Habiganj Doctors & Medical Services Information

Habiganj Doctors & Medical Services Information Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Habiganj Doctors & Medical Services Information, Public Service, Habiganj, Habiganj Sadar.

স্বাগতম। চিকিৎসা সেবা নিয়ে আমরা সবাই বিভ্রাটে আছি। হবিগঞ্জ শহরে চিকিৎসা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যের জন্য একটা বিশ্বস্থ গ্রুপ হিসাবে আমরা এই গ্রুপটিকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। সবাইকে ধন্যবাদ।

18/12/2025
বিশ্বজুড়ে উচ্চ রক্তচাপ একটি নীরব ঘাতক হিসেবে পরিচিত এবং আরও অনেক দেশের মত বাংলাদেশেও বিপুল সংখ্যক মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভ...
17/04/2025

বিশ্বজুড়ে উচ্চ রক্তচাপ একটি নীরব ঘাতক হিসেবে পরিচিত এবং আরও অনেক দেশের মত বাংলাদেশেও বিপুল সংখ্যক মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভুগে থাকেন।

'বাংলাদেশ জনমিতি স্বাস্থ্য জরিপ ২০১৭-১৮'-এর হিসেব অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি চার জনের একজন উচ্চ রক্তচাপ জনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন।

হৃৎপিণ্ডের ধমনীতে রক্ত প্রবাহের চাপ অনেক বেশি থাকলে সেটিকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেশার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপ থাকে ১২০/৮০ মিলিমিটার মার্কারি।

কারও ব্লাড প্রেশার রিডিং যদি ১৪০/৯০ বা এর চেয়েও বেশি হয়, তখন বুঝতে হবে তার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে।

অন্যদিকে রক্তচাপ যদি ৯০/৬০ বা এর আশেপাশে থাকে, তাহলে তাকে লো ব্লাড প্রেশার হিসেবে ধরা হয়।

উচ্চ রক্তচাপ হলে কী সমস্যা তৈরি হয়?
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অঙ্গে জটিলতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ থেকে হৃদযন্ত্রের পেশি দুর্বল হয়ে যেতে পারে এবং এর ফলে দুর্বল হৃদযন্ত্র রক্ত পাম্প করতে না পেরে ব্যক্তির হৃতপিণ্ড কাজ বন্ধ করতে পারে বা হার্ট ফেল করতে পারে।

এছাড়া, এমন সময় রক্তনালীর দেয়াল সঙ্কুচিত হয়ে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও থাকে।

উচ্চ রক্তচাপের কারণে কিডনি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, মস্তিষ্কে স্ট্রোক বা রক্তক্ষরণও হতে পারে। এরকম ক্ষেত্রে রোগীর মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকে।

আর বিশেষ ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপের কারণে রেটিনায় রক্তক্ষরণ হয়ে একজন মানুষ অন্ধত্বও বরণ করতে পারেন।

লক্ষণঃ
উচ্চ রক্তচাপের একেবারে সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ সেভাবে প্রকাশ পায় না। তবে সাধারণ কিছু লক্ষণের মধ্যে রয়েছে:

প্রচণ্ড মাথা ব্যথা করা, মাথা গরম হয়ে যাওয়া এবং মাথা ঘোরানো
ঘাড় ব্যথা করা
বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া
অল্পতেই রেগে যাওয়া বা অস্থির হয়ে শরীর কাঁপতে থাকা
রাতে ভালো ঘুম না হওয়া
মাঝে মাঝে কানে শব্দ হওয়া
অনেক সময় জ্ঞান হারিয়ে ফেলা।

হার্ট অ্যাটাকের সতর্কতা লক্ষণবুকে অস্বস্তিবুকে ব্যথা বা অস্বস্তি হার্ট অ্যাটাকের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ। চাপ, পূর্ণতা, আঁট...
16/04/2025

