বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ নিউক্লিয়াস৭১

  • Home
  • India
  • Gopalganj
  • বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ নিউক্লিয়াস৭১

বঙ্গবন্ধু  মুক্তিযুদ্ধ  নিউক্লিয়াস৭১ মুক্তির সংগ্রাম 71 • বাংলা

03/06/2026

ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে
গোপালগঞ্জে জেলা ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

শেখের বেটি আইতাছে ❤Sajal Kundu
03/06/2026

শেখের বেটি আইতাছে ❤
Sajal Kundu

একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদের প্রস্থান, নিভে গেল দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার এক অধ্যায়।
01/06/2026

একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদের প্রস্থান, নিভে গেল দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার এক অধ্যায়।

আপা 💖
30/05/2026

আপা 💖

শেখ হাসিনার নীরবতাকে কখনো দুর্বলতা মনে করো না✊
30/05/2026

শেখ হাসিনার নীরবতাকে কখনো দুর্বলতা মনে করো না✊

30/05/2026
আজ এই দুর্দিনে আওয়ামীলীগের পক্ষে সমর্থন করে যাচ্ছি লড়াই করে যাচ্ছি। কোন লাভ বা কোন সুবিধা বা কোন টাকার লোভ ছাড়াই ভালোবেস...
30/05/2026

আজ এই দুর্দিনে আওয়ামীলীগের পক্ষে সমর্থন করে যাচ্ছি লড়াই করে যাচ্ছি। কোন লাভ বা কোন সুবিধা বা কোন টাকার লোভ ছাড়াই ভালোবেসে যাচ্ছি। তারপড় যখন ক্ষমতায় আসবে কিছু মানুষ এসে সুবিধা ভোগ করবে। আর আমারা যে লড়াই করে যাচ্ছি এটার কোন মূল্য থাকবে না যেনেও সাপোর্ট করতাসি। কোন পদ পদবি আশায় করতাসি না আমি মুজিবুর রহমানের আদর্শকে ভালোবাসি শেখ হাসিনার আপার নিতি কে ভালোবাসি। যারাই এই দুর্দিনে আওয়ামী লীগের পক্ষে লড়াই করতাসে তারাই প্রকৃত মুজিব সৈনিক। মুজিব আমার চেতনা মুজিব আমার বিশাস কে বলেরে মুজিব নাই মুজিব সারা বাংলায়। আমার কথা হচ্ছে যে আমাদের নেএির উচিৎ একটা টিম গঠন করার যারা এই দুর্দিনে আওয়ামী লীগের পক্ষে লরাই করে যাচ্ছে তাদের কে চিনহিত করার কারন এরাই হচ্ছে আওয়ামী লীগের আগামী ভবিষ্যৎ যাদের হাতে দে-শ ও মানুষ তাদের কাছে হেফাজতে থাকবে তারা মুজিব সৈনিক কখনো দুর্নীতি করবে না। আর জদি সব ঠিক হওয়ার পড় ওই সুবিধাবাদি মানুষ গুলা ক্ষমতা পায় তারা ভবিষ্যৎ এ আওয়ামী লীগের বিশাল ক্ষতি করবে। আমি একজন ছোট মানুষ তাও বিষয় টা তুলে দরলাম যদি আপনার চোখে পড়ে অবশ্যই এই বিষয় টা নিয়ে ভাববেন যদি ভুল কিছু বলি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন ধন্যবাদ 🤍
বাংলার সবুজ মাটিতে,
অপেক্ষায় আছে লাখো মানুষ ভালোবাসা আর আবেগ নিয়ে হৃদয়জুড়ে।”
#বাংলাদেশ #আওমীলীগ

জামিন দিচ্ছে আদালত, মুক্তি দিচ্ছে না বিএনপি-জামাত গংএকটা মামলায় জামিন মিলেছে মানে আসামির মুক্তি পাওয়ার কথা। কিন্তু বাংলা...
26/05/2026

জামিন দিচ্ছে আদালত, মুক্তি দিচ্ছে না বিএনপি-জামাত গং

একটা মামলায় জামিন মিলেছে মানে আসামির মুক্তি পাওয়ার কথা। কিন্তু বাংলাদেশে এখন সেটাই সবচেয়ে বড় ফাঁদ। জামিননামা আদালত থেকে বেরোবার আগেই প্রসিকিউশন বিভাগ থেকে খবর চলে যায় থানায়। থানা বসে যায় নতুন মামলার এজাহার নিয়ে। এজাহারে আসামির নাম নেই, ঘটনাস্থলে ছিল না, কোনো সাক্ষী চেনে না। তবু সন্দেহভাজন লিখে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে জেলে রাখা হচ্ছে মাসের পর মাস। এই খেলা চলছে পুরোদমে ২০২৬ সালের বাংলাদেশে, যে বাংলাদেশের ক্ষমতা এখন দখল করে আছে বিএনপি আর জামায়াত।

কুড়িগ্রামের ইসতিয়াক মিলন, কেরানীগঞ্জের আল মারুফ, নীলফামারীর আব্দুল হাকিম। কেউ রাজনীতি করে না। কারও কোনো পদপদবি নেই। ইসতিয়াক চাকরি খুঁজতে ঢাকায় এসেছিল, মারুফ করত টিউশনি। দুজনকেই টেনেহিঁচড়ে এক মামলা থেকে আরেক মামলায় পুরেছে পুলিশ। ইসতিয়াক বলছে, তার দ্বিতীয় মামলায় জামিন হবার পরও কারাগারে অবজারভেশনের নামে আটকে রেখে টাকা নেওয়া হয়েছে। মারুফের ভাই বলছে, টাকা নেই বলেই এক বছর তিন মাস ধরে ভেতরে। আব্দুল হাকিমের অবস্থা আরও শোচনীয়। ঢাকায় তিনটা মামলায় জামিন হতেই নীলফামারী থেকে আরও দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে নিজ জেলায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কারণটা একটাই, একসময় ছাত্রলীগ করত।

