Electrical Engineering project

Electrical Engineering project Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Electrical Engineering project, Dhaka, Mirpur.

POWER PLAND ENGINEERIN Maintenance & Utility Generator G3512H, Compressor, 33/11kva Sub-Station Controlling & Operating, Transformer, Electrical & Electronics Table Shooting Etc.

Lead Acid vs. Lithium Car BatteryA car battery is not just a starting device. It is an electrochemical energy buffer tha...
30/04/2026

Lead Acid vs. Lithium Car Battery

A car battery is not just a starting device. It is an electrochemical energy buffer that stabilizes system voltage, supplies peak current, supports electronic control units, and absorbs transient electrical loads. As vehicle electrical complexity increases, battery chemistry plays a critical role in reliability and system health.

➤ Electrochemical Operating Principle

• Lead Acid Battery
⤷ Positive plate made of lead dioxide
⤷ Negative plate made of sponge lead
⤷ Electrolyte is sulfuric acid
⤷ Discharge converts active material into lead sulfate
⤷ Charging must reverse sulfate formation
⤷ Incomplete reversal causes permanent capacity loss

• Lithium Battery
⤷ Uses lithium ion movement instead of material conversion
⤷ Lithium ions migrate between anode and cathode
⤷ No sulfate formation
⤷ High coulombic efficiency
⤷ Reaction remains stable over thousands of cycles

---

➤ Voltage Characteristics

• Lead Acid
⤷ Fully charged resting voltage around 12.6 volts
⤷ Voltage drops quickly under load
⤷ Sustained operation below 12.0 volts causes damage
⤷ Increasing internal resistance with age

• Lithium
⤷ Nominal voltage approximately 13.2 volts
⤷ Flat discharge curve
⤷ Minimal voltage sag during cranking
⤷ Stable voltage until near depletion

---

➤ Internal Resistance and Current Delivery

• Lead Acid
⤷ Higher internal resistance
⤷ Reduced cranking efficiency
⤷ Starter motor speed drops under load
⤷ Resistance increases due to sulfation

• Lithium
⤷ Very low internal resistance
⤷ High peak current delivery
⤷ Faster engine cranking
⤷ Consistent output across temperature range

---

➤ Charging Behavior and Alternator Interaction

• Lead Acid
⤷ Limited charge acceptance rate
⤷ Alternator remains under load longer
⤷ Overcharging causes gassing and water loss
⤷ Undercharging accelerates sulfation

• Lithium
⤷ High charge acceptance
⤷ Shorter alternator load cycles
⤷ Battery Management System regulates current
⤷ Compatible with smart charging systems

---

➤ Depth of Discharge Effects

• Lead Acid
⤷ Designed for shallow discharge
⤷ Deep discharge damages plate structure
⤷ Capacity decreases rapidly

• Lithium
⤷ Can safely discharge deeply
⤷ Minimal structural degradation
⤷ Capacity remains stable over time

---

➤ Thermal Performance

• Lead Acid
⤷ Cold temperatures reduce chemical activity
⤷ High heat accelerates corrosion
⤷ Electrolyte evaporation in hot climates

• Lithium
⤷ Operates efficiently across wide temperature range
⤷ Thermal monitoring via BMS
⤷ LiFePO4 chemistry resists overheating

---

➤ Weight and Energy Density

• Lead Acid
⤷ Energy density around 30 to 40 watt hours per kilogram
⤷ Heavy construction
⤷ Increased vehicle mass

• Lithium
⤷ Energy density between 90 to 160 watt hours per kilogram
⤷ Significant weight reduction
⤷ Improved vehicle efficiency

---

➤ Battery Management and Safety

• Lead Acid
⤷ No internal protection
⤷ Depends on vehicle systems
⤷ Risk of acid leakage and gas formation

• Lithium
⤷ Integrated Battery Management System
⤷ Cell balancing and protection
⤷ Automatic disconnect during unsafe conditions

---

➤ Failure Modes and Symptoms

• Lead Acid Failure Indicators
⤷ Slow engine cranking
⤷ Dim headlights
⤷ Voltage instability
⤷ Swollen or leaking casing

• Lithium Failure Indicators
⤷ Sudden power cutoff
⤷ Temporary system reset
⤷ BMS intervention events

---

➤ Service Life Expectancy

• Lead Acid
⤷ Typical lifespan 2 to 4 years
⤷ Gradual performance decline

• Lithium
⤷ Typical lifespan 8 to 15 years
⤷ Consistent performance until end of life

---

➤ Engineering Conclusion

Lead acid batteries rely on conversion-based chemistry that is inherently inefficient for modern vehicles. Their limitations include sulfation, weight, voltage instability, and short service life.

Lithium car batteries function as high efficiency electrical buffers with superior voltage stability, low resistance, and intelligent protection systems. From an engineering standpoint, lithium technology is fundamentally better suited to modern automotive electrical systems.

The choice ultimately depends on vehicle design, electrical demand, and long term ownership strategy.

30/04/2026

💥 Master Relay Trip common cause :

👉Overcurrent (50/51) A heavy load or short circuit beyond the VCB's rating.

👉Earth Fault (50N/51N) Current leaking to the ground (insulation failure).

