PBI EAST

PBI EAST পিবিআই (পূর্বাঞ্চল) এলাকাসমূহের সকল প্রকার সংবাদ

11/08/2026
01/08/2026

মানিকগঞ্জে মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সাগর আহমেদ (২৪) নামে এক যুবকের মৃত্যুর চাঞ্চল্যকর রহস্য উদঘাটন করেছে পুলি...

01/08/2026

গাজীপুরে ঘুমন্ত স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা: ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানার পালেরপাড়া এলাকায় ঘুমন্ত স্ত্রীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। হত্যাকাণ্ডের মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি ও নিহতের স্বামী মো. আলম হোসেন (২৯)-কে বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে গাজীপুর জেলা পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রকিবুল আক্তার এ হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি জানান, প্রায় ছয় বছর আগে মিম আক্তার (২৮)-এর সঙ্গে আলম হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তিন বছর বয়সী একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। মিম স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। অন্যদিকে আলম পেশায় অটোরিকশা চালক হলেও তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন এবং নিয়মিত জুয়ায় জড়িত ছিলেন।

তদন্তে জানা যায়, গত ২৫ জুলাই মিম তার বেতনের ৫ হাজার টাকা ঘরের ড্রয়ারে রেখে দেন। পরে ২৭ জুলাই রাতে আলম কাউকে না জানিয়ে সেই টাকা নিয়ে জুয়া খেলেন এবং পুরো টাকাই হারিয়ে ফেলেন। পরদিন মিম ওষুধ কেনার জন্য টাকা খুঁজতে গিয়ে টাকা না পেয়ে আলমকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে আলম ও তার মা জাহানারা বেগম (৪৭) মিলে মিমকে মারধর করেন। ভীত হয়ে সেদিন রাতেই মিম তার বোনের বাসায় চলে গেলেও পরে পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে আবার স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসেন।
পুলিশ সুপার আরও জানান, ২৮ জুলাই ভোর আনুমানিক ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে মিম ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় আলম হোসেন ও তার সহযোগীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথা, কপালসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। এরপর তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর বাসন থানায় মামলা (মামলা নং-৫১) দায়ের হলে পিবিআই গাজীপুর ছায়া তদন্ত শুরু করে। পিবিআই প্রধানের নির্দেশনা এবং গাজীপুর ইউনিটের বিশেষ তদারকিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম জামানের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ৩০ জুলাই ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বরিশালের কোতোয়ালি থানার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে আলম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রকিবুল আক্তার বলেন, পারিবারিক কলহের পাশাপাশি আসামির মাদকাসক্তি ও জুয়ার প্রতি আসক্তিই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আলম হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

31/07/2026

কেরাণীগঞ্জে প্রেমের দ্বন্দ্বে কিশোরীকে গলা কেটে নৃশংস হত্যাকাণ্ড; পিবিআই কর্তৃক ২৪ ঘণ্টায় হত্যা রহস্য উদঘাটন; ভিকটিমের লুটকৃত মোবাইল ও অলংকার উদ্ধার; গ্রেফতার-০১, আদালতে স্বীকারোক্তি

ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঢাকার কেরাণীগঞ্জে সংঘটিত কিশোরী মোসাঃ তানজিলা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনসহ হত্যাকারী মোঃ রানা হাওলাদারকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই ঢাকা জেলা। গত ২৯/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকু, ভিকটিমের ব্যবহৃত স্মার্টফোন এবং তার ব্যবহৃত অলংকার উদ্ধার করা হয়েছে।

গত ২৭/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ দুপুরে কিশোরী মোসাঃ তানজিলা (১৭) দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের বাঘৈরে তার খালার বাসায় দুপুরের খাবার খেয়ে বিকেলে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন গত ২৮/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ কেরাণীগঞ্জ মডেল থানার মদিনানগর এলাকা থেকে গলাকাটা অবস্থায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিমের মা মরদেহটি তানজিলার বলে শনাক্ত করেন। এই ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে কেরাণীগঞ্জ মডেল থানার মামলা নং—৭৭, তারিখ—২৯/০৭/২০২৬খ্রিঃ ধারা—৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড দায়ের করেন। গত ২৯/০৭/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ পিবিআই ঢাকা জেলা স্ব—উদ্যোগে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে এসআই (নিঃ) মোঃ সাইদুল হক মামলাটি তদন্ত করছেন।

পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল-এর সার্বিক দিকনির্দেশনা এবং পিবিআই, ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম. এন. মোর্শেদ, পিপিএম-এর তত্ত্বাবধানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামি মোঃ রানা হাওলাদার (৩০)-কে ২৯/০৭/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ ভোর ৩:৩০ ঘটিকায় দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, ভিকটিমের দুটি স্মার্টফোন ও অলংকার উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

