জ্ঞানের জগৎ

জ্ঞানের জগৎ পড় তোমার প্রভুর নামে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন।

বাংলা মটর মোড়ে দৃষ্টিনন্দো অত্যাধুনিক বিশাল বহুল রহস্য জনক পাশাপাশি এই অট্টালিকা দুটির মালিক- হাকিম পুরী জর্দার মালিক ব...
10/09/2026

বাংলা মটর মোড়ে দৃষ্টিনন্দো অত্যাধুনিক বিশাল বহুল রহস্য জনক পাশাপাশি এই অট্টালিকা দুটির মালিক- হাকিম পুরী জর্দার মালিক বাংলাদেশের আইকনিক ব্যবসায়ী- ১৯৫৮ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ট্যাক্স প্রদানকারী ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় মোহাম্মদ কাউছ মিয়ার। শুধু এটা নয় ঢাকা শহরে এরকম শতাধিক বাড়ি রয়েছে হাকিমপুরী জর্দার মালিক কাউছ মিয়ার! আধুনিক বিলাসবহুল আলিশান বিশাল অট্টালিকা দুটি গত ২০ বছর যাবত জন মানব শূন্য- এমনকি এই বাড়িতে কখনো কোনদিন কেউ আলো জ্বলতে দেখেনি! ২০২৪ সালে কাউছ মিয়া মৃত্যুর আগে একাধিক বার বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে ঢাকা শহরে তার অত্যাধুনিক বিলাসবহুল শতাধিক বাড়ি জনমানব শূন্য থাকার কারণ হিসেবে বলেছেন তার টাকার প্রয়োজন নাই তাই তিনি তার কোন বাড়ি ভাড়া দেন না🤭! কিন্তু কথিত আছে- ৯৪ বছরে গত ২০২৪ সালে মৃত্যুবরণ করা কাউছ মিয়া জিন- পরী- ভূত- পেত্নীর অস্তিত্ব বিশ্বাস করতেন এবং ঢাকা শহরের শতাধিক আলিশান অট্টালিকাগুলো তিনি জিন পরি ভূত-পেত্নীর বসবাসের জন্য খালি রাখেন। কাউছ মিয়ার স্ত্রীর গর্ভে জন্ম নেওয়া ১৬ জন সন্তানরাও একই নীতি অনুসরণ করছেন। কি বিচিত্র মানুষের শখ।

শুনতে রসিকতা মনে হলেও, প্রাচীন জাপানে সত্যিই এমন এক ধরনের নারী সহকারী ছিলেন, যাদের বলা হতো হেঐবিকুনি। তাদের কাজ ছিল সম্ভ...
21/07/2026

শুনতে রসিকতা মনে হলেও, প্রাচীন জাপানে সত্যিই এমন এক ধরনের নারী সহকারী ছিলেন, যাদের বলা হতো হেঐবিকুনি। তাদের কাজ ছিল সম্ভ্রান্ত পরিবারের স্ত্রী বা কন্যাদের সঙ্গে থাকা এবং তারা বায়ুত্যাগ করলে সেই দায় নিজের ওপর নেওয়া!
জাপানি অভিধান কোটোব্যাংকে হেঐবিকুনিকে এমন এক নারী বা সন্ন্যাসিনী হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যিনি সম্ভ্রান্ত নারীর সঙ্গে থাকতেন এবং তার বায়ুত্যাগসহ বিব্রতকর ভুলের দায় গ্রহণ করতেন। শব্দটির ব্যবহার অন্তত ১৫৬৩ সালের একটি লেখায় পাওয়া যায়। অর্থাৎ এই প্রথা শুধু এদো যুগেই নয়, তার আগেও পরিচিত ছিল।
পরবর্তী সময়ে এদো যুগে উচ্চবিত্ত ও সামুরাই পরিবারের নারীদের সামাজিক আচরণে কঠোর শালীনতা প্রত্যাশা করা হতো।
জনসমক্ষে বায়ুত্যাগকে একজন সম্ভ্রান্ত নারীর জন্য ভয়াবহ লজ্জার বিষয় হিসেবে দেখা হতো। বিশেষ করে অতিথি আপ্যায়ন বা সম্ভাব্য বিয়ের পাত্রের সামনে এমন ঘটনা ঘটলে সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা ছিল।
এই পরিস্থিতিতে হেঐবিকুনি পাশে থেকে বলতেন, "আমি পাদ দিয়েছি!" উপস্থিত লোকেরা সত্যটি অনুমান করলেও সামাজিক সৌজন্যের খাতিরে বিষয়টি নিয়ে আর আলাপ তুলতেন না।
এভাবে মনিবের সম্মান রক্ষা পেত। সাধারণ দায়িত্বে তারা সহচরী, পরিচারিকা বা অভিভাবকের মতো কাজ করলেও এই অস্বাভাবিক দায় গ্রহণই তাদের সবচেয়ে আলোচিত পরিচয়।
‘বিকুনি’ শব্দের অর্থ সাধারণত বৌদ্ধ সন্ন্যাসিনী। তবে সব হেঐবিকুনি প্রকৃত সন্ন্যাসিনী ছিলেন কি না, তা নিশ্চিত নয়। কেউ কেউ হয়তো শুধু সন্ন্যাসিনীর মতো পোশাক পরতেন।