👉Differential (87) An internal imbalance between the input and output current of a transformer or motor.

👉Buchholz (63) Internal gas or oil surge within a transformer.

👉OTI : The OTI auxiliary relay energizes the 86 relay, which latches and opens the VCB.

👉WTI : The WTI # Auxiliary Relay then uses its heavy-duty contacts to trigger the Master Trip Relay (86) and the VCB.

💥If the VCB has tripped and the 86 relay flag is visible (usually a red indicator).

💥Manual Reset

👉Verify the fault has been cleared or inspected.Rotate or press the reset lever/button on the 86 Relay (you will usually hear a "click").Reset the individual protection relay if it has a manual flag.

💥Attempt Re-closure
👉Only after the Master Relay is reset will the "Close" circuit of the VCB be energized. If you try to close the VCB while the 86 is still latched, the breaker will either not respond or trip immediately again.

10/04/2026

জ্বালানি তেল নিয়ে দেশে চলছে তুলকালাম কাণ্ড! এই সুবাদে অনেকে আজকাল ইস্টার্ন রিফাইনারির নাম জেনেছেন। এখানে চাকরি করতে এসে আমিও প্রচুর নতুন জিনিস জেনেছিলাম যেগুলো সত্যিই আমাকে অবাক করতো। চলুন—একনজরে ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই:

🔥নাম:
ইস্টার্ণ রিফাইনারী লিমিটেড (পুরাতন)
ইস্টার্ণ রিফাইনারী পিএলসি. (বর্তমান)

🔥পরিচয়:
বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র ইন্টিগ্রেটেড রিফাইনারি। এটি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খানিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন বা বিপিসির অধীনস্থ একটি কোম্পানি।

🔥উৎপাদিত পণ্যসমূহ:
ইস্টার্ন রিফাইনারি কমবেশি ১২ ধরনের পেট্রোলিয়াম পণ্য উৎপাদন করে থাকে—
1️⃣ এলপিজি
2️⃣ ন্যাফথা
3️⃣ পেট্রোল
4️⃣ অকটেন
5️⃣ এসবিপিএস
6️⃣ কেরোসিন
7️⃣জেট এ-১
8️⃣ এমটিটি
9️⃣ ডিজেল
1️⃣0️⃣ জেবিও
1️⃣1️⃣ ফার্নেস অয়েল
1️⃣2️⃣ বিটুমিন

🔥কাঁচামাল:
ইস্টার্ন রিফাইনারি মূলত অপরিশোধিত ক্রুড অয়েল পরিশোধন করে। এখানে নিয়মিত ২ ধরনের ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়ে থাকে—
⛳ এএলসি (এরাবিয়ান লাইট ক্রুড), যা সৌদি আরব থেকে আমদানি করা হয়
⛳ মারবান ক্রুড অয়েল যা আবুধাবি হতে আমদানি করা হয়।

🔥উৎপাদন প্রক্রিয়া:
মূলত আংশিক পাতন (Fractional Distillation) প্রক্রিয়া।

🔥উৎপাদন সক্ষমতা:
বছরে ১৫ লক্ষ মেট্রিক টন। ১৯৬৮ সাল হতে অদ্যাবধি (২০২৬ সাল) ইস্টার্ন রিফাইনারি নিয়মিত জ্বালানি তেল উৎপাদন করে আসছে। সম্প্রতি ২ বার ইতিহাসে সর্বোচ্চ পরিমাণ (১৫+ লক্ষ মেট্রিক টন) ক্রুড অয়েল পরিশোধন করেছে।

🔥 প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের নাম ও সংখ্যা:
মূলত আলাদা ৫ টি উৎপাদন ইউনিট রয়েছে (প্রত্যেকটি ভিন্নরকম)—
1️⃣ ক্রুড অয়েল ডিস্টিলেশন ইউনিট
2️⃣ এসফল্টিক বিটুমিন প্ল্যান্ট
3️⃣ ভিসব্রেকার ইউনিট
4️⃣ ক্যাটালাইটিক রিফরমিং ইউনিট
5️⃣ কনডেনসেট ফ্র‍্যাকশনেশন প্ল্যান্ট

📌 দেশের বর্তমান জ্বালানি চাহিদার প্রায় ২০% পূরণ করে
📌 প্রস্তাবিত ( -2) দ্বিতীয় ইউনিটি (প্রায় ৩৫০০০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প) চালু হলে এটি দেশের জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৫০% মেটাতে সক্ষম হবে।
Courtesy : Sohrab Hossain

25/02/2026

Facebook-এ আমার 11তম বার্ষিকী উদযাপন করছি। আপনাদের নিরবচ্ছিন্ন সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ। আপনাদের ছাড়া এটা কখনই সম্ভব হতো না। 🙏🤗🎉

25/02/2026

🥲-নীরবে প্রতিশোধ নেওয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী ৮টি উপায়!

