Nationalist Cyber Force - NCF

Nationalist Cyber Force - NCF Be Nationalist, Be Patriot, Be Proud
- সবার আগে বাংলাদেশ
(1)

আড়াই বছর ধরে ঢাকা মেডিকেলের মর্গে পড়ে থাকা এক সেনা কর্মকর্তার লাশ কিন্তু পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। এই একটি বাক্য...
07/06/2026

আড়াই বছর ধরে ঢাকা মেডিকেলের মর্গে পড়ে থাকা এক সেনা কর্মকর্তার লাশ কিন্তু পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। এই একটি বাক্যই যথেষ্ট একটি রাষ্ট্রের অন্ধকারতম অধ্যায়ের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য।

একজন মানুষকে হত্যা করা এক বিষয়, কিন্তু মৃত্যুর পরও তার পরিবারকে শেষ বিদায়ের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রার নির্মমতা। এটি শুধু একটি পরিবারের ট্র্যাজেডি নয়; এটি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার, বিচারহীনতা এবং এক ভয়ঙ্কর সময়ের প্রতিচ্ছবি, যখন মানুষের পরিচয়, সম্মান, এমনকি মৃত্যুর পর তার মর্যাদাও নিরাপদ ছিল না।

মেজর জাহিদুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন মেধাবী, চৌকস ও প্রশিক্ষিত কর্মকর্তা। ২০০০ সালে ৪৩তম বিএমএ লং কোর্সের মাধ্যমে কমিশনপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তা কঙ্গোতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন, পাকিস্তানে মিড-ক্যারিয়ার কোর্স সম্পন্ন করেছেন এবং কানাডায় উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। সহকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন শৃঙ্খলাবদ্ধ, সৎ এবং দায়িত্বশীল একজন অফিসার।

২০০৯ সালের পিলখানা ট্র্যাজেডির সময় তার জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে যায় বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত ও বেদনাদায়ক ঘটনাগুলোর একটি। সে সময় তার বন্ধু ক্যাপ্টেন শহীদ মাজহারুল হায়দার পিলখানায় কর্মরত ছিলেন। প্রচলিত বিবরণ অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের সময় ক্যাপ্টেন মাজহারুল ফোনে মেজর জাহিদকে পরিস্থিতির কথা জানিয়েছিলেন। পরবর্তীতে মেজর জাহিদ পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ও আলোচনায় সক্রিয় ছিলেন বলে দাবি করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, এই কারণেই তিনি অনেক সংবেদনশীল তথ্য জানতেন এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সোচ্চার ছিলেন। তার সমর্থকদের মতে, তাকে চুপ করিয়ে দেওয়ার জন্য প্রথমে তাকে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যেতে বাধ্য করা হয়। কিন্তু সেখানেই সবকিছু শেষ হয়নি।

২০১৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর রাত।

সেই রাতেই ঢাকার রূপনগরে তাকে কথিত "বন্দুকযুদ্ধে" নিহত দেখানো হয়। সরকারি ভাষ্যে বলা হয়েছিল, তিনি অস্ত্র নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা করেছিলেন এবং আত্মরক্ষার্থে গুলি চালানো হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে পরিবার, প্রত্যক্ষদর্শী এবং বিভিন্ন অভিযোগে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি চিত্র উঠে আসে।

অভিযোগ অনুযায়ী, সেদিন রাত ১০টার দিকে তাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার করা হয়। পরিবারের দাবি, তার হাত পিছনে বেঁধে এমনভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল যে হাতের হাড় ও কাঁধ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। মুখমণ্ডল বিকৃত করা হয়েছিল। পরে খুব কাছ থেকে ২৯ রাউন্ড গুলি চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। এমনকি মরদেহের অবস্থা নিয়েও ভয়াবহ অভিযোগ উঠে আসে, যা সরকারি বর্ণনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

অথচ রূপনগর থানার মামলার বিবরণে বলা হয়েছিল, তিনি নাকি ছুরি ও পিস্তল নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা করেছিলেন এবং আত্মরক্ষার্থে গুলি চালানো হয়েছিল।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়।