এক বেদুইন (গ্রাম্য আরব) অযু করতে ঢুকলেন। তিনি নিজের জুব্বা খুলে ঝুলিয়ে রাখলেম। সুযোগ বুঝে একজন তার জুব্বার ওপর চক দিয়ে...
15/07/2026

এক বেদুইন (গ্রাম্য আরব) অযু করতে ঢুকলেন। তিনি নিজের জুব্বা খুলে ঝুলিয়ে রাখলেম। সুযোগ বুঝে একজন তার জুব্বার ওপর চক দিয়ে একটি গাধার মুখ এঁকে দিলো।

অজু শেষে বেদুইন ফিরে এসে ছবিটি দেখে বললেন, "আমার চাদর দিয়ে নিজের মুখটা মুছে গেছে, সে লোকটা কে?"

(বর্ণনাকারী বলেন, উপস্থিত লোকদের একজন এত জোরে হেসেছিল যে, কুলি করার সময় তার মুখের পানি হাসতে হাসতে কান দিয়েও বেরিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল!)

~ ত্বরায়িফুল আরব থেকে

তোমরা যখন শিখছো পড়ামানুষ হওয়ার জন্য,আমি না হয় পাখিই হবো,পাখির মতো বন্য।---------------শুভ জন্মদিন কবি আল মাহমুদ
12/07/2026

তোমরা যখন শিখছো পড়া
মানুষ হওয়ার জন্য,
আমি না হয় পাখিই হবো,
পাখির মতো বন্য।
---------------
শুভ জন্মদিন কবি আল মাহমুদ

বাংলাদশে শরীয়াহ শাসন কায়েম হলে কী কী হবে?  প্রথমত শরীয়াহ শাসন পরিচালনা করবে কে?হানাফীরা নাকি সালাফীরা? যেহেতু সংখ্যাগরিষ...
13/06/2026

বাংলাদশে শরীয়াহ শাসন কায়েম হলে কী কী হবে?

প্রথমত শরীয়াহ শাসন পরিচালনা করবে কে?

হানাফীরা নাকি সালাফীরা?

যেহেতু সংখ্যাগরিষ্ঠ হানাফী, কাজেই হানাফীরাই ক্ষমতায় বসবে, স্বাভাবিক।

এটা কী সালাফীরা মানবে? সালাফীরা সংখ্যালঘু হলেও একেবারে কমও না।

আবার হানাফীরা হলেও কোন হানাফীরা? কওমী-দেওবন্দীরা নাকি রেজভী-বেরলেভীরা?
দেওবন্দীদের কাছে বেরলেভীরা সেমি-মুশরিক, আর বেরলেভীদের কাছে দেওবন্দী-ওয়াহাবিরা গোস্তাখে রাসূল (রা)। বেরলেভী ইমাম আলা হযরত তো ‘হুসসামুল হারামাইন’ কিতাব লিখে দেওবন্দী ও ওয়াহাবীদের কাফের ফাতওয়া দিয়েই রেখেছে শত বছর আগে।