কাউকে ক্ষতি না করেই আপনি প্রতিশোধ নিতে পারেন

প্রতিশোধ শব্দটা শুনলেই আমাদের মাথায় রাগ, প্রতিহিংসা আর আঘাতের ছবি ভেসে ওঠে। কিন্তু সত্যিকারের শক্তিশালী মানুষ জানে—প্রতিশোধ মানে কাউকে ধ্বংস করা নয়, নিজেকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া যেখানে অন্যের আচরণ আর তোমাকে স্পর্শ করতে পারে না।

যারা তোমাকে অবহেলা করেছে, ব্যবহার করেছে বা ছোট করেছে—তাদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় জবাব হলো তোমার নীরব উন্নতি, তোমার আত্মসম্মান, তোমার সাফল্য।

চলুন জেনে নেওয়া যাক—নীরবে প্রতিশোধ নেওয়ার ৮টি শক্তিশালী উপায়।

১️⃣ চুপ থেকে নিজের উন্নতিটা দেখিয়ে দেওয়া

কথায় নয়, কাজে উত্তর দাও।

তোমাকে যারা অবমূল্যায়ন করেছে, তারা কখনো ভাবেনি তুমি এতদূর যাবে। তাই তাদের ভুল প্রমাণ করার জন্য তর্কের দরকার নেই। দরকার নিজের উন্নতির দিকে মনোযোগ দেওয়া।

নতুন দক্ষতা শেখো

নিজের ক্যারিয়ার গড়ো

শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক করো

আত্মবিশ্বাস বাড়াও

একদিন তারা দেখবে—তুমি বদলে গেছো।
তোমার পরিবর্তনই হবে তাদের সবচেয়ে বড় অনুশোচনা।

২️⃣ তোমার অনুপস্থিতিকেই মূল্যবান করে তোলো

মানুষ সাধারণত তখনই কারও মূল্য বোঝে, যখন তাকে হারায়।

যে তোমাকে অবহেলা করেছে, তার কাছে তোমার মূল্য যেন একদিন গভীর আফসোস হয়ে দাঁড়ায়।
কীভাবে?

নিজেকে সরিয়ে নাও

অতিরিক্ত প্রমাণ দেওয়া বন্ধ করো

নিজের সময়ের মর্যাদা দাও

যখন তারা বুঝবে—তোমাকে ছাড়াও তুমি ভালো আছো, তখনই শুরু হবে তাদের ভেতরের অস্থিরতা।

৩️⃣ তর্ক-ঝগড়া বন্ধ করে সম্পূর্ণ নীরব হও

সব লড়াই জেতার দরকার নেই। কিছু লড়াই এড়িয়ে যাওয়াই জয়।

কেউ যদি তোমাকে ইচ্ছাকৃত কষ্ট দেয়, তার সাথে তর্কে না জড়িয়ে নিজেকে সরিয়ে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ—

তর্ক শক্তি নষ্ট করে

প্রতিক্রিয়া দিলে সে গুরুত্ব পায়

নীরবতা মানুষকে অস্বস্তিতে ফেলে

উপেক্ষা হলো এমন এক অস্ত্র, যা শব্দ ছাড়াই কাজ করে।

৪️⃣ মানসিকভাবে নিজেকে মুক্ত করে দাও

শারীরিক দূরত্ব যথেষ্ট নয়—মানসিক মুক্তিই আসল শক্তি।

কেউ যদি তোমাকে ব্যবহার করে থাকে, তাহলে তোমার নীরব প্রতিশোধ হবে—
তাকে আর তোমার আবেগের ওপর ভর করে বাঁচতে না দেওয়া।

অতীত নিয়ে বারবার ভাবা বন্ধ করো

নিজেকে দোষ দেওয়া বন্ধ করো

নিজের অনুভূতির দায়িত্ব নিজে নাও

যখন তুমি আবেগগতভাবে মুক্ত হবে, তখনই সত্যিকারের জয় তোমার।

৫️⃣ নিজের জীবন এত সুন্দর করে তোলো, যাতে ফিরে তাকাতে বাধ্য হয়

প্রতিশোধ মানে প্রমাণ করা নয়, নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা।

তোমার হাসি, স্থিরতা, কাজের সাফল্য, আত্মবিশ্বাস—এসবই একদিন তাদের মনে প্রশ্ন তুলবে:

“আমি কি ভুল মানুষকে হারিয়েছি?”

কিন্তু তখন তোমার আর প্রমাণ করার কিছু থাকবে না। তুমি তখন নিজের জগতে স্থির ও সফল।

৬️⃣ নিজের সম্মান আর সীমা পরিষ্কার করে দাও

অনেক সময় আমরা “না” বলতে না পারার কারণে অপমান সহ্য করি।

নীরব প্রতিশোধের অন্যতম শক্তিশালী উপায় হলো—
নিজের সীমা নির্ধারণ করা।

যেখানে অসম্মান, সেখানে স্পষ্ট না

যেখানে ব্যবহার, সেখানে দূরত্ব

যেখানে অবহেলা, সেখানে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া

মানুষ তখনই কেঁপে ওঠে, যখন তুমি আর চুপচাপ সব সহ্য করো না।

৭️⃣ নিজের শান্তিটাকেই বিজয় বানিয়ে ফেলো

প্রতিশোধ মানে কাউকে কাঁদানো নয়।
প্রতিশোধ মানে—নিজেকে এমন জায়গায় নিয়ে যাওয়া, যেখানে কেউ তোমাকে মানসিকভাবে ভাঙতে না পারে।

