নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম

নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম Forum for Women's Political Rights (FWPR)

নারীর সমঅধিকার, মর্যাদা ও অর্থবহ রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবিতে নারী সংহতি যে ৫ দফা দাবি সামনে এনেছে, তার সঙ্গে ন...
27/08/2026

নারীর সমঅধিকার, মর্যাদা ও অর্থবহ রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবিতে নারী সংহতি যে ৫ দফা দাবি সামনে এনেছে, তার সঙ্গে নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম সংহতি প্রকাশ করছে।

জাতীয় সংসদে নারীর কার্যকর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, কর্মক্ষেত্র ও জনপরিসরে নারীবান্ধব পরিবেশ তৈরি, নারীর শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা এবং যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কার্যকর আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মতো বিষয়গুলো নারীর সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নারী সংহতির উত্থাপিত দাবিগুলো হলো—

১। জাতীয় সংসদে ৩৩% নারী আইনপ্রণেতা নিশ্চিত করা
২। ২০৩০ সালের মধ্যে সারা দেশে ডে-কেয়ার সেন্টারের চাহিদা পূরণ করা
৩। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬০% নারী শিক্ষক নিয়োগের বিধান পুনর্বহাল করা
৪। সকল বিদ্যালয়ে অর্ধেক দামে স্যানিটারি ন্যাপকিন সরবরাহ নিশ্চিত করা
৫। সংসদে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ আইন পাস ও তার কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা

এই দাবিগুলোর অনেকগুলোই নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম বিভিন্ন সময়ে আলোচনা, সংলাপ ও অ্যাডভোকেসির মাধ্যমে তুলে ধরে আসছে।

আমরা বিশ্বাস করি, নারীর রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব কেবল নির্বাচনে বা সংসদে নারীর সংখ্যা বাড়ানোর প্রশ্ন নয়; এর সঙ্গে নারীর অর্থনৈতিক সক্ষমতা, নিরাপত্তা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, যত্নসেবার সুযোগ এবং সহিংসতা ও হয়রানিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রশ্নও গভীরভাবে যুক্ত।

নারীর সমঅধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার এই দাবিগুলো আরও জোরালো হোক।

এই উদ্যোগের সঙ্গে আমরা সংহতি জানাই এবং সবাইকে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাই।

📌 কর্মসূচি: “ঘর থেকে সংসদে নারীর নাগরিক মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সমাবেশ
তারিখ ও সময়: ২৮ আগস্ট, দুপুর ৩.০০ টা
স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বর

ইভেন্ট লিংক-
https://www.facebook.com/events/1009433602093195

28/02/2026

নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরামের পক্ষ থেকে সংরক্ষিত নারী আসন বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রধানদের উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে।

সম্মানিত দলীয় প্রধানবৃন্দ,

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাতিষ্ঠানিকতা এবং জাতীয় সংসদে নারীর অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার প্রশ্নে আমরা, ‘নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম’, আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সংরক্ষিত নারী আসন নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা হলেও, বাস্তবে এই আসনগুলোতে মনোনয়ন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, যোগ্যতাভিত্তিক নির্বাচন, এবং দলীয় অভ্যন্তরীণ নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ না থাকলে নারী প্রতিনিধিত্ব কেবল “সংখ্যা”তে সীমাবদ্ধ থাকে, “ক্ষমতা”তে নয়।

‘নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম’ শুরু থেকেই ধারাবাহিকভাবে দাবি জানিয়ে এসেছে যে নারীর প্রতিনিধিত্বকে “সংখ্যা” নয়, ক্ষমতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সে লক্ষ্যেই আমরা বারবার বলেছি: সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি নির্বাচনের ব্যবস্থা শুরু করতে হবে; সাধারণ আসনেও দলগুলোকে উল্লেখযোগ্য হারে নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিতে হবে এবং মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, লিখিত মানদণ্ড ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে; রাজনৈতিক দলে নারী নেত্রীদের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গা, সাংগঠনিক পদ এবং সংসদের স্ট্যান্ডিং কমিটিতে নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে হবে; নির্বাচনী পরিবেশে নারী প্রার্থীদের নিরাপত্তা, সমান সুযোগ ও অর্থনৈতিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে; এবং নারী রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে অনলাইন-অফলাইন হয়রানি ও সহিংসতা রোধে দলীয় নীতিমালা, অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা এবং শাস্তিমূলক পদক্ষেপ কার্যকর করতে হবে, যাতে নারী প্রতিনিধিত্ব কোনোভাবেই “প্রতীকী” বা নিয়ন্ত্রিত উপস্থিতিতে সীমাবদ্ধ না থাকে।

