Md. Arif Hossain

Md. Arif Hossain ✅ কমনরুম সেক্রেটারি, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল সংসদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
✅ জাবি প্রতিনিধি, ঢাকা এক্সপ্রেস।
(1)

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার ইতিহাসে মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মিঞা ছিলেন এক পরিচিত নাম। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রজীবন থেকে শু...
08/09/2026

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার ইতিহাসে মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মিঞা ছিলেন এক পরিচিত নাম। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা, উপাচার্যের দায়িত্ব, রাষ্ট্রীয় নানা গুরুত্বপূর্ণ পদ—দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি রেখে গেছেন নানা পরিচয়।

কিন্তু তাঁর ব্যক্তিজীবনের গল্পটি ছিল একেবারেই আলাদা। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি ছিলেন অবিবাহিত। তাঁর এই একাকী জীবনের পেছনে একটি অপূর্ণ প্রেমের গল্পের কথাও পাওয়া যায় বিভিন্ন জীবনীমূলক বর্ণনায়।

১৯৩৫ সালের দিকে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের মুর্শিদাবাদে জন্ম মনিরুজ্জামান মিঞার। পরে তাঁর পরিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জে বসতি স্থাপন করে। উচ্চশিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখান থেকে তিনি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষাজীবন শেষ করে শিক্ষকতাকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন। তৎকালীন জগন্নাথ কলেজে শিক্ষকতা করার পর উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমান ফ্রান্সে। প্রায় পাঁচ বছর পর দেশে ফিরে যোগ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর একাডেমিক ও প্রশাসনিক পথচলা দীর্ঘ। শিক্ষকতার পাশাপাশি বিভাগীয় চেয়ারম্যান, ডিন, সিনেট ও সিন্ডিকেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯০ সালের ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি। ১৯৯২ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এ দায়িত্বে ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি ছাড়িয়েও তাঁর কর্মপরিসর ছিল বিস্তৃত। পরবর্তী সময়ে তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে সেনেগালে দায়িত্ব পালন করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরে জাতীয় শিক্ষা নীতি প্রণয়ন কমিটির চেয়ারম্যান হন। তাঁর নেতৃত্বাধীন কমিটির সঙ্গে তাঁর নামেই ‘মনিরুজ্জামান মিঞা শিক্ষা কমিশন’ নামটি পরিচিত হয়ে ওঠে। শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৪ সালে তিনি পান একুশে পদক।

এতসব পরিচয়ের আড়ালে মনিরুজ্জামান মিঞার ব্যক্তিজীবন ছিল অনেক বেশি নিঃসঙ্গ। তিনি কখনো বিয়ে করেননি। ২০১৬ সালে তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাঁকে ‘চিরকুমার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

কেন তিনি সারা জীবন অবিবাহিত থেকে গেলেন—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে তাঁর জীবনের একটি প্রেমের গল্পের কথা উঠে আসে। তাঁকে নিয়ে প্রকাশিত একটি জীবনীমূলক বর্ণনা অনুযায়ী, ছাত্রজীবনে তিনি এক তরুণীর প্রেমে পড়েছিলেন। সম্পর্কটি ছিল গভীর। কিন্তু কোনো এক ভুল বোঝাবুঝি ও দুঃখজনক পরিণতিতে সেই সম্পর্ক আর পূর্ণতা পায়নি। বর্ণনাটি অনুযায়ী, ওই তরুণী ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর মনিরুজ্জামান মিঞা আর বিয়ে করেননি।

তবে এই প্রেমের গল্পটির স্বাধীন ও শক্তিশালী প্রাথমিক সূত্র পাওয়া যায় না। ফলে এটিকে তাঁর জীবনের নিশ্চিত ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে নয়, বরং তাঁকে নিয়ে প্রচলিত জীবনীমূলক বর্ণনা হিসেবেই উপস্থাপন করা বেশি যুক্তিসংগত। তাঁর আজীবন অবিবাহিত থাকার বিষয়টি অবশ্য একাধিক সূত্রে প্রতিষ্ঠিত।

এই গল্পের সঙ্গে তাঁর বিড়ালপ্রেমের কথাও বিভিন্ন বর্ণনায় এসেছে। বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনেও তাঁর অনেক পোষা বিড়াল ছিল। একটি জীবনীমূলক বর্ণনায় দাবি করা হয়েছে, হারিয়ে যাওয়া সেই প্রিয় মানুষের স্মৃতির সঙ্গে এক ধরনের আবেগগত সম্পর্ক থেকেই তিনি বিড়াল পুষতেন।

গল্পটির প্রতিটি অংশের সত্যতা যাচাই করা কঠিন হলেও এর মধ্যে একজন সফল মানুষের ব্যক্তিগত নিঃসঙ্গতার একটি মানবিক ছবি ফুটে ওঠে। একদিকে তিনি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও প্রশাসক; অন্যদিকে ব্যক্তিজীবনে বয়ে বেড়িয়েছেন একাকিত্ব।