ধ্যান বা প্রার্থনা করো

ইতিবাচক মানুষদের সাথে থাকো

নিজের ভেতরের স্থিরতা তৈরি করো

যে মানুষ শান্ত, তাকে হারানো যায় না।

৮️⃣ কষ্টকে শক্তিতে পরিণত করো

তোমার জীবনের সবচেয়ে বড় ব্যথাই হতে পারে তোমার সবচেয়ে বড় শক্তি।

যে অপমান তোমাকে কাঁদিয়েছিল, সেটাকেই তোমার প্রেরণা বানাও।
যে অবহেলা তোমাকে ভেঙে দিয়েছিল, সেটাকেই উন্নতির আগুন বানাও।

কষ্টকে শক্তিতে রূপান্তর করতে পারলে—
তোমাকে আর কেউ থামাতে পারবে না।

⭐ শেষ কথা

জীবনে কাউকে আঘাত করে প্রতিশোধ নেওয়ার প্রয়োজন নেই।
সবচেয়ে বড় প্রতিশোধ হলো—নিজেকে এমন জায়গায় দাঁড় করানো, যেখান থেকে তুমি আর কখনো কারো ব্যবহার, অবহেলা বা অবমূল্যায়নের নিচে পড়ে যাবে না।

প্রতিশোধের সবচেয়ে সুন্দর রূপ হলো—
নিজেকে এমন শক্তিশালী করে তোলা, যেখানে অন্যের আচরণ তোমার ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে না।

👉 তোমার মতে জীবনে সবচেয়ে কার্যকর “নীরব প্রতিশোধ” কোনটা?

25/12/2025

দক্ষতা থাকলেই যে আপনি অপরিহার্য হবেন, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। কর্পোরেট জগতে টিকে থাকতে হলে কাজের পাশাপাশি কিছু কৌশল বুঝতে হয়। আপনার অজান্তেই করা এই ৫টি ভুল আপনাকে অফিসের সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিতে পরিণত করতে পারে।
অফিসে গুরুত্বহীন হয়ে পড়ার পেছনে মূলত নিচের ৫টি কারণ সবচেয়ে বেশি দায়ী:
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _

১. পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে না পারা (Resisting Change)
প্রযুক্তি এবং কাজের ধরন প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। আপনি যদি এখনো ৫-১০ বছর আগের পুরনো পদ্ধতিতে কাজ করতে চান এবং নতুন টুলস বা টেকনোলজি (যেমন: AI, নতুন সফটওয়্যার বা অটোমেশন) গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান, তবে আপনি দ্রুতই গুরুত্ব হারাবেন।
• ফলাফল: কোম্পানি আপনাকে একজন 'ব্যাকডেটেড' কর্মী হিসেবে গণ্য করবে এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্ট থেকে দূরে সরিয়ে রাখবে।
• সমাধান: নিজেকে সবসময় আপ-টু-ডেট রাখুন। নতুন কিছু শেখার আগ্রহ বজায় রাখুন।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _

২. কেবল নির্দেশের অপেক্ষায় থাকা (Lack of Initiative)
অফিসে তারাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পান যারা নিজে থেকে সমস্যার সমাধান খোঁজেন। আপনি যদি শুধু ততটুকুই করেন যতটুকু আপনাকে বলে দেওয়া হয়, তবে আপনি একজন 'সহজেই প্রতিস্থাপনযোগ্য' (Replaceable) কর্মীতে পরিণত হবেন।
• ফলাফল: আপনার সৃজনশীলতা বা নেতৃত্বের ক্ষমতা নিয়ে ম্যানেজমেন্টের সন্দেহ তৈরি হবে।
• সমাধান: নিজের কাজের বাইরেও কোম্পানির ভালোর জন্য নতুন আইডিয়া শেয়ার করুন এবং দায়িত্ব নিতে এগিয়ে আসুন।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _

৩. দুর্বল যোগাযোগ দক্ষতা (Communication Gap)
আপনি অনেক ভালো কাজ করছেন, কিন্তু আপনার বস বা টিম মেম্বাররা যদি তা জানতেই না পারে, তবে সেই কাজের মূল্যায়ন হবে না। যারা নিজের কাজের আপডেট ঠিকমতো দেন না বা অন্যদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখেন না, তারা ধীরে ধীরে অন্যদের নজরের আড়ালে চলে যান।
• ফলাফল: আপনার কৃতিত্ব অন্য কেউ নিয়ে যেতে পারে অথবা আপনার অবদানের কথা কারো মনেই থাকবে না।
• সমাধান: নিয়মিত প্রগ্রেস রিপোর্ট দিন এবং মিটিংগুলোতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করুন। 'Visibility' প্রফেশনাল লাইফে খুবই জরুরি।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _

৪. নেতিবাচক মনোভাব ও অতিরিক্ত অভিযোগ
সবসময় সমস্যার কথা বলা কিন্তু কোনো সমাধান না দেওয়া—এটি একজন কর্মীকে খুব দ্রুত গুরুত্বহীন করে তোলে। যারা সারাক্ষণ অফিসের পরিবেশ, কলিগ বা ম্যানেজমেন্ট নিয়ে অভিযোগ করেন, তাদের কেউ পছন্দ করে না।
• ফলাফল: মানুষ আপনাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করবে এবং টিম মিটিং বা ডিসিশন মেকিং প্রসেসে আপনাকে রাখা হবে না।
• সমাধান: 'Complainer' না হয়ে 'Problem Solver' হওয়ার চেষ্টা করুন। ইতিবাচক মানসিকতা বজায় রাখুন।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _

৫. মানহীন কাজ এবং অনিয়ম (Inconsistency)
একসময় ভালো কাজ করেছেন বলেই সারাজীবন গুরুত্ব পাবেন—এমনটা ভাবা ভুল। যদি আপনার কাজের মান দিন দিন কমতে থাকে বা আপনি ডেডলাইন মিস করতে শুরু করেন, তবে আপনার ওপর থেকে প্রতিষ্ঠানের আস্থা উঠে যাবে।
• ফলাফল: গুরুত্বপূর্ণ এবং চ্যালেঞ্জিং কাজগুলো আপনার পরিবর্তে অন্য কাউকে দেওয়া হবে।
• সমাধান: কাজের কোয়ালিটির ব্যাপারে কোনো আপস করবেন না। পাংচুয়ালিটি এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখুন।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _

অফিসে আপনার গুরুত্ব বজায় রাখার একমাত্র উপায় হলো প্রতিষ্ঠানের জন্য নিয়মিত 'ভ্যালু অ্যাড' করা। আপনি যেদিন থেকে ভ্যালু অ্যাড করা বন্ধ করবেন, সেদিন থেকেই আপনি গুরুত্ব হারাতে শুরু করবেন।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _

24/12/2025

কিভাবে সুন্দর করবেন বিবাহিত জীবন?

১️-রা'গ কমান:

দুইজন কখনো একসাথে রে'গে যাবেন না। একজন রে'গে গেলে আরেকজন শান্ত থাকবেন।

২️-সঙ্গ কাটান:

একসাথে সময় কাটানোর জন্য পরিকল্পনা করুন—মুভি দেখা, রান্না করা, শপিং করা। দিনেও এক বেলা টেবিলে একসাথে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

৩️- ক্ষমাশীল হোন:

ইগোকে দূরে রেখে ক্ষমা চাওয়াটা শিখুন। ক্ষমা মন থেকে হবে, এতে সম্পর্ক মজবুত হয়।

৪️- অতীত ভুল ভুলবেন:

অতীতের ভুল নিয়ে বারবার আলোচনা করবেন না, খোঁ'টা দিবেন না। বর্তমান সুন্দর করলে ভবিষ্যতও হবে সুন্দর।

৫️- পরস্পরের সম্মান করুন:

পার্টনারকে ছোট করে কথা বলা বা মানুষের সামনে মজা করেও আ'ঘাত দেওয়া যাবে না। বরং বেশি বেশি প্রশংসা করুন।

৬️- একটি টিম হোন:

আপনারা এক টিম। একে অপরের স্বপ্ন ও কাজকে সাপোর্ট করুন, সাহায্য করুন। তার সাফল্য আপনার সাফল্য।

৭️- ঝ'গড়া স্বাভাবিক:

রা'গারা'গি ও ঝ'গড়া হবে, এটাকে স্বাভাবিক ভাবুন। দিনের শেষে মাথা ঠান্ডা করে সব ভুলে শান্তিতে দিন শেষ করুন।

৮️- ব্লেম গেম নয়:

নিজের ভুল আগে স্বীকার করুন, নিজের কোথায় ভুল আছে খুঁজে বের করুন।

৯️- ইচ্ছাশক্তি:

একই মানুষটির সঙ্গে দীর্ঘকাল কাটানোর ইচ্ছা থাকতে হবে। মন যদি অন্যদিকে যায়, তবে সম্পর্ক সফল হবেনা।

১০- স্বচ্ছতা বজায় রাখুন:

গোপনীয়তা নয়, দুইজনের মাঝে খোলা বইয়ের মতো স্বচ্ছতা থাকুক।

---

সুখী দাম্পত্যের চাবিকাঠি — ভালোবাসা, বিশ্বাস আর সম্মান।

😊💖

22/12/2025

😥পুরুষের ধ্বংসের ৯টি কারণ —👇

ইসলাম একজন পুরুষকে কেবল উপার্জনকারী নয়, বরং দায়িত্বশীল স্বামী, উত্তম চরিত্রের মানুষ এবং পরিবারের রক্ষক হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। কিন্তু কিছু ভুল আচরণ ধীরে ধীরে একজন পুরুষকে দুনিয়া ও আখিরাতে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়।

চলুন জেনে নেই সেই ভয়ংকর ৯টি কারণ—

---

১️⃣ স্ত্রীকে উপেক্ষা করে চলা

স্ত্রী আপনার আমানত। তাকে অবহেলা করা মানে আল্লাহর আমানতের খেয়ানত করা।
নবী ﷺ বলেছেন:
“তোমাদের মধ্যে উত্তম সে-ই, যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।” (তিরমিজি)

