21/06/2025
লিখেছেন - Monira Rownock Bubly
জে ডোনাল্ড ট্রাম্প যে অলরেডি ডিপ স্টেটের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, তা মোটামুটি নিশ্চিত। এবং এটা না হলে তার টিকে থাকাটা হতোনা, এটাও এখন খুব পরিষ্কার। ট্রাম্প এসেই প্রথমে যে হম্বি তম্বি নিয়ে কাজ শুরু করলো ডিপস্টেট এর সব শাখা প্রশাখার বিরুদ্ধে, তখনই সন্দেহ হচ্ছিলো। কারন ডিপ স্টেটের থিংক ট্যাংকরা তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে প্রায় ৭০/৭৫ বছর আগে থেকে এখনকার কথা মাথায় রেখে। তাদের পরবর্তী ৫০ বছরের নীতি নির্ধারন ঠিক করা আছে। এটাকে ভাংতে গেলেও দুরবর্তী চিন্তা করতে হবে।
আমাদের পার্শ্ববর্তী সবচেয়ে বন্ধুপ্রতিম দেশ ভারত কদিন আগেই পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধে জড়ালো এবং জড়িয়েছে যৌক্তিক কারনেই। কিন্তু এই ২৫ এ ভারত পাকিস্তানের যুদ্ধের কথা বলা আছে ১৯ সালের আমেরিকার একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায়। এবং দা গার্ডিয়ান নামক মাধ্যমে তা প্রচারও পেয়েছে। এটা নিয়েও আমি লিখেছিলাম।
তার মানে ২৫ এর যুদ্ধের প্লট রেডিই ছিলো, শুধু এক্সিকিউট করেছে আমেরিকার পোষা কুকুর পাপিস্তানকে দিয়ে। এই পহেলগাঁও এর ঘটনায় সব পাপিস্তানের দেশি ব্রাদারহুডেরা জড়িত ছিলো (লসকর-ই-তৈয়বা, হামাস, আরো কয়েকটা জ//ঙ্গী গ্রুপ), যাদের ফান্ডিং করা হয় আইএমএফ এর ঋণের মাধ্যমে, যা দেয় আমেরিকা। এবং এই পাপিস্তান যে পোষ্য কুকুর, তার আরেকটা উদাহরন হলো এই যুদ্ধাবস্থায় ইরানের সাথে তাদের বর্ডার সীল করা। মুসলমান মুসলমান ভাই ভাই নীতিতে তো এমন করার কথা ছিলো না পাপিস্তানের। কিন্তু আব্বা আম্রিকার হুকুমেই তারা এটা করেছে। এবং এই যুদ্ধে ইরানের বিরুদ্ধে পাপিস্তান হবে হয়তো আমেরিকার বেইজ। এই বেইজের মাধ্যমেই পাপিস্তান ধ্বংসের সেই চুক্তি হলো হয়তো ওয়াশিংটন ডিসির লাঞ্চে।
আমেরিকার জন্য পৃথিবীর যেখানে যেখানে যত মুসলমান মারা দরকার, তা তারা মারবে। তারা ফিলিস্তিনেও মেরেছে এক রাতে দশ হাজার, আফগানিস্তানে মেরেছে ৪ লাখ, বালুচিস্তানে মেরেছে ২ লাখ, বাংলাদেশে মেরেছে ২৫ লাখ ( আর ৫ লাখের মতো হিন্দু সহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বী)।
কদিন আগের যুদ্ধে, ভারত পাকিস্তানের সেনাপ্রধান যে আসিম মুনিরকে কয়েকদিনের মধ্যেই বাংকারে ঢুকিয়ে ফেলেছিলো, সেই আসিমকে দাওয়াত করে ওয়াশিংটন ডিসিতে লাঞ্চে ডেকেছে ট্রাম্প। করেছে ইরানের বিরুদ্ধে একসাথে ষড়যন্ত্রের প্ল্যান। মুনিরও ট্রাম্পকে নোবেল পাওয়া উচিত বলে ঘোষণা করেছে। আশা করি ভারতেরও আর বুঝতে বাকি নেই, এইসব একটা যুদ্ধ পরীক্ষা মাত্র। আমেরিকাও বুঝে নিলো এই ফাঁকে ভারত কতটা কেইপাবেল। আমার ধারনা, ভারতও বুঝতে পেরে চুপ আছে।