এক জীবনে তাঁর পরিচয়ের সংখ্যা কম নয়—রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, উপাচার্য, কূটনীতিক, দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার এবং শিক্ষা নীতি প্রণয়ন কমিটির চেয়ারম্যান। শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্য পেয়েছেন একুশে পদকও।

২০১৬ সালের ১৩ জুন ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়। বয়স হয়েছিল প্রায় ৮১ বছর। মনিরুজ্জামান মিঞার জীবন তাই শুধু একজন শিক্ষাবিদ কিংবা প্রশাসকের সাফল্যের গল্প নয়। এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদে পৌঁছে যাওয়ার গল্প, রাষ্ট্রীয় নানা দায়িত্ব পালনের গল্প এবং ব্যক্তিগত জীবনে এক অপূর্ণতার সঙ্গে দীর্ঘ পথচলার গল্প।

সব অর্জনের পরও মানুষের জীবনে কিছু গল্প থেকে যায়, যেগুলোর কোনো পরিণতি হয় না। মনিরুজ্জামান মিঞার জীবনের সেই নীরব অধ্যায়টিও হয়তো তেমনই—একটি প্রেম, যা পূর্ণতা পায়নি; কিন্তু যার স্মৃতি তাঁর দীর্ঘ একাকী জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকার গল্প আজও বলা হয়।
#পাবলিকিয়ান

৫০তম বিসিএস-এর মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে খুলনা থেকে ঢাকায় আসার পথে গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়...
08/09/2026

৫০তম বিসিএস-এর মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে খুলনা থেকে ঢাকায় আসার পথে গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের ৩৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী শেখ মিশা খাতুন।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গেড়াখোলা এলাকায় টুঙ্গীপাড়া এক্সপ্রেসের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

শেখ মিশা খাতুন বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-এর খুলনা কার্যালয়ে পরীক্ষক (কেমিক্যাল) পদে কর্মরত ছিলেন।

কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরও নিজের ভবিষ্যৎকে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়ে তিনি ৫০তম বিসিএসের ভাইভায় অংশ নিতে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেছিলেন। তবে সেই যাত্রাই হয়ে ওঠে তাঁর জীবনের শেষ যাত্রা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সামনে মাথা নুইয়ে ভৃত্য/চাকরের মতো হাঁটু ভেঙে দাঁড়ানো লোকটি একজন সংসদ সদস্য। জি, ঠিকই শুনছেন। উন...
08/09/2026

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সামনে মাথা নুইয়ে ভৃত্য/চাকরের মতো হাঁটু ভেঙে দাঁড়ানো লোকটি একজন সংসদ সদস্য।

জি, ঠিকই শুনছেন। উনি চরমোনাই পিরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (ইআবি)-এর একমাত্র সংসদ সদস্য; যিনি বরগুনা - ০১ আসন থেকে বিজয়ী।

এখন বলবেন এটা বিনয়। না, বিনয় আর নতজানু এক বিষয় নয়। একজন সংসদ সদস্য একটি সংসদীয় আসনের ৩-৪ লাখ ভোটারের রিপ্রেজেন্টেটিভ। তিনি যা করবেন, যা বললেন; তার ওপর ঐ আসনের মানুষের সম্মান ও আত্মমর্যাদা নির্ভর করবে।

সম্মান ও শ্রদ্ধা জানিয়ে যেখানে মা-বাবার পায়ে পড়ে ধুলো নেওয়া ক্ষেত্রে ইসলামে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে; সেখানে তিনি কীভাবে এমন ভঙ্গিতে দাঁড়ান? শুনেছি– ওনি নাকি পিরও, তাহলে ওনি কি জানতেন না এভাবে দাঁড়ানো ইসলাম ও ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সাংঘর্ষিক?

এছাড়াও, সংসদে ওনার বক্তব্যে যথেষ্ট ডাটা, তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ, এসাইনমেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে ধারণার অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে।

ওনাকে গাইড করার জন্য একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ সেক্রেটারি নিয়োগ দেওয়া জরুরি; যিনি তাকে সর্বক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারবেন।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর শহীদ মোহাম্মাদ শাহ হলের মান্থলি ফিস্ট আয়োজন। #আইটেম: পোলাও, চিল...
08/09/2026

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর শহীদ মোহাম্মাদ শাহ হলের মান্থলি ফিস্ট আয়োজন।

#আইটেম: পোলাও, চিলি চিকেন, চাইনিজ সবজি, গরু, খাসি, ঘন ডাল, কাবাব, লইট্টা ফ্রাই, সালাত, পেয়ারা, মিষ্টি, দই, কোক, আইসক্রিম, চকলেট, কোল্ড কফি ও লেমনেড।

খাবারের দাম কত হবে?

