Dashuria,Ishwardi,Pabna

Dashuria,Ishwardi,Pabna উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিনাঞ্চল এর সংযোগ কেন্দ্র এই দাশুড়িয়া ট্রাফিক মোড়।

পদ্মা বিধৌতপাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার ঢাকা-রাজশাহী, ঈশ্বরদী -ঢাকা মহাসড়কের পাশে প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশে অবস্থিত দাশুড়িয়া ।

দাশুড়িয়াকে উত্তর বঙ্গের প্রবেশ দ্বার বলা হয়। বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মানের পূর্বে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে গোটা উত্তরাঞ্চল এবং দক্ষিণ - পশ্চিমের কিছু অংশের যোগাযোগের একমাত্র পথ ছিল দাশুড়িয়া । তবে বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণের ফলে দাশুড়িয়ার গুরুত্ব সাময়িকভাবে কমে গেলেও লালনশাহ সেতু নির্ম

ানের ফলে তার অভাব অনেকাংশে পুরণ হয়েছে। ভৌগলিক গুরুত্ব অনুসারে বলতে গেলে দাশুড়িয়ার তেমন কোন উন্নয়নই হয়নি। শিক্ষা-দিক্ষাসহ সকল ক্ষেত্রে এই জনপদ অনেক পিছিয়ে রয়েছে।

কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ২৪টি গ্রাম নিয়ে অবস্থিত ৪ নং দাশুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ।শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন ও খেলাধুলা নিয়ে তার আপন গতিতে চলমান।



ক)নাম : ৪নং দাশুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ।

খ)আয়তন : ১৪.৮২বর্গ কি:মি:

গ)লোকসংখ্যা: ৩১,৫২৬জন

ঘ)গ্রামের সংখ্যা: ২৪টি

ঙ)মৌজার সংখ্যা: ২৪টি

চ)হাট/বাজারের সংখ্যা-৩টি

ছ)উপজেলা থেকে যোগাযোগের ব্যবস্থা- বাস,সিএনজি, ইজি বাইকের মাধ্যমে

জ)শিক্ষার হার: ৫৬%(২০০১ সালের আদমশুমারী অনুসারে)

ঝ)সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা- ০৭টি

ঞ)বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা- ০৫টি

ট)উচ্চ বিদ্যালয়- ৪টি

ঠ)জে,এস,সি ও এস,এস,সি পরীক্ষার কেন্দ্র- নাই

ড)মাদ্রাসা-৩টি

ঢ)দায়িত্বরত চেয়ারম্যান- মোঃ আমিনুল ইসলাম

ন)গুরুত্বপূর্ন ধর্মীয় স্থান-নাই

ত)ঐতিহাসিক পর্যটন স্থান-১টি

থ)ইউপি নতুন ভবন স্থাপিত কাল: হয়নি

দ)নবগঠিত পরিষদের বিবরণ:

শপথ গ্রহনের তারিখ:২৫-৮-১১

প্রথম সভার তারিখ: ২৫/০৮/১১

মেয়াদ উত্তীর্নের তারিখ:



ধ)গ্রাম সমূহের নাম

দাশুড়িয়া, নওদাপাড়া, পাকুড়িয়া, মানিকৈড়, দাদপুর, খারজানি, কামালপুর, মুনসিদপুর, আথাইলশিমুল, মাড়মী, শ্যামপুর

খয়েরবাড়িয়া, সুলতানপুর, বয়রা, বাড়াহুসিয়া, খালিশপুর, আজমপুর, কালিকাপুর, ভবানীপুর, দিকশাইল দেওয়ান,

পাঠানী, বাগবাড়িয়া, চক আল্লাদী, আল্লাদী

ন)ইউনিয়ন পরিষদের জনবল

নির্বাচিত পরিষদ সদস্য: ১৩জন

ইউনিয়ন পরিষদ সচিব: ১জন

ইউনিয় গ্রাম পুলিশ : ৯

01/03/2024

যতোবারই দেখি নয়ন যেনো ভরে না।
জীবন্ত পুতুলদের এই নাচ মুগ্ধতা ছড়াবেই।

https://www.facebook.com/kuasharubel1?mibextid=ZbWKwL ভাইয়ের প্রোফাইল থেকে নেওয়া।

06/02/2024

ছোটবেলার সেই মাঠ, সেই জাতীয় সংগীত, সেই সকাল, শুধু মুখগুলো বদলে গেছে।
কিছু মুখে এই সময়টার জন্য বিরক্তি(যারা আজ এখানে আছে) আর কিছু মুখে ফেলে আসা দিনগুলোর স্মৃতি।

