29/11/2025
জামায়াতে ইসলামীর অধিক জনপ্রিয়তা তারেক রহমানকে দেশে আসতে বাধা দিচ্ছে। এটাতে কোন সন্দেহ পোষণ করি না।
ডাকসু-জাকসু নির্বাচনের আগে তারেক রহমানের দেশে আসা প্রায় নিশ্চিত ছিল। এইতো চলে আসতেছে। কিন্তু ডাকসু-জাকসুতে শিবিরের ভূমিধ্বস বিজয় তারেক রহমানকে দেশে আসার সেই সুযোগটুকু দিল না। কারণ, তিনি ঠিকই বুঝেছিলেন, ডাকসু-জাকসুতে শিবিরের ভূমিধ্বস বিজয় বিএনপির ক্ষমতায় যাওয়ার পিছনে এক অশনিসংকেত। তাই এই যাত্রায় তিনি আর আসলেন না।
ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ছাত্রদলের ভূমিধ্বস পরাজয়ের পর জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-র চাপাচাপি একেবারে কমে গিয়েছে। তবে ভিতরে ভিতরে বিএনপি বসে থাকেনি। বিভিন্ন সংস্থা বা গোষ্ঠীর মাধ্যমে জরিফ, অবজারভেশন ও রিসার্চ করে রোট লেভেল থেকে নমুনা কালেক্ট করেছে। বিএনপির ক্ষমতায় আসার পারসেন্টিস হিসাব কষেছে। কিন্তু জরিপগুলোতে তারেক রহমান গ্রীন সিগনাল পাননি। রোট লেভেলে জামায়াতে ইসলামীর জনপ্রিয়তা এতো বেশি যে, সেপ্টেম্বর শেষ হয়ে অক্টোবর, নভেম্বর শেষ হয়ে ডিসেম্বর! কিন্তু তিনি দেশে আসার সাহসটুকু পাচ্ছেন না।
বেগম জিয়ার মুমূর্ষু অবস্থায়ও তিনি দেশে আসার কোন চেষ্টাটুকু করতেছে না। এই পার্সপেক্টিভে বিএনপির অ্যাক্টিভিস্টরা এখানে কিছু ন্যারেটিভ তৈরি করেছে। তারেক রহমান তার মায়ের চেয়েও দেশকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। কারণ তারেক রহমানের সিকিউরিটি ক্রাইসিস রয়েছে। আর তারেক রহমানের কোন ইন্সিডেন্ট দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি তৈরি করবে। তাই তিনি নির্বাচনের তফসিল দিলে আসবে বা আসা দরকার।
অর্থাৎ নির্বাচনের তফসিলের সাথে তারেক রহমানের সিকিউরিটি এডজাস্ট। দেশের সেইফটি তারেক রহমানের উপর ডিপেন্ডেবল। যদিও বিপ্লবের দেড় বছর পর লন্ডনে আরামদায়ক জীবনযাপন করার পরও দেশের কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
নির্বাচনের তফসিলের সাথে তারেক রহমানের দেশে আসা মানে জনগণের সাথে সাইলেন্টলি প্রতারণা করা। গত দেড় বছরে বিএনপি এমন অপকর্ম বাদ রাখেনি, যা লীগের আমলে বিদ্যমান ছিল। চাঁদাবাজির পাশাপাশি ২০০+ মানুষকে হত্যা করেছে। দখলবিষয়ক সম্পাদক হয়েছে অগণিত।
নির্বাচনের তফসিল দিলে তিনি দেশে আসবেন মানে বিএনপির এতোসব অপকর্ম ঢাকার জন্য 'তারেক' ট্রাম কার্ড খেলবে। অর্থাৎ তারেক রহমান দেশে এসেছে, বিএনপি এখন আর ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারবে না। চাঁদাবাজি, মারামারি, মানুষ খুন আর হবে না। যদিও এতদিনের অপকর্মগুলোর বিধিনিষেধ কোন জায়গা থেকে এসেছে, এটা সচেতনদে