মৃত্যুর পরও মেজর জাহিদের পরিবারের ওপর নেমে আসে এক দীর্ঘ দুঃস্বপ্ন।

অভিযোগ রয়েছে, মেজর জাহিদকে হত্যার রাতেই তার স্ত্রী জেবুন্নাহার শিলা এবং দুই শিশুকন্যাকেও তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের চোখ বেঁধে আটক রাখা হয়। ছোট্ট এক বছরের শিশুকন্যাকেও মায়ের সঙ্গে দীর্ঘ সময় অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বড় মেয়েকে প্রথমে আত্মীয়দের কাছে দেওয়ার কথা বলা হলেও পরে তাকেও আরেকটি কথিত অভিযানের অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর আজিমপুরে একটি কথিত জঙ্গিবিরোধী অভিযানে তিন শিশুকে উদ্ধারের খবর প্রচার করা হয়। সেই শিশুদের মধ্যে ছিল মেজর জাহিদের মাত্র পাঁচ বছরের নিষ্পাপ কন্যা জুনাইরা বিনতে জাহিদ।

ভাবা যায়?

একজন বাবাকে হত্যা করা হয়েছে, আর তার পাঁচ বছরের শিশুকন্যাকে জাতির সামনে জঙ্গি নাটকের উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ এখানেই থামেনি।

মেজর জাহিদের স্ত্রী জেবুন্নাহার শিলাকে দীর্ঘ সময় গোপন আটক, জিজ্ঞাসাবাদ এবং পরে একাধিক জঙ্গি মামলার আসামি করা হয়। বছরের পর বছর তাকে কারাগার, আদালত এবং অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে জীবন কাটাতে হয়েছে। প্রায় চার বছর কারাভোগের পর জামিন পেলেও পরে আবার সেই জামিন বাতিল করা হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর আবার জামিন পেলেও এখনো তাকে বিভিন্ন মামলার বোঝা বহন করতে হচ্ছে।

এদিকে ছেলের মৃত্যুর শোক সহ্য করতে পারেননি মেজর জাহিদের বাবা-মাও। অভিযোগ অনুযায়ী, ছেলের হত্যার এক বছরের মধ্যেই তারা দুজনেই স্ট্রোক করে মারা যান।

একটি পরিবারকে ধ্বংস করতে আর কী লাগে?

একজন ছেলেকে হারানো।

একজন স্বামীকে হারানো।

একজন বাবাকে হারানো।

একজন মাকে বছরের পর বছর কারাগারে রাখা।

দুই শিশুর শৈশব কেড়ে নেওয়া।

আর তারপর সেই মানুষের মরদেহটুকুও পরিবারের কাছে না দেওয়া।

সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, মেজর জাহিদের মরদেহ প্রায় আড়াই বছর ঢাকা মেডিকেলের মর্গে পড়ে ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু পরিবারের কাছে সেটি হস্তান্তর করা হয়নি। পরে পরিবার মরদেহের অবস্থানও খুঁজে পায়নি বলে অভিযোগ করে।

একজন মানুষকে হত্যা করা হয়েছে এটাই যথেষ্ট ভয়াবহ।

কিন্তু একজন মানুষকে হত্যা করে তার পরিবারকে বছরের পর বছর হয়রানি করা, শিশু সন্তানদের শৈশব ধ্বংস করা, স্ত্রীকে মামলার পর মামলা দিয়ে বিপর্যস্ত করা এবং মরদেহ পর্যন্ত পরিবারের কাছে না দেওয়া এসব কেবল একটি হত্যাকাণ্ডের গল্প নয়; এটি রাষ্ট্রীয় নিষ্ঠুরতার গল্প।

এটি সেই সময়ের গল্প, যখন ক্ষমতাই ছিল সত্য, আর সত্য বলার চেষ্টা করাই ছিল অপরাধ।

ফ্যাসিবাদ শুধু রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন করে না। ফ্যাসিবাদ মানুষের পরিচয় কেড়ে নেয়, মর্যাদা কেড়ে নেয়, ইতিহাস কেড়ে নেয়। ফ্যাসিবাদ একজন মানুষকে মৃত্যুর পরও শান্তিতে থাকতে দেয় না। তার পরিবারকে শাস্তি দেয়, সন্তানদের শাস্তি দেয়, স্মৃতিকেও শাস্তি দেয়।

আজ বহু বছর পেরিয়ে গেছে। সরকার বদলেছে, ক্ষমতা বদলেছে, রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলেছে। কিন্তু প্রশ্নগুলো এখনো রয়ে গেছে।

সেদিন আসলে কী হয়েছিল?