দু:খজনক হলো এবারের নির্বাচনেও সংরক্ষিত আসনে সরাসরি নির্বাচন কার্যকর হয়নি। এই বাস্তবতা মেনে নিয়েও আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই: সংরক্ষিত আসনগুলো যেন শুধু লোক দেখানো প্রতিনিধিত্ব না হয়ে থেকে যায় এবং সংসদে নারীর সক্রিয় রাজনৈতিক অবস্থান ও মতামতকে যেন নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা না হয়। সংরক্ষিত আসনের লক্ষ্য হবে নারীরা যেন সংসদে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে ও বাস্তব প্রভাব রাখতে পারেন তা নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে আমরা নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলোর উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করছি-

১। কে, কীভাবে, কোন প্রক্রিয়ায় মনোনীত হবেন তা দলের পক্ষ থেকে লিখিত নীতিমালা তৈরি ও প্রকাশের মাধ্যমে মনোনয়নের পূর্বেই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কিসের ভিত্তিতে ঐ প্রার্থীকে নির্বাচন করা হয়েছে তার যৌক্তিক ব্যাখ্যা সংক্ষিপ্তভাবে জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে।

২। সংরক্ষিত আসন কোনো “সুবিধা” নয়, এটি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। তাই মনোনয়নে যোগ্যতাভিত্তিক মানদণ্ড অপরিহার্য। যেমন-
- রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড ও মাঠের কাজ: সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, ইউনিট পর্যায়ে কাজ, জনসম্পৃক্ত কর্মসূচিতে নেতৃত্বের প্রমাণ থাকা বাঞ্ছনীয়।
- সংসদীয় সক্ষমতা: আইন প্রণয়ন, বাজেট, নীতি-পর্যালোচনা ও কমিটির কাজ বোঝার সক্ষমতা/প্রশিক্ষণ গ্রহণের প্রস্তুতি।
- জনআস্থা ও নৈতিক মান: সহিংসতা/ঘৃণা/নারীবিদ্বেষী আচরণ থেকে দূরত্ব, শুদ্ধাচার ও দায়িত্বশীলতা।
- অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি/আচরণ: যুব নারী, প্রান্তিক অঞ্চল, আদিবাসী, সংখ্যালঘু, ও প্রতিবন্ধী নারীদের প্রতিনিধিত্বে বাস্তব অগ্রাধিকার।

৩। গুরুত্বপূর্ণ স্ট্যান্ডিং কমিটিতে নারীদের অর্থবহ সদস্যপদ নিশ্চিতকরণ, যোগ্যদের ক্ষেত্রে কমিটির সভাপতি/উপ-সভাপতি/সাব-কমিটির নেতৃত্বে নারী প্রতিনিধিদের সুযোগ, এবং সংসদে প্রশ্ন, নোটিশ, বিল-পর্যালোচনা, বাজেট আলোচনায় নারী এমপিদের সক্রিয় নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে হবে।
৪। সংরক্ষিত আসনে নির্বাচিত নারী এমপিদের ভূমিকা কার্যকর করার জন্য দলগুলোকে সংসদীয় নিয়ম, বিল বিশ্লেষণ, বাজেট, কমিটি-ওয়ার্ক বিষয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, নারী রাজনীতিকদের ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং অনলাইন ও অফলাইন হয়রানি মোকাবিলায় দলীয় প্রটোকল নিশ্চিতে কাঠামোগত উদ্যোগ নিতে হবে।
আমরা প্রত্যাশা করছি আপনারা -
- সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি নির্বাচনের রোডম্যাপ (নীতিগত অবস্থান ও সময়ভিত্তিক উদ্যোগ) ঘোষণা করবেন;
- বর্তমান কাঠামোতে, মনোনয়নে লিখিত নীতিমালা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবেন;
- সংরক্ষিত আসনকে প্রতীকী পদ হিসাবে না দেখে বাস্তব ক্ষমতায়নের জায়গা করবেন;
- নারী সংসদ সদস‍দের স্ট্যান্ডিং কমিটি ও নেতৃত্বে কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করবেন;
- নারী সংসদ সদস্যদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়নের জন্য উদ্যোগ চালু করবেন।
আপনাদের কাছ থেকে আমরা অনুরোধ করছি, এই চিঠিতে উত্থাপিত সুপারিশগুলোর বিষয়ে দলীয় অবস্থান/অঙ্গীকার লিখিতভাবে বা জনসম্মুখে জানাবেন।

বিনীত,
নারী আন্দোলন, নাগরিক সংগঠন ও মানবাধিকার কর্মীদের পক্ষে (বর্ণক্রম অনুসারে),