হার্ট অ্যাটাকের সতর্কতা লক্ষণ
বুকে অস্বস্তি

বুকে ব্যথা বা অস্বস্তি হার্ট অ্যাটাকের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ। চাপ, পূর্ণতা, আঁটসাঁটতা বা বুকের মাঝখানে বা বাম দিকে ব্যথার কারণে ব্যথা বা অস্বস্তি হতে পারে। বেশিরভাগ রোগীই এটিকে তাদের বুকে বসা একটি হাতির সাথে তুলনা করেন। গুরুত্বপূর্ণ এই সত্য যে এই ধরনের অস্বস্তি কয়েক মিনিটের বেশি সময় ধরে চলতে পারে বা অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে এবং তারপর আবার দেখা দিতে পারে।
নিঃশ্বাসের দুর্বলতা

আরেকটি গুরুতর হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হল শ্বাসকষ্ট। এটি নিজেই একটি উপসর্গ হতে পারে বা বুকের আঁটসাঁট অনুভূতির সাথে এবং এমনকি বাতাস বা শ্বাস নিতে অক্ষমতা হিসাবে উপস্থাপন করা যেতে পারে। এই অনুভূতি সহ একজনের এটির দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া উচিত যদি এটি কোথাও না ঘটে, অন্য কিছু উপসর্গের সাথে বা ছাড়াই ঘটে।
বমি বমি ভাব

বমি বমি ভাব এবং মাথা ঘোরাও হার্ট অ্যাটাকের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। অন্য রোগীদের পেটে ব্যথার সঙ্গে বমি বমি ভাব হয়। অবশেষে, কেউ অনুভব করতে পারে যে খারাপ জিনিসগুলি ঘটতে চলেছে, অথবা তারা অতিরিক্ত প্রসারিত হয়ে যায় এবং তারপরে উপসর্গগুলি শুরু করে, একটি অবস্থা মহিলাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, কারণ তারা বুকে ক্লাসিক অস্বস্তি তৈরি করে না যা বেশিরভাগ রোগীদের হার্ট অ্যাটাকের অভিজ্ঞতা হয়।
ব্যাখ্যাতীত ক্লান্তি

যদিও প্রতিদিনের কাজের কারণে ক্লান্তি বা অবসাদ দেখা দিতে পারে তবে এটি হার্ট অ্যাটাকের সতর্কতা লক্ষণগুলির মধ্যে একটি হতে পারে। একটি অস্বাভাবিক স্তরের চাপ বা ক্লান্তি যা বিশ্রাম নেওয়া থেকে দূরে যায় না, বিশেষত মহিলাদের মধ্যে, এটি হার্ট অ্যাটাকের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। প্রকৃত হার্ট অ্যাটাকের এক সপ্তাহ আগে এই উপসর্গ শুরু হতে পারে। আপনি যদি অব্যক্ত ক্লান্তি লক্ষ্য করেন যা সারা সপ্তাহ ধরে স্থায়ী হয়, তাহলে আপনার ডাক্তারের কাছে রিপোর্ট করুন বা অবিলম্বে মেডিকেল চেকআপের জন্য যান।
ঘাম

অপ্রত্যাশিত ঘামও একটি বিশিষ্ট হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ যা উপেক্ষা করা উচিত নয়। ঠান্ডা ঘাম নামেও পরিচিত, এটি কোনও আপাত কারণ ছাড়াই ঘটতে পারে এবং ত্বকে একটি স্যাঁতসেঁতে অনুভূতি তৈরি করতে পারে। ঠান্ডা ঘাম শরীরে উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে এবং যখন তারা হার্ট অ্যাটাকের অন্যান্য উপসর্গের সাথে দেখা দেয়, তখন তারা চিকিৎসার বিষয়ে সতর্ক করে। আপনি যদি বুকে ব্যথা সহ একটি অস্বাভাবিক ঠান্ডা ঘাম অনুভব করেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসা সহায়তা নিন।
অসম হার্টবিট

