Non-Official. But Real.

Non-Official. But Real. “Not the press release version.”

08/06/2026

😂

13/05/2026

দৌড় 🙃

Fazlur Rahman in the liberation war at Kalkata in 1971🤣🤣
29/04/2026

Fazlur Rahman in the liberation war at Kalkata in 1971🤣🤣

26/04/2026

কিছু বলার দরকার আছে কি !! 🤣

এক অদ্ভুত রাজ্যের গল্প দূর মহাশূন্যের এক প্রান্তে ছিল এক বিস্মৃত রাজ্য নাম - নিওরান। এই রাজ্যের প্রতিটি ধূলিকণায়, প্রতিট...
23/04/2026

এক অদ্ভুত রাজ্যের গল্প

দূর মহাশূন্যের এক প্রান্তে ছিল এক বিস্মৃত রাজ্য নাম - নিওরান। এই রাজ্যের প্রতিটি ধূলিকণায়, প্রতিটি স্পন্দনে দিন-রাতের চেয়েও বেশি শক্তিশালী ছিল স্মৃতি আর প্রতিশ্রুতির অদৃশ্য বাঁধন। বহু যুগ আগে, এক অসামান্য শক্তিধর জাদুকর, নিজেরই এক গভীর ইচ্ছাশক্তির বশবর্তী হয়ে, এক প্রাচীন পাথরের সামনে দাঁড়িয়ে এক অলঙ্ঘনীয় শপথ গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর শপথ ছিল, তিনি আর কখনো শক্তির খেলায় প্রত্যাবর্তন করবেন না।
সেই শপথ, যেন মহাজাগতিক এক স্বাক্ষর, আগুনের অক্ষরে খোদাই হয়েছিল নিওরানের আকাশে। প্রতিটি চোখ তা দেখেছিল, প্রতিটি হৃদয় তা বিশ্বাস করেছিল। তারপর, তিনি হারিয়ে গেলেন—নক্ষত্রের ওপারে।

সতেরোটি নক্ষত্রবর্ষ অতিক্রান্ত হলো। নিওরান তখন এক ভয়ানক ও বিধ্বংসী জাদুকরের হাতে। নিওরানের সকল কিছু তার পৈতৃক সম্পত্তি হিসেবে লুটতরাজ করতে শুরু করলো , নিওরান পরিণত হলো এক ভয়ানক মৃত্যুপুরীতে। কিন্তু পুরনো রীতিনীতি, জীর্ণ শৃঙ্খল ভাঙতে শুরু করল নতুন প্রজন্মের অদম্য প্রাণশক্তি। তারা লড়াই করল অদৃশ্য শেকলের বিরুদ্ধে, অচেনা এক শক্তির বিরুদ্ধে, যা তাদের অস্তিত্বকে গ্রাস করতে চাইছিল। এই অসম লড়াইয়ে অনেকে হারিয়ে গেল কালের গর্ভে। কেউ রেখে গেল অমর নাম, কেউ শুধু এক ম্লান স্মৃতিচিহ্ন। তবুও, তাদের হৃদয়ের গভীরে জ্বলে ওঠা প্রতিবাদের আগুন নিভে যায়নি, বরং তা আরও প্রদীপ্ত হয়ে উঠল এবং সেই ফ্যাসিস্ট জাদুকরকে পালাতে বাধ্য করলো।

ঠিক তখনই—তিনি ফিরে এলেন। যে শপথ একদিন আগুনের অক্ষরে লেখা হয়েছিল, তা যেন হঠাৎ করেই মহাজাগতিক বাতাসে মিলিয়ে গেল। জাদুকর এবার ভিন্ন রূপে আবির্ভূত হলেন। তাঁর কণ্ঠে ছিল শান্তির প্রতিধ্বনি, তাঁর চোখে ছিল এক নতুন প্রতিশ্রুতির দ্যুতি, আর তাঁর চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছিল এক অলৌকিক আলো। মানুষ আবার তাঁর উপর বিশ্বাস স্থাপন করতে শুরু করল, যেন এক নতুন ভোরের স্বপ্ন দেখল নিওরান। কিন্তু সময়, সে তো কোনো সত্যকে চিরকাল লুকিয়ে রাখতে পারে না। নিওরানের আকাশে এক অদ্ভুত ছায়া ধীরে ধীরে গাঢ় হতে লাগল। তাদের কেউ চোখে দেখত না, কিন্তু তাদের উপস্থিতি সবাই অনুভব করত। তাদের নাম দেওয়া হলো ‘নীরব নিয়ন্ত্রক’। কেউ বলত, তারা দূর নক্ষত্রের বাসিন্দা, অচেনা কোনো জগৎ থেকে এসেছে। আবার কেউ ফিসফিস করে বলত, তারা আসলে কখনো যায়নি—তারা সবসময়ই ছিল, শুধু অদৃশ্য আবরণে ঢাকা ছিল।

