17/06/2026
১৭ জুন | বিশ্ব মরুময়তা ও খরা প্রতিরোধ দিবস
প্রতিপাদ্য ২০২৬: “Rangelands: Recognize. Respect. Restore”
বাংলাদেশকে আমরা নদীমাতৃক ও সবুজের দেশ হিসেবে জানি। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন, অনিয়ন্ত্রিত ভূমি ব্যবহার, বন উজাড় এবং ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত উত্তোলনের কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মরুকরণের ঝুঁকি ও খরার প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বরেন্দ্র অঞ্চল, রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও দিনাজপুরে দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক মৌসুম, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং পানির ঘাটতি কৃষি ও জীববৈচিত্র্যের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলছে।
মরুকরণ বলতে শুধু মরুভূমির বিস্তার বোঝায় না; বরং উর্বর ভূমির উৎপাদনশীলতা হ্রাস পাওয়াও এর অন্তর্ভুক্ত। কৃষিজমির অবক্ষয়, মাটির জৈব উপাদান কমে যাওয়া, অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহার এবং প্রাকৃতিক ঘাসভূমি ও জলাভূমি ধ্বংসের ফলে এই সংকট আরও তীব্র হচ্ছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে তাপপ্রবাহ ও খরার মাত্রাও বাড়ছে, যা খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশগত স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগজনক।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজন টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা, বৃক্ষরোপণ ও বন সংরক্ষণ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, পানি-সাশ্রয়ী কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং প্রাকৃতিক ঘাসভূমি ও চারণভূমির পুনরুদ্ধার। এ বছরের প্রতিপাদ্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়—চারণভূমি ও প্রাকৃতিক ভূমি শুধু প্রাণিসম্পদের জন্য নয়, বরং মাটি, পানি, জীববৈচিত্র্য ও জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আসুন, মরুকরণ ও খরা প্রতিরোধে সচেতন হই, প্রকৃতিকে সম্মান করি এবং একটি ১৭ জুন | বিশ্ব মরুময়তা ও খরা প্রতিরোধ দিবস
প্রতিপাদ্য ২০২৬: “Rangelands: Recognize. Respect. Restore”
বাংলাদেশকে আমরা নদীমাতৃক ও সবুজের দেশ হিসেবে জানি। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন, অনিয়ন্ত্রিত ভূমি ব্যবহার, বন উজাড় এবং ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত উত্তোলনের কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মরুকরণের ঝুঁকি ও খরার প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বরেন্দ্র অঞ্চল, রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও দিনাজপুরে দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক মৌসুম, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং পানির ঘাটতি কৃষি ও জীববৈচিত্র্যের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলছে।
মরুকরণ বলতে শুধু মরুভূমির বিস্তার বোঝায় না; বরং উর্বর ভূমির উৎপাদনশীলতা হ্রাস পাওয়াও এর অন্তর্ভুক্ত। কৃষিজমির অবক্ষয়, মাটির জৈব উপাদান কমে যাওয়া, অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহার এবং প্রাকৃতিক ঘাসভূমি ও জলাভূমি ধ্বংসের ফলে এই সংকট আরও তীব্র হচ্ছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে তাপপ্রবাহ ও খরার মাত্রাও বাড়ছে, যা খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশগত স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগজনক।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজন টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা, বৃক্ষরোপণ ও বন সংরক্ষণ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, পানি-সাশ্রয়ী কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং প্রাকৃতিক ঘাসভূমি ও চারণভূমির পুনরুদ্ধার। এ বছরের প্রতিপাদ্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়—চারণভূমি ও প্রাকৃতিক ভূমি শুধু প্রাণিসম্পদের জন্য নয়, বরং মাটি, পানি, জীববৈচিত্র্য ও জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আসুন, মরুকরণ ও খরা প্রতিরোধে সচেতন হই, প্রকৃতিকে সম্মান করি এবং একটি সবুজ, সহনশীল ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে একসঙ্গে কাজ করি।