একটি অসম হার্টবিটও প্রাথমিক হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হতে পারে। হৃৎস্পন্দন, বা আপনার হৃদপিণ্ডের স্পন্দন, স্পন্দন বা অনিয়মিতভাবে স্পন্দিত হওয়ার অনুভূতিও হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। আপনি অনুভব করতে পারেন যে আপনার হৃদপিন্ড দৌড়ে যাচ্ছে বা এটি স্পন্দন অনুপস্থিত। অসম হৃদস্পন্দন সুস্থ রোগীদের মধ্যে হালকা হয়; তবে, হার্ট অ্যাটাকের অন্যান্য উপসর্গের উপস্থিতিতে এগুলি ঘটলে, তাদের উপেক্ষা করা উচিত নয়। পরিস্থিতির তীব্রতা নির্ধারণ করার সময় ধড়ফড়ের ঘটনার প্রেক্ষাপট বিবেচনা করা উচিত।
বাহুতে, ঘাড়ে, পিঠে বা চোয়ালে ব্যথা

হার্ট থেকে বাহু, ঘাড়, পিঠ বা চোয়ালে ব্যথা ছড়িয়ে পড়াকে হার্ট অ্যাটাকের সতর্কতা চিহ্ন হিসাবেও উল্লেখ করা যেতে পারে। এটি প্রায়ই একটি গুরুতর প্রাথমিক হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হিসাবে উপেক্ষা করা হয়। অস্বস্তি বা ব্যথা গুরুতর নয়, একটি নিস্তেজ ব্যথা বা তীক্ষ্ণ ব্যথা। এটি প্রায়শই অনিয়মিত হয়। যে কোনও ক্ষেত্রে, যদি কেউ উপরের উপসর্গগুলি অনুভব করে এবং তারপরে অন্যান্য উপসর্গগুলি সংমিশ্রণে বিকাশ লাভ করে, সাহায্যের জন্য অবিলম্বে স্থানীয় জরুরি নম্বরে ডায়াল করুন।
পা বা পা ফুলে যাওয়া

পা, গোড়ালি বা পায়ে ফুলে যাওয়া হার্টের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে এবং হার্ট অ্যাটাকের সতর্কতা চিহ্ন হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, এটি তরল ধরে রাখার কারণে ঘটে কারণ হৃৎপিণ্ড কার্যকরভাবে শরীরের মাধ্যমে তরল পাম্প করতে পারে না। যেকোন রোগী যে আকস্মিক, ব্যাখ্যাতীত ফোলা অনুভব করে তাকে একজন ডাক্তার দ্বারা মূল্যায়ন করা উচিত, বিশেষ করে যদি এটি অন্যান্য উপসর্গ এবং লক্ষণগুলির সাথে ঘটে।
উদ্বেগ

উদ্বেগ বা আতঙ্কের লক্ষণগুলির সাথে হার্ট অ্যাটাকের জন্য এটি অস্বাভাবিক নয়। কিছু রোগী দাবি করেন যে তারা খিটখিটে বোধ করেছিলেন বা এমনকি হার্ট অ্যাটাকের আগে তাদের ধ্বংসের আসন্ন অনুভূতি ছিল। এই ধরনের মনস্তাত্ত্বিক লক্ষণগুলি বেশ ভবিষ্যদ্বাণীমূলক হতে পারে এবং অন্য উপসর্গগুলির সাথে মিলিত হলে যে কোনও ক্ষেত্রেই উপেক্ষা করা উচিত নয়।
ত্বকের রঙ পরিবর্তন

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলির মধ্যে একটি হল ঠোঁট বা আঙুলের চারপাশে ত্বকের রঙ পরিবর্তন করা। রক্ত প্রবাহে অক্সিজেনের অভাবের কারণে এই অবস্থাটি সায়ানোসিস নামে পরিচিত। এই পরিবর্তনগুলি সম্পর্কে জানা পরিস্থিতির গুরুতরতা উপলব্ধি করতে উপকারী হতে পারে।
বদহজম

বদহজমের মতো সমস্যাগুলি সর্বদা লোকেরা উপেক্ষা করে, এই ভেবে যে এগুলি কিছু গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা, তবে এগুলি হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হতে পারে। এই লক্ষণটি মহিলাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, যাদের হার্ট অ্যাটাকের অস্বাভাবিক উপস্থাপনা থাকে। আপনি যদি খুব গুরুতর অম্বল বা বদহজম অনুভব করেন যা স্বাভাবিক চিকিৎসায় সাড়া না দেয়, বিশেষ করে যদি অন্যান্য উপসর্গের সাথে থাকে, তাহলে ডাক্তারের কাছে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