যে তরুণরা একসময় মুক্তির জন্য লড়াই করেছিল, তাদের কণ্ঠস্বর ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে আসতে লাগল। যে প্রতিশ্রুতি নিওরানের মানুষকে একতার বন্ধনে বেঁধেছিল, তা এখন ‘অপ্রয়োজনীয় শব্দ’ বলে বাতিল হয়ে গেল। আর যাদের একসময় অন্ধকারের প্রতীক বলা হতো, তারা ফিরে এল নতুন মুখে, নতুন নামে, কিন্তু তাদের পুরনো ছায়া যেন আরও দীর্ঘ হয়ে নিওরানের উপর চেপে বসল।

নিওরানের জ্ঞানদুর্গগুলো—যেখানে একসময় জ্ঞানের আলো ঝলমল করত, নতুন নতুন প্রশ্ন জন্ম নিত, সেখানে এখন আবার অস্থিরতা, সংঘর্ষ আর ভয়ের প্রতিধ্বনি। প্রতিটি কোণায় যেন এক অজানা আশঙ্কার সুর বাজছে।

দূরে সেই ভাসমান শহর তখনও জ্বলছে অপরিবর্তিত, নির্লিপ্ত, যেন নিওরানের সমস্ত ভুলভ্রান্তির সাক্ষী। আর নিচে নিওরান আবার নিজের গল্প লিখছে, নতুন করে, কিন্তু একই ভুলে।

“কিছু গল্পে খলনায়ক বদলায়… কিন্তু গল্পটা বদলায় না।”

14/04/2026

যুগে যুগে পহেলা বৈশাখ !!! 🤣

যুদ্ধবিরতির আড়ালে যুদ্ধের প্রস্তুতি!! মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংকট!!• সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের...
12/04/2026

যুদ্ধবিরতির আড়ালে যুদ্ধের প্রস্তুতি!! মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংকট!!

• সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত একটি জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘদিনের এই ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করেছে, যেখানে প্রতিটি পক্ষই নিজেদের কৌশলগত অবস্থান আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ, যার মাধ্যমে সংঘাত কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়।

• এই যুদ্ধবিরতির অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল উভয় পক্ষকে আলোচনার টেবিলে এনে একটি সাসটেইনেবল সমাধান খুঁজে বের করা। ১০ এপ্রিল ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। প্রায় ২১ ঘণ্টা দীর্ঘ এই বৈঠকে নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো যায়নি। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার আলোচনার পর উভয় পক্ষকে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার আহ্বান জানালেও বাস্তবে উত্তেজনা কমার কোনো সুস্পষ্ট ও দৃশ্যমান লক্ষণ দেখা যায়নি।

• আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পেছনে মূল কারণ ছিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গভীর নীতিগত দ্বন্দ্ব। ইরানের পক্ষ থেকে উপস্থাপিত ১০ দফা প্রস্তাবে ছিল আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালীর উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার নিশ্চিত করা। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ দফা প্রস্তাবে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত থাকার নিশ্চয়তা, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করা এবং তাদের মজুদ হস্তান্তরের মতো কঠোর শর্ত অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই মৌলিক মতপার্থক্য দুই পক্ষের মধ্যে বিশ্বাসের ঘাটতি আরও বাড়িয়ে দেয় এবং আলোচনাকে অচল করে তোলে।

• যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও বাস্তবে উভয় পক্ষই নিজেদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে। ১১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ডেস্ট্রয়ার হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে মাইন-ক্লিয়ারিং অপারেশনের নামে সেখানে অবস্থান নেয়, যা অনেক বিশ্লেষকের মতে কৌশলগত আধিপত্য প্রতিষ্ঠার একটি অংশ। একই সময়ে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলার শিকার হওয়ায় নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

