09/06/2026
ভাইরে ভাই! বাংলাদেশ একটা মনের মতো প্রধানমন্ত্রী পাইতেছে।😁
ঘটনাটা হলো, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সাহেব নাকি ফ্রান্স যাওয়ার একটা সুন্দর প্ল্যান করেছিলেন। উদ্দেশ্য হলো, ফ্রান্সে গিয়ে প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জন।
কিন্তু বিধি বাম! ফাইল যখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের টেবিলে গেলো, তিনি এক কলমের খোঁচায় প্রস্তাবটা রিজেক্ট করে দিলেন। আর রিজেক্ট করার পেছনে যে যুক্তিটা দিয়েছেন, সেটা এক কথায় রিয়েলিস্টিক!
প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার নোটে লিখে দিয়েছেন,
"রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক প্রকৌশলী নন, বিধায় তাঁর যাওয়া কোনো গুরুত্ব বহন করে না। এ বিষয়ে কোনো প্রকৌশলী জ্ঞান আহরণ করলে তা কাজে লাগবে।"
একদম ঠিক কথা! টেকনিক্যাল নলেজ শিখতে যাবেন ইঞ্জিনিয়ার, সেখানে আমলা বা প্রশাসকের গিয়ে কী লাভ?
প্রধানমন্ত্রী আরও একটা দারুণ পরামর্শ দিয়েছেন, ভবিষ্যতে এই ধরনের ইনোভেটিভ কাজে বাইরের দেশের দিকে না তাকিয়ে আমাদের দেশের বুয়েট বা অন্যান্য প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাহায্য নেওয়া উচিত।
এই কালচারটা আমাদের দেশে বহু বছর ধরে চলে আসছে। নলেজ শেয়ারিং এর নামে সরকারি টাকায় আমলাদের বিদেশ ভ্রমণ। পুকুর খনন শিখতে বিদেশ, খিচুড়ি রান্না দেখতে বিদেশ, মশক নিধন করতে বিদেশ আর এখন লাইট-বিদ্যুতের কাজ দেখতেও প্রশাসক সাহেবের ফ্রান্স যাওয়া লাগবে?
ট্যাক্সের টাকায় সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ আসলে এক ধরণের লাক্সারি ট্যুর ছাড়া কিছুই না।
যেই ডিপার্টমেন্টের কাজের সাথে যার কোনো সম্পর্ক নেই, তিনিও লিস্ট বগলদাবা করে বিদেশে উড়াল দেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তটাকে ১০-এ ১০ দেওয়াই যায়। আশা করি শুধু রাজশাহী না, দেশের বাকি সব দপ্তরের ভ্রমণপিয়াসী কর্মকর্তাদের জন্যও এই মেসেজটা একদম ক্লিয়ার থাকবে।
জনগণের টাকার অপচয় বন্ধ হোক। 🖤
Salute PM Tarique Rahman