বেরলেভীদের কাছে দেওবন্দী-ওয়াহাবিরা নবীর দুশমন। তাদের পেছনে নামাজ বৈধ নয়, তাদের জবাইকৃত পশু হালাল নয়, তাদের সাথে বিয়েশাদী বৈধ নয়।

অপরদিকে দেওবন্দীদের কাছেও বেরলেভীরা আল্লাহর সিফাত নবীর (সা) সাথে লাগিয়ে শির্কে লিপ্ত আছে। এছাড়াও আরো অজস্র মারামারি তো আছেই।
ওদিকে আহলে হাদীস-সালাফী-ওয়াহাবিদের কাছে দেওবন্দী-বেরলেভী খালাত ভাই। এদের মধ্যে ১৯-২০ পার্থক্য। দেওবন্দীরা একটু কম মুশরিক হলেও বেরলেভীরা টাটকা মুশরিক। বিশেষ করে বেরলেভীদের মাজারপন্থী গ্রুপটা দুই দলের কাছেই টাটকা মুশরিক।

ধরেন, দেওবন্দীরা ক্ষমতায় গেলো। তারা কী কী করবে?

তাদের বাইরে সালাফী-বেরলেভী দুদলকেই কোণঠাসা করবে।
মাজার ভাংতে যাবে। এ নিয়ে বেরলেভীরা রাস্তায় নামবে। শেষে গিয়ে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করবে।
দেওবন্দী সরকার আলিয়া মাদ্রাসাগুলোকে কওমীকরণ শুরু করবে। এ নিয়ে তুমুল ক্যাচাল শুরু হবে।

যদি বেরলেভীরা ক্ষমতায় যায়! মাজারের বাম্পার ফলন হবে।
এই অনৈসলামিক কাজের বিরোধিতায় দেওবন্দীরা তৌহিদি জনতাকে সাথে নিয়ে রাস্তায় নামবে।
বেরলেভীরা “রাসূলের (সা) সিক্সপ্যাক ছিলো” বলা মিজানুর রহমান আজহারীকে ধরে এনে কল্লা কাটবে।
সামন্য বিষয় নিয়ে একে অন্যকে শাতিমে রাসূল (সা) বলে কল্লা কাটবে।
যদি সালাফীরা ক্ষমতা যায়, সহীহ আক্বীদাবিরোধী দেওবন্দী-বেরলেভীদের ধরে ধরে মুশরিক ফতওয়া দিয়ে কল্লা কাটবে। কওমী-আলিয়া সব মাদরাসাকে সালাফীকরণের চেষ্টা চালাবে।
এনিয়ে দেওবন্দী-বেরলেভী একজোট হয়ে রাস্তা নামবে। সরকার পতন করতে।
এতো গেলো মাসলাকি দ্বন্দের মারামারি।
রাষ্ট্রীয় আইন কানুনে কী কী ঘটবে!
দেওবন্দীরা ক্ষমতায় গেলে তো হানাফী আইনশাস্ত্রের শরীয়াহ কায়েম করবে।
হানাফী মতে নামায ত্যাগকারী মুরতাদ নয়, তবে তাকে বন্দী করে বেত্রাঘাত করতে হবে যতক্ষণ সে নামায শুরু না করে।

কিন্তু সালাফীদের তো আবার এটা চলবে না। তারা তো জাহিরি বা হাম্বলী আইনশাস্ত্রের শরীয়ায় বিশ্বাস করে। কয়েকদিন আগে মুজাফফর বিন মহসিন সাহেব তো হাম্বলী মতের আইন ‘নামাযত্যাগকারীকে হত্যা করতে হবে’ বয়ানও করলেন।

