এর ফলে সমাজে কেবল সফলতার গল্পগুলোই ঘুরে বেড়ায়, আর হাজার হাজার ব্যর্থ মানুষের গোঙানি বা আর্তনাদ চাপা পড়ে যায়। এই নীরবতাই নতুন মানুষদেরও একই অন্ধ পথে পা বাড়াতে প্ররোচিত করে।

​এর পাশাপাশি, ক্রিপ্টোর নামে জালিয়াতি, ভুয়া বিনিয়োগ স্কিম এবং অবাস্তব মুনাফার লোভ দেখানো এখন নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। বহু মানুষ লোভে পড়ে তাদের সারাজীবনের সঞ্চয়, এমনকি ঋণ নেওয়া টাকাও এতে বিনিয়োগ করে ফেলে এবং পরবর্তীতে চরম আর্থিক অনটন ও মানসিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়।

​যুক্তরাজ্য ও ইউরোপে বেশ কয়েক বছর ধরে বসবাস করার এবং বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের সাথে মেশার সুযোগ আমার হয়েছে। সেই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে আমার নিজস্ব পর্যবেক্ষণ হলো—আমি ক্রিপ্টো থেকে লাভবান হওয়া মানুষের চেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া মানুষের সংখ্যাই বেশি দেখেছি। নিশ্চিতভাবেই কিছু মানুষ মুনাফা করেছে, তবে তাদের সংখ্যা খুবই নগণ্য। এর বিপরীতে এমন মানুষই বেশি পেয়েছি যারা বিশাল অঙ্কের অর্থ হারিয়েছে, কিন্তু লোকলজ্জার ভয়ে কখনো তা প্রকাশ বা স্বীকার করেনি।

​আমার মনে হয় এটি একটি সামাজিক সমস্যাও বটে। যখন কারও ক্ষতি হয়, তখন সে তা লুকিয়ে রাখে। কারণ সে ভয় পায় যে মানুষ বলবে, "আপনি তো নিজেকে অনেক বুদ্ধিমান ভাবতেন, তাহলে এমন ভুল সিদ্ধান্ত কীভাবে নিলেন?" এই লোকলজ্জার কারণেই ক্ষতির গল্পগুলো সামনে আসে না, অথচ লাভের দু-একটি উদাহরণ বারবার ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রচার করা হয়। ফলাফল যা হওয়ার তাই হয়—নতুনরা কেবল সাফল্যটুকুই দেখে এবং এর আসল বিপদ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অসচেতন থেকে যায়।

​আমার মতে, যদি কোনো বিনিয়োগের আসল চিত্র মানুষের সামনে তুলে ধরতে হয়, তবে শুধু সফলতার গুণগান গাওয়াই যথেষ্ট নয়, বরং এর ব্যর্থতা ও অন্ধকার দিকগুলোকেও সততার সাথে তুলে ধরতে হবে। তবেই মানুষ সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

​পরিশেষে এটাই বলব, ইসলাম মানুষকে কঠোর পরিশ্রম, সততা এবং বাস্তব ব্যবসার মাধ্যমে রিজিক অন্বেষণের শিক্ষা দেয়। কোনো বিনিয়োগ কেবল এই কারণেই বৈধ হয়ে যায় না যে, তা থেকে কেউ একজন অনেক লাভবান হয়েছে। বৈধতার আসল মাপকাঠি হলো—তা শরিয়তের মূলনীতি, সুস্থ বুদ্ধি, সতর্কতা এবং অর্থনৈতিক দায়বদ্ধতার অনুকূলে আছে কি না। তাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিত যেকোনো নতুন আর্থিক লেনদেনে পা বাড়ানোর আগে তার শরিয়াহগত, আইনি ও আর্থিক দিকগুলো ভালোভাবে বুঝে নেওয়া; নির্ভরযোগ্য উলামায়ে কেরাম ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া এবং নিজের কষ্টার্জিত অর্থকে কোনো অহেতুক ঝুঁকির মুখে না ফেলা।

তথ্যসূত্র: একটি পাকিস্তানি অনলাইন পত্রিকা

10/07/2026

চলো শুরু করি

আপনার কাছে ১ লক্ষ টাকা আছে। আপনি একজন স্টুডেন্ট,এখন প্রশ্ন হলো এই টাকা দিয়ে কী করবেন?ব্যাংকে রাখলে কিছু সুদ পাবেন, সোনা...
08/07/2026

আপনার কাছে ১ লক্ষ টাকা আছে। আপনি একজন স্টুডেন্ট,এখন প্রশ্ন হলো এই টাকা দিয়ে কী করবেন?

ব্যাংকে রাখলে কিছু সুদ পাবেন, সোনা কিনলে হয়তো দাম বাড়বে। আর ১ লক্ষ টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করলেও ঝুঁকি থাকবেই।তাহলে কি করবেন?

