Jhenaidah, ঝিনাইদহ

Jhenaidah, ঝিনাইদহ Jhenaidah [ ঝিনাইদহ ] is a district in southwestern Bangladesh. It is a part of the Khulna Division. It has an area of 1,964.77 km2 (758.60 sq mi).

ঝিনাইদহ জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।

ঝিনাইদহ যশোর জেলার একটি মহকুমা ছিল। ঝিনাইদহ জেলাটি ১৫৬২ সালে মহকুমা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৬৮৯ সালে এটি একটি পৃথক জেলা হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝিনাইদহ জেলা ২ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভ করে।

এই জেলার নামকরণ সম্পর্কে কিছুই জানা যায়নি। কথিত আছে যে, ক্যালসিয়াম উৎপাদনের জন্য '‘নবগঙ্গা’' নদী এবং '‘দহা’' নদী থেকে

ঝিনুক সংগ্রহের জন্য এই এলাকা বিখ্যাত হয়ে উঠেছিল। এই জেলার নাম ঝিনাইদহ “ঝিনুক”এবং “দাহ”শব্দদ্বয় থেকে নেয়া হয়েছে বলে মনে করা হয়।

#ঝিনাইদহ #ঝিনাইদহজেলা #বাংলাদেশ #ঐতিহ্য #প্রাকৃতিকসৌন্দর্য #ঝিনাইদহ_পর্যটন #বাংলাদেশভ্রমণ #গ্রামীণজীবন #ঝিনাইদহেরইতিহাস #ঝিনাইদহেরসংস্কৃতি #শৈলকূপা #কালীগঞ্জ #মহেশপুর #হরিণাকুণ্ডু #কোটচাঁদপুর

জুলাই সনদে এটাও আনা উচিত যে ধরা পড়লে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসাবে গন্য হবে। কোন প্রশ্ন করা যাবে না। হোটেল রিসোর্টে কোন সিসি ক...
23/07/2026

জুলাই সনদে এটাও আনা উচিত যে ধরা পড়লে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসাবে গন্য হবে। কোন প্রশ্ন করা যাবে না। হোটেল রিসোর্টে কোন সিসি ক্যামেরা লাগানো যাবে না।

23/07/2026
এই পোস্টারটা দেখে আমারও খারাপ লেগেছে।কিন্তু ভেবে দেখেন - ১% দুশ্চরিত্র মোল্লার জন্য ৯৯% মোল্লাকে লোকে তখনই খারাপ বলবে না...
29/06/2026

এই পোস্টারটা দেখে আমারও খারাপ লেগেছে।

কিন্তু ভেবে দেখেন - ১% দুশ্চরিত্র মোল্লার জন্য ৯৯% মোল্লাকে লোকে তখনই খারাপ বলবে না, যখন ওই ৯৯% মোল্লা বাকিদের শুধরে নিতে পারবে; অন্তত তাদের বিরুদ্ধে সত্যিকারের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

যদি তারা এই ১%-কে থামাতে না পারে, তবে লোকে পুরো ১০০%-কেই এক রকম ভাববে এবং কথা বলবেই।

ইতিহাস রচিত হলো।লিওনেল মেসি ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা! 🤩🇦🇷
22/06/2026

ইতিহাস রচিত হলো।
লিওনেল মেসি ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা! 🤩🇦🇷

যার যা প্রাপ্য।। মেট্রোরেল স্টেশনে পশুর হাট কিংবা চলন্ত সিঁড়িতে কোরবাণীর গরু ওঠানামা দেখে যারা "আহা! দেশটা কোথায় চলে ...
28/05/2026

যার যা প্রাপ্য।। মেট্রোরেল স্টেশনে পশুর হাট কিংবা চলন্ত সিঁড়িতে কোরবাণীর গরু ওঠানামা দেখে যারা "আহা! দেশটা কোথায় চলে গেল" বলে হা-হুতাশ করছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলা যায়, বাংলাদেশের মানুষের যা পাবার বা যা হবার কথা ছিল, তারচেয়ে তারা অনেক বেশি পেয়ে গেছে, বেশি কিছু হয়ে গেছে। অখ্যাত এক কবির ভাষায়, "যার যা প্রাপ্য তাকে দেওয়া ভালো সেইটুকু ভালোবাসা/প্রাপ্তি যখনই পূর্ণ করেছে আশার পাত্রখানি/অবহেলা সয়ে পথের ধূলায় লুটায় অমৃতবাণী!