কেন একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে জঙ্গি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল?

কেন তার স্ত্রী ও সন্তানদের এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল?

কেন তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি?

কেন একটি পুরো পরিবারকে কার্যত ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর শুধু মেজর জাহিদের পরিবারের জন্য নয়; পুরো জাতির জন্য প্রয়োজন।

কারণ একটি রাষ্ট্রের শক্তি তার অস্ত্রে নয়, তার ন্যায়বিচারে। একটি জাতির মর্যাদা নির্ধারিত হয় সে কতটা সাহসের সঙ্গে নিজের অন্ধকার অতীতের মুখোমুখি দাঁড়াতে পারে তার ওপর।

মেজর জাহিদুল ইসলামের ঘটনাটি তাই শুধু একজন সেনা কর্মকর্তার গল্প নয়। এটি বিচারহীনতার বিরুদ্ধে একটি প্রশ্ন, রাষ্ট্রীয় খামখেয়ালির বিরুদ্ধে একটি প্রশ্ন, ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে একটি প্রশ্ন।

আর ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সত্য হলো ক্ষমতা একদিন শেষ হয়, কিন্তু সত্যের প্রশ্ন কখনো শেষ হয় না।

🚨 ব্রেকিং.... সম্ভবত দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষ-নের বিচারের রায় ঘোষনা ! অতিদ্রুত এই রায় কার্যকর চাই।
07/06/2026

🚨 ব্রেকিং....

সম্ভবত দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষ-নের বিচারের রায় ঘোষনা !

অতিদ্রুত এই রায় কার্যকর চাই।

ডক্টর কামাল হোসেনকে আজও বেঈমান বলা হয় কিন্তু জুলাই আন্দোলনে ডক্টর কামাল হোসেনের মেয়ে সারা হোসাইন পর্যন্ত রাজপথে এসেছে কি...
06/06/2026

ডক্টর কামাল হোসেনকে আজও বেঈমান বলা হয় কিন্তু জুলাই আন্দোলনে ডক্টর কামাল হোসেনের মেয়ে সারা হোসাইন পর্যন্ত রাজপথে এসেছে কিন্তু এ-ই শিশির মনিরের মুখটা পর্যন্ত কেউ দেখে নাই।

অভিনেতা মোশাররফ করিম কিংবা সিয়ামরা আজীবন ক্ষমতাকে চেটেছে সে-ই মোশাররফ করিম,সিয়ামরা পর্যন্ত জুলাই আন্দোলনে রাজপথে এসেছে।

অথচ সেইসময় জুলাই আন্দোলনের পক্ষে শিশির মনিরের একটা ভিডিও বার্তা দেওয়ার মতো সাহসিকতা পর্যন্ত দেখাতে পারে নাই।

জুলাই আন্দোলনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শেখ হাসিনার ছবি সরিয়ে ফেলছে শামীমা সুলতানা।ঢাকার উত্তাল রাজপথে নেমে লড়াই করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা সায়মা ফেরদৌস।

অথচ সেইসময় হিজড়া শিশির মনিরের একটা ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার মুরোদ পর্যন্ত হয় নাই।

সে-ই কাপুরষ হিজড়া শিশির মনির ঠিক করে জুলাই সনদ কোন কাঠামোতে বাস্তবায়ন হবে।

যে-ই শিশির মনিরের একটা ফেসবুক পোস্ট কিংবা কমেন্ট করার মুরোদ হয় না-ই সে-ই শিশির মনির আজ জুলাই নিয়ে হম্বিতম্বি করে,গর্জন দেয়।

রানা প্লাজার সে-ই ধসের কথা মনে আছে?