হয়তো আপনার জীবনের সবচেয়ে লাভজনক ইনভেস্টমেন্ট হতে পারে নিজের ওপর করা ইনভেস্টমেন্ট।

ব্যাংকে টাকা রাখলে বছরে গড়ে ৮–১০% রিটার্ন পাবেন, সোনায় হয়তো ১০–১২% লাভ হতে পারে, আর সত্যি বলতে, স্টুডেন্ট অবস্থায় মাত্র ১ লক্ষ টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করাও সহজ নয়। অভিজ্ঞতার অভাব, ভুল সিদ্ধান্ত আর লোকসানের ঝুঁকি থেকেই যায়। বাস্তবতা হলো, এই টাকার মাসিক রিটার্ন আপনার জীবন বদলে দেবে না।

বরং এই ১ লক্ষ টাকা দিয়ে এমন একটি দক্ষতা শিখুন, যেটার চাহিদা আগামী ৫–১০ বছরেও থাকবে। যেমন এআই টুল ব্যবহার, কনটেন্ট ক্রিয়েশন, সেলস, ডিজিটাল মার্কেটিং, অটোমেশন কিংবা ইংরেজি কমিউনিকেশন।

এআই আপনার কাজকে দ্রুত করতে পারে, কিন্তু আপনার চিন্তাশক্তি, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আর সৃজনশীলতাকে প্রতিস্থাপন করতে পারবে না। তাই সময়ের সঙ্গে নিজেকেও আপডেট রাখতে হবে।

আর একটা কথা মনে রাখবেন, সবসময় নিরাপদে থাকতে চাইলেও খুব বেশি দূর যাওয়া যায় না। নৌকা সবচেয়ে নিরাপদ থাকে ডাঙায়, কিন্তু নৌকা তো ডাঙায় দাঁড়িয়ে থাকার জন্য তৈরি হয়নি; তৈরি হয়েছে সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার জন্য।

আপনার বয়স যদি আজ ২০–২২ হয়, তাহলে এখন নিজের ওপর ১ লক্ষ টাকা খরচ করতে ভয় পাবেন না। কারণ ৩০ বছর বয়সে গিয়ে সবচেয়ে বড় আফসোস হয় ইশ, তখন যদি নিজের ওপর ইনভেস্ট করতাম!

কারণ জীবনের সবচেয়ে লাভজনক ইনভেস্টমেন্ট হলো নিজের জ্ঞান, দক্ষতা আর সামর্থ্যের ওপর করা ইনভেস্টমেন্ট।
-Faiyaz Faisal

ফুটবল প্রেমী দ্বীনি ভাইদের জন্য Jamshed Mojumdar ভাইয়ের এই পোস্ট'টা।
08/07/2026

ফুটবল প্রেমী দ্বীনি ভাইদের জন্য Jamshed Mojumdar ভাইয়ের এই পোস্ট'টা।

যাদের বয়স ২৫ এর নিচে তারা মাথায় রাখতে পারেন—১। যদি ছাত্র হন তাহলে ভালোভাবে পড়াশোনা করুন। ফ্রি মিক্সিংয়ের কারণে সমস্যা হল...
08/07/2026

