16/03/2026
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
আজ দিনাজপুরের মাটিতে আগমন ঘটে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের। উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সহ অন্যান্য সাংসদরা। উপস্থিতিতে আয়োজিত জনসভায় দিনাজপুর সদর-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম অত্যন্ত সাহসিকতা ও আভিজাত্যের সাথে এই জনপদের বঞ্চনার কথাগুলো তুলে ধরেছেন।
বক্তব্যের শুরুতেই তিনি বলেন যে, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলের অবহেলা কীভাবে দিনাজপুরের সম্ভাবনাকে দমিয়ে রেখেছিল। সতেরো বছর মেয়রের দায়িত্ব পালনকালে তিনি সাধারণ মানুষের যে আকুতি খুব কাছ থেকে দেখেছেন, আজ সেই অধিকারগুলোই তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে জোরালোভাবে পেশ করেছেন।
দিনাজপুরকে পূর্ণাঙ্গ সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করা, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ১০০০ শয্যায় উন্নীতকরণ, ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠা, হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়, টেক্সটাইল কলেজ ও পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে যুগোপযোগী বিএসসি শিক্ষার ব্যবস্থা, যুগোপযোগী কোর্স, তরুণ প্রজন্মের জন্য ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নিশ্চিত করা, ঢাকা-দিনাজপুর ৪ লেন মহাসড়ক দ্রুত বাস্তবায়ন এবং বন্ধ কলকারখানাগুলো সচল করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।
সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম অত্যন্ত আবেগী কিন্তু দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা করেন যে, জনগণ তাঁকে যে আস্থায় ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন, সেই আমানত তিনি অবশ্যই রক্ষা করবেন ইনশাআল্লাহ। ক্ষমতার দম্ভ নয়, বরং জনতাকে মাথার ওপর রেখেই তিনি তাঁর আগামীর পথচলা অব্যাহত রাখবেন।
বক্তব্যের সবচেয়ে হৃদয়স্পর্শী মুহূর্তটি ছিল যখন তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। এই শহর দেশনেত্রীর প্রাণের শহর, আর সেই প্রিয় শহরের মানুষের অধিকার আদায়ে তাঁর এই অশ্রু ও বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর আজ দিনাজপুরের প্রতিটি প্রান্তে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।
দিনাজপুরের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা এবং একটি আধুনিক, স্মার্ট ও বৈষম্যহীন শহর গড়ার যে স্বপ্ন সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম দেখছেন, আজকের এই বলিষ্ঠ বক্তব্য সেই স্বপ্নেরই এক শক্তিশালী প্রতিফলন।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জিন্দাবাদ।