16/04/2025

হৃদরোগ হৃৎপিণ্ডকে প্রভাবিত করে এমন একটি অবস্থা এবং এটি বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। সৌভাগ্যবশত, এই রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। এখন, আসুন আমরা দেখি আপনি কীভাবে আপনার হৃদয়কে রক্ষা করতে পারেন।

হৃদরোগের কারণ:
আমাদের প্রতিদিনের জীবনপ্রণালী বিধি হৃদরোগের ঝুকি তৈরী করে। এখানে কিছু সাধারণ কারণ রয়েছে:

অস্বাস্থ্যকর খাবার: জাঙ্ক ফুড, সংরক্ষিত স্ন্যাকস এবং মিষ্টি পানীয় গ্রহণের ফলে স্থুলতা দেখা দেয় এবং রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়।

দীর্ঘ সময় বসে থাকা: দীর্ঘ সময় বসে থাকলে উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা তৈরী হয়, যা হৃদরোগের প্রবণতা।

ধূমপান: এটি একটি প্রধান ঝুঁকির কারণ। ধুমপানের কারনে যে রাসায়নিকগুলি নির্গত হয় তা রক্তনালীগুলির ক্ষতি করে, হার্টে অক্সিজেনের পরিমাণ হ্রাস করে।

স্ট্রেস: আমাদের প্রতিদিনের কাজে নানা রকম হতাশাজনক পরিস্থিতি তৈরী হয়, এর মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী মানসিক উত্তেজনাও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, যা হার্টকে দুর্বল করে।

জেনেটিক্স: আপনি যদি এমন একটি পারিবারিক পটভূমি থেকে আসেন যেখানে হৃদরোগের সমস্যা সাধারণ, তবে আপনি উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছেন।

14/04/2025

ফর্মুলা দুধ কেনো শিশুর জন্য খারাপ ব্যাখ্যা করছেন ডাঃ মোঃ আবিদ হোসেন মোল্লা স্যার।
https://www.facebook.com/reel/682388890828874

আপনি কি জানেন?কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারীর নিজে কোন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা করালে জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের দেশ...
14/04/2025

আপনি কি জানেন?
কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারীর নিজে কোন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা করালে জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের দেশে বিদেশে চিকিৎসা সাহায্য তহবিল হতে চাকরি জীবনে এক বা একাধিকবারে সর্বোচ্চ ২ (দুই) লাখ টাকা অনুদান প্রদান করা হয়।



জটিল ও ব্যয়বহুল রোগসমূহ:

ক্যান্সার, হ্নদরোগ, কিডনি-ব্যাধি, হেপাটাইটিস, ডায়াবেটিস-মেলিটাস, পক্ষাঘাত, বক্ষব্যাধি, কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ-সংযোজন সংক্রান্ত রোগ ও দুর্ঘটনায় মারাত্নকভাবে আহত হওয়া এবং এ সংক্রান্ত মেডিকেল বোর্ড কর্তৃক জটিল ও ব্যয়বহুল রোগ বলে চিহ্নিত যে কোন রোগও এর অর্ন্তভূক্ত হবে।

সেবার মৌলিক তথ্যাবলী :
সেবা প্রদানকারী অফিসের নাম: বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড, ঢাকা
সেবা প্রাপ্তির স্থান: বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
১. হাসপাতালে ভর্তি হয়ে থাকলে মূল ছাড়পত্র (অফিস কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রতিস্বাক্ষরিত);

২. চিকিৎসা সংক্রান্ত বিল ভাউচার এর মূলকপি (অফিস কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রতিস্বাক্ষরিত);

৩. চিকিৎসা সংক্রান্ত ব্যবস্থাপত্র ও রিপোর্ট (অফিস কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রতিস্বাক্ষরিত);

৪. চিকিৎসা সংক্রান্ত খরচের হিসাববিবরণী (কর্মচারীর স্বাক্ষর সহ);

৫. জাতীয় বেতনস্কেল, ২০১৫-এ বেতননির্ধারণ (Payfixation) ফরমের সত্যায়িত ফটোকপি;

