11/10/2025
📍 সোহাগ-লামিছা | চারবার ফিরে আসা মেয়ের না বলা গল্প: 🤍🦋
টাঙ্গাইলের করটিয়া ইউনিয়নের নামদার কুমুল্লি গ্রামে ঘটেছে এক বাস্তব ভালোবাসার নাটকীয় গল্প। প্রেমিক সোহাগ এখন জেলের অন্তরালে, আর প্রেমিকা লামিছা আক্তার লুবনা বাবার ও পুলিশের ভয়ে আত্মগোপনে। তবুও সোহাগের প্রতি তার ভালোবাসা থামেনি— সে চারবার বাড়ি ছেড়ে ফিরে এসেছে সোহাগের কাছে!
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লামিছা একজন এইচএসসি ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী। গ্রামবাসী জানান, “মেয়েটিকে আমরা তিনবার তার বাবা-মায়ের কাছে তুলে দিয়েছি, কিন্তু প্রতিবারই সে ফিরে আসে সোহাগের কাছে। এমন ভালোবাসার কারণ বাবা-মাকে বোঝা উচিত।”
ছেলেটির পরিবার বর্তমানে অসহায় অবস্থায় আছে। সোহাগের বাবা অসুস্থ ও পুলিশের ভয়ে পলাতক। অভিযোগ রয়েছে, মেয়ের বাবা থানায় অপহরণের মামলা করেছেন, অথচ সোহাগ তখন কারাগারে ছিল। গ্রামবাসীর প্রশ্ন— “জেলে থাকা অবস্থায় কিভাবে মেয়েকে অপহরণ করবে?”
একজন স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“যদি ছেলেটির টাকার জোর থাকতো, তাহলে আজ এই মামলাগুলো হতো না। এখনকার দুনিয়ায় টাকা যার, আইনও তার।”
করটিয়া ইউনিয়নের সাবেক মহিলা ইউপি সদস্য রাশেদা আক্তার বলেন,
“আমি নিজে তিনবার মেয়েটিকে তার বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছি। কিন্তু একটি মেয়ে যদি বারবার চলে আসে, তার মানে বিষয়টা গভীর। বাবা-মাকে বুঝতে হবে কেন সে ফিরে আসে।”
বর্তমান ইউপি সদস্য শরিফ মিয়াও বলেন,
“বিষয়টি বারবার মীমাংসা করা হয়েছে, কিন্তু মেয়েকে কেউ আটকাতে পারছে না। এখানে সোহাগের কোনো দোষ নেই, অযথাই হয়রানি করা হচ্ছে।”
সোহাগের চাচাতো ভাই ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সোহরাব হোসেন বলেন,
“তিনবার মেয়েকে ফিরিয়ে দিয়েছি, তবুও সে আসে। আমার ভাই নির্দোষ, তবু তাকে জেলে পাঠানো হয়েছে। এমনকি আমার স্ত্রীকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে!”
পুরো করটিয়া ইউনিয়নে এখন এই আলোচিত প্রেমকাহিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
এলাকাবাসীর দাবি—
“একজন নির্দোষ যুবককে মুক্ত করে দুই পরিবার বসে মীমাংসা করা উচিত। ভালোবাসাকে শাস্তি নয়, সমাধান দেওয়া হোক।”
📍 স্থান: করটিয়া ইউনিয়ন, নামদার কুমুল্লি গ্রাম