23/01/2024

যে যেখানেই থাকি, এই জায়গাটায় ফেরার যে আকুলতা তার কাছে দুনিয়ায় সব বাধাই তুচ্ছ।
কত স্মৃতি, কত আবেগ, কত ভালোবাসা জড়িয়ে আছে এই জায়গাটা ঘিরে।
ভালোবাসার ❤️ট্রাফিক মোড়❤️

দাশুড়িয়া ট্রাফিকমোড়।২০১২ থেকে ২০২২ সময়ের পরিবর্তনে জনগুরুত্বপূর্ণ এবং উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত। দেশের এমন ক...
06/09/2023

দাশুড়িয়া ট্রাফিকমোড়।
২০১২ থেকে ২০২২ সময়ের পরিবর্তনে জনগুরুত্বপূর্ণ এবং উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত। দেশের এমন কোন স্থান নেই যেখানে যাওয়া এখান থেকে অসম্ভব।

সবাই আহতদের জন্য দোয়া করবেন। নিজের পরিবারের জন্য কতোটা ঝুকিপূর্ণ কাজ করে মানুষ! আল্লাহ উনাদের জলদি সুস্থ করে দিন। আমীন।
08/12/2020

সবাই আহতদের জন্য দোয়া করবেন। নিজের পরিবারের জন্য কতোটা ঝুকিপূর্ণ কাজ করে মানুষ!
আল্লাহ উনাদের জলদি সুস্থ করে দিন। আমীন।

ঈশ্বরদীস্থ রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ১০ শ্রমিক আহত হয়েছে, এদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।...

হার্ডিঞ্জ ব্রিজ :হার্ডিঞ্জ ব্রিজ উদ্বোধনের সময় এর প্রধান প্রকৌশলী স্যার রবার্ট উইলিয়াম গেইলস আবেগঘন কণ্ঠে বলেছিলেন-‘যে স...
23/08/2020

