07/05/2026
গত ২মে শনিবার ঘটিত আলিম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি জগন্নাথপুর আল-জান্নাত ইসলামিক এডুকেশন ইনস্টিটিউট কামিল মাদ্রাসার কথিত আরবি প্রভাষক লম্পট শামছুল হুদা। সে একজন কৃমিনাল, অর্থলোভী ও পুরাতক ধর্ষক জানা সত্বেও তার নিজ এলাকা কমিল্লার লাকসামের হওয়ায় তার শক্তি ও প্রভাব বৃদ্ধির জন্য প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল তাকে ২০২৫ সালে তাকে আল জান্নাত এ প্রভাষক পদে নিয়োগ দেয়। যে কিনা রসুলপুর দাখিল মাদ্রাসায় ৭/৮ বছর চাকরির সময় প্রভাষক পাশ করার সুযোগ পায়নি, যখন সেখান থেকে ২০১৫ এ ধর্ষণের অভিযোগে বহিষ্কার হয় সাথে সাথে জ্ঞান বৃদ্ধি হয়ে যায় এবং প্রভাষক নিবন্ধন করে আল-জান্নাত এ সরাসরি প্রভাষক। ২০১৬ সালে আবার জগন্নাথপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের এর এক মেডামের সরসার ভাঙানোর চেষ্টার অভিযোগে টিএনওর মাধ্যমে তাকে আল-জান্নাত থেকে বহিষ্কার করা হয়, কিন্তু কিভাবে সে ১৫ এর নিয়োগে আবার ২০১৮ সালে সেই ধর্ষক আল-জান্নাতে প্রবেশ করে ও এমপিওভুক্ত হয়। এ প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত আমাদের জগন্নাথপুর এর অনেক শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে জানা যায়, সে প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ প্রভাব খাটিয়ে থাকে। অনেকে না জেনে ডাকে ভাইসপ্রিন্সিপাল বললে সে নিরবে তা গ্রহণ করে। ভুক্তভোগী প্রার্থীদের মাধ্যমে জানা গেছে গত বছর প্রতিষ্ঠানে ভাইসপ্রিন্সিপাল ও অন্যান্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, সেখানে অন্যান্য পদে নিয়োগ দিলেও এ পদে পর্যাপ্ত দরখাস্ত পড়ার পরেও পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়নি, কারন ধর্ষককে যোগ্য বানিয়ে নেওয়ার একমাত্র চেষ্টা।
ছাত্র/ছাত্রী ও বিভিন্ন মাধ্যমে জানা গেছে এ শিক্ষক মাদ্রাসায় থাকা অবস্থায় এখানে বহুদিন ধরে তার উৎপীড়নে শিক্ষক/কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা নড়কের মধ্যে রয়েছে। শিক্ষকদের মধ্যে বিভিন্ন দলে উপদলে বিভক্ত করে বিভিন্ন জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন চক্রান্ত পাকিয়ে তিলকে তাল বানিয়ে খালি মাঠে গোল দিচ্ছে। তার নিজের খাহেশ অর্থ লোটপাট ও ধর্ষণ কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। গত ৩/৪দিন আগের দৈনিক জগন্নাথপুর পত্রিকা (অনলাইন ফেইসবুক) এ পুরাপুরি না বললেও লেগেছে বলে সামান্য হলেও স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে। তার বর্ণিত মাদ্রাসার গ্রুপের কথা শুনেছি। কিন্তু বিভিন্ন মাধ্যমে জানা গেছে সে প্রিন্সিপাল কে ব্যাকাপে রেখে তার একটা সিন্ডিকেট গ্রুপ রয়েছে যাদের মাধ্যমে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে বিভিন্ন মিটিং পরিচালনা ও স্বার্থ উদ্ধারের চেষ্টা করে থাকে। তার গ্রুপে তার পরে বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ নেতা (সিলসিলায়ে ফুলতলী) প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, বাকীরাও একই সিলসিলার সহকারী শিক্ষক মাহবুব আলম, সহকারী শিক্ষক আব্দুল মতিন, কারী ফারুক আহমদ এবং সহকারি শিক্ষক আব্দুল বশির। তার সাথে তারা আলিম ১ম বর্ষের ছাত্র শিক্ষার্থীদের (২০/২৫ জনের) একটা বড় অংশকে তাদের গ্রপে বিভিন্ন চক্রান্তে ব্যবহার করছে। এবং গত ২ বছর যাবৎ এদেকে দিয়ে জগন্নাথপুর পৌরশাখার ১নং ওয়ার্ড (মাদ্রাসা অঞ্চল) এ বাংলাদেশ আঞ্জুমানে তালামিযে ইসলামিয়ার কমিটি গঠন করার মাধ্যমে তাদের সংঘটিত করে রেখেছে।
জুলাই বিপ্লবের পর সে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভালো অবস্থান লক্ষ করে তাদের দলে ভীড়ার পায়তারা করে, কিন্তু জামায়াত তাকে লাপাত্তা করে দেয়।
সে ফুলতলী পীর সাহেব ও সিলসিলার সাথে ওতপ্রোতভাবে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সে সুবাদে মাদ্রাসা আলিম/ফাযিল/কামিল সবকদান অনুষ্ঠানে ফুলতলীর সাব কিবলার মাধ্যমে সবকদান করনো হয়েছে যদিও ছাত্ররা সেটাতে নারাজ ছিল। এমনকি এ ফুলতলী সিলসিলা ফেসিস্ট ও স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের পা চাঁটা গোলাম হওয়ার পরেও জুলাই বিপ্লবের পরেও তাদেরকে এ কলঙ্কিত মুনাফিকদের অতিথি করা হয়েছে।
ধর্ষক মূলত পীরাকী গরানার লোক। সে ধর্ষক কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলায় অবস্থিত 'সোনাকান্দা' দরবার শরীফের অনুসারী। এবং সে সোনাকান্দা দারুল হুদা বহুমুখী কামিল মাদ্রাসা থেকে কামিল/ টাইটেল পাশ করে।
বিভিন্ন শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে জানা যায়, ধর্ষক একই কাজ বার বার করে আসছিল, এরকম অনেক ঘটনায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন শিক্ষার্থীর আক্রমণের স্বীকার হয়েছে। যা ধর্ষক বাড়ির লোকদের অথবা প্রতিষ্ঠানের কোনো লোকজন কে জানায় নি। এমনকি আল্লাহ ও তাকে বিভিন্নভাবে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন। কিন্তু বিফল.. অবশেষে......
সংগৃহীত