একই ধরনের ঘটনা কোনো মাদ্রাসা বা ইসলামপন্থিদের মধ্যে হতো তাহলে কী ঘটত?
08/09/2026

একই ধরনের ঘটনা কোনো মাদ্রাসা বা ইসলামপন্থিদের মধ্যে হতো তাহলে কী ঘটত?

ওনার সঙ্গে একমত?
08/09/2026

ওনার সঙ্গে একমত?

08/09/2026

১১তম জাকসুর রোড ম্যাপ ঘোষণার দাবি ও চলমান কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) আব্দুর রশিদ জিতু।

মাদারীপুর ডাসার সরকারি মহিলা কলেজে দুই ইংরেজি শিক্ষক প্রশিক্ষণে, যুক্তিবিদ্যার শিক্ষক নিচ্ছেন ইংরেজি ক্লাসমাদারীপুরের ডা...
07/09/2026

মাদারীপুর ডাসার সরকারি মহিলা কলেজে দুই ইংরেজি শিক্ষক প্রশিক্ষণে, যুক্তিবিদ্যার শিক্ষক নিচ্ছেন ইংরেজি ক্লাস

মাদারীপুরের ডাসার সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়ে একই সময়ে ইংরেজি বিভাগের দুই শিক্ষক প্রশিক্ষণে থাকায় শিক্ষক সংকট তৈরি হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়ের পাঠদান স্বাভাবিক রাখতে এখন যুক্তিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক মো. নুরুল আলমকে দিয়ে ইংরেজি ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। এতে ইংরেজি বিষয়ের পাঠদান কতটা কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

কলেজ-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ডাসার সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়ের উচ্চমাধ্যমিক শাখায় ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত বঙ্কিম সেন প্রায় দেড় মাস ধরে চার মাস মেয়াদি বিসিএস বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে রয়েছেন। একই সময়ে ডিগ্রি শাখার ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক বিল্লাহ হোসেনও প্রায় ২৭ দিন ধরে প্রশিক্ষণে রয়েছেন।

ফলে একই সময়ে দুই শাখার দুই ইংরেজি শিক্ষক অনুপস্থিত থাকায় ইংরেজি বিষয়ের নিয়মিত পাঠদান নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে যুক্তিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক মো. নুরুল আলমকে দিয়ে ইংরেজি ক্লাস পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

কলেজ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, উচ্চমাধ্যমিক শাখায় নিয়মিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১৯৩ জন। ডিগ্রি ও অনার্স মিলিয়ে আরও প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী রয়েছেন। অর্থাৎ কয়েকশ শিক্ষার্থীর ইংরেজি শিক্ষার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত দুই শিক্ষক একই সময়ে প্রশিক্ষণে থাকায় বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভাষ্য, উচ্চশিক্ষা, চাকরির পরীক্ষা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে ইংরেজি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সেখানে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষকরা অনুপস্থিত থাকায় অন্য বিভাগের শিক্ষক দিয়ে ক্লাস পরিচালনা করা হচ্ছে। এতে পাঠ্যসূচি যথাসময়ে শেষ করা, বিষয়ভিত্তিক ব্যাখ্যা এবং পরীক্ষার প্রস্তুতিতে শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত সহায়তা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন বলে তাদের আশঙ্কা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলেজের একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, “আমাদের স্যার না থাকায় সেভাবে পড়ালেখা হচ্ছে না। প্রায় এক মাস ধরে নিয়মিত ক্লাস হচ্ছে না। এতে আমাদের পড়াশোনার অনেক ক্ষতি হচ্ছে।”

এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেন, “কলেজে সন্তানদের পাঠানো হয় ভালোভাবে পড়াশোনা শেখানোর জন্য। ইংরেজি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সেই বিষয়ের শিক্ষক না থাকলে শিক্ষার্থীরা কীভাবে ঠিকভাবে শিখবে? আগে কলেজের ফলাফল ও পাসের হার ভালো ছিল। এখন পড়াশোনার পরিবেশ আগের মতো নেই।”

একই সময়ে দুই শিক্ষক প্রশিক্ষণে কেন? শিক্ষার্থী‌ ও অভিভাবকদের প্রশ্ন, প্রশিক্ষণ যদি শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হয়ে থাকে, তাহলে একই বিভাগের দুই শিক্ষককে একই সময়ে প্রশিক্ষণে পাঠানোর আগে শিক্ষার্থীদের পাঠদান স্বাভাবিক রাখার জন্য বিকল্প শিক্ষক বা অন্য কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না।