মুড়ির টিন মার্কা বাসের পা-দানিতে ঝুলতে ঝুলতে যাদের মিরপুর-মতিঝিল যাতায়াত করার কথা, তাদের জন্য মেট্রোরেল একটি অপ্রয়োজনীয় অবাস্তব স্বপ্নের বাহন। দক্ষিণ বাংলার মানুষেরা যখন ঈদের সময় লঞ্চের লেজ ধরে ডুবতে ডুবতে ভাসতে ভাসতে বরিশাল পটুয়াখালি কিংবা পিরোজপুর পৌঁছাতেন সেই দিনগুলোর এখন তাদের মনেই পড়ে না। ফেরিঘাটের আট-দশ ঘণ্টার দৃশ্যমান দুর্ভোগের কথা দশ মিনিটে নদী পার হয়েই তারা ভুলে গেছে।

বিদ্যা-বুদ্ধির দৌড়ে বলৎকার ও ধর্ষণে বিশেষ বুৎপত্তি লাভ করে মাদ্রাসা থেকে উত্তীর্ণ হয়ে যাদের ধর্ম ব্যবসায় নিয়োজিত হবার কথা, তারা যখন দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠগুলোতে চরে বেড়ায় তখন বোঝা যায় আমাদের এখনো অনেককিছু শেখার বাকি আছে। ক্যাপ্টেন থেকে কর্নেল পর্যায়ে পদোন্নতি পাবার আগেই যাঁরা অবসরে চলে যেতেন, তাঁরা জেনারেলের তারকা বুকে ঝুলিয়ে সদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পাকিস্তানি বসের স্বাক্ষরিত ফাইল নিয়ে যাঁদের সচিবালয়ের ভবন থেকে ভবনে ছোটাছুটি করার কথা তাঁরা উপ-সচিব, যুগ্ন সচিব এমন কি সচিবের চেয়ারে বসে পড়েছেন।

একশ নব্বই বছর ব্রিটিশের এবং তেইশ বছর পাকিস্তানের গোলামির পরেও যখন মনে হয় 'আমার সোনার বাংলা...' র চেয়ে 'পাকসার জমিন...' ভালো ছিল, তখন বোঝা যায় স্বাধীনতা আমাদের হজম হয়নি। এইসব পাকিস্তানপ্রেমিক মূর্খেরা জানেই না পাকিস্তানের প্রায় চার কোটি মানুষ এখন দেশে বিদেশে ভিক্ষা করে জীবন ধারণ করে। সৌদি আরব তাদের হজ্জ্বের ভিসাতেও কড়াকড়ি আরোপ করেছে। শেখ মুজিব নামের এক আবেগ্রাশ্রয়ী, স্বপ্নবাজ মানুষ এদেশের বিপুল সংখ্যক নিমকহারামের মনোজগত সম্পর্কে না জেনে, এই মোনাফেকদের অনিচ্ছা সত্ত্বেও তাদের জন্য স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন। আর আমরা সে সময় একদল তরুণ তাঁর আহবানে উদ্বুদ্ধ হয়ে এই গণ্ডমূর্খদের বিজাতীয় শাসন শোষণ থেকে মুক্তি দিতে যুদ্ধে ঝাঁপ দিয়ে পড়েছিলাম।

বানরের হাতে খন্তা দেওয়ার মতো মানসিকতায় মধ্যযুগীয় এইসব বর্বরের হাতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এসে পড়েছে। তাই তারা মেট্রোরেলের স্টেশনে পশুর হাট বসায়, চলন্ত সিঁড়িতে গরু নিয়ে মেট্রোরেলে উঠতে যায়। ফেসবুকের প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাত বছরের কন্যা শিশুর বিবাহের পক্ষে প্রচারণা চালায়। প্রতিনিয়ত ভারতের চিকেন নেক আর সেভেন সিস্টার দখলের হুমকি দেয়। এদিকে সবুজ টি-শার্ট পরা একদল জঙ্গি যে পার্বত্য চট্টগ্রামের একটা অংশ কার্যত দখলে নেয়ার মহড়া দিচ্ছে সে ব্যাপারে তাদের কোনো হুঁশ নেই, কারণ এটি ভারতের সীমান্তে নয়। বাংলাদেশের মানুষ তাদের মেধা-মননের স্তর, শিক্ষা-দীক্ষার হতশ্রী অবস্থা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা ও মানসিক দৈন্য স্বত্ত্বেও অনেক বেশি পেয়ে গিয়েছে। কাজেই কোনটা সঠিক তা বোঝার আগেই তারা একটি বিভ্রান্তির মধ্যে ঢুকে পড়তে বিবেক বিবেচনা কাজে না লাগিয়ে স্বনির্ধারিত যুক্তি দাঁড় করায়।

যার যা প্রাপ্য তাদের সেইটুকুই পাওয়া উচিৎ। বিশ্ববাটপার ইউনূসের রান্নাঘরের বাবুর্চিরা এখন হাত ধুয়ে ফেলেছেন, তাঁরা কেউই কিছু জানেন না। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁরাও যার যা প্রাপ্য সেটুকু নিশ্চয়ই পাবেন।

- মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমান

এখনকার শহরের বাচ্চারা গরু দেখে বছরে একবার, কোরবানির ঈদের সময়। এরকম একজন বাচ্চাকে গরুর রচনা লিখতে দিলে কেমন লিখবে, তা দে...
28/05/2026

এখনকার শহরের বাচ্চারা গরু দেখে বছরে একবার, কোরবানির ঈদের সময়। এরকম একজন বাচ্চাকে গরুর রচনা লিখতে দিলে কেমন লিখবে, তা দেখা যাক:

ভূমিকা : গরু একটি কোরবানির প্রাণী। বছরে কেবল কোরবানির ঈদের সময় জ্যান্ত গরু দেখা যায়। অন্য সময় ওরা মাংস হয়ে যায়। সবসময় গরু বাসায় আসে বাজারের ব্যাগে করে, কোরবানিতে আসে হেঁটে-হেঁটে।
বর্ণনা : গরুর ৪টি পা থাকলেও কোনও হাত নেই। ওরা ডিরেক্ট মুখ দিয়ে খেতে পারে। গরুর একটি মাথা, দুটি কান, দুটি শিং এবং গায়ে লোম রয়েছে। গরুর অনেক কষ্ট। ওরা শুয়ে-শুয়ে ঘুমাতে পারে না। বসে- বসে ঘুমায়। গরুরা কাপড় পরে না, ওরা টয়লেটও ইউজ করে না। গরুরা সবসময় মালা পরে থাকে। গরুরা গাড়িতে চড়তে পারে না। তাই হেঁটে- হেঁটে বাসায় ফিরতে হয়। প্রত্যেক গরুর শিং আছে।
প্রকারভেদ : গরু অনেক প্রকার হতে পারে। দুষ্টু গরু, ভালো গরু, পচা গরু। এবার আমাদের কোরবানির গরুটা দুষ্টু
গরু, আগের বছরেরটা ছিল ভালো গরু। শিং ধরলে কিছু বলত না। এটা হাম্বা করে ডাক দিয়ে ওঠে।

খাবার : গরু শুধু ঘাস, ভুসি আর পানি খায়। তবে অল্প অল্প ভাতও খেয়ে থাকে।

বাসস্থান : গরু গাবতলীতে থাকে আর বাসার নিচে থাকে।

উপকারিতা : গরুর উপকারিতা অনেক। গরু আমাদের কোরবানির দিন অনেক- অনেক মাংস দেয়।

অপকারিতা : গরুর অপকারিতাও অনেক। যদিও বইতে আছে গরু দুধ দেয়, আসলে গরু দেয় গোবর, গুঁতাও দেয়। বেশি ডিস্টার্ব করলে লাথিও দেয়। তাছাড়া গোবরের গন্ধ অনেক পচা। গুঁতা দিলে ব্যথা লাগে।

উপসংহার : সবশেষ কথা হল, গরুর মাংস খুব সুস্বাদু। খাবার পরে কেবল হাতে চর্বি লেগে থাকে আর দাঁতে মাংস ঢুকে যায়। গরু একটি উপকারী ও প্রয়োজনীয় প্রাণী। কারণ গরু না থাকলে এমন উত্সব হত না। ফলে স্কুলও ছুটি দিত না। অতএব গরু একটি প্রয়োজনীয় প্রাণী।

যেখানে-সেখানো কোরবানি: কোন দেশে কি নিয়ম 🌍🔪🐂ঈদুল আজহায় আমাদের বাংলাদেশ, ভারত বা পাকিস্তানে ঘর বা রাস্তার সামনে কোরবানি দে...
28/05/2026

যেখানে-সেখানো কোরবানি: কোন দেশে কি নিয়ম 🌍🔪🐂

ঈদুল আজহায় আমাদের বাংলাদেশ, ভারত বা পাকিস্তানে ঘর বা রাস্তার সামনে কোরবানি দেওয়ার দৃশ্যটা খুবই চেনা। কিন্তু জানেন কি, বিশ্বের বেশিরভাগ আধুনিক ও উন্নত মুসলিম দেশে এই খোলা জায়গায় কোরবানি দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ? পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য আর পশুর অধিকার রক্ষায় অনেক দেশেই রয়েছে চরম কড়াকড়ি!

চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, কোরবানির নিয়ম নিয়ে বিশ্বজুড়ে কোন দেশে কী অবস্থা:

🚫 ১. যেখানে খোলা জায়গায় কোরবানি দিলে 'জেল-জরিমানা' (কঠোর শ্লটারহাউস নিয়ম):

• মধ্যপ্রাচ্য ও আরব দেশ (সৌদি আরব, দুবাই, কাতার, কুয়েত): মক্কা-মদিনাসহ পুরো সৌদিতে সরকার নির্ধারিত আধুনিক কসাইখানা (যেমন: মোয়াইসেম) ছাড়া অন্য কোথাও কোরবানি দেওয়া কল্পনাই করা যায় না। দুবাই বা কাতারে তো অ্যাপ বা ই-কুপনের মাধ্যমে টাকা দিলে কসাইখানায় জবেহ করে মাংস প্যাকেটজাত করে বুথে দিয়ে দেওয়া হয়। রাস্তায় কোরবানি দিলে গুনতে হবে চড়া জরিমানা!
• ইউরোপ, আমেরিকা ও কানাডা: ইউকে, ইউএসএ বা ফ্রান্সে লাইসেন্সপ্রাপ্ত কসাইখানা বা সরকার অনুমোদিত খামার (Farm) ছাড়া কোথাও পশু জবেহ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। মুসলিমরা আগে থেকেই খামারে বুকিং দিয়ে রাখেন এবং ঈদের দিন সেখানে গিয়ে কোরবানি সম্পন্ন করেন।
• সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া: সিঙ্গাপুরে অত্যন্ত কঠোর নিয়মে নির্দিষ্ট কিছু বড় মসজিদ এবং শ্লটারহাউসে কোরবানি করা হয়। মালয়েশিয়ার শহরাঞ্চলেও রাস্তাঘাট বা খোলা জায়গায় কোরবানি দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
• তুরস্ক: এখানে আগে রাস্তায় কোরবানি হলেও এখন নিয়ম ভীষণ কড়া। শহরের নির্দিষ্ট কিছু খালি জায়গা (যা বিশেষভাবে তৈরি) এবং আধুনিক কসাইখানা ছাড়া পার্ক বা ফুটপাতে কোরবানি দিলে বড় অঙ্কের জরিমানা করা হয়।

🤝 ২. যেখানে এখনও রাস্তাঘাট বা খোলা জায়গায় কোরবানি দেওয়া যায়:

উপমহাদেশের বাইরেও কিছু দেশ আছে যেখানে প্রশাসনের শিথিলতা কিংবা প্রাচীন সামাজিক রীতির কারণে আমাদের মতোই খোলা জায়গায় কোরবানি হয়:
• মিশর ও মরক্কো: মিশরের কায়রোতে আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বাস্তবে মানুষ এখনো গলির ভেতর বা ফুটপাতে কোরবানি দেয়। মরক্কোতেও বাড়ির আঙিনায় কোরবানি দেওয়ার ব্যাপক প্রচলন আছে।
• ইন্দোনেশিয়া: বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই মুসলিম দেশে কোরবানি সাধারণত মসজিদ বা মাদ্রাসার সংলগ্ন খোলা মাঠে করা হয়। অনেক সময় পাড়ার ভেতরের রাস্তাতেও পশু জবেহ চলে, তবে পুরো কাজটা তারা স্থানীয়রা মিলে বেশ গুছিয়ে করে।
• আফগানিস্তান ও ইয়েমেন: যুদ্ধবিগ্রহ, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কসাইখানার অভাবের কারণে এই দেশগুলোতে মানুষ সম্পূর্ণ নিজেদের উদ্যোগে বাড়ির আশেপাশে বা খোলা জায়গায় ঐতিহ্যগতভাবেই কোরবানি দেয়।
• সোমালিয়া ও লিবিয়া: আফ্রিকার এই দেশগুলোতেও সরকারি কোনো শ্লটারহাউস ব্যবস্থাপনা সেভাবে কার্যকর না থাকায় নাগরিকরা খোলা জায়গাই ব্যবহার করেন।

মুলত গরিব দেশগুলোতেই রাস্তা-ঘাটে বা যেখানে সেখানে কোরবানি দেয়া যায়। আমরা সেই হিসেবে গরিব এবং আমাদের স্বভাব গরিবের মতো।

ধর্মীয় আবেগ ঠিক রেখে পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখা এবং সুশৃঙ্খলভাবে কোরবানি সম্পন্ন করাটাই এখন আধুনিক বিশ্বের ট্রেন্ড।

আপনার কী মনে হয়? আমাদের দেশেও কি মধ্যপ্রাচ্যের মতো শতভাগ শ্লটারহাউস বা কসাইখানা নির্ভর কোরবানির ব্যবস্থা চালু করা উচিত? কমেন্টে জানান আপনার মতামত! 👇

17/05/2026

পৃথিবী ছাড়ার পর সম্পদ নয়, মানুষের মনে রেখে যাওয়া স্মৃতিই আপনার আসল পরিচয়।

Address

Jhenaidah Bus Stand
Jhenida
7320

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jhenaidah, ঝিনাইদহ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share