অন্যদিকে ইরান এই বিরতিকে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে চীন খুব শিগগিরই ইরানকে উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহ করতে পারে। এছাড়া সুপারসনিক জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র কেনার দিকেও ইরান অগ্রসর হচ্ছে। এসব পদক্ষেপ ইরানের সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে পারে এবং ভবিষ্যতের সংঘাতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

• ইসরায়েল এই সংঘাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সক্রিয় অংশীদার হিসেবে অবস্থান করছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইতোমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছেন যে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আরও জোরদার করা হবে। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন বলেও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। ইসরায়েলের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো ধ্বংস করা এবং হেজবুল্লাহসহ আঞ্চলিক প্রক্সি শক্তিগুলোকে দুর্বল করা।

সব মিলিয়ে, বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত অনিশ্চিত ও উদ্বেগজনক। যুদ্ধবিরতি থাকলেও তা কার্যত একটি সাময়িক বিরতি মাত্র, যার আড়ালে বড় ধরনের সংঘাতের প্রস্তুতি চলছে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলেও বাস্তবতা হলো, বিশ্বাসের ঘাটতি, কৌশলগত স্বার্থ এবং আঞ্চলিক রাজনীতির জটিলতা এই সংকটের দ্রুত সমাধানকে কঠিন করে তুলেছে। যদি শীঘ্রই কোনো কার্যকর সমাধান না আসে, তাহলে এই সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যসহ পুরো বিশ্ব রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

ফরিদপুরে ফ্যামিলি ও বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে এক বিধবা নারীকে (৪৩) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গে‌ছে। এ ব্যাপারে ভুক...
08/04/2026

ফরিদপুরে ফ্যামিলি ও বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে এক বিধবা নারীকে (৪৩) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গে‌ছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী ওই নারী কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন।

এ ঘটনার পর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস (ওসিসি) সেন্টারে চারদিন চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে বাড়িতে ফি‌রেছেন ওই নারী। গত ২ এপ্রিল এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূ‌ত্রে জানা গে‌ছে, অভিযুক্ত সুজন শেখ (৩৫) শহরের পশ্চিম আলীপুর এলাকার মৃত হালিম শেখের ছেলে। তার স‌ঙ্গে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে তার সখ্য রয়েছে বলে একাধিক ব্যক্তি নিশ্চিত করেছেন।

ট্রাম্পের পরোক্ষ নিউক হামলার হুমকি এবং পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যে দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়েছে, তা আসলে শান...
08/04/2026

ট্রাম্পের পরোক্ষ নিউক হামলার হুমকি এবং পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যে দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়েছে, তা আসলে শান্তির চেয়েও বড় কোনো যুদ্ধের প্রস্তুতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ট্রাম্প যখন পরোক্ষভাবে সভ্যতা ধ্বংস বা পারমাণবিক হামলার ভয় দেখান, তখন সেটি কেবল একটি হুমকি নয় বরং ইরানকে আলোচনার টেবিলে বাধ্য করার একটি চরম কৌশল। শিশু ধ 'র্ষ 'নের মতো ব্যক্তিগত আইনি জটিলতায় ফেঁসে থাকা ট্রাম্পের জন্য নিজের ভাবমূর্তি উদ্ধারে বা জনগণের নজর ঘোরাতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এমন কোনো বড় পদক্ষেপ নেওয়া খুব একটা অস্বাভাবিক নয়। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে, তার পেছনেও হয়তো ওয়াশিংটনের বড় কোনো প্ররোচনা রয়েছে।

এই যুদ্ধবিরতি ইরানের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। প্রথমত, ইরান তাদের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তি অর্থাৎ হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ সাময়িকভাবে ছেড়ে দিচ্ছে। এই দুই সপ্তাহের সুযোগে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে এবং পশ্চিমা দেশগুলো তাদের জ্বালানি সংকট কাটিয়ে ওঠার সময় পাবে। দ্বিতীয়ত, গত কয়েক মাসের যুদ্ধে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের উচ্চ-প্রযুক্তির অস্ত্রের বিশাল একটি অংশ খরচ করে ফেলেছে। এই সাময়িক বিরতি তাদের অস্ত্র মজুদ আবার পূর্ণ করার সুবর্ণ সুযোগ করে দেবে। ইতিহাস সাক্ষী যে যুক্তরাষ্ট্র অতীতেও অনেকবার কূটনীতিকে কেবল কালক্ষেপণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে এবং পরে সুযোগ বুঝে বড় ধরনের বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