হার্ডিঞ্জ ব্রিজ :
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ উদ্বোধনের সময় এর প্রধান প্রকৌশলী স্যার রবার্ট উইলিয়াম গেইলস আবেগঘন কণ্ঠে বলেছিলেন-
‘যে সেতু নির্মাণ করে দিয়ে গেলাম, উপযুক্ত রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে এ সেতু চিরযৌবনা হয়ে থাকবে।’
আজ উইলিয়াম গেইলস নেই, নেই লর্ড হার্ডিঞ্জ। কিন্তু রয়ে গেছে তাদের অমর কীর্তি। চিরযৌবনা এ সেতু আজও সাক্ষ্য দেয়- গেইল সত্য বলেছিলেন। ২০১৫ সালে শত বছর পূর্ণ করলো হার্ডিঞ্জ ব্রিজ। কিন্তু আজও দেখে মনে হয় যেন সদ্য যৌবনপ্রাপ্ত এক সেতু। ১৯১৫ সালের ৪ মার্চ, ব্রিটিশ বাংলার ইতিহাসে এক অনন্য দিন। হিজ এক্সিলেন্সি দি ভাইসরয় অব ইন্ডিয়া ‘ব্যারন হার্ডিঞ্জ পেনসুরস্ট’ এলেন পাকশিতে। খুলে দিলেন বাংলার উত্তরের সঙ্গে দক্ষিণের যোগাযোগের এক বন্ধ দুয়ার। একদিকে যেমন সৌন্দর্য, অপরদিকে ইতিহাসের সাক্ষী- সবমিলিয়ে এই ব্রিজটি বাংলার ঐতিহ্য এবং তাৎপর্য বহন করছে এশিয়ার অন্যতম দীর্ঘ রেলসেতু এ হার্ডিঞ্জ ব্রিজ।
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশীতে এই ব্রিজের অবস্থান। পাকশী স্টেশনের দক্ষিণে প্রমত্ত পদ্মা নদীর উপর লালরঙা এই ব্রিজটি দাঁড়িয়ে আছে। এর অপরপ্রান্তে রয়েছে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলা। ১৮৮৯ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার কলকাতার সাথে আসাম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা ও উত্তরবঙ্গের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। এজন্য সর্বপ্রথম ১৮৮৯ সালে ব্রিজটি নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়। পরবর্তীতে দীর্ঘ ১৯ বছর পর ব্রিজটি নির্মাণের জন্য মঞ্জুরী লাভ করে। ব্রিজটি নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয় ব্রিটিশ প্রকৌশলী স্যার রবার্ট উইলিয়াম গেইলসকে। ব্রিটিশ সরকার তাকে এই ব্রিজ নির্মাণের স্বীকৃতিস্বরুপ 'স্যার' উপাধিতে ভূষিত করে।
ব্রিজটির নকশা প্রণয়ন করেন বিখ্যাত ব্রিটিশ স্থপতি আলেকজান্ডার মেয়াডোস রেন্ডেল। ব্রেথওয়েইট অ্যান্ড কার্ক নামক ব্রিটিশ কনস্ট্রাকশন কোম্পানি ব্রিজটির নির্মাণের দায়িত্ব গ্রহণ করে। ১৯০৯ সালে ব্রিজ নির্মাণের জন্য সার্ভে শুরু হয়। তখন পদ্মা ছিল ভরা যৌবনা। রবার্ট উইলিয়াম গেইলস বুঝতে পারেন- ব্রিজের নির্মাণ তার জন্য অনেক চ্যালেঞ্জিং হবে। এজন্য তিনি সিদ্ধান্ত নেন মূল ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু করাই আগেই নদী-রক্ষা বাঁধ তৈরি করতে হবে। ১৯১০-১১ সালের পুরোটা সময় জুড়ে শুধু বাঁধ নির্মাণ করা হয়। এক্ষেত্রে গেইলস এক অসাধারণ পদ্ধতি ব্যবহার করেন। তিনি বৃহদাকৃতির পাথর আর মাটি একত্রে মিশিয়ে নদীর পাড়ে ফেলতে থাকেন। দুই পাড়ে প্রায় পনের কিলোমিটার জুড়ে এভাবে বাঁধ দেন। ধারণা করা হয়, নদী বাধতে যে পাথর ব্যবহার হয়েছে তা দিয়ে আরো কয়েকটি ব্রিজ নির্মাণ করা যেত। গেইলসের সেই পদ্ধতি সত্যিই কাজে লেগেছিল। একশ বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু সেই বাঁধ এখনও সম্পূর্ণ অক্ষত আছে। যেন একটা পাথরও এখনও খসে পড়েনি।
১৯১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যখন পুরোদমে কাজ চলছে, তখন এখানে কর্মী ছিলেন সর্বমোট ২৪ হাজার ৪শ’ জন। হয়। সেতুটি নির্মাণের ক্ষেত্রে ব্রিটিশরা তৎকালীন সর্বোচ্চ প্রযুক্তির ব্যবহার করে। ১৯১৫ সালের নববর্ষের দিনই (১ জানুয়ারি ১৯১৫) প্রথম মালগাড়ি দিয়ে চালু করা হয় একটি লাইন। সেই সময় এর নির্মাণে ব্যয় হয় ৩ কোটি ৫১ লাখ ৩২ হাজার ১৬৪ রুপি বা ৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। ব্রিজ নির্মাণে নদীর নাব্যতার যাতে কোনো ক্ষতি না হয় তা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। ফলে এ ব্রিজের জন্য পদ্মার নাব্যতায় কোনো প্রভাব পড়েনি। যদিও ব্রিজের উত্তর দিকের বিরাট অংশ জুড়ে এখন চর। কিন্তু এটি হার্ডিঞ্জের জন্য নয়। ক্ষতি যদি কিছু হয়ে থাকে তবে তা ‘লালন শাহ’র জন্য।
সেসময় অনেক ব্রিটিশ নাগরিকের জন্য পাকশীতে গড়ে তোলা হয় বাংলো বাড়ি ও কটেজ। পাকশীতে তখন ব্রিটিশদের অবাধ চলাচল ছিল। রবার্ট উইলিয়াম গেইলসের একটি বড় বাংলো ছিল, যা এখনও টিকে আছে। বলা হয়ে থাকে, প্রায় এক কিলোমিটার দূরের এই বাংলো থেকে তিনি দূরবীন দিয়ে নির্মাণকাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতেন। নির্মাণকাজের সময় পাকশী ও এর আশপাশে ছোটখাট অনেক কলকারখানা, দোকানপাট ও বাজারঘাট গড়ে ওঠে। জনজীবনে প্রভাব পড়েছিল ব্রিটিশ অধিপত্যের। স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন হয়েছিল।
দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে নির্মাণকাজ চলে। অবশেষে ১৯১৫ সালে নির্মাণকাজ শেষ হয়। ব্রিজটির নির্মাণকাজে তৎকালীন হিসেবে ব্যয় হয়েছিল ৩ কোটি ৫১ লক্ষ ৩২ হাজার ১ 'শ ৬৪ ভারতীয় রুপি। ১৯১৫ সালের ১ জানুয়ারি প্রথম পরীক্ষামুলকভাবে ট্রেন ঈশ্বরদী থেকে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের উপর দিয়ে খুলনা অভিমুখে যাত্রা করে। এরপর একই বছর ৪ঠা মার্চ লর্ড ব্যারন হার্ডিঞ্জ নিজে ফিতা কেটে ব্রিজটি উদ্বোধন করেন।
(সংগৃহিত)

জানুন এবং অন্যকে জানান ।
18/08/2020

জানুন এবং অন্যকে জানান ।

বিষের নাম শুনলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠে ফনা ওঠানো সাপ । অথবা ছোটবেলার সিনেমায় দেখা সেই ইচ্ছাধারী নাগ নাগীনে.....