প্রায়ই ১১০০ মানুষ মারা গেছে,সে-ই রানা প্লাজা ধসের প্রধান আসামি সোহেল রানার পক্ষে লড়াই করেছেন শিশির মনির।

আবরার মার্ডারে এপাড় বাংলা ঐপাড় সহকারে পুরোবিশ্ব গর্জে উঠেছে সে-ই আবরারের মার্ডারের আসামীদের পক্ষে লড়াই করেছেন এ-ই শিশির মনির।

আদ-দ্বীন হসপিটালের অব্যবস্থাপনায় ৬ জন শিশু মারা গেছে,সে-ই কোমলপ্রাণ শিশুদের পরিবারের আহাজারি ক্রন্দনে আজও আকাশবাতাস কাপছে।

সে-ই আদ-দ্বীন হসপিটালের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীরা কেইস করেছে আর সেখানে আসামিপক্ষে লড়ছেন শিশির মনির।

আর এ-ই শিশির মনিরই জামায়াতের সবচেয়ে বড়ো বিজ্ঞাপন,এ-ই শিশির মনিরের চেয়ে বড়ো বিবেকবান কিংবা শিক্ষিত কেউ জামায়াতে নাই।

জামায়াতের সবচেয়ে বড়ো শিক্ষিত শিশির মনিরকে গত নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ জুতাপেটা করেছে,প্রায়ই ৪০ হাজার ভোটে পরাজিত হয়েছে।

তারপরও শিশির মনিররা মিডিয়ার সামনে আসে এবং কথাও বলে,শিশির মনিরদের মতো নিলজ্জ কাপুরষদের লাইমলাইটে আসছে শুধু জুলাইয়ের কারণে;এটাই সম্ভবত জুলাইয়ের সবচেয়ে বড়ো যাকাত...

কৃতজ্ঞতা : Ahmed Imtiaz

05/06/2026

চলছে গাড়ি সিসিমপুরে।🤡

05/06/2026

বাচ্চা ছেলে মেয়েদের কি শেখাচ্ছে জামায়াত শিবির ওদের সাথে সুশীল রাজনীতি করতে চায় তারেক রহমানে ? ছিঃ

05/06/2026

শিবিরের সাবেক ৬ জন সভাপতি এবং জামায়াতের সেক্রেটারী হারু নেতা গোলাম পরোয়ারের নেতৃত্বে এসব কুৎসিত শ্লোগানের তীবরো নেন্দা জানিয়ে গেলাম...

ফরেন পলিসিতে জিয়ার দেখানো পথে হাঁটছেন পুত্র তারেক? সরকারের বয়স মাত্র সাড়ে তিন মাসের মতো। এখনই মূল্যায়ন করার ঠু আর্লি...
05/06/2026

ফরেন পলিসিতে জিয়ার দেখানো পথে হাঁটছেন পুত্র তারেক?

সরকারের বয়স মাত্র সাড়ে তিন মাসের মতো। এখনই মূল্যায়ন করার ঠু আর্লি। কিন্তু এখন পর্যন্ত বিএনপি সরকার ফরেন পলিসিতে মাস্টারি দেখাইছে। দ্যাটস রিয়্যালি অ্যা গুড অ্যাচিভমেন্ট।

বিশেষ করে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের ঢাকায় আসাটাকে আমি ইতিবাচকভাবে দেখছি। সরকারের যাত্রার শুরুতেই বিএনপি সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রীর চীন সফরও ভালো সাইন।

আবার জাতিসংঘের উঙ্গা—ইউএনজিএ এর সভাপতি নির্বাচিত হওয়াটাও বাংলাদেশের ফরেন পলিসির জন্য একটা বড় অর্জন।

ঢাকা এখন পর্যন্ত দিল্লিকে যেভাবে ডিল করছে সেটাও ভালো। সীমান্তে বিএসএফ এবং কূটনৈতিক পর্যায়ে ভারতকে খানিকটা উপেক্ষা করাটা পজিটিভ দেশীয় রাজনীতির জন্য। তবে বিএনপিকে অবশ্যই জিয়াউর রহমানকে মনে রাখতে হবে।

বিএনপির এই সরকার ১৯৭৬–৮১ সালের জিয়া সরকারের লিগ্যাসি বহন করতেছে, এইটা আমি হলপ করে বলতে পারি। কিন্তু বাংলাদেশের একমাত্র রিস্ক একচুয়ালি আসবে প্রতিবেশীর থেকেই। তো বিএনপি এবং তারেক রহমানকে সচেতন হইতে হবে।

জিয়াউর রহমানের আমলে বাংলাদেশ মাত্র সাড়ে ৩ বছরে এত দারুণ কাজ করেছিল যে, সেটা রীতিমত তাঁক লাগানোই ছিল।