কাজেই সালাফীরা হানাফীদের শরীয়াহ শাসনকে অনৈসলামিক ঘোষণা করবে। এদেরকে হটানোর আওয়াজ ওঠাবে।
অন্যদিকে গোয়ার-জাহেল তৌহিদি জনতা রাস্তায় বোরকা না পরা মহিলাদের ধরে ধরে দ্বীনি-ইভটিজিং শুরু করবে। তাকে নিয়ে আবার আরেক গ্রুপ ফুলের মালা পরিয়ে আনন্দ মিছিল করবে।
এছাড়াও পারসিয়ালিটি হবে তুঙ্গে। দেওবন্দীরা ক্ষমতায় থাকলে তাদের নিজেদের অপকর্ম ঢাকবে, বেরলেভীরা গেলে তাদের নিজেদের, সালাফীরা গেলে তাদের নিজেদের।
ওদিকে আবার বিশুদ্ধ ইসলামী খেলাফতের দাবিদার মানহাজী-আলকায়েদিস্ট ও আইসিসপন্থীরা এই সমস্ত গ্রুপের শরীয়াহ শাসনকে প্রত্যাখ্যান করে, দারুল কুফর ফাতওয়া দিয়ে পাহাড়ে গিয়ে আস্তানা গাড়বে। কারণ এরা সবাই কাফের রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক করে, “পরিপূর্ণ শরীয়াহ” বাস্তবায়ন না করে মুরতাদ হয়ে যাবে।
কাজেই তারা পাহাড়ে থেকে কালোপতাকা উড়িয়ে ঢাকা এ্যাটাক করে ঢাকা বিজয় করতে চাইবে।
সহীহ আল ওয়ালা ওয়াল বাবার “ইসলামী ইমরাহ” গঠনের ঘোষণা দেবে। তারপর যারা আগে ক্ষমতা পেয়ে কাফের রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক করছিলো, কিছু কিছু মানবরচিত বিধান রেখে দিয়েছিলো তাদের কল্লা কাটবে।
ফিরকার দ্বীন চর্চাকারীদের দ্বারা এসবের বাইরে কিছু হবে না।

অনেকে আবার বলতে পারে “আফগানিস্তানে তো খুব ভালো চলিতেছে”।
তাই নাকি? কোথায়?
আফগানিস্তানে উগ্র হানাফী-দেওবন্দী শাসন চলতেছে।
সেখানে ক্ষুদ্রতম গোষ্ঠী সালাফীরা একপ্রকার নিষিদ্ধই। কিছু সালাফী আলেমকে আইসিস অভিযোগে হ*ত্যা পর্যন্ত করা হয়েছে। ইবনে আব্দুল ওয়াহহাবসহ সালাফী আলেমদের বইপুস্তক নিষিদ্ধ। হানাফি ফিকহের বাইরের মতগুলো প্রকাশ্যে প্রচার নিষিদ্ধ।
এমনকি শিয়ারা পর্যন্ত কোণঠাসা পর্যায়ে আছে। এবারের ঈদুল ফিতরে যে তারা একদিন আগে চাঁদ দেখার ঘোষণা দিয়ে ঈদ করলো, সেখানে শিয়া আলেমদেরকে বলছিলো তাদের এই চাঁদকে স্বীকৃতি দিতে। তারা দিতে অস্বীকার করায় ৩ জন শিয়া আলেমকে বন্দী করেছিলো।
যারা কথায় কথায় দেশে শরীয়াহ শাসন কায়েম করে ফেলেন, তাদের ধারণাও নাই সেটা হলে কী হবে এই দেশে।
ফিরকাবাদিতা-মাসলাকবাদিতার এই স্বর্ণযুগে, বিশেষ করে বাংলাদেশে শরীয়াহ শাসন কায়েম করে শান্তি প্রতিষ্ঠা তো দূরের কথা, শান্তির ঘটি বাটি শুদ্ধো উজাড় হবে।
কমপক্ষে ৮০% বিষয়ে এক পক্ষ আরেকপক্ষের উপর চড়াও হবে। এমনকি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয় নিয়েও।

আল্লাহর রজ্জুকে শক্ত করে ধরে রাখা ফরজ। অর্থাৎ সকল উম্মাহ ঐক্যবদ্ধ থাকা ফরজ। আর যারা ফরজ তরক করে আল্লাহ তাদের ক্ষমতা দেন না।