ক্ষুব্ধ নারী সমাজ
গণসাক্ষরতা অভিযান
দুর্বার নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশন
নাগরিক কোয়ালিশন
নারী উদ্যোগ কেন্দ্র (নউক)
নারীগ্রন্থ প্রবর্তনা
নারী সংহতি
নারীপক্ষ
নারীর ডাকে রাজনীতি
ফেমিনিস্ট অ্যালায়েন্স অফ বাংলাদেশ (ফ্যাব)
বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র
ভয়েস ফর রিফর্ম

13/02/2026

২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ৮৫ জন নারী প্রার্থীর প্রতি নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরামের পক্ষ থেকে আমরা গভীর শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন জানাই। এই নির্বাচনে ৭ জন বিজয়ী হয়েছেন, যার মধ্যে ৬ জন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে এবং ১ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরামের পক্ষ থেকে আমরা বিজয়ী সকল নারী সংসদ সদস্যকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। একই সঙ্গে আমরা মনে করি, যারা বিজয়ী হতে পারেননি, তাঁদের রাজনৈতিক সাহস, অধ্যবসায় এবং সংগ্রামও সমানভাবে স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিসরে নারীর দৃশ্যমান উপস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

তবে একই সঙ্গে আমাদের গভীর উদ্বেগ রয়েছে যে, ৩০০ আসনের বিপরীতে মাত্র ৮৫ জন নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, যা মোট প্রার্থীর তুলনায় অত্যন্ত কম। উল্লেখ্য যে, এরমধ্যে মাত্র ৬৬ জন দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন এবং ১৯ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। ৩০০ আসনের প্রেক্ষাপটে এই অংশগ্রহণ নারীর সমান প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার রাজনৈতিক দলসমূহ ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমে বারবার ব্যক্ত করা হয়েছে, তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এর মধ্যেও মাত্র ৭ জনের বিজয় প্রমাণ করে যে নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এখনও কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, দলীয় মনোনয়নে বৈষম্য, অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতা, নিরাপত্তাহীনতা এবং সামাজিক মনোভাবের চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।

নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে নারী প্রার্থীরা অনলাইন ও অফলাইন হয়রানি, অপপ্রচার, ভয়ভীতি এবং সহিংসতার ঝুঁকির মুখে পড়েছেন, যা তাঁদের রাজনৈতিক সক্ষমতা ও সমান প্রতিযোগিতার সুযোগকে প্রভাবিত করেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ কাঠামোতে নারীর সীমিত উপস্থিতি এবং সাধারণ আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে অনীহা নারীর প্রতিনিধিত্বকে আরও সংকুচিত করেছে।

এই প্রেক্ষাপটে নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম সরকারের কাছে নিম্নোক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে:

১. সাধারণ আসনে নারীর মনোনয়ন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে নীতিগত বাধ্যবাধকতা প্রণয়ন, যাতে রাজনৈতিক দলগুলো ন্যূনতম নির্ধারিত শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিতে বাধ্য হয়।
২. নারী প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ সুরক্ষা ব্যবস্থা, নির্বাচনী সহিংসতা ও অনলাইন হয়রানির বিরুদ্ধে দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
৩. দলীয় কাঠামো ও মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ, যাতে নারীরা কেবল প্রতীকী নয়, কার্যকর অংশগ্রহণের সুযোগ পান।
৪. রাজনৈতিক অর্থায়নে সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণ, নারী প্রার্থীদের জন্য নির্বাচনী তহবিল ও সহায়তা কাঠামো শক্তিশালী করা।

৫. নির্বাচনী সহিংসতা ও জেন্ডারভিত্তিক রাজনৈতিক সহিংসতার পৃথক মনিটরিং ও রিপোর্টিং ব্যবস্থা চালু করা।

আমরা বিশ্বাস করি, নারীর প্রতিনিধিত্ব কেবল সংখ্যার বিষয় নয়, এটি গণতন্ত্রের গুণগত মানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। নারীর সমান অংশগ্রহণ ছাড়া একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
বিজয়ী নারী সংসদ সদস্যদের আমরা আহ্বান জানাই, তাঁরা যেন সংসদে নারীর অধিকার, সমান প্রতিনিধিত্ব ও নিরাপদ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম ভবিষ্যতেও নারীর সমান রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তার গবেষণা, অ্যাডভোকেসি ও নীতিগত উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।

06/02/2026

#নারীররাজনৈতিকঅধিকারফোরাম

12/01/2026

১২ জানুয়ারি, ২০২৬

ভিডিও সংগ্রহ: breakingnews .com

https://samakal.com/bangladesh/article/333506?fbclid=IwRlRTSAPRviBleHRuA2FlbQIxMQBzcnRjBmFwcF9pZAo2NjI4NTY4Mzc5AAEesXN57...
12/01/2026

https://samakal.com/bangladesh/article/333506?fbclid=IwRlRTSAPRviBleHRuA2FlbQIxMQBzcnRjBmFwcF9pZAo2NjI4NTY4Mzc5AAEesXN577pq9d9oYwkcHltT9vKCyw9O8A_-tsWcqWSfPWCXYCTi4ffxMtFlE3k_aem_nUgQIu9txoCxem6_NHjopA

নির্বাচনে নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ন্যূনতম প্রতিশ্রুতিও রক্ষা করেনি বলে অ....