যাদের বয়স ২৫ এর নিচে তারা মাথায় রাখতে পারেন—
১। যদি ছাত্র হন তাহলে ভালোভাবে পড়াশোনা করুন। ফ্রি মিক্সিংয়ের কারণে সমস্যা হলে দক্ষ ও অভিজ্ঞ আলেমদের শরণাপন্ন হোন। পরামর্শ নিন। অমুক হকপন্থী ভাই, তমুক গুরাবা ভাইয়ের কথায় কোনো সিদ্ধান্ত নিবেন না। কমিউনিটির যাদের দেখে আপনারা অনুপ্রাণিত হন, তাদের কেউই কিন্তু লেখাপড়া ছেড়ে দেয়নি। বরং সবাইই সাধ্যমত উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন, করছেন। সমস্যা আছে, থাকবে, এগুলো কীভাবে পাশ কাটানো যায় সেই পরামর্শ নিবেন অভিজ্ঞ আলেমদের থেকে। তারা বাস্তবসম্মত পরামর্শ দিবেন।
একান্তই পড়াশোনা ভালো না লাগলে স্কিল শিখুন, ব্যাবসা করুন, হালাল রিজিক উপার্জনের ব্যবস্থা করুন। পেশাগত ব্যস্ততায় ঢুকে যান। অবসর থাকবেন না। অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা।
২। হুটহাট আবেগে হঠকারী কোনো কাজ করবেন না। যারা করে তাদের থেকে এক হাজার গজ দূরে থাকবেন। এবার আপনাকে ভীরু, কাপুরুষ যাই বলা হোক, পরোয়া করবেন না। রাজনীতি করতে মন চাইলে কোনো দলে ঢুকে যান। প্রচলিত দলগুলোর নানা সমস্যা আছে সত্য, কিন্তু ইস্যুগুলোকে তারা যেভাবে বুঝতে পারে অরাজনৈতিক ব্যক্তিরা তা পারে না।
গাজীপুরের ইমামের কাহিনীসহ গত দুই বছরে বহু ইস্যু এমন এসেছে যেখানে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সতর্কতাই শেষ পর্যন্ত সঠিক প্রমাণিত হয়েছে। তাছাড়া দলীয় রাজনীতি করে কোনো ঝামেলায় পড়লে দলকে পাশে পাবেন। একা বিপদে পড়লে কেউ পাশে থাকবে না। এবং এটা স্বাভাবিক। অবশ্য দীর্ঘমেয়াদি দাওয়াতি চিন্তাধারা থাকলে দলীয় রাজনীতিতে না জড়ানো উত্তম। কিন্তু যদি মাঠের কর্মসূচি ভালো লাগে তাহলে দল করাই উত্তম।
৩। দ্বীনের জন্য কিছু করতে মন চাইলে বিদ্যমান যে কোনো দাওয়াতি, ইলমি ও ফিকরি মেহনতে সংযুক্ত হোন। যেটা সম্ভব নয়, সেখানে পণ্ডশ্রম করবেন না। অভিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ শুনবেন না, কাজ করবেন নিজের মনোমতো, এরপর বিপদে পড়লে কেউ কেন উদ্ধার করতে যাচ্ছে না—সেই কান্না করবেন, এটা উচিত না।
৪। কমিউনিটির যারা তিনবেলা উত্তেজনা সরবরাহ করে তাদের থেকেও দূরে থাকবেন। তাদের পোস্ট দেখে আপনি গরম হবেন, প্রথম আলো পোড়াবেন। উনারা হয়তো পোস্ট ডিলেট করবেন বা তাবিল করবেন। আপনি থাকবেন জেলখানায়, নিজের মামলার ঘানি নিজে টানবেন। কাউকেই পাশে পাবেন না। বাস্তবতা অনেক কঠিন। কখনো বাস্তবতা ভুলবেন না। কেউ বিপদে পড়লে তার পরিবারই সাফার করে। অন্য কেউ না। সবসময় বিপদ থেকে বেঁচে থাকার দোয়া করবেন। অযথা বিপদ টানবেন না, বিপদে পড়ার আগ্রহও রাখবেন না।
৫। নিজের জীবন, যোগ্যতা ও পেশা নিয়ে সিরিয়াস হবেন। নিজেকে গঠন না করে কেউ জাতিকে গঠন করতে পারে না। অযোগ্য লোক বড়জোর কালো পাগড়ি আর ময়লা বাবরি নিয়ে বাইকে করে এলাকা চক্কর দিয়ে জিহাদি নাশিদ লাগিয়ে ভিডিও ছাড়বে, এর বেশি কাজে তাকে পাবেন না। মুতামিদ বিন আব্বাদ বলেছিলেন, এক হাজার অসুস্থ লোক দিয়ে কোনো সেনাবাহিনী বানানো যায় না, বরং তা দিয়ে হাসপাতাল খোলা যায়। হাজার হাজার অসুস্থ মানুষের কোনো দরকার নেই, যোগ্য অল্পকিছু মানুষই যথেষ্ট।
৬। যে-কোনো ইস্যু সামনে আসলে ৫ দিন অপেক্ষা করবেন, এরপর সিদ্ধান্ত নিবেন। গত দুই বছরে দেখুন, বেশিরভাগ ইস্যু প্রথমে যেমন মনে হয়েছে পরে আর তেমন থাকেনি। সুতরাং অপেক্ষা করুন, ইস্যুটা ভালোমত স্পষ্ট হোক। ইস্যু না বুঝেই যিশু সেজে অন্যের পাপ নিজের কাঁধে নেয়া থেকে বিরত থাকবেন।
যাদের বয়স ২৫ এর বেশি তাদের কিছু বলা দরকার নেই। এতদিনে তাদের বাস্তবতা বুঝে আসার কথা। যদি না আসে তাহলে বলেও লাভ হবে না।
কথাগুলোতে কষ্ট পেলে মাফ করবেন।
- Mahmud Siddiqui

19/05/2026

Umar ibn Abd al-Aziz
Molana Tariq Jameel Sabb Latest Bayan

19/05/2026

Baat Karne Ka Tareeqa Aur Uska Asar #2025 | Nouman Ali Khan Urdu | Lectures

Address

Dhaka City
Dhaka
1100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anamul Shah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category