13/11/2025
সবাইকে শুভ অপরাহ্ন
আজ এই পোস্ট টি করতে হবে তা কখনো ভাবিনি।
নিচের ব্যক্তিটি মোঃ মিজানুর।সেন্ট গ্রেগরি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের কলেজ শাখার বাংলা বিষয়ের শিক্ষক।
২৪ এর জুলাই বিপ্লবের পর স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরও তার কিছু অবৈধ সন্তান বাংলাদেশের রেখে গেছেন।
তার মধ্যে এই ব্যক্তি অন্যতম। ৫ ই আগস্ট এর পর থেকে এই ব্যক্তির হৃদয়ে আগুন জ্বলছে। আমি উদাহরণস্বরূপ তার কয়েকটি ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট নিচে দিচ্ছি।
প্রথমত একজন শিক্ষক কোন রাজনৈতিক দলের আদর্শে বিশ্বাসী হতে পারেন না। তিনি থাকবেন নিরপেক্ষ তার প্রধান কাজ হবে ছাত্রদের উত্তম শিক্ষায় শিক্ষিত করা। যে শিক্ষক রাজনীতির সাথে যুক্ত তিনি আসলে শিক্ষক নন তিনি একজন কুশিক্ষক। তার কাছ থেকে ছাত্ররা দালালী ছাড়া আর কিছুই শিখবে না।উনি প্রতিনিয়ত ক্লাসে এসে বাকশালের কুখ্যাত সন্ত্রাসী শেখ মুজিব এবংফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সর্বোপরি আওয়ামী লীগ কে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করেন এবং ছাত্রদের জুলাই আন্দোলনকে উনি নিছক ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যায়িত করেন। এবং উনার মধ্যে শিক্ষকের কোনো বৈশিষ্ট্য নেই।নেশাগ্রস্তদের মত আচরণ করেন।
এই পোস্টটি আরো আগেই করতে চেয়েছিলাম।কিন্তু ভেবেছিলাম জুলাই অভ্যুত্থানের পরে উনি তার ভুল বুঝতে পেরে নিজেকে পরিবর্তন করবেন। কিন্তু না, তিনি আরও খারাপের দিকে গেছেন।
আমি কখনো ভাবতে পারিনি সেন্ট গ্রেগরির মত প্রতিষ্ঠানে শেখ হাসিনার অবৈধ সন্তান থাকবে।
আমি আমার প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত প্রিন্সিপাল এবং ভাইস প্রিন্সিপাল ব্রাদারদের অনুরোধ করছি,আপনারা এই ব্যাক্তির ব্যাপারে তদন্ত করে খতিয়ে দেখে
উপযুক্ত ব্যাবস্থা গ্রহণ করবেন।
আরেকটি বিষয় হচ্ছে সেন্ট গ্রেগরি থেকে কলেজ শাখায় শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন দিলে তার মত কুশিক্ষক থেকে হাজারগুণ ভালো অভিজ্ঞ শিক্ষকের অভাব হবে না। আমরা চাই আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে আমরা জ্ঞান অর্জন করতে, চাইনা কোন গণহত্যাকারী,ফ্যাসিস্টের দালালী শিখতে।
উনার মত একটা শিক্ষক না থাকলে সেন্ট গ্রেগরি এর কোন ক্ষতি হবে না ।
আর দ্বিতীয়ত যদি আপনারা ছাত্রদের প্রাণের দাবি রাখতে ব্যর্থ হন তাহলে ছাত্রদের দায়িত্ব দিন ব্যবস্থা নেওয়ার। আমরা গ্রেগরিয়ান তাই আমাদের প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট হোক এমন কোন কাজ করতে চাই না, এটা সেন্ট গ্রেগরী না হয়ে অন্য কোন প্রতিষ্ঠান হলে উনাকে জুতার মালা গলায় দিয়ে বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করতাম। উনি এটারই যোগ্য।
কিন্তু একজন গ্রেগোরিয়ান হিসেবে নিজের প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চাই না তাই কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পরে স্কুল শাখার বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় একজন শিক্ষককে যেমন তারের মতো সোজা করা হয়েছে এবং কলেজ শাখার আরেকজন বাংলা শিক্ষককে বিতাড়িত করা হয়েছে ঠিক সেই ভাবেই গণহত্যকারী দোসরদের সোজা করা হবে।
সম্মানিত ব্রাদারগণ, উপরিউক্ত কিছু খারাপ ভাষা ব্যবহারের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত, এবং ক্ষমাপ্রার্থী।আপনারা আমাদের গুরুজন আমাদের সার্বিক কল্যাণের বিষয়টি মাথায় রেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
(আমাদের দাবিগুলো যদি আপনাদের কাছে মিথ্যা মনে হয় তাহলে উনি যে যে শাখায় ক্লাস নিয়ে থাকেন সেই শাখার ছাত্রদের গোপনে জিজ্ঞাসা করুন দেখুন তারা কি বলে)