নদী পার হবার জন্য কাঠের তৈরি নৌকা নেই? কোনো সমস্যা নেই। ষাঁড়ের চামড়া শুকিয়ে সেটার ভেতর বাতাস ভরে গত শতকের শুরুতে এভাবেই ...
12/06/2026

নদী পার হবার জন্য কাঠের তৈরি নৌকা নেই? কোনো সমস্যা নেই। ষাঁড়ের চামড়া শুকিয়ে সেটার ভেতর বাতাস ভরে গত শতকের শুরুতে এভাবেই নদী পার হয়েছে উত্তর ভারতের লোকজন। ছবিটি ১৯০৩ সালে তোলা।

মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও নামকরা শাড়ির দোকান ছিলো দুদু শাড়িঘর। তখন আড়ং বলতে কিছু ছিলো না। পুর...
12/06/2026

মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও নামকরা শাড়ির দোকান ছিলো দুদু শাড়িঘর। তখন আড়ং বলতে কিছু ছিলো না। পুরান ঢাকার এই দুদু শাড়িঘরকেই বলা হত আধুনিক শাড়িঘর। নায়িকারাও দুদু শাড়িঘর থেকেই শাড়ি কিনতেন, যা সিনেমার পর্দায় দেখা যেত। ২০০৩ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হারভাজন সিং পর্যন্ত এসে তার স্ত্রীর জন‍্য এখান থেকে শাড়ি কিনে নিয়ে যান।

কিন্তু কি এমন হলো যে মাত্র একবছরেই তাদেরকে ব‍্যবসা গুটিয়ে চলে যেতে হলো?

২০০৪ সালের এক সকালে দুদু শাড়িঘরের জেষ্ঠ্য কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠাতা দুদু মিয়া ঘুম থেকে উঠে পত্রিকা পড়তে পড়তে চা খাচ্ছিলেন। আচানক স্ট্রোক করে তিনি মৃ*ত‍্যুর কোলে ঢলে পরেন। তার তখন দুই পুত্র সন্তান। এবং দুজনই মাদ*কাসক্ত ছিলেন। বাবার অবর্তমানে এই দুই ছেলে তাদের ব‍্যবসার দায়িত্ব বুঝে নেন এবং তারা সরাসরি নিজেরাই দোকানগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করেন। নে*শার টাকা জোগাতে একসময় তারা কমদামে শাড়িগুলো বিক্রি করে দিতে শুরু করেন। ক্রেতারাও তখন এক হাজার টাকার পণ‍্য মাত্র দশ টাকায় পেয়ে তাদের দোকানে হুমড়ি খেয়ে পরতে শুরু করেন। এভাবেই গা*জার টাকা জোগাড় করতে তৎকালীন ১০ কোটি টাকা মূল‍্যের ব‍্যবসাটি তারা মাত্র ১০ হাজার টাকায় ধ্বংস করে দেন।

দুদু শাড়িঘর পুরান ঢাকার পোশাক শিল্পের একটি ইতিহাস হয়ে থাকবে সবসময়।

এতোদিন বিজিবিকে যেন ট্রেনিংয়ে আক্রমণের মন্ত্র পড়িয়ে বর্ডারে নিয়ে দাড় করিয়ে বলা হতো শুধু চেয়ে চেয়ে দেখবে!সেই চাপা ক...
10/06/2026

এতোদিন বিজিবিকে যেন ট্রেনিংয়ে আক্রমণের মন্ত্র পড়িয়ে বর্ডারে নিয়ে দাড় করিয়ে বলা হতো শুধু চেয়ে চেয়ে দেখবে!
সেই চাপা কষ্ট যেন উত্রে বের হচ্ছে!এতো সাহস, এতো শক্তি দেখে সত্যি সারপ্রাইজড,বিজিবি জওয়ানরা বিএসএফের সাথে প্রতিবাদকে ইন্জয় করছে ।

বিজিবি ভারতের পুশ-ইন নিয়ে সতর্কতা হিসেবে ফায়ারিং পজিশনে চলে গেছে। একটু এদিক-সেদিক হলেই ফায়ার করে ! আর বিএসএফ দৌড়পারে ,,,

