18/10/2025
একটি নির্দিষ্ট দল কর্তৃক জুলাই সনদ স্বাক্ষর না করা নিয়ে বিশ্লেষন:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস সরকার প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশী সময় নিয়ে ফেলেছেন। সময় নেয়া তেমন বিষয় ছিল না, যদি না তারা কোন সুনির্দিষ্ট কাজ করেছে দেখাতে পারতেন। তারা দুর্নীতি দমন করতে ব্যর্থ হয়েছেন চরমভাবে, বরং ভাগীদার বাড়ায় দুর্নীতি বেড়েছে। বদলী বানিজ্য বেড়েছে। আইন শৃঙ্খলা পরিস্হিতি খারাপ। সেনাবাহিনীকে দীর্ঘ সময় মাঠে রেখে অপব্যবহার করছেন। কোন উন্নয়ন বাজেট নাই। দ্রব্যমূল্য কমে নাই। এটা সু-সাসনের নমুনা কখনই না। সব মিলে তাদের জনপ্রিয়তা এখন তলানিতে বলতে হবে।
বিএনপি নির্বাচন চায় চরমভাবে এবং নির্বাচনের দিনটা পার করতে পারলেই তারা ক্ষমতায়। এখন সরকার জুলাই সনদ বা যাই বলবে, সব মেনে নিয়ে নির্বাচন পর্যন্ত সরকারের সাথে মিলে চলবে। বিএনপির এই দুর্বলতা তাদেরকে বর্তমানের অ-জনপ্রিয় সরকারের সমকাতারে ফেলেছে। এটাও তাদের জন্য একটি ট্রাপ ছিল, যা তারা ধরতে ব্যার্থ হয়েছে হয়ত। যেমন ট্রাপ ছিল ০৫ আগষ্টের পর ৫/৬ মাস স্বেচ্ছাচার ভাবে চলতে দেয়া, যা পরে ঐ দলের বিরুদ্ধে প্রমান হিসেবে জনগনের সামনে উপস্হাপন করেছে।
বিশেষ দলগুলো সরকারের এই দুরবস্হা আর বিএনপির এই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে তাদেরকে একদলে ফেলে বিরোধীদল খেলতে চাচ্ছে। উনরা জানেন, এই মুহুর্তে বিরোধীদলের কার্ড খেললে দেশের মানুষ তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হবে। জনগন তাদেরকে নিজেদের মুখপাত্র মনে করবে। এতে ভোটে তাদের চাহিদা বাড়বে। তারা কোন অপরাধ করে থাকলে মানুষ তা ভূলে যাবে বা মাফ করে দিবে।
কে বলতে পারে, এই পরিকল্পনার সাথে হয়ত খোদ সরকারই জড়িত? কারন ঐ দলতো সরকারের বাইরে, আর সরকারের মধ্যে- দুই দিকেই আছে। প্রধান উপদেষ্টাকে তারাইতো নিয়োগ দিয়েছে, যা দেশবাসীর সামনে গর্বভরে উনি নিজেই বলেছেন।
যার যা বোঝার বুঝে নিন।
শুভেচ্ছা।
১৮ অক্টোবর ২০২৫