30/05/2026
ইউনুস কত বড় মাদারবোর্ড এবং বিশ্বের একজন মস্ত বড় তারকাটা হিসেবে নিজেকে নিজে উপস্থাপনের নির্লজ্জ কৌশলী মেকানিজমের একটি সাম্প্রতিক উদাহরণ নিচে দিলাম। আর তা দেখে আমাদের মুক্ষচুদা কিছু ছাত্ত-জন্তা ফেইসবুকে ইউনুসকে মাথায় তুলে ধেই ধেই করে নাচে।
পিও তৌহিদী জনতার ইমাম সাব কত বড় একজন ধার্মিক ব্যক্তি এবং দরিদ্রবান্ধব যে তার গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্য গরীব ঋণগ্রহীতাদেরকে কোরবানীর মাংস বিলিয়ে না দিয়ে দেশটার সোগা মেরে ঈদের আগের দিন নিজ দেশ ফ্রান্সে ফিরে গেছেন। তার এই পলায়নপর দৃশ্যকে কৌশলে দৃষ্টি ঘুরিয়ে তার চামুচদের কাছে নিজেকে একজন বিশ্বনেতা হিসেবে প্রচারণার সকল এন্তেজাম তিনি পলায়নের আগেই প্রস্তুত করে রেখেছিলেন।
বাংলাদেশের বাঙ্গু মুসলমান এবং ইউনুসপ্রেমীদের তিনি দেখালেন, প্যারিস পৌছানো মাত্র তাকে ফ্রান্সের এমপি অর্থ্যাৎ রাজনীতিবিদ, সরকার স্বাগত জানাচ্ছে, হাত মিলাচ্ছে, অভ্যর্থনা দিচ্ছে, তাকে নিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে; অর্থ্যাৎ তিনি মস্ত বড় কেউকেটা ব্যক্তি। তা দেখে বাঙ্গুরা দেয় হাততালি; আমরাই একমাত্র ইউনুসকে সম্মান দিতে পারিনি, ঐ দেখো বিশ্ব তাকে মাথায় তুলে নাচছে।
আস্তে; বাঙ্গু আস্তে; ইউনুসকে চেনার আগে নিজেকে চেনো; গন্ডমুর্খ কাদেরকে বলে জানো; মুক্ষচুদা কারা আগে সেটা বুঝো;
ইউনুস আগে থেকেই তার এই প্যারিস যাত্রা এমনভাবে আয়োজন করে রেখেছিল যেনো দৃশ্যপট সেভাবেই ব্যক্ত হয়। বাস্তবে, ফ্রান্সে ইউনুসের নিজেরই সুদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ফাউন্ডেশন অব গ্রামীণ এগ্রিকোল প্যারিস পৌছানোর পরদিন একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রাখে যাতে স্থানীয় এম.পি. -কে প্রধান অতিথি করা হয়। আর এই আয়োজনকেই ইউনুস সেন্টার উঁচু দরে প্রচার করে এবং নিজেকে বিশ্বের একজন ধুরন্ধর মাদারবোর্ড হিসেবে মুক্ষচুদাদের কাছে পেশ করে।