20/01/2026
“পরিবর্তনের চাবি এবার আপনারই হাতে”—
এটা শুধু একটি স্লোগান নয়,
এটা একটি জাতির ভাগ্য বদলে দেওয়ার ডাক।
গণভোট ২০২৬—
এটা কেবল ভোট নয়,
এটা সিদ্ধান্ত: বাংলাদেশ কেমন হবে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের উদ্যোগে শুরু হয়েছে এই জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত লিফলেটে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে—
“গণভোট ২০২৬: সংসদ নির্বাচন, দেশের চাবি আপনার হাতে।”
এই গণভোট আপনাকে প্রশ্ন করছে—
👉 আপনি কি এমন একটি বাংলাদেশ চান,
যেখানে চাঁদাবাজি থাকবে না,
কেউ জোর করে টাকা তুলতে পারবে না?
👉 আপনি কি চান এমন বাংলাদেশ,
যেখানে স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদী ক্ষমতা আর দাপটের রাজনীতি চিরতরে বিদায় নেবে?
আপনি যদি এমন বাংলাদেশ চান, তাহলে শুনুন—
এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানেই পরিবর্তন।
একটি বাংলাদেশ, যেখানে—
১️⃣ তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও পিএসসি গঠনে সরকার ও বিরোধী দল একসাথে কাজ করবে।
২️⃣ কোনো সরকার আর ইচ্ছেমতো সংবিধান নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে পারবে না।
৩️⃣ সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনে জনগণের মতামত—গণভোট—অবশ্যই নিতে হবে।
৪️⃣ বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হবেন।
৫️⃣ যত বড় নেতা হোক না কেন—কেউ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবে না।
৬️⃣ সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব ধাপে ধাপে বাস্তব ও শক্তিশালী হবে।
৭️⃣ ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে পার্লামেন্টে গঠিত হবে একটি উচ্চকক্ষ।
৮️⃣ বিচার ব্যবস্থা চলবে স্বাধীনভাবে—কোনো ফোন, কোনো চাপ নয়।
৯️⃣ আপনার মৌলিক অধিকার আরও শক্তিশালী হবে—ইন্টারনেট কখনো বন্ধ করে জনগণকে স্তব্ধ করা যাবে না।
🔟 দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি নিজের খেয়ালে ক্ষমা করতে পারবেন না।
1️⃣1️⃣ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় থাকবে স্পষ্ট ভারসাম্য।
লিফলেটের শেষ কথাটা ভয়ংকর রকম স্পষ্ট—
👉 ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে—এই সবকিছু পাবেন।
👉 ‘না’ ভোট দিলে—কিছুই পাবেন না।
আজ যদি আপনি চুপ থাকেন,
কাল অন্য কেউ আপনার ভাগ্য লিখবে।
আজ যদি সিদ্ধান্ত না নেন,
আগামী প্রজন্ম আপনাকে প্রশ্ন করবে।
🔥 এই গণভোট—আপনার শক্তি।
🔥 এই ভোট—আপনার অধিকার।
🔥 এই মুহূর্ত—ইতিহাস বদলানোর সুযোগ।
চাবিটা হাতে নিন।
ভয় নয়—পরিবর্তন বেছে নিন।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলুন।