Media Cell - বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বাকৃবি

  • Home
  • Bangladesh
  • Mymensingh
  • Media Cell - বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বাকৃবি

Media Cell - বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বাকৃবি Facekbook page of Bangladesh Jatiyotabadi Chatrodol [JCD] of BAU, the student wing of BNP

07/05/2025

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাংলাদেশে আগমন উপলক্ষ্যে, বাকৃবি ছাত্রদলের সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম শফিকের সৌজন্যে গতকাল রাতে শহীদ শামসুল হক হল ও শহীদ নাজমুল আহসান হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

#বাকৃবি #ছাত্রদল

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাংলাদেশে আগমন উপলক্ষ্যে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বাংলাদেশ  কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা  সিনিয়র যুগ্...
06/05/2025

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাংলাদেশে আগমন উপলক্ষ্যে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এ এম শোয়াইব এর নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছেন।

06/05/2025

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাংলাদেশে আগমন উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এ এম শোয়াইব এর নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
আনন্দ মিছিলটি ক্যাম্পাসের জব্বারের মোড় থেকে শুরু করে কে.আর মার্কেটে এসে শেষ হয়।

#ছাত্রদল #বাকৃবি

06/05/2025
বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফার আলোকে বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে মে দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য-ড. একেএম শামছুল ইসলামভূমিকা: শ্রমি...
02/05/2025

বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফার আলোকে বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে মে দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য
-ড. একেএম শামছুল ইসলাম

ভূমিকা: শ্রমিকের ঘাম, রাষ্ট্রের ভিত্তি

মে দিবস শুধু একটি দিবস নয়—এটি হচ্ছে শ্রমিক শ্রেণির অধিকারের ইতিহাস, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের এক গৌরবগাঁথা। ১৮৮৬ সালের শিকাগোর হে মার্কেটের আন্দোলনের রক্তিম অধ্যায় আজও বিশ্বব্যাপী শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের অনুপ্রেরণা। বাংলাদেশে মে দিবসের তাৎপর্য নতুন করে বিশ্লেষণের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে, বিশেষ করে একনায়কতান্ত্রিক দুঃশাসন ও ন্যায্য শ্রম অধিকার হরণকারী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবের প্রেক্ষাপটে। এই প্রস্তাবনাগুলোর আলোকে বর্তমান শ্রমিক-শ্রেণির অবস্থান, তাদের চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বিশ্লেষণ করা সময়োপযোগী।

১.৩১ দফার প্রাসঙ্গিকতা ও মে দিবসের অন্তঃসার

বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির মূল উপজীব্য হচ্ছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, অর্থনীতি, আইন, প্রশাসন এবং নাগরিক অধিকার সংস্কারের মাধ্যমে একটি জনগণের রাষ্ট্র গঠন। এতে শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, ন্যায্য মজুরি, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, শ্রমিক ইউনিয়নের স্বাধীনতা, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন, ও পেনশন প্রাপ্তি ইত্যাদি বিষয়ে সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

যেমন ৩১ দফার ১৮ নম্বর প্রস্তাবে বলা হয়েছে:
"শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) কনভেনশন অনুযায়ী ট্রেড ইউনিয়ন করার পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করা হবে।"

এটি শ্রমিকদের সংগঠিত হবার এবং শ্রম শোষণের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে অবস্থান নেবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত ভিত্তি প্রদান করে।

২.বাংলাদেশের শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীর বর্তমান চিত্র

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার বিশাল অংশ শ্রমজীবী। গার্মেন্টস, নির্মাণ, পরিবহন, কৃষি, এবং প্রবাসী শ্রমিক—এই পাঁচটি খাতে শ্রমিকদের সংখ্যা কয়েক কোটি। এদের মধ্যে অনেকেই ন্যূনতম মজুরি, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মস্থলের নিরাপত্তা এবং সামাজিক সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত। বিশেষ করে নারী শ্রমিকরা বৈষম্য, হয়রানি, এবং শ্রম অধিকার লঙ্ঘনের শিকার হন।

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার একদিকে ‘উন্নয়ন উন্নয়ন’ বলে প্রচার করলেও শ্রমজীবী মানুষকে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। মজুরি কাঠামো অস্বচ্ছ, শ্রমিকদের দাবিতে দমন-পীড়ন, এবং পেটোয়া বাহিনী দিয়ে আন্দোলন দমন—এসবই প্রমাণ করে মে দিবসের দাবি আজও অপ্রাসঙ্গিক হয়নি।