এ বিষয়ে ডাসার সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাকিয়া সুলতানার কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কথা বলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন।
প্রশিক্ষণের কারণে ইংরেজি বিভাগের পাঠদানে কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না এবং একই বিভাগের দুই শিক্ষককে একই সময়ে প্রশিক্ষণে পাঠানোর বিষয়ে কোনো নিয়ম রয়েছে কি না—জানতে চাইলে তিনি বলেন, “মাউশির সঙ্গে কথা বলেন। আমার সঙ্গে কথা না বলেই বিষয়টি হয়।”

বিষয়টি নিয়ে মাদারীপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কামাল হোসাইনের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, “একই বিভাগের দুই শিক্ষককে একই সময়ে প্রশিক্ষণে পাঠানোর বিষয়টি সাধারণভাবে পাঠদানে বিঘ্ন ঘটাতে পারে। একই ডিপার্টমেন্টের দুইজন একসঙ্গে কোনো প্রশিক্ষণে যেতে পারেন না। এতে পাঠদানে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।”

শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করা এবং প্রশিক্ষণের মতো প্রয়োজনীয় কার্যক্রমের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রমের সমন্বয় রাখার বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কীভাবে সমাধান করে, সেটিই দেখার বিষয়।

সাইকেলে ছয় দেশ পাড়ি দিয়ে হজ পালনের উদ্দেশ্যে নরসিংদীর সজিবের যাত্রাবাইসাইকেল চালিয়ে ছয়টি দেশ পাড়ি দিয়ে পবিত্র হজ পালনের ...
07/09/2026

সাইকেলে ছয় দেশ পাড়ি দিয়ে হজ পালনের উদ্দেশ্যে নরসিংদীর সজিবের যাত্রা

বাইসাইকেল চালিয়ে ছয়টি দেশ পাড়ি দিয়ে পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে ব্যতিক্রমী এক যাত্রা শুরু করেছেন নরসিংদীর বেলাবো উপজেলার তরুণ সজিব তালুকদার ইফরাম (২৬)। তিনি উপজেলার সররাবাদ ইউনিয়নের ইব্রাহিমপুর গ্রামের সালাউদ্দিন তালুকদারের ছেলে।

গত রবিবার (৬ই সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বেলাবো উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দীর্ঘ এই সফরের যাত্রা শুরু করেন সজিব। বাইসাইকেলে করে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশ পাড়ি দিয়ে সৌদি আরবে পৌঁছে পবিত্র হজ পালন করাই তাঁর লক্ষ্য।

সজিবের এ যাত্রা স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগকে ঘিরে তাঁকে শুভকামনা জানাতে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

যাত্রা শুরুর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেলাবোর সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজিজ পারতাম জায়েদ। তিনি সজিবের সাহসী ও পবিত্র উদ্যোগের সফলতা কামনা করেন। একই সঙ্গে দীর্ঘ পথের যাত্রায় তাঁর সুস্থতা ও নিরাপত্তার জন্য দোয়া ও শুভকামনা জানান।

জানা গেছে, সজিবের এর আগেও বাইসাইকেলে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি সাইকেলে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া ভ্রমণ করেছেন। এছাড়া এরই মধ্যে মোট ২৬টি দেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তিনি।

সজিবের পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী জানান, তাঁর এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রমী ও সাহসিকতার। তাঁরা আশা করছেন, সজিব নিরাপদে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে সৌদি আরবে পৌঁছাবেন এবং নির্বিঘ্নে পবিত্র হজ পালন শেষে সুস্থভাবে দেশে ফিরবেন।

সজিবের এই সাইকেলযাত্রা শুধু তাঁর ব্যক্তিগত স্বপ্নপূরণের উদ্যোগ নয়, বরং তরুণদের ভ্রমণ ও সাহসী উদ্যোগে উৎসাহিত করবে বলেও মনে করছেন স্থানীয়রা।

গত শনিবার (৫ই সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল সংসদের মাসিক কার্যনির্বাহী সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পরবর্তী জাকসু...
07/09/2026

গত শনিবার (৫ই সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল সংসদের মাসিক কার্যনির্বাহী সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পরবর্তী জাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন আয়োজনের দাবি উত্থাপন করা হয়। এছাড়া, হল মসজিদ রং করা, গেইট ও নামফলক, ডাইনিং-ক্যান্টিন সংস্কার, খেলার মাঠ তৈরি, চত্বর নির্মাণ, চার্জিং পোর্ট স্থাপন, ম্যাগাজিন প্রকাশ, জলছাদ সংস্কার, বৃক্ষরোপণ, বেড়া নির্মাণ, টেবিল টেনিস বোর্ড ও বুকশেলফ ক্রয়, নবাগত ৫৫ ব্যাচের নবীনবরণ ও ফিস্ট আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

👉বিস্তারিত কমেন্টে...

Address

Jahangirnagar University
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md. Arif Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share