রাতে ভারতীয় বিএসএফ কর্তৃক পুশ-ইন ঠেকাতে বিজিবি এখন থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা ব্যবহার শুরু করেছে।

এছাড়া দেশের ২৬ জেলার সীমান্তে ৬০ হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এখন ৬০ হাজারের সামনে ভা’রতের ৬ লাখ মোতায়েন করতে হবে কারণ প্রথমতঃ-বিজিবি শহীদি মনোভাব রাখে, দ্বিতীয়তঃ-বিজিবি আর্মির কপি,উন্নত ট্রেনিং প্রাপ্ত।

পক্ষান্তরে বিএসএফের অস্ত্র ট্রেনিং গ্রামপুলিশ পর্যায়ের,মৃত্যু ভয় প্রচন্ড আছর করে-শহীদি চেতনা নেই ভীতু ।

এক চুলও ছাড় না দেওয়ার বিজিবির এমন সাহসী দৃশ্য আগে কখনো দেখি নাই। রাষ্ট্রের প্রধান ব্যক্তির কমর সোজা থাকলে তার ফলাফল যে সীমান্তেও দেখা যায় ।

এই দৃশ্য আত্মমর্যাদার, এই দৃশ্য মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর, সম্মান গৌরবের ও গর্বের।

২০১৪ বিশ্বকাপ ফুটবল সময়কার একটা মজার ইন্সিডেন্ট মনে পড়ে গেলো। হন্ডুরাস নামের দেশটা বিশ্বকাপ খেলতে এসেছে। ফেসবুক তখন বাংল...
09/06/2026