৩.৩১ দফা ও শ্রমনীতি: একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণ

বিএনপির ৩১ দফার আলোকে যে শ্রমনীতি প্রণয়নের কথা বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের তথাকথিত 'শ্রমিক বান্ধব উন্নয়ন' নীতির সঙ্গে মৌলিকভাবে পার্থক্যপূর্ণ এবং আদর্শগতভাবে স্পষ্ট। আওয়ামী লীগ সরকারের শ্রমনীতি যেখানে বেশিরভাগ সময়েই পৃষ্ঠতলের উন্নয়ন, রাজনৈতিক আনুগত্য, এবং মালিক শ্রেণির স্বার্থ রক্ষায় সীমাবদ্ধ ছিল, সেখানে বিএনপির প্রস্তাবিত নীতি শ্রমিকের ক্ষমতায়ন, আইনী সুরক্ষা, এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির ওপর জোর দেয়।

আওয়ামী লীগের 'শ্রমিক বান্ধব' প্রচারণা মূলত গার্মেন্টস ও নির্মাণ খাতের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির ঘোষণা, কিছু বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন এবং নির্বাচিত সেক্টরে আংশিক শ্রম আইন প্রয়োগে সীমাবদ্ধ ছিল। বাস্তবে, এই নীতিগুলোর বাস্তবায়নে তদারকি দুর্বল, মালিক পক্ষের আধিপত্য সুস্পষ্ট এবং শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার স্বাধীনতা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত।

অন্যদিকে, বিএনপির ৩১ দফায় বলা হয়েছে:

ক.স্বাধীন ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করা হবে, যা আইএলও কনভেনশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

খ.শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নির্ধারণে স্বতন্ত্র মজুরি কমিশন গঠন করা হবে, যাতে সরকার, শ্রমিক ও মালিক প্রতিনিধিদের সমান অংশগ্রহণ থাকবে।

গ.কারখানা ও কর্মস্থলে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে শ্রম নিরীক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হবে।

ঘ.সমান কাজের জন্য সমান মজুরি, নারী ও পুরুষ শ্রমিকদের জন্য বাস্তবায়ন করা হবে।

ঙ.প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য কর্মসংস্থান চুক্তির স্বচ্ছতা এবং সুরক্ষা বিধান সংবলিত আইনি কাঠামো গড়ে তোলা হবে।

চ.অবসরকালীন পেনশন এবং দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতিপূরণ বাধ্যতামূলক করা হবে।

৪.মে দিবসের প্রকৃত তাৎপর্য ও বাংলাদেশের বাস্তবতা

আজকের মে দিবসে বাংলাদেশে শ্রমিকরা কোনো বর্ণাঢ্য অর্জনের গল্প শোনাতে পারে না। বরং তারা বলবে কীভাবে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে আগুনে পুড়ে মারা গেছে সহকর্মী, কীভাবে সারা মাস কাজ করেও বেতন পায়নি, কীভাবে ইউনিয়ন করতে গিয়ে চাকরি হারিয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে বিএনপি ৩১ দফার আলোকে মে দিবসের তাৎপর্য নতুনভাবে ধরা দেয়—এটি কেবল ‘শ্রমিক দিবস’ নয়, বরং ‘শ্রমিক মুক্তির দিন’-এর প্রতীক হতে পারে, যদি এই সংস্কার প্রস্তাবসমূহ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠন করা যায়।

৫.ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার: ক্ষমতার কেন্দ্র না প্রতিবাদীর মুখপত্র?

আওযামী লীগ সরকারের আমলে ট্রেড ইউনিয়ন পুরোপুরি সরকারনির্ভর ও দলীয় অনুগত হয়ে পড়েছিল। শ্রমিকের ভাষায় নয়, বরং মালিক ও সরকারের ভাষায় কথা বলতো। অথচ ৩১ দফায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে ট্রেড ইউনিয়নের স্বাধীনতা, প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি এবং মালিক-শ্রমিক সমন্বয়ের কাঠামো গড়ে তোলার কথা। ফলে মে দিবসে শ্রমিকের কণ্ঠস্বরকে কেবল স্মরণ নয়, বরং পুনর্জাগরণের একটি উপলক্ষ হিসেবে বিবেচনা করাই বাস্তবসম্মত।

৬.প্রবাসী শ্রমিক: বৈদেশিক রেমিটেন্সের নায়ক, রাষ্ট্রের অবহেলিত সৈনিক

বিএনপির ৩১ দফার আলোকে প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য একটি পৃথক নীতির কথা বলা হয়েছে—যাতে তাদের সুরক্ষা, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, এবং প্রত্যাবর্তনের পর পুনর্বাসন নিশ্চিত হয়। মে দিবসে এই বিশাল জনগোষ্ঠীর অবদানকে স্মরণ করার পাশাপাশি, তাদের অধিকারের প্রশ্নে একটি রাষ্ট্রনৈতিক অঙ্গীকার জরুরি।

৭.নারীর শ্রম: 'শ্রমিক' না 'দুই নম্বর মানুষ'?