মিশর, সৌদি, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ সব দেশের কাছ থেকেই বাংলাদেশ স্বীকৃতি আদায় করে নিয়েছিল। ওই সময় বিট্রিশ প্রধানমন্ত্রী জেমস কালাহান প্রথম ব্রিটিশ প্রাইম মিনিস্টার হিসেবে ঢাকায় এসেছিলেন। জিয়া গিয়েছিলেন হোয়াইট হাউজে।

কায়রোতে জিয়াউর রহমানযে স্বাগত জানাতে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়েছিল সাধারণ মানুষ। জিয়ার নামে স্লোগান দিয়েছিল তারা। মিসরের সঙ্গে পাটজাত পণ্যের ব্যবসার রাস্তা খুলেছিলেন নতুন করে। ইরাক-ইরান যুদ্ধের সময় সিজফায়ারে মধ্যস্থতাকারীর রোলে ছিলেন জিয়া।

জিয়া প্রেসিডেন্ট হওয়ার এক বছরের মাথায় আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন বাকিংহাম প্যালেস থেকে। সেখানে গিয়েছিলেন। ১৯৭৭ সালের ২৬ জুলাই যখন জিয়া সৌদি আরব যান, কূটনৈতিক প্রোটোকল ভেঙে খোদ সৌদি বাদশাহ খালেদ বিন আব্দুল আজিজ নিজে জিয়াকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে আসেন।

জিয়া জগৎজুড়ে যেভাবে পদচারণা করেছেন, তাতে বলতেই হয়, আজকালকার পোলাপান যেটাকে বলে ‘aura–অরা’ সেটাই ছিল জিয়ার। রিয়েল অরা। এইটা না থাকলে যেখানে অন্যদের যুগ যুগ লেগে যায় জিয়া সেটা করছিলেন মাত্র সাড়ে ৩ বছরে।

এই সাড়ে তিন বছরের মধ্যে জিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময়েও যারা স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করেছিল, তাদের জিয়া বন্ধু রাষ্ট্রে পরিণত করেছেন। জিয়া চীনকে বাংলাদেশে অল ওয়েদার অ্যালাই বানায় দিয়া গেছেন। জিয়া মধ্যপ্রাচ্যকে বাংলাদেশের টাকার মার্কেট বানায় দিয়া গেছেন। জিয়াই যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশের রিএমজি সেক্টরের সবচেয়ে বড় এক্সপোর্ট হাব বানানোর পেছনে ভূমিকা রেখে গেছেন!

তো সেই তুলনায় বলতে গেলে, জিয়ার পরের সরকারগুলোর সফলতা কমই।

কোনো সরকারই বাংলাদেশের ফরেন পলিসিকে ইন্ডিপেন্ডলি পারস্যু করতে পারে নাই। যদি পারত বাংলাদেশে এফডিআই আরও বাড়ত। আর হাসিনার লাস্ট রেজিম তো রীতিমত এক দেশদর্শী ফরেন পলিসি অনুসরণ করসে। দ্যাট ওয়াজ আ ডিজাস্টার। এখন ইউনূস সরকার যেটা শুরু করছিল বিএনপি সরকার সেটা কন্টিনিউ করতেছে, এইটা ভালো লক্ষণ।

তবে জিয়ার পথ পুরোপুরি অনুসরণ করা এখনো অনেক দূর।

কৃতজ্ঞতা : এ আর ফারুকী।।।

ছবির ভদ্রলোকের নাম মোহাম্মদ নকীবুর রহমান। তার পিতার নাম মতিউর রহমান নিজামী, যিনি যুদ্ধাপরাধের দায়ে ফাঁসিতে মৃত্যুর পূর্...
04/06/2026

ছবির ভদ্রলোকের নাম মোহাম্মদ নকীবুর রহমান।

তার পিতার নাম মতিউর রহমান নিজামী, যিনি যুদ্ধাপরাধের দায়ে ফাঁসিতে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ছিলেন। ৭১ এর যুদ্ধে নিজামী ছিলেন আল বদর বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতাদের একজন।

নকীবুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করলেও পিতার সিলসিলা ঠিকই বজায় রেখেছেন। তিনি উত্তর আমেরিকা জামায়াতে ইসলামীর পরিচিত মুখ।