২০১৪ বিশ্বকাপ ফুটবল সময়কার একটা মজার ইন্সিডেন্ট মনে পড়ে গেলো। হন্ডুরাস নামের দেশটা বিশ্বকাপ খেলতে এসেছে। ফেসবুক তখন বাংলাদেশে তুমুল জনপ্রিয়৷ এই কোয়ারেন্টিনে যেমন বাঙালির খেয়ে-দেয়ে কোনো কাজ-কাম না থাকায় একটার পর একটা উদ্ভট ও সার্কাস্টিক গ্রুপ খুলে মজা নিচ্ছে। তখনও ঘটলো এরকম একটা ঘটনা। একদল পুংটা ছেলে-পেলে মিলে মজার ছলে একটা ইভেন্ট খুলে ফেললো, "আমরা হন্ডুরাস ফুটবল দলের পাগলা ফ্যান"।
(এক্সাক্ট নাম মনে পড়ছে না, তবে এরকম কিছু একটাই ছিল ইভেন্টের নাম)
বাঙালি যেহেতু নতুন কিছু পাইলেই মাথায় তুইলা নাচে। এক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম হলো না। দেশের আপামর ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফ্যান থেকে শুরু করে হালের প্লাস্টিক "জার্মানি-স্পেন-ফ্রান্স" ঐক্যজোট সবাই বনে গেলো হন্ডুরাসের ফ্যান! ইভেন্টে তো বটেই, টাইমলাইন থেকে টাইমলাইনে, গ্রুপ থেকে গ্রুপে ছড়িয়ে পড়লো হন্ডুরাসের জয়জয়কার। সার্কাজম, ট্রল, মিম কোনো কিছুই বাদ পড়লো না। কেন হন্ডুরাসই এবারের বিশ্বকাপ নিবে - তা নিয়ে শুরু হলো গভীর বিশ্লেষন! নানা ইকুয়েশন ও স্ট্যাট ঘেটে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফ্যানরা বের করলো হন্ডুরাসই তাদের এই বিশ্বকাপ জয়ের প্রধান বাধা। কয়েকদিনেই ইভেন্টটা ভাইরাল হয়ে গেলো, লাখ লাখ গোয়িং পড়তে থাকলো।
ব্যাপারটা এতটুকু হলেও মানা যেত, কোন পুংটা সাংবাদিক জানি এই ইভেন্ট নিয়া জাতীয় পত্রিকায় একটা নিউজও করে ফেলে! আর সে নিউজ কোনোভাবে হন্ডুরাসের জনগনের কাছে পৌঁছে যায়। তাদের মিডিয়াও এটা নিয়ে নিউজ করা শুরু করে। তারপর শুরু হয় আরেক বিনোদন, দলে দলে হন্ডুরাসের মানুষজন এই ইভেন্ট শেয়ার ও ইভেন্টে এসে বাংলাদেশের প্রতি রেসপেক্ট ও ভালোবাসা জানাতে লাগলো। তারা সহজ-সরল মানুষ, বাঙালিদের মতো এত প্যাঁচ নাই ভেতরে। ঘুনাক্ষরেও বুঝতে পারে নাই যে এটা সার্কাস্টিক ইভেন্ট, বাঙালিরা তাদের নিয়ে মজা নিচ্ছে।
তবে বাঙালির মাঝে ব্যাপারটা হঠাৎ সম্পূর্ণ 180 ডিগ্রি ইউটার্ন নিয়ে নিলো৷ হন্ডুরাসের মানুষগুলার সিরিয়াসনেস দেখে অনুশোচনায় হোক, বা মান-সম্মান বাঁচানোর কারনেই হোক, সত্যি সত্যি হন্ডুরাস ভালো খেলুক এটা সবাই প্রার্থনা করা শুরু করলো। যদিও সৃষ্টিকর্তা সে প্রার্থনা শুনেন নি, তারা গ্রুপ স্টেজ পার হতে পারে নি।
ব্যাপারটা এতটুকুতে থামলেও কথা ছিল, পরের বছর অর্থাৎ ২০১৫ সাল ছিল বিশ্বকাপ ক্রিকেটের বছর৷ ক্রিকেট কিন্তু বহির্বিশ্বে ওতোটা জনপ্রিয়ও না। তবুও কেমনে কেমনে জানি হন্ডুরাসের জনগন আমাদের মনে রাখলো। তারা গুগলের সাহায্যে ওই সময়ই জেনে নিয়েছিল বাংলাদেশ কোন খেলায় পারদর্শী৷ এবার শুরু হলো তাদের প্রতিদান দেওয়ার পালা। তারাও শুরু করলো বাংলাদেশকে সাপোর্ট দেওয়া। হাস্যরস আর কৌতুক থেকে এভাবেই জন্ম নেয় রেস্পেক্ট আর ভালোবাসার গল্প।
স্পোর্টস জিনিষটা কতটা পাওয়ারফুল, কতটা মিনিংফুল, হাজার মাইল দূরের দুটো দেশ, ধর্ম সংস্কৃতি আচার-ব্যবহারে সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটো দেশকে কিভাবে কতটা কাছাকাছি নিয়ে আসে৷ কিভাবে সম্পূর্ন অপরিচিত দেশকে জানতে বুঝতে সাহায্য করে।
আর কোনো মাধ্যম আছে এতোটা ইফেক্টিভ?

মাঝেমধ্যে ভাবি, আল্লাহ কেন কুকুর সৃষ্টি করলেন? কুকুর খাওয়া যায় না, বিনা কারণে পালাও নিষেধ। নামাযের সামনে দিয়ে গেলে নামায...
31/05/2026

মাঝেমধ্যে ভাবি, আল্লাহ কেন কুকুর সৃষ্টি করলেন?

কুকুর খাওয়া যায় না, বিনা কারণে পালাও নিষেধ। নামাযের সামনে দিয়ে গেলে নামায ভেঙে যায়। খাবার পাত্রে মুখ দিলে সাত সাতবার ধুতে হয়। শেষে মাটি দিয়ে আবারও ঘষতে হয়। চামড়া প্রক্রিয়াজাত করে ব্যবহার করা যায় না। মাংস-দুধ খাওয়া যায় না।

এরপরও আল্লাহ কেন কুকুর সৃষ্টি করলেন?
আল্লাহর কোন সৃষ্টিই হিকমতের বাইরে নয়। আমরা দেখি আসহাবে কাহফের সঙ্গী হয়েছে একটি কুকুর। একটি তেজস্বী কালো ঘোড়া, বলবান মহিষ কিংবা বনের রাজা সিংহও তো তাঁদের সঙ্গী হতে পারতো। হলো না। কেন?