নারী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে বৈষম্য দ্বিগুণ। গার্মেন্টস, চা বাগান, এবং বাসাবাড়ির গৃহকর্মী হিসেবে যেসব নারী কাজ করেন, তাদের অনেকেই যৌন হয়রানি, বেতন বৈষম্য এবং সামাজিক অবহেলার শিকার। ৩১ দফায় নারী শ্রমিকদের জন্য পৃথক সুরক্ষা আইনের কথা বলা হয়েছে—যা বাস্তবায়ন হলে মে দিবস কেবল পুরুষ শ্রমিকদের জন্য নয়, বরং সকল শ্রমিকের মুক্তির দিনে রূপান্তরিত হতে পারে।

৮.রাজনৈতিক মুক্তি ও শ্রমিক অধিকারের সংযোগ

বাংলাদেশের ইতিহাসে রাজনীতি ও শ্রমিক আন্দোলন বরাবরই সংযুক্ত। ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলনে শ্রমিকদের ভূমিকা, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে শ্রমিক-কৃষকের ঐক্য, ১৯৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, ২০২৪ ছাত্র জনতার সাথে শ্রমিকদের অংশগ্রহণ—এই ধারাবাহিকতা আজও চলমান। বিএনপির ৩১ দফা এক অর্থে এই ঐতিহাসিক ঐক্যকেই পুনরুজ্জীবিত করতে চায়, যার মাধ্যমে শ্রমিক আন্দোলনকে গণতান্ত্রিক উত্তরণের বাহন হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

৯.ভবিষ্যতের বাংলাদেশ: শ্রমিকবান্ধব রাষ্ট্রের রূপরেখা

মে দিবসের তাৎপর্য কেবল অতীত স্মরণ নয়—এটি ভবিষ্যতের রূপরেখা নির্ধারণেরও দিন। বিএনপি যদি ৩১ দফা বাস্তবায়ন করে, তাহলে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি মানবিক, শ্রমিক-মেধানির্ভর রাষ্ট্রে রূপান্তরিত হতে পারে। যেখানে শ্রমিক হবে অংশীদার, করুণার বিষয় নয়।

উপসংহার: মে দিবস হোক ৩১ দফা বাস্তবায়নের আহ্বান

২০২৫ সালের মে দিবস এমন এক সময়ে এসেছে যখন দেশের শ্রমিক শ্রেণি একদিকে দারিদ্র্য ও বৈষম্যের শিকার, অন্যদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও দমন-পীড়নের মাঝে একটি পরিবর্তনের আশা খুঁজছে। বিএনপির ৩১ দফা সেই আশার আলো জ্বালাতে পারে। তবে তা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক অঙ্গীকার, জনসম্পৃক্ততা এবং শ্রমিক নেতৃত্বের নতুন ঐক্য।

মে দিবসে এটাই হোক আমাদের দৃপ্ত প্রতিজ্ঞা—আমরা একটি গণতান্ত্রিক, শ্রমিকবান্ধব, সুশাসিত বাংলাদেশ চাই। যে বাংলাদেশে শ্রমিক কেবল উন্নয়নের উপকরণ নয়, বরং উন্নয়নের শরিক হবে।

লেখক: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম, পিএসসি, জি (অব.), সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক।

বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত সভাপতি কৃষিবিদ ড. নাজমুল করিম খান। বৃহত্তর ময়মনসিংহের কৃতি সন্তান, বাংলাদ...
02/05/2025

বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত সভাপতি কৃষিবিদ ড. নাজমুল করিম খান।

বৃহত্তর ময়মনসিংহের কৃতি সন্তান, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী এলামনাই, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সম্মানিত পুলিশ কমিশনার, বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি কৃষিবিদ ড. নাজমুল করিমখান ভাই বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএসএ) সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। নাজমুল ভাইয়ের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে এ প্রত্যাশা দেশের সকল জনগণের।

মহান মে দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে নয়াপল্টনে “শ্রমিক জনতার সমাবেশ” এ শ্রমিক জনতার ঢল।
01/05/2025

মহান মে দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে নয়াপল্টনে “শ্রমিক জনতার সমাবেশ” এ শ্রমিক জনতার ঢল।

মহান মে দিবস উপলক্ষে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান নিম্নোক্ত বাণী দিয়েছেন :-বাণী_“আন্তর্জাতিক শ্রমিক দ...
01/05/2025

মহান মে দিবস উপলক্ষে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান নিম্নোক্ত বাণী দিয়েছেন :-

বাণী_
“আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস, যা মহান ‘মে দিবস’ হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত, আজকের এই দিনে আমি দেশে-বিদেশে কর্মরত সকল শ্রমজীবী মানুষ, যারা নিজের জীবন বাজি রেখে জীবিকার জন্য, পরিবারের জন্য, সমাজের সর্বোপরি দেশের উন্নয়নের জন্য কর্মে নিয়োজিত আছেন তাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও সংগ্রামী সালাম। ১৮৮৬ সালের মে মাসে ৮ ঘন্টা কর্মদিবসসহ শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার আদায় করতে গিয়ে অ্যামেরিকার শিকাগো শহরে ‘হে মার্কেটে’ জীবনদানকারী এবং এই আন্দোলনের জন্য ফাঁসিকাষ্ঠে আত্মদানকারী প্রতিবাদী শ্রমিকদের স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।
এই দিবস আন্তর্জাতিক শ্রমিক আন্দোলনের উদ্যাপন দিবস। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শ্রমজীবী মানুষ এবং শ্রমিক সংগঠনসমূহ রাজপথে সংগঠিতভাবে মিছিল ও শোভাযাত্রার মাধ্যমে দিবসটি পালন করে। সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ছিলেন একজন যথার্থ শ্রমিক। তিনি নিজেকে সবসময় একজন শ্রমিক হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করতেন। শ্রমিকদের দুটো হাতকে তিনি উন্নয়নের চাবিকাঠি বলতেন। এদেশের শ্রমিকের কল্যাণে তিনি যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন।
এদেশে শ্রম আইন সংস্কার ও আধুনিকীকরণ, বেতন ও মুজুরী কমিশন গঠন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের নুন্যতম মজুরী নির্ধারণ, বাস্তবায়ন ও তাদের বোনাস প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ, শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন গঠন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের সন্তানদের চিকিৎসা ও তাদের লেখা পড়ার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের শ্রমিক সমাজের ভাগ্যোন্নয়নে যথাযথ কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন। আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি শ্রমিক রয়েছে পোশাক শিল্পে। এই শিল্পে শহীদ জিয়ার রহমানের অবদান অবিস্মরণীয়। পোশাক শ্রমিকদের কল্যানে দেশ আজ ক্রমবর্ধমান অগ্রগতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। আগামীতেও বিএনপি ক্ষমতাসীন হলে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের কল্যান ও অগ্রগতি অব্যাহত থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ঘোষণা করছি।
দুঃশাসনের প্রকোপে শ্রমিক শ্রেনী ছিল সবচেয়ে নিপীড়িত। গতবছর গণঅভ্যূত্থানে ছাত্রদের সাথে শ্রমিকদের আত্মদানের মাধ্যমে আওয়ামী ফ্যাসীবাদের পতন হয়। এখন শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়নের জন্য কোন প্রতিবন্ধকতা থাকার কথা না। তথাপিও শ্রমিকরা অবহেলিত ও অধিকার বঞ্চিত। দেশে উৎকৃষ্ট গণতন্ত্রের সমাজভূমি নির্মিত হলেই শ্রমজীবী মানুষের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা পাবে। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ও মূল্যস্ফীতির চাপে শ্রমজীবী মানুষ এখনো দুঃখ-কষ্টে জীবন যাপন করছে।
শুধু বাংলাদেশেই নয়, দুনিয়াজুড়ে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং শোষণ মুক্তির সংগ্রাম বেগবান করার লক্ষ্যে মহান মে দিবসে শপথ নিতে হবে।
আমি মহান মে দিবসের সকল কর্মসূচির সার্বিক সফলতা এবং তাদের উত্তরোত্তর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করি।
আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।"

01/05/2025

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেবল একটি ছাত্র সংগঠন নয়, এটি একটি আদর্শ, যা স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও মুক্ত চিন্তার প্রতীক।

#ছাত্রদল #বাকৃবি #ময়মনসিংহ

Address

BAU
Mymensingh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Media Cell - বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বাকৃবি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share