পিবিআই এর তদন্তে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত মোঃ রানা হাওলাদার কেরানীগঞ্জে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করত। ভিকটিম মোসাঃ তানজিলার সঙ্গে তার গত ৬/৭ মাস ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তানজিলা রানার কাছে ৩০ হাজার টাকা চাইলে তা দিতে না পারায় তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। গত ২৭/০৭/২০২৬ তারিখ বিকেলে রানা নিজ অটোরিকশায় তানজিলাকে নিয়ে কেরানীগঞ্জের কালিন্দী ইউনিয়নের মদিনানগর এলাকাস্থ ফাকা হাউজিং প্লটে নিয়ে যায়। সেখানে ঝগড়ার একপর্যায়ে রানা গলা চেপে ধরে ফল কাটার চাকু দিয়ে গলা কেটে তাকে হত্যা করে। পরে ভিকটিমের দুটি স্মার্টফোন, রূপার চেইন ও ব্রেসলেট নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে পিবিআই ঢাকা জেলার ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার জনাব এম. এন. মোর্শেদ, পিপিএম বলেন, “চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পিবিআই ঢাকা জেলার ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি অধিগ্রহণ করা হয়। নিরলস, প্রযুক্তিনির্ভর ও তথ্যভিত্তিক তদন্তের মাধ্যমে আমরা ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করতে সক্ষম হই।”

ঘটনার সাথে অন্য আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে ।

23/07/2026

প্রেম থেকে পরিণতি মৃত্যু: বিয়ের চাপের জেরে গার্মেন্টসকর্মী সাদিয়াকে হত্যা, ১০ দিনের মধ্যেই পিবিআই কর্তৃক ঘাতক প্রেমিক গ্রেফতার, আদালতে স্বীকারোক্তি

গত ১২ জুলাই ২০২৬ রাত ১১:৪০টা থেকে ১৩ জুলাই রাত ১০:০০টার পূর্বে যেকোনো সময় সাদিয়া আক্তারকে হত্যা করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয় পারিবারিক কলহের জেরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. রিয়াজ মোল্লা বাদী হয়ে নিহতের স্বামী মো. ইব্রাহিম (২৭), তার পিতা মো. মহি উদ্দিন, মাতা মোছা. তাসলিমা বেগম এবং অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার মামলা নং-২৫, তাং- ১৫/০৭/২০২৬খ্রি: জি.আর. নং-৩৭৩, ধারা- ৩০২/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০ দায়ের করেন। গত ১৬ জুলাই ২০২৬ খ্রি. তারিখ পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে পুলিশ উপ-পরিদর্শক (নিঃ) মোঃ রিয়াজ উদ্দিন রনি মামলাটির তদন্ত করছেন।

পিবিআই এর তদন্তকারী তথ্য-প্রযুক্তির বিশ্লেষণ ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে ১৬ জুলাই ২০২৬ রাতে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন কোনাপাড়া এলাকা থেকে এজাহারভুক্ত আসামি মো. ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২১ জুলাই ২০২৬ বিকেল হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি আব্দুর রাজ্জাক (২৫)-কে ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন জিঞ্জিরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেন এবং গত ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখ বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

পিবিআইর তদন্তে এবং আসামির আব্দুর রাজ্জাকের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনায় জানা যায় যে, নিহত গার্মেন্টসকর্মী সাদিয়া আক্তারের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে তারা সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি বাতানপাড়ায় স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। ১২ জুলাই ২০২৬ সাদিয়া বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আব্দুর রাজ্জাক সাদিয়ার গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং মরদেহ ভাড়া বাসায় রেখে আত্মগোপনে চলে যায়।

ঘটনার সাথে অন্য আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

18/07/2026

পরকীয়া থেকে নির্মম হত্যাকাণ্ড, দুই সপ্তাহেই সীমান্ত এলাকা থেকে আসামি গ্রেফতারএবং আসামির বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান।

সাভারে পরকীয়ার জেরে ধর্ষণের পর হত্যা করে ভারতে পালানোর পথে ঘটনায় জড়িত আসামী মোঃ মাসুম ইসলামকে গ্রেফতারসহ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পিবিআই ঢাকা জেলা। গত ১৪/০৭/২০২৬ ইং তারিখ কুড়িগ্রাম জেলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গত ২ জুলাই ২০২৬ খ্রি. তারিখ দুপুর আনুমানিক ১.৩০ টায় সাভার থানার বড়দেশী এলাকায় ভাড়া বাসায় ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার শিকার হন ভাড়াটিয়া মোছা. শারমিন আক্তার (৩৯) তাঁর শয়নকক্ষ হতে রক্তাক্ত অবস্থায় ডিসিস্ট মোছা. শারমিন আক্তারের লাশ উদ্ধার করা হয়এবং সিআইডির ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয় যে, পরকীয়াজনিত বিরোধের জেরে অভিযুক্ত তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের পর ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এই ঘটনায় নিহতের বাবা মো. শাওকাত হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানার মামলা নং-১৮, তারিখঃ ০৩/০৭/২০২৬ খ্রি., ধারাঃ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(২) ধারায় মামলা দায়ের করেন। গত ৮ জুলাই ২০২৬ খ্রি. তারিখ পিবিআই ঢাকা জেলা স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মো. খালেদ মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে তদন্ত পরিচালনা করছেন।

পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল এর সার্বিক দিক-নির্দেশনায় পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম.এন. মোর্শেদ, পিপিএম-এর তত্ত্বাবধানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাতথ্য-প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত করে। গত ১৪/০৭/২০২৬ ইং তারিখ কুড়িগ্রাম জেলার সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতে পালানোর পথে ঘটনায় জড়িত আসামী মোঃ মাসুম ইসলাম, পিতা-মোঃ ইউনুস মণ্ডল, সাং-ফুলখা মণ্ডলপাড়া, থানা-রাজারহাট, জেলা-কুড়িগ্রাম (বর্তমানেকাতলাপুর জনৈক আল-আমিন এর বাড়ির ভাড়াটিয়া, থানা-সাভার, জেলা-ঢাকা) কে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী মাসুম ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকার করে এবং বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ এর ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

পিবিআই এর তদন্তে, ঘটনাস্থল থেকে জব্দকৃত আলামত, এবং আসামীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনায় জানা যায় যে,গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ মাসুম ইসলাম প্রজাপতি পরিবহনের লাইনম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করত। পাশাপাশি সাভারের কাতলাপুর এলাকায় তাঁর পিতার চায়ের দোকানেও কাজ করত। ওই চায়ের দোকানের পেছনেই ভিকটিম মোছাঃ শারমিন আক্তার ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। সেখান থেকেই তাদের মধ্যে পরিচয় হয় এবং একপর্যায়ে উভয়ে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ভিকটিম সাভারের বড়দেশী এলাকায় নতুন বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করলে আসামি নিয়মিত সেখানে যাতায়াত করত।ঘটনার আগের রাতে পরকীয়াজনিত সম্পর্ককে কেন্দ্র করে মোবাইল ফোনে তাদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। ঘটনার দিন আসামি ভিকটিমের বাসায় গিয়ে তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। পরে পুনরায় মনোমালিন্যের একপর্যায়ে ভিকটিমের ব্যবহৃত ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে শারীরিক সম্পর্কের আলামত, একটি সিগারেটের খোসাসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পিবিআই ঢাকা জেলার ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার জনাব এম.এন. মোর্শেদ, পিপিএম বলেন, “চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার সংবাদ প্রাপ্তির পরপরই পিবিআই ঢাকা জেলার ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ছায়া তদন্ত অব্যাহত রাখে এবং স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি অধিগ্রহণ করে। নিরলস তদন্তের মাধ্যমে আমরা মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে ঘটনার সাথে জড়িত আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করতে সক্ষম হই।”

এ সময় তিনি আরও বলেন, "পিবিআই বিশ্বাস করে-বিজ্ঞানভিত্তিক তদন্ত, পেশাদার দক্ষতা ও নিরলস প্রচেষ্টার কাছে অপরাধ যত দূরেই পালানোর চেষ্টা করুক না কেন, সত্য উদ্ঘাটিত হবেই, অপরাধী আইনের আওতায় আসবেই এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবেই।"ঘটনার সাথে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

09/07/2026

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে গৃহবধূ আছমা আক্তার (২৬) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করে ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তার স্বামী...

09/07/2026

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ১৬ বছর বয়সী কিশোর অটোরিকশাচালক সাকিবুল হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুর...

06/07/2026

ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির অভিযোগের জেরে যুবককে গলা কেটে হত্যা; ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পিবিআইয়ের অভিযানে ৪ আসামি গ্রেফতার, একজনের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

গত ০৫/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখ সকালে ময়মনসিংহ নগরীর ৩৬ বাড়ি কলোনি, আর.কে. মিশন রোডের একটি ভাড়া বাসায় মো. রুবেল (৩৮) নামে এক যুবককে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরপরই পিবিআই, ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ পরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে। ছায়া তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হক ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গত ০৫/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ দিবাগত রাত ১২:১০ ঘটিকায় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত চার আসামি-(১) রহমত (৩০), (২) জনি (২৮), (৩) রকি (২৬) এবং (৪) ইমরাজ (১৮)-কে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা মো. আব্দুল হামিদ বাদী হয়ে বাড়িওয়ালাসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা নং-১৮, তারিখ: ০৬/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ধারা: ৩২০/৩৪ পেনাল কোডে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি পিবিআইয়ের তফসিলভুক্ত হওয়ায় ০৬/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে পিবিআই, ময়মনসিংহ জেলা স্ব-উদ্যোগে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছেন পুলিশ পরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হক।