আগামী কয়েক মাসেই হয়তো এই যুদ্ধবিরতির আসল ফলাফল বোঝা যাবে। ইসরায়েল ইতিমধ্যে তাদের প্রতিরক্ষা বাজেট কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে এবং তারা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে লেবাননে তাদের অভিযান এই যুদ্ধবিরতির আওতাভুক্ত নয়। অর্থাৎ ইরান যখন হাত গুটিয়ে বসে থাকবে, তখন ইসরায়েল লেবাননে হিজবুল্লাহর মতো ইরানের আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর তাদের আক্রমণ আরও তীব্র করবে। সব মিলিয়ে এই যুদ্ধবিরতি আসলে ইরানের জন্য একটি কৌশলগত ফাঁদ হতে পারে, যেখানে তারা তাদের সবচেয়ে বড় দরকষাকষির হাতিয়ার হরমুজ প্রণালী খুলে দিয়ে শত্রুপক্ষকে আবারও শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করে নিলে ভবিষ্যতে ইরানের জন্য লড়াই করা আরও কঠিন হয়ে পড়বে।

তবে আশা করি এমনটা যেন না হয় !!!

• সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে নিয়ে অত্যন্ত কঠোর এবং বিতর্কিত কিছু মন্তব্য করেছেন যা বিশ্বজুড়ে উদ...
07/04/2026

• সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে নিয়ে অত্যন্ত কঠোর এবং বিতর্কিত কিছু মন্তব্য করেছেন যা বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তিনি হুমকি দিয়েছেন যে, ইরান যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) খুলে না দেয়, তবে আজ রাতেই একটি পুরো সভ্যতা বিলীন হয়ে যেতে পারে। ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারি কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং এটি সরাসরি ইরানের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও হাজার বছরের প্রাচীন অবকাঠামোর ওপর আঘাত হানার ইঙ্গিত দেয়।

• ট্রাম্পের হুমকির মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজগুলো। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, এই স্থাপনাগুলো ধ্বংস করে ইরানকে 'প্রস্তর যুগে' (Stone Age) পাঠিয়ে দেওয়া হবে। যুদ্ধের ভাষায় একে 'পাওয়ার প্ল্যান্ট ডে' এবং 'ব্রিজ ডে' হিসেবে অভিহিত করে তিনি এক ভয়াবহ ধ্বংসলীলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, ইরান যদি তার অবাধ্যতা বজায় রাখে, তবে দেশটিকে নরকের মতো পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে।

• ইরান কেবল একটি রাষ্ট্র নয়, এটি পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন ও সমৃদ্ধ পারস্য সভ্যতার উত্তরাধিকারী। হাজার হাজার বছরের ইতিহাসে এই ভূখণ্ড অনেক বিদেশি আক্রমণ, যুদ্ধ এবং চড়াই-উতরাই দেখেছে, কিন্তু ইরানের মানুষ কখনো তাদের আত্মসম্মান ও দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে মাথা নত করেনি। বর্তমান সংকটেও ইরানের সাধারণ মানুষ ও নেতৃত্ব তাদের দেশ রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তারা মনে করেন, এ ধরনের হুমকি কেবল তাদের মনোবলকে আরও শক্তিশালী করবে।

• যুদ্ধের পরিণাম কখনো কারো জন্য মঙ্গলজনক হয় না। ট্রাম্প যে ধরনের অবকাঠামো ধ্বংসের কথা বলছেন, তার সরাসরি প্রভাব পড়বে সাধারণ নিরপরাধ মানুষের ওপর। বিদ্যুৎ কেন্দ্র ধ্বংস হলে হাসপাতাল, স্কুল এবং ঘরবাড়ি অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে, আর ব্রিজ ধ্বংস হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে খাদ্য ও ওষুধের সংকট দেখা দেবে। সভ্যতার এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের কষ্টই বৃদ্ধি পায়, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

√ পরিশেষে বলা যায়, শক্তি প্রদর্শন বা ধ্বংসের হুমকি কোনো দীর্ঘমেয়াদী সমাধান আনতে পারে না। আলোচনার মাধ্যমে শান্তি স্থাপনই বিশ্ববাসীর প্রত্যাশা, যাতে কোনো প্রাচীন সভ্যতাকে আধুনিক যুগে এসে পুনরায় অন্ধকারের মুখোমুখি হতে না হয়।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Non-Official. But Real. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share