19/05/2026
একটা সূত্র সব সময় মনে রাখতে হবে-
ন্যারেটিভ যার, ফিল্ডও তার।
ন্যারটিভ যে বানাবে, তারজন্য ফিল্ডও ছেড়ে দিতে হবে। এটাই বাস্তবতা।
আপনি যার থেকে ন্যারেটিভ নিবেন, তাকে ফিল্ডে অস্বীকার করবেন, এমনটা হবে না।
হামের ন্যারেটিভটা তুলেছেই বামঘেষা (লেফট লিনিয়ার) লিবারেল ডেমোক্র্যাটরা (যা কারো কারো ভাষায় আওয়ামী বুদ্ধিজীবি, কারো ভাষায় দিল্লী স্টার গ্রুপ)
যেহেতু, আপনারা ন্যারেটিভটা খেয়েছেন, তাই তাদের মাঠে দেখতেও প্রস্তুত থাকতে হবে।
রামেকের শিশু মৃত্যুর খবরকে কেন্দ্র করে যখন হামের ন্যারেটিভটা তোলা হচ্ছিলো,
তখন রামেকের শিশু বিভাগের পরিচালক বলেছিলো-
২৯ শিশুর কারো শরীরেই হামের জীবাণু পাওয়া যায়নি (সময় নিউজ, ৩০ মার্চ ২০২৬)
সমস্যা হচ্ছে, আমাদের আবার বিশেষজ্ঞদের কথা পছন্দ হয় না।
আমাদের পছন্দ হয়, মিডিয়ায় বানানো গুজব।
মেইন স্ট্রিম মিডিয়ার গুজবগুলো আবার তৈরী হয়, এই সব বামঘেষা (লেফট লিনিয়ার) লিবারেল ডেমোক্র্যাটদের দ্বারা।
করোনার সময় আমি একটা ফ্রেজ সব সময় বলতাম- কলাবিজ্ঞানী।
কলা-মানে আটর্স, বিজ্ঞানী মানে বিজ্ঞানী।
কলাবিজ্ঞানী মানে আর্টসে পড়া বিজ্ঞানী।
মানে এই গুজবী বিষয়গুলো সৃষ্টি করে আর্টসে পড়া বিজ্ঞানীরা।
এজন্য ডেইলি স্টার ভবনে সেই মিটিং এর উপস্থিত হওয়া লোকদের দেখে অনেকে প্রশ্ন তুলেছে,
এদের মধ্যে তো পেডিয়াট্রিশিয়ান, ইমিউনোলজিস্ট, ভাইরোলজিস্ট, এপিডেমিওলজিস্ট দেখা যায় না,
হোচিমিনরা এখানে কী বিজ্ঞানী ?
আসলে এটাই কলাবিজ্ঞান। হোচিমিনরা যার বিজ্ঞানী।
যারা গবেষণায় সামনের থেকে পেছনের ফুটোয় বেশি সাইন্স খুজে পায়।
আমি জানি, আমি এগুলো বললে- আমাকে হামের চিকিৎসা বিরোধী, ভ্যাকসিন বিরোধী বানানো হবে।
কারণ যার কাছে চিকিৎসা জ্ঞান নেই, সে তো ট্যাগিং করেই বাচে।
আমি প্রথমেই বলেছিলাম- বিশ্বজুড়ে হামের নতুন ভ্যারিয়েন্টের একটি ঢেউ এসেছে,
বাংলাদেশেও এসে পড়বে, এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু বাংলাদেশে টিকা না দেয়ার কারণে শিশু মারা যাচ্ছে,
আমি এটা মানতে পারিনি।
বাংলাদেশে হাসপাতালগুলোতে বেশিরভাগ মৃত্যুর পেছনে অব্যবস্থপনা দায়ী।
আর সেই অব্যবস্থাপনা তৈরী হয়েছে, ইউনুস আমলে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহানের সময়।
এই মহিলা একজন এনজিও ট্রেইনার, সে স্বাস্থ্যের কি বুঝে ?
শুধুমাত্র ইউনুসের ঘনিষ্ট হওয়ার কারণে তাকে দেশের এত গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়।
কিন্তু তার দুর্বলতার কারণে স্বাস্থ্য বিভাগের চেইন অব কমান্ড ভেঙ্গে যায়, সিস্টেম ভেঙ্গে যায়।
যার ফলাফল এখন দেখা যাচ্ছে, আরো বেশ কয়েক বছর দেখা যাবে।
কিন্তু এটাকে টিকার দিকে ঘুরিয়ে বিএনপি সরকারকে দিয়ে তাৎক্ষণিক ৫০ মিলিয়ন ডলারের টিকা কেনানো হয়েছে। (বাসস, ২৯ মার্চ ২০২৬)
আমি ব্যক্তিগতভাবে শিশুদের গণহারে টিকা দেয়ার বিরুদ্ধে।
আমার কথা হচ্ছে, প্রয়োজন হলে টিকা দিন, সমস্যা নেই।
কিন্তু একটা শিশুকে টিকা দেয়ার আগে তার শরীর আগেই প্রাকৃতিক ইনফেকটেড হয়েছে কি না,
তা আগে পরীক্ষা করুন।
এজনের শরীরে আগেই হামের এন্টিবডি আছে, তাকে কেন পরীক্ষা ছাড়াই টিকা দিবেন ?
এটা তো মহা-অন্যায়, এবং শিশু স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
এ কথাগুলো কিন্তু টিকার পক্ষের লোকগুলোকে বলতে দেখবেন না।
তাদের কথা হচ্ছে, গণহারে মুর্খের মত টিকা দিন, তাহলেই হবে।
এটাই কলাবিজ্ঞান, এবং সেই সব কলাবিজ্ঞানীদের ছবিও আপনারা ডেইলি স্টারের মিটিং এ দেখেছেন।