আজ, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে, নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। আলোচ...
12/01/2026

আজ, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে, নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

আলোচনার বিষয় - নারী প্রার্থী মনোনয়নের সংকট: দলগুলোর প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়নের ব্যবধান এবং নির্বাচন কমিশনের জবাবদিহিতা।

আমরা আমাদের সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেছি যে, আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ২ হাজার ৫৬৮ জন প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ১০৯ জন অর্থাৎ মাত্র ৪.২৪ শতাংশ নারী। তাদের মধ্যে ৭২ জনকে বিভিন্ন দল মনোনীত করেছে, বাকি ৩৭ জন স্বতন্ত্র, এর মানে প্রায় ৩৪% নারী দলীয় রাজনৈতিক কাঠামোর বাইরে গিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রয়াস নিয়েছেন, যা দলগুলোর “যোগ্য নারী নেতৃত্ব নেই” যুক্তিকে দুর্বল করে এবং দলীয় মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় কাঠামোগত বৈষম্যের ইঙ্গিত দেয়।

কোনো রাজনৈতিক দলই ১০ জনের বেশি নারীকে মনোনয়ন দেয়নি, যা অন্তর্ভুক্তির তথাকথিত উদ্যোগ কতটা সীমিত ও প্রতীকী—তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন প্রণীত ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’–এর ধারা ২২(খ)-(ঘ) অনুযায়ী, প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে সংসদীয় নির্বাচনে ন্যূনতম ৫% নারী প্রার্থী মনোনয়ন নিশ্চিত করতে হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে তা ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ৩৩%–এ উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে। অথচ খোদ নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে - আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৫১টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩০টিরই কোনো নারী প্রার্থী নেই— এই পরিসংখ্যান এক বিশাল ভারসাম্যহীনতা তুলে ধরছে।

এ প্রেক্ষাপটে নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম এর দাবি -

১। জুলাই সনদে নারীর মনোনয়নে ক্ষেত্রে ন্যূনতম ঐক্যমত্যে রাজনৈতিক দলগুলো এসেছিলো, তাতে কেন সকল রাজনৈতিক দলগুলো ব্যর্থ হলো সে বিষয়ে অবিলম্বে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোকে জবাবদিহি করতে হবে
২। নারীর রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিতকরণে যে কোনো নির্বাচনী নীতিমালা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে আরও শক্তিশালী ও জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে।
৩। রাজনৈতিক দলসমূহকে নারী প্রার্থী মনোনয়নকে কোনো অনুগ্রহ বা প্রতীকী উদ্যোগ হিসেবে না দেখে জুলাই সনদে দেওয়া ন্যূনতম প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘনের দায় নিতে হবে।
৪। দলের ভেতরে নারীর রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দলগুলোকে এটিকে গণতান্ত্রিক দায়িত্ব ও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা হিসেবে বিবেচনা করে দলীয় কার্যক্রম, মনোনয়ন প্রক্রিয়া ও নেতৃত্ব বিকাশে বাস্তব ও কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে হবে।

আমরা, নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনীতিতে বাংলাদেশের নারীর অংশগ্রহণে সকল মহলের অবস্থান, সদিচ্ছা এবং পদক্ষেপ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবো এবং সে প্রেক্ষিতে নির্বাচন পরবর্তী সময়ে নারীর রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিতে সকল রাজনৈতিক দলের নারী কর্মীদের সমন্বয়ে একটি রাজনৈতিক বলয় কীভাবে তৈরি করা যায় সে বিষয়ে কাজ করবো।

একইসঙ্গে দলীয় মনোনয়নে নারী রাজনৈতিক কর্মীরা যাতে সরাসরি নির্বাচন করতে পারেন সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে সংরক্ষিত আসনে প্রত্যক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবিতে FWPR ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাবে। তাই ৫% নারী প্রার্থী মনোনয়ন নিশ্চিত করা কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি তাৎক্ষণিক ন্যায্যতার ন্যূনতম দাবি; এর নিচে কোনো অবস্থান গ্রহণযোগ্য নয়।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share