---

২️⃣ স্ত্রীকে তালাকের ভয় দেখানো

তালাক খেলনা নয়। কথায় কথায় তালাকের ভয় দেখানো নারীর হৃদয় ভেঙে দেয় এবং আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করে।

---

৩️⃣ দ্বিতীয় বিয়ের হুমকি দেওয়া

ইসলাম অনুমতি দিয়েছে, কিন্তু হুমকি দেওয়ার জন্য নয়।
ন্যায়বিচার ছাড়া একাধিক বিয়ে গুনাহের কারণ হয়ে যায়।

---

৪️⃣ মানুষের সামনে স্ত্রীকে অপমান করা

স্ত্রীর সম্মান নষ্ট করা মানে নিজের সম্মান নিজেই ধ্বংস করা।
যে পুরুষ স্ত্রীর পর্দা রক্ষা করে না, আল্লাহ তার ইজ্জত রক্ষা করেন না।

---

৫️⃣ স্ত্রীকে সময় না দেওয়া

শুধু টাকা দিলেই দায়িত্ব শেষ নয়।
স্ত্রীর প্রয়োজন ভালোবাসা, কথা বলা ও মানসিক সঙ্গ।

---

৬️⃣ সব দোষ স্ত্রীর ঘাড়ে চাপানো

ভুল হলে দু’জনেই দায়ী।
নিজেকে নির্দোষ ভাবা অহংকার—আর অহংকার শয়তানের পথ।

---

৭️⃣ কথায় কথায় স্ত্রীর দোষ ধরা

নবী ﷺ বলেছেন:
“মুমিন ব্যক্তি দোষ খোঁজে না।”
সব সময় দোষ ধরলে ভালোবাসা মরে যায়।

---

৮️⃣ অন্যের জন্য স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করা

মা-বাবা, আত্মীয়—সবার হক আছে।
কিন্তু অন্যের কথা শুনে স্ত্রীর উপর জুলুম করা হারাম।

---

৯️⃣ স্ত্রীর আত্মীয়দের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ

যে ব্যক্তি স্ত্রীর পরিবারকে সম্মান করে না, সে স্ত্রীকেও সম্মান করে না।
আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা কবিরা গুনাহ।

---

✨ শেষ কথা

যে পুরুষ স্ত্রীকে সম্মান করে—
✔️ তার ঘরে শান্তি থাকে
✔️ তার রিজিকে বরকত আসে
✔️ তার দোয়া কবুল হয়

আর যে স্ত্রীকে কাঁদায়—
⚠️ সে নিজের ধ্বংস নিজেই ডেকে আনে।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে উত্তম স্বামী হওয়ার তাওফিক দিন। আমিন। 🤲

জানিনা আপনি শেয়ার করবেন কিনা, তবে আমি বলব আপনি শেয়ার করুন। কারণ আপনার একটি শেয়ারে কত পুরুষের জীবন বদলে যাবে.!!

🔥 Red Hot Spot (বিদ্যুৎ এর জ্বর):উপকেন্দ্রের পাওয়ার ট্রান্সফরমার, সার্কিট ব্রেকার, সিটি,  আইসোলেটর, বাসবার– এগুলো সবসময় ...
29/09/2025

🔥 Red Hot Spot (বিদ্যুৎ এর জ্বর):

উপকেন্দ্রের পাওয়ার ট্রান্সফরমার, সার্কিট ব্রেকার, সিটি, আইসোলেটর, বাসবার– এগুলো সবসময় উচ্চ ভোল্টেজ ও কারেন্ট বহন করে।

এদের জোড়া লাগার পয়েন্টে (connection joints, bushing, contact ইত্যাদি) যদি কনট্যাক্ট রেজিস্ট্যান্স বেড়ে যায় তখন অস্বাভাবিকভাবে একটা ছোট জায়গা অনেক বেশি গরম হয়ে যায় – একে বলে Hot Spot।

মনিটরিং সিস্টেমে (Thermal Camera, IR sensor, Fiber optic sensor) এই তাপমাত্রা দেখা হয়।

রেড হট দেখা দিলে নিয়মিত মনিটরিং করা হয়, পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে মেইনটেন্যান্স করে রেড হট জনিত সমস্যা সমাধান করা হয়। সংগৃহীত

 োন_ডাক্তার_দেখাবেন ♦ মানসিক রোগ → সাইকিয়াট্রিস্ট (Psychiatrist):দুশ্চিন্তা, ডিপ্রেশন, ফোবিয়া, ঘুম না আসা, সিজোফ্রেনিয়া...
04/09/2025

োন_ডাক্তার_দেখাবেন

♦ মানসিক রোগ → সাইকিয়াট্রিস্ট (Psychiatrist):

দুশ্চিন্তা, ডিপ্রেশন, ফোবিয়া, ঘুম না আসা, সিজোফ্রেনিয়া, অ্যাংজাইটি, বাইপুলার মুড ডিসঅর্ডার

♦ পেট ও হজমের সমস্যা → গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট (Gastroenterologist):

গ্যাস্ট্রিক, পেট ব্যথা, লিভারের সমস্যা, আলসার

♦ মাথা, মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর সমস্যা → নিউরোলজিস্ট (Neurologist):