04/07/2020

পদ্মা বিধৌতপাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার ঢাকা-রাজশাহী, ঈশ্বরদী -ঢাকা মহাসড়কের পাশে প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশে অবস্থিত দাশুড়িয়া ।

দাশুড়িয়াকে উত্তর বঙ্গের প্রবেশ দ্বার বলা হয়। বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মানের পূর্বে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে গোটা উত্তরাঞ্চল এবং দক্ষিণ - পশ্চিমের কিছু অংশের যোগাযোগের একমাত্র পথ ছিল দাশুড়িয়া । তবে বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণের ফলে দাশুড়িয়ার গুরুত্ব সাময়িকভাবে কমে গেলেও লালনশাহ সেতু নির্মানের ফলে তার অভাব অনেকাংশে পুরণ হয়েছে। ভৌগলিক গুরুত্ব অনুসারে বলতে গেলে দাশুড়িয়ার তেমন কোন উন্নয়নই হয়নি। শিক্ষা-দিক্ষাসহ সকল ক্ষেত্রে এই জনপদ অনেক পিছিয়ে রয়েছে।

কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ২৪টি গ্রাম নিয়ে অবস্থিত ৪ নং দাশুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ।শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন ও খেলাধুলা নিয়ে তার আপন গতিতে চলমান।



ক)নাম : ৪নং দাশুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ।

খ)আয়তন : ১৪.৮২বর্গ কি:মি:

গ)লোকসংখ্যা: ৩১,৫২৬জন

ঘ)গ্রামের সংখ্যা: ২৪টি

ঙ)মৌজার সংখ্যা: ২৪টি

চ)হাট/বাজারের সংখ্যা-৩টি

ছ)উপজেলা থেকে যোগাযোগের ব্যবস্থা- বাস,সিএনজি, ইজি বাইকের মাধ্যমে

জ)শিক্ষার হার: ৫৬%(২০০১ সালের আদমশুমারী অনুসারে)

ঝ)সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা- ০৭টি

ঞ)বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা- ০৫টি

ট)উচ্চ বিদ্যালয়- ৪টি

ঠ)জে,এস,সি ও এস,এস,সি পরীক্ষার কেন্দ্র- নাই

ড)মাদ্রাসা-৩টি

ঢ)দায়িত্বরত চেয়ারম্যান- মোঃ আমিনুল ইসলাম

ন)গুরুত্বপূর্ন ধর্মীয় স্থান-নাই

ত)ঐতিহাসিক পর্যটন স্থান-১টি

থ)ইউপি নতুন ভবন স্থাপিত কাল: হয়নি

দ)নবগঠিত পরিষদের বিবরণ:

শপথ গ্রহনের তারিখ:২৫-৮-১১

প্রথম সভার তারিখ: ২৫/০৮/১১

মেয়াদ উত্তীর্নের তারিখ:



ধ)গ্রাম সমূহের নাম

দাশুড়িয়া, নওদাপাড়া, পাকুড়িয়া, মানিকৈড়, দাদপুর, খারজানি, কামালপুর, মুনসিদপুর, আথাইলশিমুল, মাড়মী, শ্যামপুর

খয়েরবাড়িয়া, সুলতানপুর, বয়রা, বাড়াহুসিয়া, খালিশপুর, আজমপুর, কালিকাপুর, ভবানীপুর, দিকশাইল দেওয়ান,

পাঠানী, বাগবাড়িয়া, চক আল্লাদী, আল্লাদী

ন)ইউনিয়ন পরিষদের জনবল

নির্বাচিত পরিষদ সদস্য: ১৩জন

ইউনিয়ন পরিষদ সচিব: ১জন

ইউনিয় গ্রাম পুলিশ : ৯

13/11/2014



Sohel Sarowar

I am searching for an old friend (Helal) who is from Dashuria. His house was just adjacent to the 3 Road Crossing (Circle) of Dashuria whereas the 3 roads lead to Pabna, Ishwardi and Nator.
I am not sure, if anyone would be able to trace him.

Missing those people.......
27/11/2013

Missing those people.......

Dashuria M M High School......
23/11/2013

Dashuria M M High School......

Address

Dashuria-Ishwardi, Dashuria-Pabna, Dashuria-Dhaka, Dashuria-Kushtia Highway
Ishurdi
6620

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dashuria,Ishwardi,Pabna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Dashuria,Ishwardi,Pabna:

Share