২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি এক টিভি টকশো চলাকালে জনাব নকীবুর রহমান এক মনগড়া দাবি করে বসেন।

তিনি ক্যাটাগরিক্যালি ২টা দাবি করেন।

১. জামায়াতের আমীর শফিকুর রহমানের টুইটার একাউন্ট হ্যাক হয়েছে।
২. একাউন্ট হ্যাক করেছে বিএনপির আইসিটি সম্পাদক মো. ওয়াহিদুজ্জামান এপোলো।

বিষয়টা গায়ে লাগে জনাব এপোলোর। কারণ তথাকথিত এই 'হ্যাকিং' এর সাথে তিনি কোনোভাবেই সম্পৃক্ত ছিলেন না।

বিক্ষুব্ধ হয়ে তিনি নকীবুর রহমানের নামে উত্তর ক্যারোলাইনার পূর্বাঞ্চলীয় জেলা আদালতে একটি মানহানির মামলা করেন৷ মামলার নাম Wahiduzzaman v. Rahman, 5:26-cv-00101

নকিবুর রহমান আদালতে হাজির হয়ে আমীরের একাউন্ট হ্যাক হওয়া এবং তাতে বিএনপির আইসিটি সম্পাদকের জড়িত থাকার প্রমাণ দাখিলের জন্য সময়ের আবেদন করলেও, পরে নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পরেও তার দাবির স্বপক্ষে কোন প্রমাণ দাখিল করতে পারেন নাই।

অর্থাৎ, জামায়াত আমীর শফিকুর রহমানের একাউন্ট যে হ্যাক হয়েছে, এটা যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে প্রমাণ করতে পারে নাই।

এরপর আদালত তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিলে, যেহেতু তার কাছে জামায়াতের আমীরের একাউন্ট হ্যাক হওয়ার বিষয়ে কোন প্রমাণ ছিল না, তাই তিনি তার আইনজীবীর পরামর্শে ক্ষমা চেয়ে "সেটেল" করার সিদ্ধান্ত নেন।

গেজ হোয়াট?

নকীবুর রহমান অবশেষে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন।

এখন প্রশ্ন থেকে যায়:

একাউন্ট হ্যাক হয়েছে মর্মে জামায়াতে ইসলামীর মেধাবীরা যে বাংলাদেশে বসে এক বিশাল পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন দেখিয়েছিলো জাতিকে, সেই প্রেজেন্টেশনের কপি কেন যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে দেখান নাই নিজামীপুত্র নকীবুর রহমান? কেন তিনি 'প্রমাণ' না দেখিয়ে ক্ষমা চাওয়ার পথে গেলেন?

কারণ, ক্ষমা না চাইলে পরে টুইটার কর্তৃপক্ষ যদি জড়িত হয়ে যেত এবং সার্টিফাই করতো যে জামায়াতের আমীরের একাউন্ট আসলে হ্যাক-ই হয় নাই, এবং আমীর আসলেই নারীদের বেশ্যা বলে গালি দিয়েছিল, তখন পরিস্থিতি আরও খারাপ হতো। তাই ক্ষমা চাওয়া ছাড়া আর কোন উপায়ও ছিল না।

নকীবুর রহমান তার ক্ষমা চাওয়ার পোস্টে লিখছে "Alleged hacking" বা কথিত হ্যাকিং। অর্থাৎ শফিকুর রহমানের টুইটার একাউন্ট আসলেই হ্যাকিং হয়েছিল কিনা সেইটা নিয়ে নিজেই সন্দেহ প্রকাশ করেছে।

কৃতজ্ঞতা : Khalid M Shezan

04/06/2026

আগে পরিচয়টা পরিষ্কার করে নেওয়া ভালো—উনি এমপি আমির হামজার স্ত্রী নন, উনি তাদের দলীয় নেত্রী রাশ্মিকা খাতুন।
অনেক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছে,কিন্তু নেত্রী বৈঠকের শেষ দিকে কিসে হেলান দিলো?
আমি তো পুরা টাসকি খেয়ে গেছি🫣
উনি এমপি তাই হয়তো ওনার জন্য এগুলো বৈধ 😥

💔
04/06/2026

💔

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nationalist Cyber Force - NCF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share