গ্রেফতারের পর আসামিদের নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে আসামি জনি (২৮) ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। পরবর্তীতে ০৬/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে গ্রেফতারকৃত চার আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে তাদের মধ্যে আসামি জনি (২৮) ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

পিবিআইয়ের তদন্ত এবং আসামি জনির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি থেকে প্রাথমিকভাবে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে নিহত রুবেল ময়মনসিংহ নগরীর ৩৬ বাড়ি কলোনির আর.কে. মিশন রোডে পারুলের বাসায় একটি কক্ষ ভাড়া নেন। পরবর্তীতে বাসার মালিক ও তার পরিবারের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং একপর্যায়ে তাকে বাসা ছেড়ে দিতে বলা হয়। ঘটনার দিন ভোরে রুবেলের সঙ্গে পারুলের বাকবিতণ্ডা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সময় রুবেল পারুলকে শ্লীলতাহানি করেন। বিষয়টি জানতে পেরে পারুলের চার ছেলে ক্ষুব্ধ হয়ে পরিকল্পিতভাবে রুবেলের ওপর হামলা চালায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গলা কেটে হত্যা করে।

হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি জড়িত রয়েছে কি না, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

06/07/2026

ব্যাংক থেকে টাকা তুলে ছিনতাইয়ের শিকার, পিবিআই মৌলভীবাজার কর্তৃক রহস্য উদ্ঘাটন, প্রধান আসামি গ্রেফতার, মোটরসাইকেল উদ্ধার, স্বীকারোক্তি

গত ২২/০৬/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ সকাল আনুমানিক ১১:২০ ঘটিকায় মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ থানাধীন শমসেরনগর পূবালী ব্যাংক শাখা থেকে ১,৪৩,০০০/- (এক লক্ষ তেতাল্লিশ হাজার) টাকা উত্তোলন করে সিএনজিযোগে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে কমলগঞ্জ থানাধীন ৬নং আলীনগর ইউনিয়নের আলীনগর চা বাগান ফ্যাক্টরির দক্ষিণ পাশে কালীমন্দির সংলগ্ন সড়কে পৌঁছামাত্র অজ্ঞাতনামা ০৪ জন ছিনতাইকারী ০২টি মোটরসাইকেলযোগে তাদের গতিরোধ করে। পরে তারা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বাদী রেহেনা বেগমের নিকট থাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলিত নগদ ১,৪৩,০০০/- টাকা ও চেকসহ ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রেহেনা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কমলগঞ্জ থানায় মামলা নং–১০, তারিখ–২৩/০৬/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা–৩৯২ পেনাল কোডে একটি ছিনতাই মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার পর থেকেই পিবিআই মৌলভীবাজার জেলা ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে পিবিআই হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে মামলাটি পিবিআই মৌলভীবাজার জেলা স্ব-উদ্যোগে তদন্তভার গ্রহণ করে এবং এসআই (নিঃ) আবুল কাশেমকে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করা হয়।

ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার প্রধান আসামি সেলিম আহমদ @ অনিক @ বটলা সেলিম (৩৮)-কে সনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাকে বাকলিয়া থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। একই সঙ্গে তার ব্যবহৃত লাল রঙের মোটরসাইকেলটি উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়, যা বাদী সনাক্ত করেন। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হলে সে স্বেচ্ছায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

পিবিআই-এর তদন্ত ও আসামির জবানবন্দি থেকে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত সেলিম আহমদ @ অনিক @ বটলা সেলিম একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য। চক্রের সদস্যদের অধিকাংশের পরিচয় জেলখানায় থাকাকালীন সময়ে হয়। পরবর্তীতে কারামুক্ত হওয়ার পর তারা পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখে সংঘবদ্ধভাবে ডাকাতি, দস্যুতা ও ছিনতাই সংঘটিত করে আসছিল। ঘটনার দিন পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তারা পূবালী ব্যাংক শমসেরনগর শাখা থেকে বাদী টাকা উত্তোলন করার বিষয়টি অনুসরণ করে। বাদী সিএনজিযোগে বাড়ি ফেরার পথে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী মোটরসাইকেলযোগে তার গতিরোধ করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে উত্তোলিত নগদ ১,৪৩,০০০/- টাকা ও চেকসহ ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। তদন্তে আরও জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামি সেলিম আহমদ ওরফে অনিক ওরফে বটলা সেলিমের বিরুদ্ধে সিলেট মহানগর, মৌলভীবাজার, সিলেট, সুনামগঞ্জসহ সিলেট বিভাগের বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, দস্যুতা ও ছিনতাই সংক্রান্ত প্রায় ০৯টি মামলা রয়েছে।

মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান এবং তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

Address

House #16, Road No. 4, Dhanmondi R/A
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PBI EAST posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share