৬. নূন্যতম জেলা পর্যায়ে কর্মকর্তা কর্তৃক প্রত্যয়ন ও অগ্রায়ন হতে হবে।

14/04/2025
**কিডনি রোগ ও ক্যান্সার প্রতিরোধে কেন কলা খাবেন?** পুষ্টিকর খাবার হিসেবে কলা অতি পরিচিত ফল। কলা খাওয়ার অনেক উপকারও রয়ে...
13/04/2025

**কিডনি রোগ ও ক্যান্সার প্রতিরোধে কেন কলা খাবেন?**
পুষ্টিকর খাবার হিসেবে কলা অতি পরিচিত ফল। কলা খাওয়ার অনেক উপকারও রয়েছে, যা অনেকেরই জানা নেই। বেশি করে পাকা কলা খাওয়া উচিত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন কিছু উপকারিতার কথা।
১. কিডনি রোগ প্রতিরোধঃ কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়া প্রতিরোধ করে কলার পটাসিয়াম। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, কলার বিভিন্ন উপাদান কিডনির রোগ প্রতিরোধে কার্যকর।
২. ক্যান্সার প্রতিরোধঃ কলা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কলাতে রয়েছে একটি বিশেষ প্রোটিন, যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে। আর তাই ক্যান্সার প্রতিরোধে বেশি করে কলা খেতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
৩. খিঁচুনি প্রতিরোধেঃ মিনারেলের অভাবে অনেকেরই দেহের বিভিন্ন অংশে খিঁচুনি হয়ে থাকে। এ খিঁচুনি প্রতিরোধে প্রচুর মিনারেল সমৃদ্ধ কলা খাওয়া যেতে পারে। কলার পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম এক্ষেত্রে খুবই কার্যকর।
৪. বলিষ্ঠ হৃৎপিণ্ডঃ কলা হৃদরোগ থেকে রক্ষা পেতে সহায়তা করে। এজন্য নিয়মিত কলা খাওয়া প্রয়োজন। এছাড়া কলা উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধেও কার্যকর।
৫. রক্তনালী পরিষ্কারঃ রক্তনালীতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয় কোলস্টেরলের কারণে। কলাতে রয়েছে ফাইটোস্টেরোলস। এটি কোলস্টেরলের মাত্রা সীমিত রাখে এবং রক্তনালী পরিষ্কার রেখে সুস্থভাবে বাঁচতে সহায়তা করবে।
৬. স্বাস্থ্যকর পাকস্থলীঃ পাকস্থলীর সুস্থতার জন্য কলা খুবই কার্যকর খাবার। তাই গ্যাস্টিক আলসারের রোগীদের কলা খাওয়া উচিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি পাকস্থলীর দেয়াল বৃদ্ধি করে।
৭. উদ্যম যোগায় ও ভালো মুডঃ কলাতে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি উপাদান। আর এটি উদ্যম যোগাতে সহায়তা করে। কলার সাধারণ কার্বহাইড্রেট সহজে হজম হয় এবং দ্রুত শরীরে উদ্যম আনে। কলাতে রয়েছে ডোপামাইন। একে ‘সুখী হরমোন’ বলা হয়। এছাড়া রয়েছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, যা নার্ভাস সিস্টেমকে ইতিবাচক হতে সহায়তা করে।
৮. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও ওজন নিয়ন্ত্রণঃ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কলা খুবই সহায়তা করে। এতে রয়েছে কয়েক ধরনের ‘রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ’ যা টাইপ-২ ডায়াবেটিসের উন্নতিতে সহায়তা করে। সবুজ বা কাঁচা কলাতে বেশিমাত্রায় রয়েছে এ উপাদানটি। দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ করে স্লিম ফিগার তৈরি করতে সহায়তা করে কলা। মূলত কয়েক ধরনের ফ্যাট দেহে সংরক্ষণ করতে বাধা দেয় কলা। ফলে দেহ থেকে ফ্যাট কমে যায়।

Address

Habiganj
Habiganj Sadar
33000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Habiganj Doctors & Medical Services Information posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category