মাথা ব্যথা, খিঁচুনি, পক্ষাঘাত, স্নায়ুর ব্যথা, টিউমার

♦ হৃদরোগ ও রক্তচাপ → কার্ডিওলজিস্ট (Cardiologist):

বুক ধড়ফড়, হার্ট ব্লক, হার্ট অ্যাটাক, উচ্চ/নিম্ন রক্তচাপ

♦ হার্টের অপারেশন লাগলে → কার্ডিয়াক সার্জন (Cardiac Surgeon)

♦ ত্বক ও যৌন রোগ → ডার্মাটোলজিস্ট (Skin & VD Specialist):

চুলকানি, চুল পড়া, ফুসকুড়ি, যৌন রোগ

♦ চোখের সমস্যা → চক্ষু বিশেষজ্ঞ (Ophthalmologist):

চোখের ঝাপসা, লাল হওয়া, ছানি, গ্লুকোমা

♦ স্ত্রীরোগ বা প্রসূতি বিশেষজ্ঞ → গাইনোকলজিস্ট (Gynecologist & Obstetrician): মাসিকের সমস্যা, গর্ভাবস্থা, সন্তান জন্ম

♦ নাক, কান ও গলার সমস্যা → ইএনটি বিশেষজ্ঞ (ENT Specialist):

কানে কম শোনা, কানে পুঁজ পড়া, টনসিল, সাইনাস, নাক দিয়ে রক্ত পড়া

♦ হেমাটোলজিস্ট বা রক্ত বিশেষজ্ঞ- রক্ত ও অস্থিমজ্জা সম্পর্কিত রোগের জন্য এই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যেতে পারেন।

♦ দাঁত ও মুখের সমস্যা → ডেন্টিস্ট (Dentist):

দাঁতের ব্যথা, মাড়ির সমস্যা, দাঁত তোলা/ব্রেস

♦ শ্বাসকষ্ট / ফুসফুস → মেডিসিন / চেস্ট বিশেষজ্ঞ (Pulmonologist):

হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, কাশি, যক্ষ্মা

♦ কিডনি / প্রস্রাবের সমস্যা → নেফ্রোলজিস্ট (Nephrologist):

কিডনির পাথর, প্রস্রাবে জ্বালা, ইউরিন ইনফেকশন

♦ অপারেশন লাগলে → ইউরোলজিস্ট (Urologist)

♦ হাড়, জয়েন্ট ও মেরুদণ্ড → অর্থোপেডিক সার্জন (Orthopedic Doctor): পা ভাঙা, হাড় জোড়া, হাড় ক্ষয়, হাড়ের জয়েন্টে ব্যথা এছাড়াও হাঁটুতে ব্যথা, পঙ্গুত্ব, বাত ব্যথাসহ শরীরের হাড়ের সব ধরনের চিকিৎসার জন্য

♦ পেডিয়াট্রিশিয়ান বা শিশু বিশেষজ্ঞ- শিশুদের যেকোনো রোগের ক্ষেত্রে শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে আপনার শিশুকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যেতে পারেন।

♦ সাধারণ অসুখ → মেডিসিন বিশেষজ্ঞ (Medicine Specialist):

সর্দি, কাশি, জ্বর, ডায়রিয়া, শরীর ব্যথা

♦ জরুরি বা ছোটখাটো সমস্যা → MBBS ডাক্তার (General Physician)

03/09/2025

LPS (Lightning Protection System) মানে হচ্ছে বজ্রপাত প্রতিরোধক সিস্টেম বা আলোকসজ্জা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এটি এমন একটি ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেম, যা বজ্রপাত হলে ভবন, যন্ত্রপাতি বা মানুষের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। বজ্রপাত সরাসরি বা পরোক্ষভাবে কোনো বিল্ডিং-এ আঘাত করলে মারাত্মক অগ্নিকাণ্ড, ইলেকট্রিক্যাল শর্ট সার্কিট বা মানবজীবনের ক্ষতি হতে পারে। এজন্য LPS ব্যবহার করা হয়।

LPS এর মূল কাজ

1. বজ্রপাতের বিদ্যুৎকে নিরাপদভাবে মাটিতে নামানো।

2. ভবন বা যন্ত্রপাতির ক্ষতি কমানো।

3. মানুষের জীবন বাঁচানো।

4. অগ্নিকাণ্ড ও অতিরিক্ত ভোল্টেজ প্রতিরোধ করা।

LPS সিস্টেমের প্রধান অংশ

1. Air Termination System (Lightning Rod / Air Terminal)

সাধারণত বিল্ডিং-এর উপরে লোহার দণ্ড (Rod) বসানো হয়।

বজ্রপাত হলে প্রথমে এই Rod বজ্রকে আকর্ষণ করে।

2. Down Conductor System

Air Terminal থেকে মাটিতে নামানোর জন্য মোটা তামা বা গ্যালভানাইজড স্টিল কন্ডাক্টর ব্যবহার করা হয়।