সম্প্রতি জনাব সাদেক মিয়ানমারের একটি গ্রাম থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তার সাথের পোষা কুকুরটিও না খেয়ে দীর্ঘ পথ মাড়িয়ে এসেছে।
বার্মার বর্বর সৈন্যরা যখন তাদের আক্রমন করে, সাদেকের পাহারাদার কুকুরটি তেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু গুলির সামনে একটি কুকুর কিই বা করতে পারে। নাফ নদীর পারে তারা পাঁচদিন বসে ছিল। এতটুকু পখ কুকুরটি তাদের সাথেই হেঁটে হেঁটে এসেছে। ট্রলারে উঠে তারা যখন শাহপরীর দ্বীপ রওনা হয়েছেন, কুকুরটি পাড়ে ডাকাডাকি শুরু করেছে। অবশেষে নদীর স্রোত ঠেলে একাই সাঁতড়ানো শুরু করেছে। শেষে ট্রলার ঘুরিয়ে এনে বাড়তি একজন যাত্রীর ভাড়া দেয়ার শর্তে ‍কুকুরটিকে দেশে নিয়ে আসা হয়েছে। আমার আসহাবে কাহফের কুকুরটির কথা খুব মনে পড়ছে। মাওলানা রুমি বলেছেন,
شد سر شیران عالم جمله پست ** چون سگ اصحاب را دادند دست‌‌
বিশ্বে যখন বাঘ-সিংহের মাথা হেঁট হলো, তখন আসহাবে কুকুর ভাগ্যে এগিয়ে গেলো

ঘৃণ্য আকৃতির জন্য আসহাবে কাহফের কুকুরের আর কি ক্ষতি, যখন তার আত্মা ডুবে আছে নুরের সমুদ্রে।
হাচিকো নামের একটি কুকুর ছিল জাপানের এক প্রফেসরের। একদিন প্রেন স্টেশনে হাচিকোকে বিদায় জানিয়ে তিনি আর ফিরে আসেননি। আসলে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে হার্ট এটাক করে মারা গিয়েছিলেন। পরবর্তী নয়টি বছর ঝড়বৃষ্টি সব উপেক্ষা করে হাচিকো তার মালিকের অপেক্ষা করেছে- শিবুয়া স্টেশনে। একদিন সেখানেই প্রাণত্যাগ করেছে।

আরেকটি কুকুর ছিল অস্ট্রেলিয়ার রেড ডগ। তার মালিক মারা যাওয়ার পর তার খোঁজে সে পুরো অস্ট্রেলিয়ার উপকূল চষে ফেলেছিল। এমন উদাহরণ ভুরি ভুরি আছে। আমরা কতটুকু শিক্ষা নেই, সেটাই হলো কথা।
শিবলিকে বলা হয়েছিল, আপনি তাসাউফ শিখলেন কিভাবে? তিনি বললেন, আমি এক রাতে দেখেছিলাম একটি কুকুর মনিবের দরজার সামনে বসে আছে। মনিব বারবার তাকে তাড়িয়ে দিচ্ছে। সে আবারও এসে বসছে। আমি বললাম, কুকুরকি কি নির্লজ্জ। তখন কুকুরটি বলে উঠল, আমি কোথায় যাবো? সে যে আমার মনিব!’
আশ্চর্যের বিষয় হলো যুন-নূন তাসাউফের সংজ্ঞায় বলেছেন, আল ইনাখাতু ইলা বাবিল হাবিব, ওয়া ইন তুরিদা আনহু অর্থাৎ তাড়িয়ে দেয়া হলেও প্রেমাষ্পদের দরজায় পড়ে থাকা। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ ছাড়া বর্তমানে কুকুর ছাড়া আর কোথাও দেখা যায় কি?

আসলে আল্লাহ যা বানিয়েছেন, সবকিছুতেই বিরাট প্রজ্ঞা আছে, আমরা বুঝি আর না বুঝি।
ছবি: শরণার্থীদের সাথে আসা সেই কুকুরটি।
(C)

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জ্ঞানের জগৎ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to জ্ঞানের জগৎ:

Shortcuts

Share

Category