এটাই এখনকার বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা। মামলা আর তদন্ত নয়, চলছে দেনদরবার। আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখির কথাটা নিখাদ সত্য, থানা-পুলিশকে ম্যানেজ করতে না পারলে শ্যোন অ্যারেস্ট ঠেকানো যাচ্ছে না। আইনজীবীর মুখেই শোনা যাচ্ছে, যতগুলো শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হচ্ছে, তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি মানুষকে শুধু এই ভয় দেখিয়ে রফা করানো হচ্ছে। জামিনের পর আসামির পরিবার যখন আশায় বুক বাঁধছে, তখনই থানা থেকে ফোন যায়, কিছু করলে ব্যবস্থা হয়, না করলে আরেক মামলা। এটাই পুলিশি ক্লিয়ারেন্সের বাণিজ্যিক রূপ।

ড. শাহ্দীন মালিক বলেছেন, দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগে কাউকে জেলে রাখা সভ্য দেশের সংস্কৃতি নয়। সাবেক জেলা জজ শাহজাহান সাজু বলেছেন, এজাহারে নাম না থাকলে ১৬৪ কিংবা ১৬১ ধারার জবানবন্দিতে কেউ জড়িত না থাকলে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো মানে আইনের চরম অপব্যবহার। দুই বিশেষজ্ঞের কথা আইন বইয়ে সত্য, বাস্তবে মিথ্যা। বাস্তবটা নিয়ন্ত্রণ করছে সেই পুলিশ, যাদের রাজনৈতিক মনিব এখন বিএনপি আর জামায়াত।

২০০১-০৬ মেয়াদের বিএনপি-জামাতের অপশাসনটা মনে আছে? সেই সময়টার ছাপ স্পষ্ট কিছু আজকের পুলিশি আচরণে। তখন বিএনপি-জামাত জমানায় থানা ছিল দুর্নীতির কারখানা, আর পুলিশ ছিল দলীয় লাঠিয়াল বাহিনী। চাঁদাবাজি, গুম, খুন, দখলদারিত্ব তখনকার রাজনৈতিক সংস্কৃতিরই অংশ ছিল। আজ সেই একই পুলিশ, একই থানা, একই প্রসিকিউশন বিভাগ। শুধু পরিবর্তনটা ক্ষমতার শীর্ষে। আইনের নামে ২০০১-০৬ সালে যা করেছিলো বিএনপি-জামাত, সেই একই অস্ত্র তারা আবারও ব্যবহার করছে আরও নিখুঁত কায়দায় এবার। শ্যোন অ্যারেস্টের যন্ত্রটা তখনও চালু ছিল, এখন সেটায় শান দেওয়া হয়েছে নির্দলীয়, নিরীহ মানুষকে পিষে ফেলতে।

মজার ব্যাপার হলো, ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার বলছেন, তারা তো শুধু আবেদন আদালতে উপস্থাপন করেন। আবেদন কোথা থেকে আসে? থানা থেকে। থানায় আবেদন লেখার নির্দেশ আসে কোথা থেকে? সেই রাজনৈতিক দপ্তর থেকে, যে দপ্তর এখন বিএনপি-জামাতের নিয়ন্ত্রণে। এই চক্রটা বুঝতে কারও বেগ পেতে হবে না। জামিন হওয়া আসামির তালিকা আগে যায় থানায়, তারপর থানা থেকে যায় নতুন মামলার ফিরিস্তি। এই তালিকা কে বানায়? কারা ঠিক করে কার নাম থাকবে? যারা ঠিক করে, তারাই তো আসল বিচারক। আইনের চোখ বন্ধ।

যে জামায়াত একাত্তরে রাজাকার বাহিনী গড়েছিল, যে বিএনপি আশির দশকে সেনানিবাস থেকে উঠে এসে গুম-খুনের সংস্কৃতি চালু করেছিল, সেই জোটের পুলিশ আজ শ্যোন অ্যারেস্টকে শিল্পে পরিণত করেছে। মামলা দিচ্ছে, জামিন দিচ্ছে না, ছাড়াতে চাইলে মানতে হচ্ছে অলিখিত দর। যার টাকা নেই সেই জেলে, যার আছে সে বাইরে। এটা বিচার নয়, এটা লুটপাটের বাণিজ্য।

মারুফের মতো তরুণ জেলে পচছে এক বছর তিন মাস, অথচ কোনো মামলার এজাহারে তার নাম ছিল না। ইসতিয়াককে অবজারভেশন খাটিয়ে রাখা হয়েছে জামিনের পরও, যতক্ষণ না পরিবার পুলিশের জিআর শাখা ম্যানেজ করেছে। এগুলো এখনকার বাংলাদেশের নিত্যদিনের ছবি। যে ছবির নেপথ্যে দাঁড়িয়ে আছে ২০২৬-এর বিএনপি-জামাত সরকার। আইনের শাসন ধ্বংস করে থানায় থানায় বসানো হয়েছে চাঁদার কারবার, আর তার শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ।

Address

Gopalganj
1234

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ নিউক্লিয়াস৭১ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share