আমাদের দক্ষিন এশিয়ায় আমেরিকার প্রথম চাল বার্মায়, আরেক নোবেল সূচিকে দিয়ে হয়েছে। সে এসেই তার আমরিকান প্রভুর প্ল্যান অনুযায়ী আরাকানকে অস্ত্র মজুদ দিয়ে আলাদা করেছে বার্মা থেকে। সেই আরাকান রোহিঙ্গাদের ঢুকিয়েছে আমাদের কিছুটা দখল করতে। এমনভাবে দৃশ্যপট সাজানো যে বৌদ্ধরা রোহিঙ্গাদের অত্যাচার করে বাহির করেছে মুসলিম বলে। এখানেও ধর্মীয় কার্ড। আপাত দৃষ্টিতে খুব সরল দৃশ্য, কিন্তু পেছনের প্ল্যান খুব ভয়ানক। আমাদের নোবেল নুনুসকে বসানো হলো আবার ৮ ই আগস্ট। ক্ষমতা দখলের আগেই সে ভারতের সেভেন সিস্টারকে নিয়ে গাল গল্প ছাড়লেন। এখানেও সরল অভিব্যক্তি, কিন্তু পেছনের প্ল্যান হলো ভিন্ন। বার্মার আরাকান আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রাম আর ভারতের মিজোরাম-মনিপুর সহ একটা ইজরায়েলের মতো রাষ্ট্র গঠন করা। এবং সেই রাষ্ট্র থেকে মধ্যপ্রাচ্যের ইরাক, সিরিয়া, জর্ডান, আফগাস্তান, ফিলিস্তিনের মতো বার্মা, বাংলাদেশ, ভারত, চীনের দিকে আগ্রাসন নিয়ে যাওয়া।
ডিপ স্টেটের এই প্ল্যানের ব্যপারেই শেখ হাসিনা বার বার বলতো। আমাদের পাশে একটা খ্রিস্টান রাষ্ট্র করতে চায় সাদা চামড়াওয়ালারা। এবং এই লক্ষে আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রচুর গীর্জা তৈরি সহ প্রচুর মানুষ এই কয় বছরে ঐখানটায় খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহন করেছে। এখানেও তারা মুসলমানদের স্থানীয় ব্রাদারহুড দিয়ে ওদের মনে মুসলিমদের প্রতি ঘৃণা সৃষ্টির কার্ড প্লে করেছে।
অথচ এই প্রত্যেক দেশের মুসলিম ব্রাদারহুড নিয়ে একটু ঘাটাঘাটি করলেই বুঝবেন, ধর্ম আর ভালো কাজ বাদে সবই তারা করে যাচ্ছে শুধুমাত্র ধর্মের দোহাই দিয়ে। এই ব্রাদারহুড স্যাকুলারদের চেয়েও বেশি স্যাকুলার। এদের শুধু লেবাসটা ধর্মের, বাকি ধ;/র্ষন, হ//ত্যা, লুট//পাট, চাঁ//দাবাজি, নোংরা যৌনতা, মাদকে আসক্তি সাধারন মানুষের চেয়েও অনেক বেশি।
মধ্যপ্রাচ্য সহ যেখানে যেখানে স্থানীয় ব্রাদারহুড আছে, তাদের পৃষ্ঠপোষকই হচ্ছে আমেরিকা, এবং এই মোল্লাতন্ত্রের দিকপাল হচ্ছে ইরান। তাদের ধর্মীয় ভাবানুবাদ আর আমেরিকার ফান্ডিং এ সব মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতেই উর্বরভাবে ফলিয়েছে এই মুসলিম ব্রাদারহুড। আর এই ব্রাদারহুডের ট্রেইনিং স্থল হচ্ছে পেয়ারি পাপিস্তান।
ইরানের কয়েক হাজার বছরেররও পুরনো ও ঐতিহ্যপূর্ন সংস্কৃতিকে তারা দুরে ঠেলে আমেরিকার পাতানো ফাঁদ অনুযায়ী মোল্লাতন্ত্রের ডিপ স্টেটে পরিনত হয়েছিলো এই আজকের ইরান। যার খেসারত হয়তো দিতে হবে। পাশে থেকে ইরাক যখন জ্বলছিলো, ইরান তখন হাততালি দিয়েছে। মানুষের হাহাকার ফিরে ফিরে আসে অভিশাপ হয়ে।
তবে আমার দেশের ক্ষেত্রে আমার মতামত ভিন্ন। ৩০ লক্ষ্য মানুষের ব্লাড স্যাক্রিফাইজে পাওয়া আমাদের এ দেশ। ২+ লক্ষ্য নারীর মানের বিনিময়ে পাওয়া দেশ। এই দেশে যে বা যারা হাত দিবে, তাদের ধ্বংস অনিবার্য।
এ দেশ পূন্যভূমি,,,,,,
জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপী গরিয়সি,,,,,
ব্লাড স্যাক্রিফাইজ বৃথা যায় না।