বজ্রপাতের প্রবাহ দ্রুত ও সরাসরি মাটিতে পৌঁছায়।

3. Earth Termination System (Earthing)

মাটির নিচে কপার প্লেট/রড/গ্রিড বসানো হয়।

বজ্রের প্রবাহকে নিরাপদে মাটিতে ছড়িয়ে দেয়।

4. Surge Protection Devices (SPD)

বজ্রপাতের কারণে যে অতিরিক্ত ভোল্টেজ (Surge) হয়, তা থেকে ইলেকট্রনিক্স/মেশিন রক্ষা করে।

এগুলো Distribution Board বা Control Panel-এ বসানো হয়।

LPS এর ধরন

1. Conventional System

Lightning Rod + Down Conductor + Earthing।

সোজা ও সহজ পদ্ধতি।

2. ESE (Early Streamer Emission) System

আধুনিক LPS, যেখানে বিশেষ টেকনোলজি ব্যবহার করে বজ্রপাতকে দূর থেকে আকর্ষণ করে আনে।

কভারেজ বেশি, সাধারণত বড় ভবন/ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যবহার হয়।

কোথায় ব্যবহার হয়

বহুতল ভবন 🏢

হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ 🏫

গ্যাস স্টেশন ⛽

ইন্ডাস্ট্রি/কারখানা 🏭

ডেটা সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম 💻

বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ⚡

সহজভাবে বললে: LPS হলো ভবনের জন্য ছাতা ☂️ এর মতো, বজ্রপাত হলে এটি সরাসরি মাটিতে নামিয়ে দেয়, ফলে মানুষ, ভবন ও যন্ত্রপাতি নিরাপদ থাকে।

12/08/2025

#দেড় হাজার বছর আগে রাসূলুল্লাহ (সা.) জানিয়েছেন ৭ টি বৈশিষ্ট্য ইহুদি মেয়েদের মধ্যে আছে আর এই সাতটি বৈশিষ্ট্য যদি কোন মুসলিম মেয়েদের মধ্যে থাকে তবে তাদের হাশর হবে ঐ সকল ইহুদি মেয়েদের সাথে। সেই সাতটি বৈশিষ্ট্য হলো :

১. #আন্নানা- এর অর্থ হলো বেশি বেশি চাই জিনিসপত্র অনেক আছে তবুও তবুও অনেক চাই স্বামীকে বলে শুধু আমার জন্য দাও। নিজের মা-বাবা ভাই-বোন এদের জন্য কোন কিছু দিও না,

২. #মান্নানা- এর অর্থ হল স্বামীকে শুধু সব সময় সকল ক্ষেত্রে খোটা দেয় অর্থাৎ খোটা দেওয়া এই স্বভাব ইহুদী মেয়েদের,

৩. #হান্নানা- হান্নানা এর অর্থ হচ্ছে স্বামীর খেদমত না করা ,উল্টো আরো স্বামীকে দিয়ে খেদমত করিয়ে নেয়া। হযরত খাদিজাতুল কুবরা আল্লাহর নিকট থেকে সালাম পাওয়ার একমাত্র কারণ ছিল স্বামীর খেদমত করা।

৪. #কান্নানা- স্বামীকে মাঝে মাঝে বলে তুমি আমারে চেনো? আমি অমুকের মেয়ে, তমুকের মেয়ে, চেয়ারম্যানের মেয়ে ইত্যাদি ইত্যাদি। স্বামীর সামনে নিজেকে বড় করে দেখানো, স্বামীকে ছোট মনে করা এটা ইহুদি মেয়েদের গুণ।

৫. #হাত্তকা্হ- হাত্তকাহ শব্দের অর্থ স্বামীর পছন্দের গুরুত্ব না দেওয়া। স্বামী যদি দুই টাকার জিনিসও আপনাকে দেয় তবে তা আপনাকে আলহামদুলিল্লাহ ভালো গ্রহণ করতে হবে। পরে মন ভালো হলে আরেকটা জিনিস আবদার করে নিয়ে নিবেন, স্বামীর মনে দুঃখ দেওয়া যাবে না।

৬. #শাত্তকা্হ- এর অর্থ হচ্ছে স্বামীকে হারাম ইনকাম করতে বাধ্য করা। স্বামীর হালাল ইনকামে আপনাকে সন্তুষ্ট থাকতে হবে। যদি আপনার কারণে আপনার স্বামী হারাম ইনকাম করে তাহলে স্বামীর সাথে আপনাকেও জাহান্নামে যেতে হবে।

৭. #বার্রকা্হ- এ অর্থ স্বামীকে মাঝে মাঝে ধরে মারা। অর্থাৎ স্বামীর গায়ে হাত তোলা এটা ইহুদি মেয়েদের স্বভাব।

#উপরোক্ত এই সাতটি গুন যেই মেয়েদের মধ্যে থাকবে তারা নামায, রোযা এবং পর্দা করলেও তাদের হাশর কিন্তু হবে ইহুদি মেয়েদের সাথে। আল্লাহ আমাদের মুসলিম মেয়েদের হাদীসটি আমল করার তৌফিক দান করুক।
আমিন....
-ইমাম গাজ্জালী( রহঃ)

Address

Dhaka
Mirpur
1216

Telephone

+8801794855866

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Electrical Engineering project posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Electrical Engineering project:

Share